ঢাকা ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
দক্ষতা বাড়াচ্ছে রাজশাহী কলেজ ক্যারিয়ার ক্লাব ক্যামেরা নষ্ট ছিল স্বপ্ন নয় স্মৃতির মলাটে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত পাশে ছিলেন সহপাঠীরা বেরোবির বিশেষ বাসসেবায় উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা সপ্তাহের প্রথম দিনে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার জাতীয় বাজেট নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা রামেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু তীব্র অর্থনৈতিক মন্দায় দেশ, দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা জাপা চেয়ারম্যানের হালিশহরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্তকে গণপিটুনি ট্রাকসহ ভেঙে পড়ল বেইলি সেতু, ময়মনসিংহ-ধোবাউড়া সড়ক যোগাযোগ বন্ধ Your Favourite Teacher/Favourite Personality বিষয়ক Writing Paragraph, ৩১তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র পুশইন ঠেকাতে সীমান্তে রাতে বিজিবির সঙ্গে আনসার-ভিডিপির টহল ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামে আরও ১ শিশুর মৃত্যু কুমিল্লায় হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু জিপিএসের নির্দেশ মেনে সোজা রেললাইনে গাড়ি, ভাইরাল বৃদ্ধার গাড়িচালনা এসএসসি পাসে চাকরির সুযোগ, নেবে ২৮০ জন কঙ্গোতে ইবোলা প্রাদুর্ভাব: যা জানা জরুরি কোটচাঁদপুরে ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, খুলনার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ কষ্টকর হবে জীবন, সব জিনিসের দাম বাড়বে বিশ্বের অন্যতম প্রশস্ত সড়ক ‘মনুমেন্টাল অ্যাক্সিস’ বিশ্বকাপ স্কোয়াডের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের ভিসা দিল না যুক্তরাষ্ট্র, ইরানের ক্ষোভ সন্ধ্যার মধ্যে ৭ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত হরিপুর সীমান্তে ৩২ ঘণ্টা পরও শূন্যরেখায় ১১ জন রোনালদো গোল না পেলেও জিতল পর্তুগাল মিরসরাইয়ে পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষ সমাজকর্মের মূল্যবোধ ও নীতিমালা অধ্যায়ের ১৭টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ১ম পত্র শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড অনূর্ধ্ব-১৫ ডেভেলপমেন্ট কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের জমকালো উদ্বোধন নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল নিয়ে এক দিনে ২ নির্দেশনা, প্রশাসনে বিভ্রান্তি
Nagad desktop

উমরাযাত্রার জন্য বিমানবন্দরে আপনার করণীয়গুলো কী?

প্রকাশ: ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:০৫ পিএম
উমরাযাত্রার জন্য বিমানবন্দরে আপনার করণীয়গুলো কী?
ছবি: সংগৃহীত

উমরার সফর একজন মুমিনের হৃদয়ের এক সুপ্ত আশা। ভালোবাসা ও স্বচ্ছ নিয়তে পৌঁছতে চাই আঙিনায়। কিন্তু অধিকাংশ উমরাযাত্রীর পূর্বে বিমানযাত্রার অভিজ্ঞতা না থাকায় বিমানবন্দরে অনেকে অনেক ভুল করেন। বিমানবন্দরে করণীয় কাজগুলো হলো—
সঠিক সময়ের কমপক্ষে ৩ ঘণ্টা আগে বিমানবন্দরে পৌঁছান।

অন্য সাথি থাকলে তাদের জন্য বিমানবন্দরে বাইরে অথবা ভেতরে প্রবেশ করে অপেক্ষা করুন। সিরিয়াল মেনে কর্তব্যরত আনসার বাহিনীকে পাসপোর্ট ও ভিসার কপি দেখিয়ে গেট দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করুন। ভেতরে প্রবেশ করার পথে ব্যাগ ও লাগেজ স্ক্যান করুন।

