ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ইনজুরিতে বিশ্বকাপ শেষ, ভাঙা হৃদয়ে অবসর ঘোষণা মৃত্যুকে হারিয়ে বিশ্বকাপ হিরো গিমেনেজ আর্জেন্টিনা শিবিরে বড় সুসংবাদ হঠাৎই অবসরে উইলিয়ামসন সিলেটের মাজারে দানের টাকার ‘বেহিসেবী’ ঘোচাতে চান ডিসি সারওয়ার বেলকুচিতে উদ্ভাবননির্ভর দেশ গঠনে বিজ্ঞান মেলা টাঙ্গাইলে এলএসডি ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন চলে গেলেন আধুনিক শিল্পের আইকন ডেভিড হকনি সনকে নিয়ে অস্বস্তিতে দক্ষিণ কোরিয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি এখন শেষ পর্যায়ে? পাকিস্তানের নতুন দাবি নাটকীয় সমাপ্তিতে ১৬ বছর পর চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান মন্তব্য ঘিরে আইনি জটিলতা, মমতার বিরুদ্ধে মামলা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার দ্বারপ্রান্তে ইরান: আরাঘচি সিলেটে ফাহিমা হত্যার ১ মাস পর চার্জশিট দিল পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়, ছয় লেন সড়ক, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন; প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারবাসীর যত প্রত্যাশা হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু ৬৪৩ আক্রান্ত ৮৪২৬৬ স্থায়ী নিয়োগসহ ছয় দফা দাবিতে রাজশাহীতে কর্মচারীদের সমাবেশ সোনারগাঁওয়ে আইফোনসহ ১৪৬ মোবাইল চুরি, প্রায় কোটি টাকা ক্ষতি শাহ আমানত বিমানবন্দরে ৬৪৭ কার্টুন সিগারেট জব্দ প্রথম ম্যাচে খেলা হচ্ছে না ডেভিসের নওগাঁয় দুইদিন মাইকিং করেও মেলেনি ব্রাজিল সমর্থক বর্তমান বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কারের সুযোগ নেই: নাহিদ ইসলাম উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন শেষ ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের ছয় হাসপাতালকে আদ্‌-দ্বীনের রোগী ভর্তি নিতে নির্দেশ হজ পালন শেষে দেশে ফিরলেন ৫২, ৪৯১ হাজি সরকার ব্যাংকমুখী নয় গণমানুষের বাজেট ঘোষণা করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘণ্টাব্যাপী বিভ্রাটের পর স্বাভাবিক ফেসবুক চট্টগ্রামে ডেঙ্গু মোকাবেলায় প্রস্তুতি গ্রহণ দেশপ্রেমের কালজয়ী কণ্ঠকে শিল্পকলার বিশেষ সম্মাননা
Nagad desktop

নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের ১৯তম প্রয়াণ দিবস আজ

প্রকাশ: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৪২ এএম
নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের ১৯তম প্রয়াণ দিবস আজ
নাট্যাচার্য ড. সেলিম আল দীন

নাট্যাচার্য ড. সেলিম আল দীনের ১৯তম প্রয়াণ দিবস আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি)। দিনটি উপলক্ষে তার কর্ম ও দর্শনের অন্যতম কেন্দ্র জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপী স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ।

‘ছুটে যেতে যেতে থমকে দাঁড়ায় একজন’- এই মূল ভাবকে কেন্দ্র করে আয়োজিত কর্মসূচির সূচনা হবে সকাল ১০টায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন কলাভবন থেকে নাট্যাচার্যের সমাধি প্রাঙ্গণ পর্যন্ত স্মরণযাত্রা ও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ অনুষ্ঠিত হবে।

এতে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কলা ও মানবিকী অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোজাম্মেল হক।

এরপর বেলা ১১টায় পুরাতন কলাভবনের সেট ল্যাব কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে সেমিনার। এতে ‘সেলিম আল দীন ও বাংলা নাট্যের বিউপনিবেশিক আত্মপরিচয়’ শীর্ষক প্রবন্ধ পাঠ করবেন নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. আমিনুল ইসলাম।

আলোচক হিসেবে অংশ নেবেন একই বিভাগের অধ্যাপক ড. ইউসুফ হাসান অর্ক এবং দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সৈয়দ নিজার।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করবেন নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. হারুন অর রশীদ খান।

নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. ফাহমিদা আক্তার বলেন, “হাজার বছরের বাংলা নাট্যধারার মাঝে সেলিম আল দীন যেমন সন্ধান করেছিলেন শিল্পের মূল সূত্র, তেমনি শিল্প সৃজনের পথে তিনি ক্রমাগত ভেঙেছেন আঙ্গিকের অবয়ব। শিল্প-অবয়বের নিরন্তর ভাঙা–গড়ায় তার নাটকে এই জনপদের জীবন উঠে এসেছে এক মহাকাব্যিক ব্যঞ্জনায়।”

তিনি আরও বলেন, “জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ এই নিরীক্ষাধর্মী ও শেকড়মুখী নাট্যকারকে স্মরণ করছে গভীর শ্রদ্ধাভরে। যার হাত ধরেই এই বিভাগের সৃষ্টি, তার অনুপস্থিতিতে তাঁর শিল্পচিন্তা ও সৃষ্টিকর্ম আজও আমাদের নিরন্তর প্রেরণার উৎস।”

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে সেলিম আল দীনের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে রাজধানী ও তার জন্মস্থান ফেনীতেও নানা আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগ আজ বিকাল ৪টায় জাতীয় নাট্যশালার কনফারেন্স কক্ষে একটি বিশেষ সেমিনারের আয়োজন করেছে। এতে ‘বাঙালির নন্দনসূত্র ও দ্বৈতাদ্বৈতবাদী শিল্পতত্ত্ব’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক রেজা আরিফ।

এ ছাড়া নাট্য সংগঠন স্বপ্নদল ও ঢাকা থিয়েটার যৌথভাবে তিন দিনব্যাপী স্মরণোৎসবের আয়োজন করেছে। এসব আয়োজনে নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের রচিত ও তাকে উৎসর্গকৃত নাটকের মঞ্চায়ন, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থাকছে।

নিজ জেলা ফেনীতেও আজ সেলিম আল দীনের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি সেখানে আলোচনা সভাও অনুষ্ঠিত হবে।

নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন ১৯৪৯ সালের ১৮ আগস্ট ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার সেনেরখীল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ২০০৮ সালের ১৮ জানুয়ারি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। স্বাধীন বাংলাদেশের নাট্যচর্চায় শিকড়সন্ধানী নাট্যরীতি প্রবর্তনে তার অবদান অনস্বীকার্য। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে তিনি প্রজন্মের পর প্রজন্ম নাট্যকর্মী গড়ে তুলেছেন।

আমানউল্লাহ খান/অমিয়/

তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬, ০৮:৫৩ এএম
তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী আজ
তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া

দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার ৫৭তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ১ জুন। ১৯৬৯ সালের এ দিনে প্রাতিষ্ঠানিক কাজে পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে গিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি।

১৯১১ সালে পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া গ্রামে মানিক মিয়ার জন্ম। বরিশালের ব্রজমোহন কলেজ থেকে ১৯৩৫ সালে বিএ পাস করে পিরোজপুর মহকুমা হাকিমের আদালতে সহকারী হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু হয়।

১৯৪৭ সালে হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দী কর্তৃক কলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক ইত্তেহাদ পত্রিকার পরিচালনা বোর্ডের সেক্রেটারি পদে যোগ দেন তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া। ১৯৪৮ সালে পত্রিকাটি বন্ধ হয়ে গেলে তিনি ঢাকায় চলে আসেন এবং সাপ্তাহিক ইত্তেফাকের সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৫৩ সালে তার সম্পাদনায় সাপ্তাহিক ইত্তেফাক ‘দৈনিক ইত্তেফাক’-এ রূপান্তরিত হয়।

মানিক মিয়ার সম্পাদনায় দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা আইয়ুব খানের সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সামরিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১৯৫৯ সালে তিনি এক বছর কারাভোগ করেন। ১৯৬৬ সালে তিনি আবারও গ্রেপ্তার হন। এ সময় দৈনিক ইত্তেফাকের প্রকাশনা নিষিদ্ধ এবং নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস বাজেয়াপ্ত করা হয়।

ফলে তার প্রতিষ্ঠিত অন্য দুটি পত্রিকা ঢাকা টাইমস ও পূর্বাণী বন্ধ হয়ে যায়। গণ-আন্দোলনের মুখে সরকার ইত্তেফাকের ওপর বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়। ফলে ১৯৬৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি পত্রিকাটি ফের প্রকাশিত হয়।

