ঢাকা ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
শেষটায় মেসি-রোনালদোর প্রথম দ্বৈরথ দেখা যাবে? নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু আজ আশার প্রদীপ ডেভিড মরক্কো শিবিরে বড় ধাক্কা, নেইমারকে নিয়ে এখনো দোলাচলে ব্রাজিল গোলের চেয়ে লাল কার্ড বেশি, লজ্জার ইতিহাস ৪০ বছর বয়সেও অদম্য জিকো মাঠে উল্লাস, বাইরে মৃত্যু বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে ৩ লাল কার্ড, জয়ে শুরু মেক্সিকোর বিশ্বকাপ ফুটবল ও গাজাবাসীর বাস্তবতা কানাডার স্বপ্নযাত্রা নাকি বসনিয়ার চমক? রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হলেন মরিনিও পেনাল্টি শূন্য ম্যারাডোনা কুইনোনসের গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে মেক্সিকো ৬০০ ভক্তের যাতায়াত খরচ দেবেন জার্মানির ফুটবলাররা ‘ফিফা বিশ্বের রাজা নয়’ শাকিরার সুরের মূর্ছনায় বিশ্বকাপের বর্ণিল উদ্বোধন দর্শকের ভালোবাসাই আমার জীবনের সেরা প্রাপ্তি: সূচরিতা বিইউপি মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন ক্লাবের আয়োজনে আনস্ক্রিপ্টেড ১.০ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট দলে তাওহিদ-রবিউল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা বাংলাদেশের খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস পরাশক্তিরা যেদিন মাঠ ছেড়েছিল কান্নাভেজা চোখে দেশে ফের ভূমিকম্প অনুভূত আবারও রক্তাক্ত কাশ্মীর, সংঘর্ষে নিহত ১৬ সরকারের এই বাজেট ঐতিহাসিক প্রস্তাবিত বাজেট রাজনৈতিক চমকবাজি ছাড়া আর কিছু নয়: জাসদ ক্রিকেটার নাসির-তামিমাকে খালাস দেওয়ার পেছনে বিচারকের পর্যবেক্ষণ জাতীয় সংসদের জন্য বরাদ্দ ২৯১ কোটি টাকা বাজেট ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ: ইসি পাবে ৪ হাজার ৪০১ কোটি টাকা বড় বাজেটের বোঝা কী জনগণের ঘাড়েই, প্রশ্ন বাসদের
Nagad desktop

সাক্ষাৎকার জ্বালানির মান নিশ্চিত করা জরুরি

প্রকাশ: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৪:৩৯ পিএম
আপডেট: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৪:৪৩ পিএম
জ্বালানির মান নিশ্চিত করা জরুরি
র‌্যাংগস মটরসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আহমেদ শাহরিয়ার আনোয়ার। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে বাড়ছে গাড়ির চাহিদা। সেই সঙ্গে বাড়ছে বাণিজ্যিক যানবাহনের ব্যবহার। অটোমোবাইলশিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি, চ্যালেঞ্জ, সমস্যা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে খবরের কাগজ কথা বলেছে র‌্যাংগস মটরসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আহমেদ শাহরিয়ার আনোয়ারের সঙ্গে।

খবরের কাগজ: অটোমোবাইলশিল্পের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে আপনার মতামত কী? 

আহমেদ শাহরিয়ার আনোয়ার: বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নের ফলে অটোমোবাইলশিল্পে চাহিদা বাড়ছে। রাস্তা, সেতু ও অন্যান্য উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলো যাতায়াতে সময় কম লাগছে। এর ফলে এই শিল্পের ওপর একটা ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে, যা কমার্শিয়াল যানবাহনের চাহিদা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে। আবার অটোমোবাইলশিল্পে অবকাঠামোগত উন্নয়ন নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছে। বাংলাদেশে অটোমোবাইল প্ল্যান্ট ও ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিট স্থাপনের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে।

খবরের কাগজ: বাংলাদেশে অটোমোবাইলশিল্পের প্রধান বাধাগুলো কী এবং সেগুলো কীভাবে অতিক্রম করা যায়?