এর পর যে বিমানে যাত্রা করবেন সেটার কাউন্টার খোঁজ করে সেখানে সিরিয়াল মেনে ব্যাগ ও লাগেজ জমা দিয়ে টোকেন সংগ্রহ করুন। এখানে তারা ব্যাগের ওজন করবেন এবং আপনাকে সিট প্রদান করবেন। একসঙ্গে পাশাপাশি বসতে চাইলে কাউন্টারের দায়িত্বশীলকে সেটা জানাতে হবে। সাধারণত ওনারা রিকুয়েস্ট করলে সম্ভব হলে একসঙ্গে সিট প্রদান করেন। সিট একসঙ্গে না দিলেও সমস্যা তেমন হয় না। বিমানে গিয়ে সিটের মানুষকে রিকুয়েস্ট করলে সিটা পাল্টিয়ে একসঙ্গে বসা যায়।  

বিমানের সিট নম্বরসহ টিকিটের কপি ও মালপত্রের টোকেন গ্রহণ করুন এবং সেটা পাসপোর্টর সঙ্গে সংরক্ষণ করুন। এ সময় জেনে নিন আপনার ব্যাগ কোন বিমানবন্দর থেকে সর্বশেষ গ্রহণ করবেন। এর পর সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে বোডিং সম্পন্ন করুন। বোডিং মানে হচ্ছে একজন পুলিশ কর্মকর্তা আপনার পাসপোর্ট, ভিসা, টিকিট ও কোনো মামলা আছে কি না- সব চেক করে আপনার ছবি তুলে রাখবেন এবং আঙুলের ছাপ রাখবেন। এবং আপনার পাসপোর্টের সিল মেরে সৌদি যাওয়ার চূড়ান্ত অনুমতি প্রদান করবেন।    

টিকিটের মধ্যেই সাধারণত বিমানের শেষ ‌‘ওয়েটিং রুম’ কোন গেটে, সেটা প্রদান করা হয়। না বুঝলে অন্যদের থেকে জেনে নিন। 
বোডিং সম্পন্ন করার পর বসার ভালো স্থান থাকে সেখানে বসে অন্যদের জন্য অপেক্ষা করুন। যারা বাসা থেকে ইহরাম পরে আসেন না তারা এখানে ইহরাম করে নিতে পারেন। মসজিদের অজু করা, ইহরাম পরা ও নামাজের ব্যবস্থা রয়েছে।  
সম্ভব হলে পরিবারের লোকদের বোডিং সম্পন্ন হওয়ার সংবাদ দিন। 

 

লেখক: আলেম ও সাংবাদিক 

শামায়েল রাসুল (সা.) যেভাবে চুল রাখতেন

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৯:৫৪ এএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০৯:৫৮ এএম
রাসুল (সা.) যেভাবে চুল রাখতেন
ছবি: সংগৃহীত

কল্পনা করুন আরবের তপ্ত মরুভূমির বুকে দাঁড়িয়ে আছেন এক অনন্য পুরুষ। তাঁর পরনে ইয়েমেনি লাল ডোরাকাটা চাদর ও লুঙ্গি, আর কাঁধ ছুঁয়ে যাচ্ছে ঘন কালো বাবরি চুল। দূর থেকে দেখলেই মনে হয় এক রাজকীয় আভিজাত্যের প্রতীক। তিনি আমাদের প্রিয় নবি মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)। কিন্তু আপনি কি জানেন, মহানবি (সা.)-এর দু’কাঁধের মধ্যবর্তী স্থান সাধারণ মানুষের চেয়ে কেমন আলাদা ছিল? কিংবা সাহাবিদের বর্ণনায় তাঁর চুলের দৈর্ঘ্য কখনো কানের লতি, আবার কখনো কাঁধ পর্যন্ত বলার পেছনেদর রহস্যটা কী? চলুন, আজ তাঁর অবয়বের এই চমৎকার দিকটি জেনে নেওয়া যাক।