‘রাজনৈতিক ধোঁকাবাজি’, ‘রাজনৈতিক মঞ্চ’ আর ‘রঙ্গমঞ্চ’ শিরোনামে কলাম লিখে বাংলাদেশের মানুষকে স্বাধীনতাকামী করে তোলেন মানিক মিয়া। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সৃষ্টির লক্ষ্যে তিনি আমৃত্যু নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন।

আজ বিশ্ব কচ্ছপ দিবস

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৬, ০৯:৫৯ এএম
আপডেট: ২৩ মে ২০২৬, ১০:২৯ এএম
আজ বিশ্ব কচ্ছপ দিবস
ছবি: সংগৃহীত

আজ ২৩ মে বিশ্ব কচ্ছপ দিবস। পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন জীবগুলোর মধ্যে অন্যতম কচ্ছপ সম্পর্কে মানুষের মধ্যে জনসচেতনতা সৃষ্টি, এই প্রাণীর প্রতি ভালোবাসা বৃদ্ধি এবং এর সংরক্ষণে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতেই প্রতিবছর দিবসটি পালন করা হয়।

আমেরিকান টরটয়েজ রেসকিউ নামক একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ২০০০ সাল থেকে দিবসটি পালনের উদ্যোগ নেয়। এরপর থেকেই প্রতি বছর ২৩ মে সারাবিশ্বে পালিত হয়ে আসছে ‘বিশ্ব কচ্ছপ দিবস’। বিশ্বজুড়ে কচ্ছপ ও তাদের বিলুপ্তপ্রায় আবাসস্থল রক্ষায় মানুষকে উৎসাহিত করাই দিবসটির মূল উদ্দেশ্য।

সরীসৃপ শ্রেণির উভচর প্রাণী কচ্ছপ পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন জীব হিসেবে পরিচিত। শান্ত স্বভাবের এই প্রাণীর আয়ু মানুষের চেয়েও বেশি। তবে জলবায়ুর দ্রুত পরিবর্তন, পরিবেশ দূষণ ও আবাসস্থল ধ্বংসের কারণে প্রাণীটি আজ বিলুপ্তির হুমকিতে পড়েছে।

বর্তমানে পৃথিবীতে প্রায় ৩০০ প্রজাতির কচ্ছপ রয়েছে বলে জানা যায়। বাংলাদেশে রয়েছে প্রায় ২০ প্রজাতির কচ্ছপ। নদী, খাল-বিল, ডোবা, গভীর সমুদ্র, মাটির গর্ত, গাছের গুড়ি কিংবা বালুময় স্থানে এদের বসবাস। একসময় দেশের নদী-নালা, পুকুর-ডোবা ও গ্রামীণ পরিবেশে সহজেই কচ্ছপ দেখা গেলেও এখন তাদের উপস্থিতি অনেকটাই কমে গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নদী-নালা ও জলাশয় ভরাট, ঝোপঝাড় ধ্বংস, পানি দূষণ, খাদ্যাভাব এবং মানুষের নির্বিচার আক্রমণের কারণে কচ্ছপ দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে। পৃথিবীর প্রায় ৩০০ প্রজাতির কচ্ছপের মধ্যে প্রায় একশ’ প্রজাতি বর্তমানে বিপন্ন অবস্থায় রয়েছে।

কচ্ছপ সাধারণত রাতের বেলা ডিম পাড়ে। স্ত্রী কচ্ছপ মাটিতে গর্ত করে সেখানে ১ থেকে ৩০টি পর্যন্ত ডিম দেয়। ডিম পাড়ার পর সেগুলো মাটি, বালি বা জৈব পদার্থ দিয়ে ঢেকে রেখে যায়। এরপর ডিমগুলো প্রকৃতির ওপরই নির্ভরশীল থাকে। প্রজাতিভেদে ৬০ থেকে ১২০ দিনের মধ্যে ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়।

দীর্ঘায়ুর জন্যও কচ্ছপ বিশেষভাবে পরিচিত। তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে জীবিত সবচেয়ে বয়স্ক কচ্ছপের নাম ‘জোনাথন’। সেন্ট হেলেনা দ্বীপে বসবাসকারী এই কচ্ছপটির বয়স প্রায় ১৯০ বছর বলে ধারণা করা হয়। সত্য হলে এটি পৃথিবীর দীর্ঘায়ু জীবিত প্রাণীদের অন্যতম।

