ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বাংলাদেশ সাইবার সিকিউরিটি অলিম্পিয়াড ২০২৬ এর জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ‘লিচুর ন্যায্য দাম পেতে সংরক্ষণ সুবিধা জরুরি’ বিনিয়োগ বাড়াতে নেওয়া হয়েছে সাহসী উদ্যোগ, বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ আরআইবিএর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল ব্র্যাকইউনিভার্সিটির পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস লুপাস চিকিৎসায় যুগান্তকারী সাফল্য, জিন থেরাপিতে সুস্থ ৫ রোগী ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির দাফন ৯ জুলাই ‘লাভ তো দূরের কথা বাড়ি থেকে টাকা দিতে হচ্ছে’ বাজেটের রাজস্ব আদায় বড় চ্যালেঞ্জ: এফবিসিসিআই বরিশালে হাম-ডেঙ্গুর মাঝে উদ্বেগ ছড়াচ্ছে ডায়রিয়াও ভারতের নতুন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ নতুন ভোরের অপেক্ষায় জার্মানি ১৪ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ১৪ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল সুইজারল্যান্ডে জনসংখ্যা ১ কোটিতে সীমিত করতে গণভোট যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির সবশেষ পরিস্থিতি রাজশাহীতে বৈরী আবহাওয়ায় লিচুর সর্বনাশ সেলিনা হোসেনের জন্মদিন আজ ময়মনসিংহে হামে উৎকণ্ঠা আর জীবন বাঁচানোর লড়াই ১৯৯৮ সালের পর বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের প্রথম গোল জন ম্যাকগিনের অজিদের আজ ধবলধোলাই করার লগন হাতি বনাম লা ত্রির লড়াই বিশ্বাসের সমুদ্রে ফন ডাইকের তরি ১৪ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি সমতায় বিশ্বকাপ মিশন শুরু ব্রাজিলের স্বপ্নের জাদুকর মুসিয়ালা পথপ্রদর্শক বাকুনা ভিনিসিয়ুসের গোলে সমতায় ফিরল ব্রাজিল পরাশক্তি জার্মানির সামনে পুঁচকে কুরাসাও ডার্কহর্স জাপান, সতর্ক নেদারল্যান্ডস ব্রাজিলের শুরুর একাদশে চমক
Nagad desktop

আ.লীগ জমানার ভোটে বিএনপির ‘থ্রি নট আউট’!

প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৫, ০৯:০৩ এএম
আপডেট: ০৬ অক্টোবর ২০২৫, ০৯:১১ এএম
আ.লীগ জমানার ভোটে বিএনপির ‘থ্রি নট আউট’!
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

ভোটের মাঠে ভোটাধিকার হরণের নানা ছলচাতুরী ছিল। তবু তারা মাঠ ছাড়েননি। নির্বাচনি খেলায় একাধিকবার জয়ও পেয়েছেন। তাদের হারাতে সে সময়কার শাসক দল-নিয়ন্ত্রিত রাষ্ট্রযন্ত্রকেও নাস্তানাবুদ হতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকেই দলীয় সিদ্ধান্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান তারা। ক্রিকেটীয় পরিভাষায় বললে- ‘নট আউট’ হয়েই যেন ভোটের মাঠ ছেড়েছেন।

আওয়ামী লীগ জমানায় সিলেট বিভাগে ভোটের মাঠে বিএনপির এমন রাজনীতিবিদ হাতে গোনা। আগামী জাতীয় নির্বাচনি প্রচারে এমন তিনজনকে পাওয়া যায়, যারা বিগত সরকার নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনে একাধিকবার অংশ নিয়ে একবারও হারেননি। ভোটের মাঠে বিএনপির এই ‘থ্রি নট আউট’ বা ত্রয়ী অপরাজিত রাজনীতিবিদের একজন হচ্ছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের টানা দুবার নির্বাচিত সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। দ্বিতীয় জন সুনামগঞ্জের প্রথম উপজেলা পরিষদ থেকে টানা চারবার নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন। তৃতীয় জন তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিখ্যাত রাজনীতিবিদ সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদের টানা দুবারের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম চৌধুরী।

স্থানীয় নির্বাচন জয় করে তারা এবার আলোচনায় জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থিতায়। বিএনপির সেই প্রতিকূল রাজনীতির ভোটের মাঠে অপরাজিত তথা ‘নট আউট’ নৈপুণ্যে তারা আগামী জাতীয় নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। তাদের ঘিরে দলের ভেতরে-বাইরে তৈরি হয়েছে কর্মী-সমর্থকদের শক্তিশালী বলয়। আওয়ামী লীগ শাসনের সময়ে ভোটবঞ্চনা ও মাঠে মার খাওয়ার অভিজ্ঞতা এই ত্রয়ীকে পরিণত করেছে এক রাজনৈতিক প্রতীকে।
 