সাহাবি হযরত বারা ইবনে আযিব (রা.)-এর চোখের দেখা বর্ণনা থেকে জানা যায়, আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর দু’কাঁধের মধ্যবর্তী স্থান অন্যদের তুলনায় কিছুটা বেশি প্রশস্ত ছিল। চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং শারীরিক গঠনের দিক থেকে চওড়া কাঁধ হলো একজন পুরুষের শারীরিক দৃঢ়তা, শক্তি এবং নেতৃত্বের প্রতীক। তিনি অতিরিক্ত দীর্ঘ বা খাটো ছিলেন না, বরং এই চওড়া কাঁধ তাঁর সুসামঞ্জস্যপূর্ণ মাঝারি গড়নের দেহে এমন এক রাজকীয় গাম্ভীর্য এনে দিয়েছিল যে, সাহাবি বারা (রা.) মুগ্ধ হয়ে বলেছিলেন, ‘আমি তাঁর চেয়ে সুন্দর কাউকে কখনো দেখিনি।’

হাদিসের পাঠক মাত্রই একটি কৌতূহলের মুখোমুখি হন। কোনো হাদিসে বলা হয়েছে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর চুল ছিল কানের লতি পর্যন্ত, আবার কোনো বর্ণনায় এসেছে তা কাঁধ পর্যন্ত লম্বা ছিল। আপাতদৃষ্টিতে একে ভিন্ন মনে হলেও এর পেছনে রয়েছে এক চমৎকার ও নতুন জানার মতো তথ্য।

আরো পড়ুন: রাসুল (সা.) যেভাবে চুলের যত্ন নিতেন

আরো পড়ুন: কেমন ছিল প্রিয় রাসুল (সা.) এর পোশাক ও রূপ?

মানুষের চুল সব সময় এক মাপে থাকে না, তা প্রতিনিয়ত বাড়ে। আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর চুল মোবারকও সময়ের সাথে সাথে বিভিন্ন দৈর্ঘ্যে পৌঁছাত। আরবের পরিভাষায় তাঁর চুলের এই পরিবর্তনশীল নান্দনিকতাকে তিনটি ভাগে ব্যাখ্যা করা হয়:

১. ওয়াফরা (Wafrah): যখন তাঁর চুল মোবারক সবচেয়ে ছোট অবস্থায় কানের লতি পর্যন্ত থাকত।

২. লিম্মা (Limmah): যখন চুল কিছুটা বড় হয়ে কান ও কাঁধের মাঝামাঝি বা ঘাড় পর্যন্ত পৌঁছাত।

৩. জিম্মা (Jimmah): যখন চুল মোবারক সর্বোচ্চ বড় হয়ে সরাসরি কাঁধ স্পর্শ করত।

এই তিনটি শব্দের সঠিক জ্ঞান আমাদের শেখায় যে, সুন্নতের অনুসরণে চুল কতটুকু রাখা মার্জিত ও নান্দনিক। তিনি যখনই যেভাবে চুল রেখেছেন, তা তাঁর উজ্জ্বল অবয়ব ও চওড়া কাঁধের সাথে এক অপার্থিব সৌন্দর্যের সৃষ্টি করত।

তথ্যসূত্র: মুসলিম, ৬২১১; মুসনাদে আহমাদ, ১৮৫৮১

লেখক: আলেম ও সাংবাদিক 

৭ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৭:০০ এএম
৭ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি
জুন, ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচির ছবি

প্রতিদিন সময়মতো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা ফরজ। নামাজ (সালাত) ইসলাজুনর পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি এবং ইসলাজুনর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত।

আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, (হে আল্লাহর রাসুল!) আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয় আমল কোনটি? রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘নামাজ (বুখারি ও মুসলিম)

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা সেভাবে নামাজ আদায় করো, যেভাবে আমাকে নামাজ আদায় করতে দেখেছ।’ (বুখারি, ৬৩১)

সঠিকভাবে নামাজ আদায় করতে হলে, নামাজের সময় জানতে হবে। 

আজ ৭ জুন ২০২৬, রবিবার। ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো— 

জোহর

১২.০১ মিনিট

আসর

৪.৩৬ মিনিট

মাগরিব

৬.৪৭ মিনিট

 

এশা

৮.১৩ মিনিট

ফজর (৮ জুন)

.৪৪ মিনিট

 

বিভাগীয় শহরের জন্য উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগে সময় যোগ-বিয়োগকরতে হবে।

বিয়োগ

চট্টগ্রাম: ৫ মিনিট

সিলেট: ৬ মিনিট

যোগ

খুলনা: ৩ মিনিট

রাজশাহী: ৭ মিনিট

রংপুর: ৮ মিনিট

বরিশাল: ১ মিনিট

সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কেমন ছিল প্রিয় রাসুল (সা.) এর পোশাক ও রূপ?