আহমেদ শাহরিয়ার আনোয়ার: এই শিল্পের জন্য নীতিগত সহায়তা খুবই জরুরি। ইঞ্জিনচালিত যানবাহনের ক্ষেত্রে কিছু ফুয়েল স্ট্যান্ডার্ড (জ্বালানি মান) আছে। ইউরো-২ বা বিএস ২, বিএস-৪ ও বিএস-৬ দিয়ে জ্বালানির মান নির্দেশ করা হয়। আমাদের দেশে বিএস-২ মানের ফুয়েল সরবরাহ আছে। আমাদের দেশে ইউরো-৪ বা বিএস ফোর স্ট্যান্ডার্ডের জ্বালানি বাজারে নেই। এর ফলে পরিবেশবান্ধব যানবাহন ব্যবহারে বাধা সৃষ্টি হয়। ইউরোপে এখন বিএস-৬ মান অনুসরণ করা হয়। আমাদের ভালোমানের পরিশোধন করা জ্বালানি প্রয়োজন, যা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ ছাড়া কারিগরি দক্ষতার ঘাটতি রয়েছে। আমাদের প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের অভাব রয়েছে। নকল যন্ত্রাংশে বাজার সয়লাব, যা নিয়ন্ত্রণে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেই। ফলে গ্রাহকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

খবরের কাগজ: সরকার কীভাবে এ শিল্পকে আরও এগিয়ে নিতে পারে বলে আপনি মনে করেন?

আহমেদ শাহরিয়ার আনোয়ার: আমার মতে, সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ট্যাকনিক্যাল ও দক্ষ জনবল তৈরিতে গুরুত্ব দেওয়া। আমাদের দেশে অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা করা লোকের সংখ্যা খুবই কম। সাম্প্রতিক সময়ে দেশে সামান্য কিছু গাড়ি অ্যাসেম্বলিং (সংযোজন) হচ্ছে, যা একজন অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারের জন্য যথেষ্ট নয়। বিদেশি প্রতিষ্ঠান যেমন টয়োটা, হুন্দাই, কিয়ার-এর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে অ্যাসেম্বলি প্ল্যান্ট স্থাপন করা গেলে, তারা আগ্রহী হতে পারে। আমাদের মেকানিক ও ড্রাইভারদের দক্ষতা ও জ্ঞানের অভাব রয়েছে। তাদের প্রশিক্ষণের প্রয়োজন। এসব দিকে নজর দিলে এই শিল্পকে অনেক দূর নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

খবরের কাগজ: বাণিজ্যিক যানবাহন নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করার অভিজ্ঞতায় এই ক্ষেত্রে কী কী সমস্যা দেখেন ও র্যাংগস মোটরস কীভাবে কাজ করছে?

আহমেদ শাহরিয়ার আনোয়ার: বাণিজ্যিক যানবাহনের ক্ষেত্রে আমাদের পরিবেশবান্ধবের দিকে নজর দিতে হবে। আমাদের জ্বালানি মান নির্ধারণ করতে হবে। কিছু ক্ষেত্রে এখনো ইউরো-২ বা বিএস-২ মানের উচ্চ কার্বন নিঃসরণকারী গাড়ি চলছে, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। প্যাসেঞ্জার গাড়ির ক্ষেত্রে আমরা হাইব্রিড বা ইলেকট্রিক গাড়ির কথা বলি, কিন্তু বাণিজ্যিক যানবাহনের ক্ষেত্রে পরিবেশবান্ধব বিষয়টি উপেক্ষিত। বাণিজ্যিক যানবাহন কীভাবে পরিবেশবান্ধব করব তা নিয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা নেই। এ বিষয়ে আরও মনোযোগ দেওয়া উচিত। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের মাধ্যমে কীভাবে ই-ভি চার্জিং স্টেশন স্থাপন করা যায়, সে বিষয়েও আমাদের ভাবতে হবে।

বাণিজ্যিক যানবাহন সেগমেন্টে অন্যতম দুটি চ্যালেঞ্জ হলো অর্থায়ন ও পার্কিং। আমাদের গ্রাহকদের জন্য সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করতে হবে। বেশির ভাগ গ্রাহকের মর্টগেজ দেওয়ার মতো কিছু না থাকায় তারা ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ পায় না। শেষ পর্যন্ত আমাদের তাদের অর্থায়ন করতে হয়। দ্বিতীয়ত, বাণিজ্যিক গাড়ির জন্য পর্যাপ্ত পার্কিংয়ের ব্যবস্থা নেই। ঢাকার তেজগাঁও, কমলাপুর, মতিঝিলসহ বিভিন্ন রাস্তায় পার্কিংয়ের কারণে যানজট সৃষ্টি হয়। এই বিষয়ে সরকারের জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

খবরের কাগজ: এ সমস্যার সমাধানে কী করা যেতে পারে?