স্থানীয় থেকে জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থিতার তত্ত্বতালাশে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ শাসনামলে সর্বশেষ অংশগ্রহণমূলক সংসদ নির্বাচন হয় ২০১৮ সালে। সেই নির্বাচনে সিলেট বিভাগে বিএনপি থেকে হবিগঞ্জ-৩ আসনে মনোনয়ন পেয়েছিলেন বর্তমানে জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক জি কে গউছ ও সুনামগঞ্জ-৫ আসনে জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী। মিজান চৌধুরী ছাতক উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। আর জি কে গউছ ছিলেন হবিগঞ্জ পৌরসভার তিনবারের মেয়র। তৃতীয় দফায় ২০১৫ সালে কারাগারে থেকে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন গউছ। মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে তিনি পদত্যাগ করে সংসদ সদস্য প্রার্থী হয়েছিলেন। ‘রাতের ভোটের’ ক্যারিশমায় দুজনের জয়রথ থেমে যাওয়ায় তাদের নট আউট ধারা আর বজায় থাকেনি। 

ওয়ার্ড কমিশনার থেকে সিটি মেয়র আরিফ
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকাল থেকে বিএনপি নেতা আরিফুল হক চৌধুরী সিলেট অঞ্চলে ভোটের রাজনীতির একটি প্রভাবশালী নাম। বিগত চারদলীয় জোট সরকারের আমলে সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব থাকায় আলোচিত ছিলেন। সিলেট পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত হলে ২০০৩ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম সিসিক নির্বাচনে ওয়ার্ড কমিশনার (কাউন্সিলর) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং বিজয়ী হন। ২০০৭ সালে ওয়ান-ইলেভেন সরকার এলে তার প্রভাবে চিড় ধরে। গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগ করে ফের আলোচিত হন। ২০১৩ সালে নাগরিক কমিটির প্রার্থী হিসেবে মেয়র পদে প্রথম প্রার্থী হন।

একটানা ১৮ বছর নির্বাচিত আওয়ামী লীগের তৎকালীন প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমেদ কামরানকে হারিয়ে বিজয়ী হন। এরপর ২০১৮ সালে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে দ্বিতীয়বার কামরানের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মেয়র নির্বাচিত হন। ওই নির্বাচনে দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থী ও জামায়াতের প্রার্থী টপকে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন। ২০২৩ সালে তৃতীয়বার মেয়র পদে লড়তে গিয়ে ভোটের রাজনীতির নানা নাটকীয়তার মুখে পড়েন আরিফুল হক। দল কেন্দ্রীয়ভাবে ভোটে না দাঁড়াতে বললে স্থানীয় রাজনীতির কারণে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহারের আগের দিন পর্যন্ত প্রার্থিতা জিইয়ে রাখেন। এরপর দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে ভোট থেকে সরে দাঁড়ান।
 
নির্বাচন পর্যবেক্ষক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালে সিসিকের ভোটে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীকে মেয়র প্রার্থী করেছিল আওয়ামী লীগ। ক্ষমতার দাপটে ষোলোআনা প্রয়োগের সেই ভোটে লড়লেও আরিফ বিজয়ী হতেন। জয়রথ থেকে ফিরে দলীয় সিদ্ধান্ত মানার পুরস্কার হিসেবে দল তাকে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পদে আসীন করে। এর আগে নেতৃত্ব দিয়েছেন জেলা ও মহানগর বিএনপির।
 
আরিফুল হক তার ভোটের রাজনীতির ‘নট আউট’ কৃতিত্ব পুরোটা ভোটারদের উৎসর্গ করেছেন বলে জানান। তিনি খবরের কাগজকে বলেন, ‘আমি তো রাজনৈতিকভাবে প্রায় মৃত হয়ে গিয়েছিলাম। ভোটাররা আমাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করে জীবিত করেছেন। এ জন্য জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত সিলেট নগরবাসীর সেবায় কাটিয়ে দিতে চাই।’ 

প্রার্থিতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দলের সর্বোচ্চ জায়গায় বলে এসেছি যে, আমি নগরীর রাজনীতি করেছি। এ জন্য সিলেট-১ (মহানগর-সদর) আসন আমার পছন্দ। বাকিটা দলের ইচ্ছে।’
 