পরিবেশবিদরা বলছেন, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কচ্ছপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই এই প্রাণী রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি, অবৈধ শিকার বন্ধ এবং প্রাকৃতিক আবাসস্থল সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। সূত্র: ডেইজ অব দ্য ইয়ার

আমান/

গৌরীপুরে ব্রজেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরীর জন্মদিন উদযাপন

প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৬, ০৪:০২ পিএম
আপডেট: ১৩ মে ২০২৬, ০৪:০৪ পিএম
গৌরীপুরে ব্রজেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরীর জন্মদিন উদযাপন
ছবি: খবরের কাগজ

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে রাজেন্দ্র কিশোর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের (আর কে হাই স্কুল) প্রতিষ্ঠাতা ও গৌরীপুরের ৫ম জমিদার ব্রজেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরীর ১৫৩তম জন্মদিন উদযাপন করা হয়েছে।

এসিক অ্যাসোসিয়েশন, ক্রিয়েটিভ অ্যাসোসিয়েশন হিস্টোরিক্যাল সোসাইটি অ্যান্ড লাইব্রেরি, ক্রিয়েটিভ সন্ধানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্লাব এবং দি ইলেক্টোরাল কমিটি ফর পেন অ্যাওয়ার্ড অ্যাফেয়ার্স-এর উদ্যোগে এ কর্মসূচিতে ছিল, কেক কাটা ও আলোচনা সভা।

এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (১২ মে) কেক কাটা হয়। এরপর বুধবার (১৩ মে) বেলা ১১টায় ধানমহালে ক্রিয়েটিভ অ্যাসোসিয়েশন হিস্টোরিক্যাল সোসাইটি অ্যান্ড লাইব্রেরির আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইতিহাস ঐতিহ্যের গবেষক খায়রুল আলম তুহিন, দি ইলেক্টোরাল কমিটি ফর পেন অ্যাওয়ার্ড অ্যাফেয়ার্স-এর সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, দি ইলেক্টোরাল কমিটি ফর পেন অ্যাওয়ার্ড অ্যাফেয়ার্স এর সহসভাপতি ও এসিক অ্যাসোসিয়েশনের কার্যকরি সদস্য হিউবার্ড চক্রবর্তী, গৌরীপুর আর কে সরকারি স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র ও প্রতিভা কোচিং সেন্টারের পরিচালক অমল চন্দ্র দাস।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- গৌরীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সহসভাপতি মো. লুৎফর রহমান খান খোকন, সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ, সাংবাদিক সুপক রঞ্জন উকিলসহ সংগঠনগুলোর বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্য, গৌরীপুর আর কে সরকারি স্কুলের বর্তমান ও প্রাক্তন ছাত্ররা।

সমাপনী বক্তব্য দেন ক্রিয়েটিভ অ্যাসোসিয়েশন হিস্টোরিক্যাল সোসাইটি অ্যান্ড লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক, গবেষক ও  ইতিহাস সন্ধানী মুহাম্মদ রায়হান উদ্দিন সরকার। 

আলোচনা সভায় গৌরীপুর রাজবাড়ির ৫ম পুরুষ জমিদার ব্রজেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরীর কর্মময় জীবন, গৌরীপুরে উচ্চ বিদ্যালয়, ১৯২৭ সালে গৌরীপুর পৌরসভা, ১৯১২-১৮ সালে গৌরীপুর রেলওয়ে জংশন ইত্যাদি গঠনে তার অবদান এবং বিভিন্ন সামাজিক অবদান তুলে ধরা হয়।

অমিয়/

কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৬, ১০:০১ এএম
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের মৃত্যুবার্ষিকী আজ
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য

‘ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়/ পূর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি’- অনাচার আর বৈষম্যের বিরুদ্ধে কলম ধরে বাংলা সাহিত্যে বিপ্লবের সুর তোলা কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ৭৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ১৩ মে। ১৯৪৭ সালের আজকের এই দিনে ২১ বছর বয়সে কলকাতার একটি ক্লিনিকে নিভে গিয়েছিল এই প্রতিভাধর কবির জীবনদীপ।