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:০০ পিএম
কেমন ছিল প্রিয় রাসুল (সা.) এর পোশাক ও রূপ?
সাহাবিরা তার সেই রূপের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে উঠতেন। ছবি: সংগৃহীত

যার হাঁটার ভঙ্গিতে ছিল এক অপার্থিব আভিজাত্য, যার কাঁধের প্রশস্ততা আর কানের লতি ছুঁয়ে যাওয়া ঘন বাবরি চুলে মুগ্ধ হতো গোটা আরব–কেমন ছিল সেই অনন্য রূপের মহিমা? আমরা অনেকেই জানি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ছিলেন পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে সুদর্শন মানব। কিন্তু আপনি কি জানেন, পুরুষদের জন্য লাল পোশাক পরা নিয়ে সাধারণ একটি নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও, জীবনের এক বিশেষ মুহূর্তে রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে এক অনুপম লাল পোশাকে দেখা গিয়েছিল? কী ছিল সেই লাল পোশাকের রহস্য? চলুন, আজ তাঁর শারীরিক গঠন ও পোশাকের সেই অজানা নান্দনিক অধ্যায়ে প্রবেশ করি।

দেহের গঠন ও অনন্য অবয়ব
সাহাবি হযরত আনাস ইবনে মালিক (রা.) এবং বারা ইবনে আযিব (রা.)-এর নিখুঁত বর্ণনা থেকে জানা যায়, প্রিয় নবি (সা.) ছিলেন উজ্জ্বল গৌরবর্ণ বা ফর্সা ত্বকের অধিকারী। তাঁর শারীরিক অবয়ব ছিল অসম্ভব আকর্ষণীয় এবং সুসামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি খুব বেশি দীর্ঘকায় ছিলেন না, আবার খাটোও ছিলেন না; বরং এক নিখুঁত মধ্যমাকৃতির অধিকারী ছিলেন। তাঁর দুই কাঁধের মধ্যবর্তী অংশ ছিল তুলনামূলক প্রশস্ত, যা তাঁর অবয়বে এক চিরন্তন পুরুষোচিত দৃঢ়তা ফুটিয়ে তুলত। তাঁর মাথার চুলগুলো একদম সোজা কিংবা খুব বেশি কোঁকড়ানো ছিল না, বরং কানের লতি পর্যন্ত ঝুলন্ত সেই ঘন কালো চুল মোবারক তাঁর সৌম্য চেহারায় এক মায়াবী ও রাজকীয় রূপ দান করত।

চলনবলনে আভিজাত্য ও বিনয়
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাঁটার মধ্যেও একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেত। তিনি অলসভাবে বা অহংকার নিয়ে পা ফেলতেন না, বরং পথ চলার সময় কিছুটা সামনের দিকে ঝুঁকে চলতেন। সাহাবিদের ভাষায়, তাঁকে দেখে মনে হতো তিনি যেন কোনো উঁচু পাহাড় বা ঢালু জায়গা থেকে নিচের দিকে নামছেন। এই চলনভঙ্গি তাঁর অতুলনীয় কর্মোদ্যম ও বিনম্র ব্যক্তিত্বের বহিঃপ্রকাশ ছিল।

লাল পোশাকের সেই অজানা রহস্য
হাদিসের পাতায় একটি চমৎকার বিবরণ মেলে, যেখানে সাহাবি বারা ইবনে আযিব (রা.) রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে লাল রঙের লুঙ্গি ও চাদর পরিহিত অবস্থায় দেখেছিলেন এবং মুগ্ধ হয়ে বলেছিলেন, ‘আমি তাঁর চেয়ে সুন্দর কাউকে কখনো দেখিনি।’ অথচ ইসলামের সাধারণ নিয়মে পুরুষদের জন্য একদম খাঁটি বা টকটকে লাল পোশাক পরিধান করা নিষেধ।

আরো পড়ুন: কেমন ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর মানুষের অবয়ব?