আহমেদ শাহরিয়ার আনোয়ার: বাণিজ্যিক গাড়ির জন্য বিশেষ পার্কিং জোন তৈরি করতে হবে। রাতের বেলা রাস্তার ওপর পার্কিং বন্ধ করতে হবে। ঢাকার বাইরে রিমোট পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে গাড়িগুলো শহরের বাইরে পার্ক করা যায়।

খবরের কাগজ: বাংলাদেশে বাণিজ্যিক যানবাহনের বাজার কত বড়?

আহমেদ শাহরিয়ার আনোয়ার: বিআরটিএর তথ্যানুযায়ী, ২০১০-২০২৪ সালে আমাদের মোট আমদানি ছিল ৩ লাখ ১০ হাজার, যার মধ্যে মাত্র প্রায় ৪ শতাংশ ছিল বাণিজ্যিক যানবাহন।

খবরের কাগজ: পুরনো অর্থাৎ ফিটনেসবিহীন গাড়ি ব্যবহার কমাতে কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত?

আহমেদ শাহরিয়ার আনোয়ার: সরকার সম্প্রতি এ বিষয়ে কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। ২০ থেকে ২৫ বছরের পুরনো গাড়ি বাতিলের কথা উঠেছে। এটি কার্যকর হলে আমরা উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখব। তবে এর জন্য আমাদের শিক্ষা ও সচেতনতা বাড়াতে হবে।

খবরের কাগজ: র‌্যাংগস মটরস কী ধরনের গাড়ি বাজারজাত করছে?

আহমেদ শাহরিয়ার আনোয়ার: র‌্যাংগস মটরস মূলত ভারী ট্রাক বাজারজাত করছে। কমার্শিয়াল গাড়ি আমদানি ও ডিস্ট্রিবিউশন করে থাকে। যেহেতু আমদানি করা গাড়িগুলো বাই রোডে আসে, তাই কয়েক শ কিলোমিটার চলে। সেটাকে আরও ফ্রেশনেস দেওয়ার জন্য, আমরা গাড়িগুলো নিজেরা এখন অ্যাসেম্বলি করি। আমরা ভলভো, আইশার ও মাহিন্দ্রার কিট আমদানি করে এখানে সংযোজন করি। এর মাধ্যমে আমরা কিছু কর্মসংস্থান তৈরি এবং প্রযুক্তিগত জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে পারছি। 

খবরের কাগজ: পরিবহন খাতে নতুন কমার্শিয়াল ভেহিকেল বা বাণিজ্যিক যানবাহন যুক্ত হলে পরিবেশে কী প্রভাব পড়বে? 

আহমেদ শাহরিয়ার আনোয়ার: এটি নির্ভর করে আমাদের দেশে ব্যবহৃত পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের বিশুদ্ধতার ওপর। আমাদের সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কোনো সুনির্দিষ্ট মান নেই। আমাদের রাস্তায় চলাচলকারী বেশির ভাগ গাড়ি বিএস-২ মানের। র‌্যাংগস মটরস বিএস-৪ মানের গাড়ি বাজারজাত করে, যা সালফার কনটেন্ট ৯০ শতাংশ, কার্বন মনোক্সাইড ও হাইড্রোকার্বন ৫০ শতাংশ এবং পার্টিকুলেট ম্যাটার ৮৪ শতাংশ কমাতে পারে। তবে আমাদের ফুয়েল সিস্টেম বিএস-৪ মানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ না হওয়ায় কিছু সমস্যা হয়। এ ক্ষেত্রে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করতে হবে।

খবরের কাগজ: অর্থনৈতিক অঞ্চলে অটোমোবাইলশিল্পের সম্ভাবনা কেমন?