যক্ষ্মা ও ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে অকালে ঝরে গেলেও মাত্র কয়েক বছরের সাহিত্যচর্চায় তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন ‘গণমানুষের কবি’ হিসেবে। পরাধীন ভারতের বঞ্চনা, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা আর তেতাল্লিশের মন্বন্তর তার লেখায় ফুটে উঠেছে শ্রেণিবৈষম্যহীন এক পৃথিবীর স্বপ্ন হয়ে।

১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট কলকাতার কালীঘাটে জন্মগ্রহণ করা সুকান্তের পৈতৃক নিবাস বাংলাদেশের গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায়। বেলেঘাটা দেশবন্ধু স্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলেও জীবনের পাঠশালায় তিনি ছিলেন অনন্য। ১৯৪৪ সালে ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যপদ লাভের পর থেকে তার সাহিত্য ও রাজনীতি একাকার হয়ে যায়।

কবির উল্লেখযোগ্য সৃষ্টির মধ্যে রয়েছে ‘ছাড়পত্র’; যা তাকে বাংলা সাহিত্যে কালজয়ী আসন দিয়েছে। 

অন্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘পূর্বাভাস’, ‘মিঠেকড়া’, ‘ঘুম নেই’, ‘হরতাল’। ‘আকাল’ তার সম্পাদিত বিখ্যাত ফ্যাসিবাদবিরোধী কাব্যগ্রন্থ।

সুকান্ত কেবল কবিতাতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না, কিশোর বয়সেই তিনি লিখেছিলেন গীতিনাট্য ‘রাখাল ছেলে’ এবং ব্যঙ্গাত্মক নাটিকা ‘দেবতাদের ভয়’। এ ছাড়া গল্প, গান এবং প্রবন্ধেও ছিল তার সাবলীল বিচরণ। আকাশবাণী কলকাতার ‘গল্প দাদুর আসরে’ তার লেখা গান গেয়েছিলেন প্রখ্যাত শিল্পী পঙ্কজ মল্লিক।

রাজবাড়ীতে অনুষ্ঠিত হলো শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী হরিপূজা

প্রকাশ: ০২ মে ২০২৬, ০৯:৩৪ এএম
আপডেট: ০২ মে ২০২৬, ১০:০০ এএম
রাজবাড়ীতে অনুষ্ঠিত হলো শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী হরিপূজা
ছবি: খবরের কাগজ

রাজবাড়ী শহরের ঐতিহ্যবাহী হরিতলা মন্দিরে অনুষ্ঠিত হলো শতবর্ষের পুরনো হরিপূজা। এই নিয়ে টানা ১৪৮ বার আয়োজন করা হয় এই পূজা।

প্রতিবছরের মতো এবারও ১৮ বৈশাখ এই পূজা উদযাপিত হয়।

শুক্রবার (১ মে) দুপুর থেকে শুরু হয় পূজার আনুষ্ঠানিকতা। বিকেলে পূজা শেষে ভক্তরা অঞ্জলি দেন। পরে বিতরণ করা হয় প্রসাদ। সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় মনোমুগ্ধকর পদাবলি কীর্তন। ভক্ত ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো হরিতলা এলাকা।

রাজবাড়ী শহরের বড়পুল এলাকায় অবস্থিত হরিতলা মন্দির শহরের প্রাচীন মন্দিরগুলোর মধ্যে অন্যতম। প্রতিবছর হরিপূজা অনুষ্ঠিত হয় বলে মন্দিরটি হরিতলা মন্দির নামে পরিচিতি লাভ করেছে। এই পূজার নাম অনুসারে পুরো এলাকাটিও হরিতলা নামে পরিচিত হয়ে ওঠে। হরিতলা মন্দির এই অঞ্চলের সংস্কৃতি ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের এক অনন্য নিদর্শন।

হরিতলা এলাকার বাসিন্দা ও আইনজীবী অভিজিৎ সোম অভি বলেন, ‘এই হরিপূজা আমাদের এলাকার শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী পূজা। ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি এই পূজা। এটি শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি আমাদের এলাকার পরিচয়, আমাদের শিকড়ের সঙ্গে বাঁধনের উৎসব’।

প্রতি বছরের মতো এবারও এই পূজাকে কেন্দ্র করে হরিতলা এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। দূর-দূরান্ত থেকে ভক্তরা এসে পূজায় অংশ নেন।

সুমন/আমান