 
 

ইসলামে পুরুষদের জন্য যে লাল রঙের পোশাকের ব্যাপারে অনুৎসাহিত করা হয়েছে, তা মূলত নিরেট, গাঢ় বা উজ্জ্বল লাল । রাসুলুল্লাহ (সা.) যে চাদর ও লুঙ্গি পরেছিলেন, তা কিন্তু একক কোনো লাল রঙের ছিল না। সেটি ছিল তৎকালীন আরবের ঐতিহ্যবাহী ইয়েমেনি ঘরানার লাল এবং অন্য রঙের মিশ্রণে তৈরি চমৎকার ডোরাকাটা সুতি পোশাক। এই নান্দনিক পোশাকটি তাঁর উজ্জ্বল গৌরবর্ণের সাথে এমন অপার্থিবভাবে মানিয়ে গিয়েছিল যে, সাহাবিরা তার সেই রূপের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে উঠেছিলেন।

(তথ্যসূত্র ও বর্ণনাসূত্র: সহিহ বুখারি,৩৫৫১; মুসলিম, ৬২১০; নাসায়ি, ৫২৩; মুসনাদে আবু ই’আলা,৩৮৩২; শারহুস সুন্নাহ, ৩৬৪০)

লেখক: আলেম ও সাংবাদিক 

আলহামদুলিল্লাহ শব্দটি কেন এত শক্তিশালী?

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৩:২৬ পিএম
আলহামদুলিল্লাহ শব্দটি কেন এত শক্তিশালী?
ছবি: সংগৃহীত

একটুখানি ভাবুন তো, যদি মিরাজের মহিমান্বিত রাতে বিশ্বনবি (সা.) দুধের পাত্রটি না নিয়ে মদের পাত্রটি বেছে নিতেন, তবে আজ আপনার আর আমার ভাগ্যে কী ঘটত? মাত্র একটি সঠিক সিদ্ধান্ত আর আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতার কারণে এক মহাসংকট থেকে বেঁচে গিয়েছিল গোটা মুসলিম উম্মাহ। আমাদের জীবনে প্রতিনিয়ত পাওয়া হাজারও নেয়ামতের বিপরীতে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা কেবল ভদ্রতা নয়, বরং এক অবশ্য পালনীয় দায়িত্ব বা ওয়াজিব।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহতায়ালা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, মানুষ যদি তার দেওয়া নেয়ামতের স্বীকৃতি ও শুকরিয়া আদায় করে, তবে তিনি তার নেয়ামত বহুগুণ বাড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, তোমরা আমাকে স্মরণ করো; আমিও তোমাদের স্মরণ করব। তোমরা আমার প্রতি কৃতজ্ঞ হও, আর অকৃতজ্ঞ (কৃতঘ্ন) হয়ো না। (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৫২)

আল্লাহ অন্যত্র আরও কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তোমরা কৃতজ্ঞ হলে তোমাদেরকে অবশ্যই অধিক দান করব, আর অকৃতজ্ঞ হলে অবশ্যই আমার শাস্তি হবে কঠোর। (সুরা ইব্রাহীম, আয়াত: ৭) এমনকি জান্নাতিদের শেষ বাক্য বা স্লোগানও হবে, ‘আলহামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামিন’ (সব প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য)। (সুরা ইউনুস, আয়াত: ১০)