আহমেদ শাহরিয়ার আনোয়ার: অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্ট স্থাপনের সুযোগ বিশাল। আমাদের দেশে এখনো কোনো পূর্ণাঙ্গ প্ল্যান্ট নেই। আমরা শুধু সংযোজন করি। এখানে ভ্যালু অ্যাডিশনের অনেক সুযোগ আছে। তবে এর জন্য সরকারকে রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানি কমানোর পাশাপাশি বিনিয়োগবান্ধব নীতি গ্রহণ করতে হবে। যেন দেশীয় শিল্প গড়ে ওঠে। বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে প্ল্যান্ট স্থাপন করা গেলে প্রযুক্তি ও দক্ষতা স্থান্তরের সুযোগ সৃষ্টি হবে। আমাদের অটোমোবাইল খাত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ আছে। 

খবরের কাগজ: চালক ও এ খাতের শ্রমিকদের জন্য আপনারা কী করছেন?

আহমেদ শাহরিয়ার আনোয়ার: আমরা আমাদের গ্রাহকদের সেবার জন্য ২০টি নিজস্ব ওয়ার্কশপ ও সার্ভিস সেন্টার পরিচালনা করছি। সেখানে আমরা কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ দিই। ‘ওস্তাদ’ নামে একটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে আমরা কর্মীদের বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক টুলসের ব্যবহার শেখাই। আমরা চালকদেরও প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা করছি।

খবরের কাগজ: অটোমোবাইল খাতের উন্নয়নে কোন প্রযুক্তিগুলো প্রয়োজন বলে আপনি মনে করেন?

আহমেদ শাহরিয়ার আনোয়ার: রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট আমাদের এই সেক্টরে একদম নেই। গবেষণা ক্ষেত্রে আমারা অনেক পিছিয়ে আছি। এই ক্ষেত্রে সরকারের সহায়তা প্রয়োজন। ইলেকট্রিক ভেহিকেলের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে। এর জন্য সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতের বিনিয়োগ প্রয়োজন।

খবরের কাগজ: বাংলাদেশে অটোমোবাইল তৈরি হলে বা প্ল্যান্টের কার্যক্রম শুরু হলে দেশের বেকার সমস্যা সমাধানে এ শিল্প কতটা ভূমিকা রাখবে বলে আপনি মনে করেন?

আহমেদ শাহরিয়ার আনোয়ার: অটোমোবাইল প্ল্যান্ট স্থাপিত হলে অনেক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। আমরা যদি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের দিকে তাকাই, তাহলে দেখব তাদের এখন বিদেশি তৈরি বা আমদানি করা ভারী যানবাহনের প্রয়োজন হয় না। তারা স্থানীয় উৎপাদনের মাধ্যমেই তাদের চাহিদা পূরণ করে। আমার মনে হয়, আমাদের দেশেও তেমন সম্ভাবনা আছে। এর সঙ্গে স্পেয়ার পার্টস, টায়ার ও হুইল শিল্পের মতো আনুষঙ্গিক শিল্পও বিকশিত হবে। আমরা বর্তমানে যে ফিল্টার বাইরে থেকে আমদানি করি, সেগুলো দেশেই তৈরি হবে এবং প্রতিযোগিতামূলক বাজারে গ্রাহকরা সেরা পণ্যটি পাবে।

খবরের কাগজ: এখানে অটোমোবাইলশিল্প গড়ে উঠলে রপ্তানির সুযোগ কেমন?

আহমেদ শাহরিয়ার আনোয়ার: আপনারা দেখবেন কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান এমন কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। আমরা বাণিজ্যিক সেগমেন্টের গাড়ি আমদানি করি, তবে ট্রাকের বডি স্থানীয়ভাবে তৈরি করা হয়। কিছু ওয়ার্কশপ আছে যারা ট্রাকের বডি তৈরি করছে। এখন ভালোমানের বাসের বডিও তৈরি হচ্ছে, এমনকি মার্সিডিজ, ভলভো, স্ক্যানিয়ার মতো বাসের বডিও এখানে তৈরি হচ্ছে। ইফাদ বডির ভ্যালু অ্যাডিশন করে ভালো করেছে। আমরা যদি পূর্ণ উৎপাদনে যেতে পারি, তাহলে আফ্রিকান ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে রপ্তানি করতে পারব।

খবরের কাগজ: সরকারের কাছে আপনাদের চাওয়া কী?