‘ভোটের রাজা’ জাকেরীন
বিএনপি নেতা দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন মরমী কবি হাসন রাজার প্রপৌত্র। পারিবারিক খ্যাতিতে রাজনীতিতে সক্রিয় হন। ভোটের রাজনীতিতে তিনি অপ্রতিদ্বন্দ্বী। পৌরসভা থেকে উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে একবারও হারেননি। এ জন্য তাকে ‘ভোটের রাজা’ বলা হয়। 

ব্যাংকের পদস্থ কর্মকর্তা পদ ছেড়ে ১৯৮৪ সালে ভোটের রাজনীতিতে অভিষেক ঘটে জাকেরীনের। সেই থেকে তার জয়রথ শুরু। সুনামগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান পদে তৎকালীন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা আলফাত উদ্দিন আহমদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হয়েছিলেন। এক বছর পর পৌর চেয়ারম্যান পদ ছেড়ে দেশে প্রথম অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হন। ১৯৮৫ সালের সেই ভোটের মাঠে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক মন্ত্রী ও পৌর চেয়ারম্যান মেজর (অব.) ইকবাল হোসেন চৌধুরীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জিতে যান।

১৯৯০ সালে আওয়ামী লীগের ভোটের রাজনীতির নেতাখ্যাত প্রয়াত মনোয়ার বখত নেককে হারিয়ে দ্বিতীয় দফা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এরপর ওয়ান-ইলেভেন সরকারের আমলে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আবার ফিরলে প্রার্থী হন এবং ২০০৯ তৃতীয়বার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হন। এর পর ২০১৪ সালে চতুর্থবার। পঞ্চমবার ২০১৯ সালে দলীয় সিদ্ধান্ত হওয়ায় নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। জয়নুল জাকেরীনের রাজনৈতিক জীবন বিএনপি থেকে শুরু। সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি পদে ছিলেন। ৫ আগস্টের পর পুনর্গঠিত জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এখন। 

দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন বলেন, ‘শহর থেকে গ্রামে ভোটের মাঠে আমার প্রতি মানুষের আস্থার মূল কারণ হচ্ছে দলীয় আদর্শে অবিচল থাকা। আমি নানা রকম প্রলোভনেও দল ছাড়িনি। একটানা জয়লাভের সর্বশেষ পর্যায়ে এমনও বলা হয়েছিল যে, এমপি পদ ছেড়ে দেওয়া হবে। কিন্তু আমি সেই প্রলোভনে পা দিইনি।’

২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৪ (সদর-বিশ্বম্ভরপুর) আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দলের বর্ষীয়ান নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য হিসেবে ফজুলল হক আসপিয়ার (প্রয়াত) সম্মানে সরে দাঁড়িয়েছিলাম। সেই বিষয়টি নিশ্চয় এবার দল বিবেচনা করবে।’
 
ইউপি চেয়ারম্যান থেকে উপজেলায় হাকিম 
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা তখন থানা। যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার সময় রাজনীতিতে সক্রিয় হন আবদুল হাকিম চৌধুরী। ভোটের রাজনীতি তার প্রথমবার হেরে শুরু হয়েছিল। এরপর আর তাকে হারতে হয়নি। নন্দিরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন ১৯৯২ থেকে ১৯৯৮ মেয়াদ পর্যন্ত। এক দশক বিরতি দিয়ে ২০০৯ সালে গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন। ভোটের মাঠে তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন গোয়াইনঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ ইব্রাহিম, সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া হেলাল, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার লুৎফুর রহমান লেবু ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহমদ। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে প্রায় ১৪ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন হাকিম। ২০১৪ দ্বিতীয়বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ২০১৯ সালে তৃতীয় দফায় দলীয় সিদ্ধান্তে আর নির্বাচন করেননি। বর্তমানে জেলা বিএনপির উপদেষ্টা পদে আছেন। এর আগে গোয়াইনঘাট উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক, জেলা বিএনপির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।
 
শহুরে রাজনীতি এড়িয়ে চলা আবদুল হাকিম চৌধুরী বলেন, ‘আমি গ্রামের মানুষ। অধিকাংশ সময় গ্রামে থাকি। দল যদি গ্রামবান্ধব প্রার্থী বিবেচনায় নেয়, তাহলে আমার মতো দ্বিতীয় কাউকে পাবে না।’ 