আল্লাহর প্রতি এই কৃতজ্ঞতা বা 'আলহামদুলিল্লাহ' শব্দের শক্তি কতটা গভীর, তা ফুটে ওঠে মিরাজের রাতের একটি বিশেষ ঘটনায়।
হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, মিরাজের রাতে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সামনে মদ ও দুধের দুটি পাত্র আনা হলো। তিনি দুটির দিকে তাকিয়ে দুধের বাটিটি বেছে নিলেন। তা দেখে জিবরাঈল (আ.) বললেন, ‘সব প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আপনাকে ফিতরাত বা ইসলামের স্বভাবজাত প্রকৃতির দিকে পথ দেখিয়েছেন। আপনি যদি মদের পাত্রটি নিতেন, তবে আপনার উম্মত পথভ্রষ্ট হয়ে যেত।’ (সহিহ মুসলিম, ১৬৮; সহিহ বুখারি, ৩৩৯৪)

জিবরাঈল (আ.) কিন্তু ‘ধন্যবাদ’ জানাননি, তিনি ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেছিলেন। কারণ সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার তাওফিকও আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে। 

যদিও একটি বহুল প্রচলিত বর্ণনায় বলা হয়েছে যে, আল্লাহর প্রশংসা (আলহামদুলিল্লাহ) ছাড়া যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ শুরু করলে তা বরকতহীন বা অসম্পূর্ণ থেকে যায় ( আবু দাউদ); আধুনিক মুহাদ্দিসগণের (যেমন- ইমাম আলবানী ও শুআইব আরনাউত) সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ অনুযায়ী এই সুনির্দিষ্ট হাদিসটির সনদ কিছুটা দুর্বল। তবে এর অর্থ ও মূলভাব কোরআনের অগণিত আয়াত দ্বারা প্রমাণিত। প্রতিটি ভালো কাজের শুরুতে এবং শেষে আল্লাহর প্রশংসা করা মুমিনের চিরন্তন ভূষণ।

দুধের পাত্রটি বেছে নেওয়ার মাধ্যমে রাসুল (সা.) আমাদের জন্য যে পবিত্রতার পথ দেখিয়েছেন, তার মূল ভিত্তিই হলো আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা। জীবনের প্রতিটি ছোট-বড় অর্জনে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলার অভ্যাস আমাদের অহংকারমুক্ত রাখে এবং আল্লাহর আজাব থেকে বাঁচিয়ে নেয়ামতের দুয়ার খুলে দেয়। অনলাইন ও পত্রিকার পাতায় এই সত্যটি আধুনিক পাঠককে নতুন করে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ হতে শেখাবে।

লেখক: আলেম ও সাংবাদিক

রাসুল (সা.) এর খাদ্য তালিকায় কেন দুধ ছিল সেরা

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১০:২২ এএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ১০:৩১ এএম
রাসুল (সা.) এর খাদ্য তালিকায় কেন দুধ ছিল সেরা
ছবি: সংগৃহীত

ইসলামি জীবনব্যবস্থায় রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতিটি সুন্নত, অভ্যাস এবং পছন্দ আমাদের জন্য সর্বোত্তম অনুকরণীয় আদর্শ। মহানবি (সা.) তার পার্থিব জীবনে অত্যন্ত সাধারণ, পবিত্র ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করতেন। তিনি কখনো খাবারের বিলাসিতা করেননি, তবে খাবারের গুণগত ও পুষ্টিমানের দিকে তার বিশেষ নজর ছিল।