আহমেদ শাহরিয়ার আনোয়ার: আমাদের প্রধান চাওয়া দুটি-নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন। প্রথমত, পরিবেশবান্ধব যানবাহন ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত নীতি তৈরি করতে হবে এবং ফুয়েলের মান নির্ধারণ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, দক্ষ জনশক্তি তৈরি ও উৎপাদন শিল্পকে সহায়তা করতে হবে।

খবরের কাগজ: নীতি নির্ধারণে বা ট্যাকনিক্যাল কমিটিতে আপনারা কীভাবে যুক্ত হতে চান?

আহমেদ শাহরিয়ার আনোয়ার: পলিসি তৈরিতে আমরা আমাদের মতামত দিতে চাই। শুধু আমদানিনির্ভর না থেকে আমরা বাংলাদেশে উৎপাদন করতে চাই। তাহলে আমাদের পলিসি সেভাবে তৈরি করতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশ অটোমোবাইলস অ্যাসেম্বলার অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বামা) ও বাংলাদেশ ইলেকট্রিক মোবিলিটি অ্যাসিয়েশন (বেমা) নামের দুটি সংগঠনের মাধ্যমে আমরা কাজ করি। আমরা তাদের সদস্য। আমরা চাই, সরকার নীতি-নির্ধারণী কমিটি ও ট্যাকনিক্যাল কমিটিতে আমাদের অন্তর্ভুক্ত করুক।

চীনের পরিবেশবান্ধব গাড়ি রপ্তানি দ্বিগুণ বেড়েছে

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৭:১৩ পিএম
চীনের পরিবেশবান্ধব গাড়ি রপ্তানি দ্বিগুণ বেড়েছে
চীনের অটোমোবাইল শিল্পের প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি এখন রপ্তানি।

চলতি বছরের মে মাসে পরিবেশবান্ধব জ্বালানিচালিত বা পরিবেশবান্ধব যাত্রীবাহী গাড়ি রপ্তানিতে বিশাল সাফল্য দেখছে চীন। দেশটির যাত্রীবাহী গাড়ি সংস্থার (সিপিসিএ) তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের মে মাসের তুলনায় এবার গাড়ি রপ্তানি ১১২.৬ শতাংশ বেড়ে ৪ লাখ ২৪ হাজার ইউনিটে পৌঁছেছে।  
তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিলের তুলনায় মে মাসে রপ্তানি বেড়েছে ৪ দশমিক ৪ শতাংশ। একই সময়ে বিদেশে পাঠানো মোট যাত্রীবাহী গাড়ির ৫৪ দশমিক ১ শতাংশই ছিল পরিবেশবান্ধব জ্বালানিচালিত যান, যা এক বছর আগের তুলনায় ৯ দশমিক ৫ শতাংশ পয়েন্ট বেশি।
রপ্তানিকৃত এনইভিগুলোর মধ্যে ব্যাটারিচালিত বৈদ্যুতিক গাড়ির অংশ ছিল ৫৯ দশমিক ৩ শতাংশ। যদিও এক বছর আগে এ হার ছিল ৬৬ দশমিক ১ শতাংশ। 
সিপিসিএ বলেছে, চীনের অটোমোবাইল শিল্পের প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি এখন রপ্তানি। অভ্যন্তরীণ বাজারে তুলনামূলক দুর্বল চাহিদার মধ্যেও চীনা গাড়ি নির্মাতারা লাতিন আমেরিকা ও ইউরোপের মতো বাজারে তাদের উপস্থিতি আরও জোরদার করেছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের কিছু বাজারে চাহিদা কমে যাওয়ার প্রভাব অনেকটাই সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছে এবং রপ্তানির ঊর্ধ্বমুখী ধারা বজায় রয়েছে।
সূত্র: সিএমজি বাংলা 

ওয়েমোর চালকহীন নতুন রোবোট্যাক্সি ‘ওজাই’

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:৩৪ পিএম
ওয়েমোর চালকহীন নতুন রোবোট্যাক্সি ‘ওজাই’
ওয়েমোর তৈরি নতুন রোবোট্যাক্সি ‘ওজাই’। ছবি: সংগৃহীত