তিনটি উপজেলা নিয়ে সিলেট-৪ আসনের ভোটার সংখ্যা তুলে ধরে হাকিম বলেন, ‘গোয়াইনঘাটে ১৩টি ইউনিয়ন ও ২ লাখ ৪২ হাজার ভোটার। আর বাকি দুই উপজেলা জৈন্তাপুর ও কোম্পানীগঞ্জে ১২টি ইউনিয়ন ও ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৮৭ হাজার। এ অবস্থায় দুই উপজেলার সমান ভোটার ও ইউনিয়ন পড়েছে এক গোয়াইনঘাট উপজেলায়। সুতরাং এক উপজেলা জয় কিন্তু বাকি দুই উপজেলার সমান।’  

শাহবাগে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১০:৪৮ পিএম
শাহবাগে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ
ছবি: সংগৃহীত

ছাত্রশিবির কর্তৃক গুম ও অপহরণের নাটক সাজানো এবং ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধ সংঘটনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে ছাত্রদল।

শনিবার (১৩ জুন) রাতে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার থেকে শাহবাগ মোড় পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

রাত ৯টায় শুরু হওয়া এই মিছিলে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা জানান, গুম ও অপহরণের নাটক সাজিয়ে প্রকৃত গুমের শিকার ভুক্তভোগীদের অবমাননা, অনলাইনে সংঘবদ্ধভাবে সরকারকে মিথ্যা দোষারোপ এবং গুপ্ত নেতা-কর্মীদের দ্বারা ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনসহ ঘৃণ্য অপরাধ সংঘটনের প্রতিবাদে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

রিফাত/

দাউদকান্দিতে শিবির নেতার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:১১ পিএম
দাউদকান্দিতে শিবির নেতার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ
ছবি: খবরের কাগজ

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জিসান মিয়া প্রধানকে ঘিরে অপহরণের অভিযোগকে ‘নাটক’ আখ্যা দিয়ে এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন দাউদকান্দি পৌর বিএনপির নেতারা।

শনিবার (১৩ জুন) বিকালে দাউদকান্দি পৌর বিএনপির আয়োজনে দাউদকান্দি মডেল থানার সামনে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

পৌর বিএনপির আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকারের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘জিসান মিয়া প্রধানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা আড়াল করতে গুম ও অপহরণের নাটক সাজানো হয়েছে। একই সঙ্গে প্রকৃত গুমের শিকার ব্যক্তিদের অবমাননা, অনলাইনে সংঘবদ্ধভাবে সরকারকে মিথ্যা দোষারোপ এবং নারী নির্যাতনের মতো ঘটনার প্রতিবাদ জানাতেই পৌর বিএনপি এ আয়োজন করেছে।’

প্রসঙ্গত, কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর লাকসাম থেকে উদ্ধার হন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জিসান মিয়া প্রধান। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে এক নারীকে ধর্ষণ এবং জোরপূর্বক ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।

এ ঘটনায় পুলিশ জানিয়েছে, জিসানকে কেউ অপহরণ করেনি; তিনি নিজেই আত্মগোপনে ছিলেন।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক পিটার চৌধুরী, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রোমান খন্দকার, শ্রমিক দলের সভাপতি জামাল হোসেন, পৌর বিএনপির সদস্যসচিব কাওছার আলমসহ অন্যান্য নেতারা।

লিটন সরকার/রিফাত/

মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা করায় আনন্দ মিছিল

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:৫৪ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:৫৭ পিএম
মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা করায় আনন্দ মিছিল
ছবি: খবরের কাগজ

মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি অনুমোদন করায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আনন্দ মিছিল করেছে মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রদল।

শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে মুন্সীগঞ্জ শহরের সুপার মার্কেট এলাকায় জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিলটি বের করা হয়।

মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়।

এ সময় নেতা-কর্মীরা নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। আনন্দ মিছিলে জেলা, উপজেলা, শহর ও বিভিন্ন ইউনিটের ছাত্রদলের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মীর উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

মিছিলে উপস্থিত ছিলেন- মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক একেএম ইরাদাত মানু, মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদুর রহমান জামাল, সাধারণ সম্পাদক মো. রোমান হোসেনসহ জেলা, উপজেলা, শহর ও বিভিন্ন ইউনিট ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা।

নেতারা বলেন, নতুন কমিটির নেতৃত্বে মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রদল সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড আরও বেগবান করবে এবং দলের আদর্শ বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে। আনন্দ মিছিলে নেতা-কর্মীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।