বিভিন্ন হাদিস, সিরাত ও ঐতিহাসিক বর্ণনা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর অত্যন্ত প্রিয় এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ খাবার ছিল দুধ। দুধ কেবল একটি সাধারণ পানীয় বা খাবার নয়, এটি একাধারে ক্ষুধা নিবারণ করে এবং তৃষ্ণা মেটায়–এমন অনন্য গুণ পৃথিবীর আর কোনো একক খাবারের মধ্যে নেই। প্রিয় নবি (সা.)-এর প্রিয় খাবার হিসেবে দুধের গুরুত্ব, এর শ্রেষ্ঠত্ব এবং এ সম্পর্কিত কোরআন ও হাদিসের নির্দেশনা আমাদের আধ্যাত্মিক ও শারীরিক উভয় জীবনের জন্য সমান তাৎপর্যপূর্ণ।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহতায়ালা দুধকে মানুষের জন্য একটি চমৎকার, কল্যাণময় ও শিক্ষণীয় নিয়ামত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। কীভাবে একটি চতুষ্পদ জন্তুর উদর থেকে, রক্ত ও গোবরের মাঝখান দিয়ে একদম খাঁটি ও সুস্বাদু দুধ উৎপাদিত হয়, আল্লাহতায়ালা সুরা আন-নাহলে সেই অলৌকিক ও বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ার বর্ণনা দিয়েছেন, ‘আর নিশ্চয় চতুষ্পদ জন্তুতে রয়েছে তোমাদের জন্য শিক্ষা। তার পেটের ভেতরের গোবর ও রক্তের মধ্যখান থেকে তোমাদের আমি দুধ পান করাই, যা খাঁটি এবং পানকারীদের জন্য স্বাচ্ছন্দ্যকর।’ (সুরা নাহল, ৬৬)

অন্য এক আয়াতে আল্লাহতায়ালা জান্নাতের চিরস্থায়ী নিয়ামতের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, ‘মুত্তাকিদের যে জান্নাতের ওয়াদা দেওয়া হয়েছে তার দৃষ্টান্ত হলো, তাতে রয়েছে নির্মল পানির নহরসমূহ, দুধের ঝর্ণাধারা, যার স্বাদ পরিবর্তিত হয়নি, পানকারীদের জন্য সুস্বাদু সুরার নহরসমূহ এবং আছে পরিশোধিত মধুর ঝর্ণাধারা।’ (সুরা মুহাম্মদ, ১৫)। কোরআনের এই অনুপম বর্ণনা প্রমাণ করে যে, দুধ মানবজাতির জন্য আল্লাহর দেওয়া অন্যতম শ্রেষ্ঠ, পবিত্র ও জান্নাতি উপহার।

আরো পড়ুন: যে বিশ্বাস মানুষের জীবনে এনে দেয় অভাবনীয় ৬টি পরিবর্তন?

রাসুলুল্লাহ (সা.) দুধ অত্যন্ত পছন্দ করতেন এবং এটিকে অন্য সব পানীয় ও খাবারের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দিতেন। হাদিস শরিফে এসেছে, যখনই মহানবি (সা.)-কে দুধ হাদিয়া দেওয়া হতো, তিনি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে তা গ্রহণ করতেন এবং কখনো তা প্রত্যাখ্যান করতেন না। রাসুলুল্লাহ (সা.) দুধের অনন্য বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন যে, এটি এমন একটি মোবারক খাবার, যা একাধারে খাদ্য ও পানীয় উভয়ের কাজ করে। অন্য সব খাবারের ক্ষেত্রে রাসুলুল্লাহ (সা.) আল্লাহর শুকরিয়া আদায়ের পাশাপাশি বরকতের দোয়া করতেন, কিন্তু দুধের ক্ষেত্রে তিনি একটি বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করতেন।

 সুনানে আবু দাউদ ও তিরমিজি শরিফে বর্ণিত একটি প্রসিদ্ধ হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহতায়ালা যাকে কোনো খাবার খাওয়ান, সে যেন বলে–হে আল্লাহ! এতে আমাদের বরকত দিন এবং এর চেয়ে উত্তম খাবার আমাদের দান করুন। আর আল্লাহতায়ালা যাকে দুধ পান করান, সে যেন বলে–‘হে আল্লাহ! এতে আমাদের বরকত দিন এবং আমাদের তা আরও বাড়িয়ে দিন’ (উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফিহি ওয়া জিদনা মিনহু)। কারণ, দুধ ছাড়া অন্য কোনো খাবার বা পানীয় আমি দেখি না, যা একই সঙ্গে খাদ্য ও পানীয়ের অভাব পূরণ বা উভয়ের পক্ষ থেকে যথেষ্ট হতে পারে।’ (তিরমিজি, ৩৪৫৫)