চালকহীন গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়েমো তাদের তৈরি নতুন রোবোট্যাক্সি ‘ওজাই’ উন্মুক্ত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো, লস অ্যাঞ্জেলেস ও ফিনিক্সের যাত্রীরা এখন এই স্বয়ংক্রিয় গাড়িতে যাতায়াত করতে পারবেন। প্রাথমিক অবস্থায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এই সেবা বিনামূল্যে দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

বিশেষভাবে তৈরি এই রোবোট্যাক্সি ওয়েমোর জন্য একটি বড় মাইলফলক। এর আগে প্রতিষ্ঠানটি সাধারণ বাণিজ্যিক গাড়িকে রূপান্তর করে চালকহীন হিসেবে ব্যবহার করত। ভ্যান আকৃতির এই গাড়িটি বেশ বড় ও প্রশস্ত। এটি টেসলার ছোট আকারের সাইবার ক্যাবের সম্পূর্ণ বিপরীত, যাতে মাত্র দুজন মানুষ মালামালসহ বসতে পারেন।

চীনের গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘জিকর’ ওজাই গাড়িটি তৈরি করেছে। পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় ওয়েমোর নিজস্ব কারখানায় এতে স্বয়ংক্রিয় চালনা প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়।

গাড়িটিতে যাত্রীদের বসার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা, তিনটি স্ক্রিন এবং চার্জিং পোর্ট রয়েছে। এতে ওয়েমোর ষষ্ঠ প্রজন্মের নতুন চালনা সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছে। এই প্রযুক্তির ফলে গাড়িটির ক্যামেরা সেন্সর ২৯টি থেকে কমিয়ে ১৩টিতে আনা সম্ভব হয়েছে। এতে লিডার ও রাডার সেন্সরের সংখ্যাও কমেছে। ফলে প্রতিটি গাড়ি তৈরিতে খরচ পড়ছে ২০ হাজার ডলারের কম।

নতুন সফটওয়্যারের জন্য বরফাবৃত ও ঠাণ্ডা শহরের রাস্তায় গাড়িটি চলতে সক্ষম। এর আগে ওয়েমো কেবল উষ্ণ অঞ্চলের শহরগুলোতে সীমাবদ্ধ ছিল। এই সুবিধার কারণে প্রতিষ্ঠানটি এখন শিকাগো শহরে তাদের সেবা চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে।

বর্তমানে আমেরিকার ১১টি প্রধান শহরে ওয়েমোর স্বয়ংক্রিয় গাড়ি সেবা চালু রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানটি ২ কোটিরও বেশি সফল ট্রিপ সম্পন্ন করেছে, যা এই খাতের যেকোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানের চেয়ে অনেক বেশি।

তবে চলতি মাসের শুরুতে বন্যার পানিতে গাড়ি চলে যাওয়ার কারণে দুটি শহরে ওয়েমো তাদের সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছিল। এই ঘটনার পর প্রায় ৪ হাজার গাড়ি ফিরিয়ে নেয় প্রতিষ্ঠানটি।

টেসলার রোবোট্যাক্সি সেবায় ধীরগতি

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:২৫ পিএম
টেসলার রোবোট্যাক্সি সেবায় ধীরগতি
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল হাইওয়ে ট্রাফিক সেফটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এনএইচটিএসএ) একটি নতুন প্রতিবেদনে টেসলার চালকহীন রোবোট্যাক্সি সেবার ধীরগতির চিত্র উঠে এসেছে। তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক কিছু সড়ক দুর্ঘটনা রিমোট অপারেটরের মাধ্যমে গাড়ি চালানোর সময় ঘটেছে। এতদিন টেসলা ব্যবসায়িক গোপনীয়তার স্বার্থে এসব তথ্যের কিছু অংশ প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে আসছিল।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টেসলার এই সেবা দীর্ঘ অপেক্ষার সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। ডালাসে এক সাংবাদিকের মাত্র ২০ মিনিটের পথ পাড়ি দিতে প্রায় দুই ঘণ্টা সময় লেগেছে। এছাড়া অনেক ক্ষেত্রে গন্তব্যের নির্ধারিত এলাকার ভেতরে থাকার পরও গাড়িগুলো যাত্রীদের মূল গন্তব্য থেকে ১৫ মিনিট দূরে নামিয়ে দিয়েছে।

টেকক্রাঞ্চের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের জুলাই থেকে টেক্সাসের অস্টিনে অন্তত দুটি দুর্ঘটনা ঘটেছে যখন গাড়িগুলো দূর থেকে অন্য একজন চালক নিয়ন্ত্রণ করছিলেন। অস্টিনে টেসলা তাদের রোবোট্যাক্সি সেবা শুরু করে। দুর্ঘটনার সময় গাড়িগুলোতে যাত্রী না থাকলেও একজন করে নিরাপত্তা পরিদর্শক উপস্থিত ছিলেন।

প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে গত বছরের জুলাইয়ে। তখন একজন নিরাপত্তা পরিদর্শক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ নিতে সাহায্য চাইলে দূরবর্তী অপারেটর গাড়ির গতি বাড়িয়ে দেন। এতে গাড়িটি রাস্তার পাশে একটি ধাতব বেড়ায় আঘাত করে। দ্বিতীয় দুর্ঘটনাটি ঘটে চলতি বছরের জানুয়ারিতে। তখন একজন রিমোট অপারেটর গাড়ির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর সেটি একটি নির্মাণাধীন এলাকার অস্থায়ী ব্যারিকেডে আঘাত করে। তখন গাড়ির গতি ছিল ঘণ্টায় প্রায় ৯ মাইল।

অন্যান্য স্বয়ংক্রিয় গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো দূরবর্তী মনিটরিং ব্যবস্থা ব্যবহার করলেও তারা সরাসরি গাড়ি চালায় না, বরং সফটওয়্যারকে সহায়তা করে। তবে টেসলার ক্ষেত্রে অপারেটররা সরাসরি গাড়ি চালান। টেসলার সব দুর্ঘটনা অবশ্য রিমোট অপারেটরের কারণে ঘটেনি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে রোবোট্যাক্সি অন্য গাড়ির আয়নায় আঘাত করেছে। অন্য একটি ঘটনায় রাস্তায় আচমকা চলে আসা একটি কুকুরকে গাড়িটি এড়াতে পারেনি, তবে কুকুরটি বেঁচে যায়।

স্বয়ংক্রিয় গাড়ির ক্ষেত্রে দুর্ঘটনা বা সফটওয়্যার জটিলতা নতুন কিছু নয়। টেসলার প্রতিদ্বন্দ্বী ওয়েমোকেও এমন সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবে টেসলার এই ধারাবাহিক সমস্যাগুলো ইঙ্গিত দেয়, প্রতিযোগীদের সমকক্ষ হতে প্রতিষ্ঠানটিকে এখনো দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে।

দীর্ঘ ভ্রমণের আগে গাড়ির প্রস্তুতি

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:২১ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:২৫ পিএম
দীর্ঘ ভ্রমণের আগে গাড়ির প্রস্তুতি
ছবি: সংগৃহীত

পরিবার কিংবা বন্ধুদের নিয়ে দূরে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার আনন্দ অন্যরকম হয়ে থাকে। তবে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার আগে গাড়ির অবস্থা পরীক্ষা করা জরুরি। মাঝপথে গাড়ি বিকল হলে পুরো আনন্দ মাটি হতে পারে। তাই যাত্রার আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যাচাই করে নিলে ভ্রমণ হতে পারে আরও নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক।

ভ্রমণের শুরুতে গাড়ির ইঞ্জিন অয়েল, ব্রেক ফ্লুইড, কুল্যান্ট এবং উইন্ডশিল্ড ওয়াইপার ওয়াটার পরীক্ষা করুন। ইঞ্জিন অয়েল কম থাকলে বা পরিবর্তনের সময় হলে তা বদলে নিন। দীর্ঘ যাত্রায় ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হওয়া রোধ করতে কুল্যান্টের ভূমিকা অপরিসীম। রেডিয়েটরে কুল্যান্টের পরিমাণ ঠিক আছে কি না, তা দেখে নেওয়া জরুরি।

গাড়ির টায়ার যাত্রার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সব টায়ারের এয়ার প্রেশার বা বাতাসের চাপ পরীক্ষা করুন। টায়ারে কোনো লিক, ফাটল বা ক্ষয় আছে কি না, তা ভালোভাবে দেখে নিন। দীর্ঘ ভ্রমণের সময় গাড়িতে অতিরিক্ত মালামাল থাকে, তাই সঠিক টায়ার প্রেশার বজায় রাখা জরুরি। একই সঙ্গে গাড়ির অতিরিক্ত চাকা বা স্পেয়ার টায়ারটি ব্যবহারের উপযোগী আছে কি না এবং চাকা পরিবর্তনের টুলসগুলো গাড়িতে আছে কি না, তা নিশ্চিত করুন।

নিরাপদ যাত্রার জন্য ব্রেকের কার্যকারিতা যাচাই করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ব্রেক চাপার সময় কোনো অস্বাভাবিক শব্দ হলে বা ব্রেক কম ধরলে দ্রুত মেকানিকের শরণাপন্ন হোন। এছাড়া গাড়ির হেডলাইট, ব্যাকলাইট, ইন্ডিকেটর এবং ফগলাইটের কার্যকারিতা পরীক্ষা করুন। রাতের বেলা বা কুয়াশায় পরিষ্কার দেখার জন্য সব লাইট ঠিক থাকা আবশ্যক।

গাড়ির ব্যাটারির সংযোগস্থলগুলো পরিষ্কার আছে কি না এবং সেখানে কোনো মরিচা পড়েছে কি না, তা খেয়াল করুন। ব্যাটারির চার্জের অবস্থা দুর্বল মনে হলে তা পরিবর্তন করে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। দীর্ঘ যাত্রায় গাড়ির এসি বা এয়ার কন্ডিশনার ঠিকমতো কাজ করছে কি না, তাও দেখে নিন।

যাত্রার আগে গাড়ির প্রয়োজনীয় সব বৈধ কাগজপত্র সঙ্গে রাখুন। এর মধ্যে ড্রাইভিং লাইসেন্স, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন, ট্যাক্স টোকেন এবং ফিটনেস সার্টিফিকেট অন্যতম। বর্তমান সময়ে ডিজিটাল বা অনলাইন কপির পাশাপাশি মূল কাগজপত্রের প্রিন্ট কপি গাড়িতে রাখা নিরাপদ।
সবশেষে গাড়িতে একটি ফার্স্ট এইড বক্স, টর্চলাইট, ফায়ার এক্সটিঙ্গুইশার এবং কিছু জরুরি ওষুধ রাখুন। রাস্তায় ব্যবহারের জন্য বোতলজাত পানি এবং শুকনা খাবার সঙ্গে নেওয়া ভালো। এই ছোট ছোট প্রস্তুতি আপনার দীর্ঘ ভ্রমণকে নিরাপদ, আরামদায়ক ও দুশ্চিন্তামুক্ত রাখবে। সঠিক প্রস্তুতিই একটি সফল ভ্রমণের মূল চাবিকাঠি।

চীনের ইভি প্রযুক্তিতে গাড়ি বানাবে ভারতের টাটা

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৫:৩৯ পিএম
চীনের ইভি প্রযুক্তিতে গাড়ি বানাবে ভারতের টাটা
বৈদ্যুতিক গাড়ি অভিন্ন

ভারতের টাটা মোটরস চীনের জনপ্রিয় বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্র্যান্ড চেরির প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে তাদের প্রিমিয়াম ব্র্যান্ড ‘অভিন্ন’ ইলেকট্রিক গাড়ি তৈরি করতে যাচ্ছে। 
গণমাধ্যমের তথ্যমতে, চেরি ও জাগুয়ার ল্যান্ড রোভারের যৌথ উদ্যোগে তৈরি ‘ফ্রিল্যান্ডার’ প্লাটফর্মটি ব্যবহার করবে টাটা। গাড়িগুলো দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ুর নতুন কারখানায় তৈরি হবে। 
২০২৭ সালে অভিন্ন’র প্রথম মডেলটি বাজারজাত করার পরিকল্পনা রয়েছে টাটার। এটি চীন থেকে সরঞ্জাম এনে ভারতে সংযোজন করা হবে। 
মূলত ২০২৫ সালের মধ্যে জেএলআর-এর নিজস্ব আর্কিটেকচার ব্যবহারের আগের পরিকল্পনাটি ভেস্তে যাওয়ার পর, টাটা চীনের এই উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়। এই চুক্তির ফলে টাটা অত্যন্ত দ্রুত এবং কম খরচে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির জগতে প্রবেশ করতে যাচ্ছে টাটা। 

সূত্র: সিএমজি