সুমন/রিফাত/

জনদুর্ভোগ নিরসন ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবি ডা. শফিকুর রহমানের

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:১৩ পিএম
জনদুর্ভোগ নিরসন ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবি ডা. শফিকুর রহমানের
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি। ছবি: খবরের কাগজ

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) বিকেল ২টা ৪৫ মিনিটে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেন, ‘দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের রায়কে অগ্রাহ্য করে কোনো সরকার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকতে পারে না। জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করা গণতন্ত্রের চেতনার পরিপন্থী। জনগণ তাদের ভোটাধিকার ও গণরায়ের যথাযথ প্রতিফলন দেখতে চায়। সরকার যদি জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়, তাহলে জনগণই তার জবাব দেবে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে যোগ্য, সৎ ও দেশপ্রেমিক লোকদের মূল্যায়ন না করে ভিন্নমতাবলম্বীদের দমন এবং দলীয়করণের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনা করা হচ্ছে। সংসদে জনগণের সমস্যা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও জাতীয় স্বার্থের বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতে গেলেও নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। অথচ সংসদ জনগণের কথা বলার জায়গা।’

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা বিদেশি শক্তির কাছে ইজারা দেওয়া হবে না। দেশের ১৮ কোটি মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে এই দেশকে রক্ষা করবে। আমরা জাতির সঙ্গে বেঈমানি করব না; জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন হলে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতেও প্রস্তুত আছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি আজ প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করেছে। নির্বাচিত ও জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে এসব অপসংস্কৃতির অবসান ঘটবে। জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের সংগ্রাম চলবে সংসদেও, রাজপথেও। ভয়ভীতি, মামলা-হামলা কিংবা কারাবাসের হুমকি দিয়ে জনগণের আন্দোলন দমন করা যাবে না।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি বলেন, ‘সরকার ঘোষিত বাজেট সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে ব্যর্থ হয়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি সংকট, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় জনগণ চরম দুর্ভোগে রয়েছে। অথচ বাজেটে এসব সংকট মোকাবিলায় কার্যকর কোনো দিকনির্দেশনা নেই।’

তিনি বলেন, ‘মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে জনগণের জীবনে যে দুর্ভোগ নেমে এসেছে, তা দেশের মানুষকে হতাশ ও ক্ষুব্ধ করে তুলেছে। সরকার জনগণের কষ্ট উপলব্ধি না করে সমালোচনাকে উপহাসের চোখে দেখছে। বাস্তবতা হলো, দেশের অর্থনীতি ও জনজীবন আজ গভীর চাপের মধ্যে রয়েছে।’

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী ড. কর্নেল অলি আহমদ (বীর বিক্রম) বলেন, ‘দেশের সার্বিক পরিস্থিতি জনগণকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, সামাজিক অস্থিরতা এবং জননিরাপত্তার সংকট সাধারণ মানুষের জীবনকে অনিশ্চিত করে তুলেছে। নারীরা ঘরের বাইরে নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করছে, শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষের মধ্যেও উদ্বেগ বিরাজ করছে।’

তিনি বলেন, ‘সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনা অব্যাহত থাকলেও সরকারকে আরও কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে। জাতীয় স্বার্থ ও মর্যাদা রক্ষায় শক্তিশালী, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ও ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণের বিকল্প নেই।’

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির শায়খুল হাদীস আল্লামা মামুনুল হক, খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইজহার, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চান এবং আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম অঞ্চল টিম পরিচালক মুহাম্মদ শাহজাহান।

রিফাত/

ঈশ্বরগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের ঝটিকা মিছিল

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:০৩ পিএম
ঈশ্বরগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের ঝটিকা মিছিল
ছবি: সংগৃহীত

সারা দেশে রাজবন্দীদের মুক্তি এবং আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন ‘নিষিদ্ধ’ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীরা।

শুক্রবার (১২ জুন) জুমার নামাজের পর ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের বিদ্যুৎ অফিস-সংলগ্ন এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

তবে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও আপলোড হওয়ার পর শনিবার বিষয়টি জানাজানি হয়। ভিডিওতে দলীয় পতাকা হাতে নেতা-কর্মীদের সরব উপস্থিতি দেখা যায়। এ সময় তাদের ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’ এবং ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে দেখা যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ হাসান তূর্ণের উদ্যোগে আয়োজিত এ বিক্ষোভ মিছিলে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন। মিছিলটি মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ প্রদক্ষিণ করে।

ফয়সল/রিফাত/