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর দুধের প্রতি এই গভীর পছন্দ কেবল পার্থিব জীবনের কোনো সাধারণ অভ্যাসের অংশ ছিল না বরং এটি ছিল তার আত্মিক ও স্বভাবজাত বিশুদ্ধতার প্রতীক। মিরাজের ঐতিহাসিক রাতে যখন রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ঊর্ধ্বাকাশে গমন হয়, তখন বায়তুল মুকাদ্দাসে তার সামনে মদের (তখনো মদ হারাম হয়নি) এবং দুধের দুটি পৃথক পাত্র পেশ করা হয়েছিল। রাসুলুল্লাহ (সা.) কোনো দ্বিধা ছাড়াই দুধের পাত্রটি নির্বাচন করেন। তার এই দূরদর্শী ও পবিত্র নির্বাচনের পর জিবরাইল (আ.) বলেছিলেন, ‘সব প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আপনাকে ফিতরাতের (স্বাভাবিক স্বভাব বা ইসলাম) দিকে পরিচালিত ও হেদায়েত করেছেন। আপনি যদি মদের পাত্রটি গ্রহণ করতেন, তবে আপনার উম্মত পথভ্রষ্ট হয়ে যেত।’ (বুখারি, হাদিস ৪৭০৯, মুসলিম, হাদিস ১৬৮)

আরো পড়ুন: গোটা পৃথিবীই নামাজের জায়গা,তবে মসজিদ কেন প্রয়োজন?

রাসুলুল্লাহ (সা.) সাধারণত ঠাণ্ডা এবং তাজা দুধ পান করতে পছন্দ করতেন। অনেক সময় দুধের তীব্রতা বা অতিরিক্ত ঘনত্বের কারণে তিনি খাঁটি দুধের পাত্রে সামান্য ঠাণ্ডা পানি মিশিয়ে পান করতেন। আরব উপদ্বীপে এই মিশ্রণটিকে ‘লাবাং’ বা পাতলা দুধের মতো বলা হতো। এতে করে প্রচণ্ড গরমে দুধ অত্যন্ত সহজে তৃষ্ণা মেটাতে পারত এবং তা দ্রুত হজম হতো।

রাসুলুল্লাহ (সা.) দুধ পানের পর পানির সামান্য ঝাপটা দিয়ে কুলি করে নিতেন এবং মুখ পরিষ্কার রাখার প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখতেন। বুখারিতে হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) দুধ পান করার পর পানি চেয়ে নিয়ে কুলি করলেন এবং এর কারণ হিসেবে বললেন, ‘এতে চর্বি (বা স্নিগ্ধতা) রয়েছে।’ (বুখারি, ২১১)

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রিয় খাবার দুধের এই পছন্দকে আজকের আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান ও পুষ্টিবিজ্ঞানীরা অকপটে স্বীকার করেছেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় দুধকে বলা হয় আদর্শ খাদ্য বা সুপারফুড। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সময়ে দুধের যে বহুমাত্রিক উপযোগিতার কথা বলে গেছেন, আজকের ল্যাবরেটরি পরীক্ষা প্রমাণ করেছে যে, দুধের মতো এত বিপুল পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ একক তরল খাবার পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই।

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর পুরো জীবনই ছিল মানবজাতির জন্য এক জীবন্ত মোজেজা ও আদর্শ। তার খাদ্যাভ্যাস কেবল ক্ষুধা নিবারণের স্থূল মাধ্যম ছিল না; বরং তা ছিল সুস্বাস্থ্য, পরিমিতিবোধ ও পবিত্রতার এক চমৎকার ভারসাম্যপূর্ণ উদাহরণ। প্রিয় নবি (সা.)-এর সবচেয়ে প্রিয় খাবার দুধ পানের মাধ্যমে আমরা যেমন শারীরিক পুষ্টি, শক্তি ও মানসিক সতেজতা লাভ করতে পারি, ঠিক তেমনি এটি যদি সুন্নতের অনুসরণের নিয়তে পান করা হয়, তবে তা আমাদের বিপুল সওয়াব ও আধ্যাত্মিক বরকতের অধিকারী করবে। 

লেখক: প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক