ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪

এমপি আনার হত্যা, ৩ আসামি রিমান্ডে

প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৪, ০৫:৪৬ পিএম
আপডেট: ২৪ মে ২০২৪, ০৫:৪৬ পিএম
এমপি আনার হত্যা, ৩ আসামি রিমান্ডে
ছবি : খবরের কাগজ

সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার তিন আসামির রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

শুক্রবার (২৪ মে) আদালত এই নির্দেশ দেন। আসামিদের রিমান্ড চেয়ে পুলিশের করা আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথির আদালত এ আদেশ দেন।

রাজধানীর শেরে বাংলা নগর থানা পুলিশের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (আদালতে দায়িত্বরত) এসআই জালাল উদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।তিনি জানান, রিমান্ড শুনানিতে কোনো আইনজীবী আসামিদের পক্ষে দাঁড়াননি।

রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পিপি আব্দুস সাত্তার দুলাল বলেন, এই ঘটনাটি নৃশংস। কাউকে এভাবে হত্যা করা যায় ভাবলে গা শিউরে ওঠে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে অবশ্যই এ মামলায় রিমান্ড পাওয়া উচিৎ। আর কাঠগড়ায় দাঁড়ানো শিলাস্তি রহমান আদালতের কাছে দাবি করেন, এসব ঘটনার কিছুই তিনি জানেন না।

পুলিশের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে আদালত আসামিদের ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। শুক্রবার (২৪ মে) তাদেরকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ডিবি পুলিশের ওয়ারী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুল ইসলাম আদালতে এই রিমান্ড আবেদন করেন। রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া তিন আসামি হলেন- শিমুল ভূইয়া ওরফে শিহাব ওরফে ফজল মোহাম্মদ ভূইয়া ওরফে আমানুল্যা সাইদ, তানভীর ভূইয়া ও শিলাস্তি রহমান।

উল্লেখ্য এমপি আনার গত ১২ মে চিকিৎসার জন্য ভারতে যান। সেখানে পশ্চিমবঙ্গে বরাহনগর থানার মণ্ডলপাড়া লেনে গোপাল বিশ্বাস নামে এক বন্ধুর বাড়িতে। ১৩ মে ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন তিনি। এরপর থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন আনার।

পরে গত ১৮ মে বরাহনগর থানায় আনার নিখোঁজের বিষয়ে একটি জিডি করেন তার বন্ধু গোপাল বিশ্বাস। এরপরও খোঁজ মেলেনি তিনবারের এই সংসদ সদস্যের। তিনদিন পর গত ২২ মে গণমাধ্যমে খবর আসে, কলকাতার পার্শ্ববর্তী নিউটাউন এলাকায় বহুতল সঞ্জীবা গার্ডেনস নামে একটি আবাসিক ভবনের বিইউ ৫৬ নম্বর রুমে আনার খুন হয়েছেন। তবে এখনও তার মরদেহের সন্ধান মেলেনি।

এদিকে এমপি আনার নিখোঁজের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২২ মে রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগর থানায় অপহরণ মামলা করেন তার মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন। মামলায় তিনি কাউকে আসামি করেননি। পরে পুলিশ আটক এই তিনজনকে এই মামলায় আসামি করে।

মামলার এজাহারে ডরিন উল্লেখ করেন, ৯ মে রাত ৮টার দিকে আমার বাবা মানিক মিয়া অ্যাভিনিউর সংসদ সদস্য ভবনের বাসা থেকে গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন। ১১ মে ৪টা ৪৫ মিনিটে বাবার সঙ্গে মোবাইলে ভিডিও কলে কথা বললে বাবার কথাবার্তায় কিছুটা অসংলগ্ন মনে হয়। এরপর বাবার মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন দিলে বন্ধ পাই।

‘১৩ মে আমার বাবার ভারতীয় নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপে একটি মেসেজ আসে। মেসেজে লেখা ছিল- ‘আমি হঠাৎ করে দিল্লি যাচ্ছি, আমার সঙ্গে ভিআইপি আছে। আমি অমিত শাহের কাছে যাচ্ছি। আমাকে ফোন দেওয়ার দরকার নেই। পরে ফোন দেবো।’

‘এ ছাড়াও আরও কয়েকটি মেসেজ আসে। মেসেজগুলো বাবার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে অপহরণকারীরা করে থাকতে পারে।’

মামলার এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, আমরা বিভিন্ন জায়গায় বাবার খোঁজখবর করতে থাকি। আমার বাবার কোনো সন্ধান না পেয়ে বাবার বন্ধু গোপাল বিশ্বাস কলকাতার বারানগর পুলিশ স্টেশনে সাধারণ ডায়েরি করেন। বাবাকে খোঁজাখুজি অব্যাহত রাখি। পরবর্তীসময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানতে পারি অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে বাবাকে অপহরণ করেছে। বাবাকে সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুজি করেও পাইনি।

মাহমুদুল আলম/এমএ/

 

হরিজন কলোনিতে উচ্ছেদে স্থিতাবস্থা হাইকোর্টে

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪, ০৮:৩৩ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৪, ০৮:৩৩ পিএম
হরিজন কলোনিতে উচ্ছেদে স্থিতাবস্থা হাইকোর্টে
ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৩৩নং ওয়ার্ডভুক্ত বংশালের মিরনজিল্লা সুইপার কলোনিতে বাসিন্দাদের উচ্ছেদপ্রক্রিয়ার ওপর ৩০ দিনের স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। হাইকোর্টের স্থিতাবস্থা এলেও সেখানকার ২০০ পরিবার আতঙ্কে রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। 

পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করে হরিজন সম্প্রদায়ের বাসিন্দাদের উচ্ছেদপ্রক্রিয়া কেন অবৈধ হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। আগামী ২১ জুলাই এ বিষয়ে পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত। এ সময়ের মধ্যে হরিজন সম্প্রদায়ের বাসিন্দাদের জন্য ফাঁকা জায়গার ব্যবস্থা করতে ডিএসসিসিকে বলা হয়েছে। জায়গার ব্যবস্থা হলে তাদের (হরিজন সম্প্রদায়) সেখানে চলে যেতে হবে। এরপর আধুনিক কাঁচাবাজার নির্মাণের কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে।

মিরনজিল্লায় চারতলাবিশিষ্ট আধুনিক কাঁচাবাজার নির্মাণ করতে চায় ডিএসসিসি। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সম্পত্তি বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মিরনজিল্লা সুইপার কলোনিতে ডিএসসিসির প্রায় ৩ দশমিক ২৭ একর জমি আছে। হরিজন সম্প্রদায়ের লোকজন প্রায় ৪০০ বছর ধরে এই এলাকায় বসবাস করেন। কলোনির এক পাশে ২৭ শতাংশ জমিতে আধুনিক কাঁচাবাজার নির্মাণ করতে হলে সেখানকার কিছু বাসাবাড়ি ভেঙে দিতে হবে। আগে বিদ্যমান কাঁচাবাজারটি ১৭ শতাংশ জমিতে ছিল। বাকি জমি থেকে স্থাপনা সরাতে এই অভিযানের উদ্যোগ নেওয়া হয়। 

গত মঙ্গলবার সকালে এই এলাকায় ডিএসসিসির ম্যাজিস্ট্রেট উচ্ছেদ অভিযানে যান। তবে এলাকাবাসী ও শিশুদের সম্মিলিত প্রতিবাদে সে দিন আর উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করতে পারেননি তারা। বৃহস্পতিবার দুপুরে মিরনজিল্লা হরিজন কলোনির মন্দিরে শিশুরা পোস্টার, ব্যানার নিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি জারি রাখে।

ডিএসসিসির ৩৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. আউয়াল হোসেন জানান, হরিজন সম্প্রদায়ের জন্য ২টি ১০তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এতে সব পরিবারকে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দিতে কিছু সময় লাগবে। যে পরিবারগুলো ফ্ল্যাট পাবে না এখন, তারাই এখন প্রতিবাদ করছেন উচ্ছেদের। ৬০টি পরিবারকে ইতোমধ্যে চাবি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। অনেক পরিবার নতুন ফ্ল্যাটে উঠে যাচ্ছেন।

কিন্তু মিরনঝিল্লার হরিজন সেবক সমিতির নেতারা অভিযোগ করছেন, মিরনজিল্লার ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দারা অনেকে ফ্ল্যাট পাননি। রাজনৈতিক বিবেচনায় যারা ফ্ল্যাট পেয়েছেন তাদের অনেকে হরিজন সম্প্রদায়ের নন। কমপক্ষে ২০০ পরিবার নতুন ফ্ল্যাট পাবে না। এই পরিবারগুলো উদ্বাস্তু হয়ে যাবেন।

সংখ্যালঘু অধিকারবিষয়ক সংগঠনের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোও এখন এই ইস্যুতে সোচ্চার হয়েছে। জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদের বৃহস্পতিবার দুপুরে এ এলাকায় গিয়ে হরিজনদের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সংহতি জানান। 

তিনি বলেন, ‘আজ হরিজনদের পাশে থাকার লোক নেই, এদের দিয়ে ব্যবসা করা বা ভালো থাকার লোকের অভাব নেই। এই গরিবদের উচ্ছেদ করে বিল্ডিং করে ভাগবাটোয়ারা করলে তা হবে সবচেয়ে অন্যায় এবং লজ্জার।’

এ দিন হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে সংহতি জানিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের নেতারা। দলটির প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকির নেতৃত্বে গণসংহতি আন্দোলনের একটি প্রতিনিধিদল এদিন দুপুরে মিরনজিল্লা কলোনিতে যান।

সাবেক ভ্যাট কমিশনার ওয়াহিদার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪, ০৮:২১ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৪, ০৮:২১ পিএম
সাবেক ভ্যাট কমিশনার ওয়াহিদার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
সাবেক ভ্যাট কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরী

চারটি মোবাইল ফোন কোম্পানিকে দেড় শ কোটির বেশি টাকার অবৈধ সুবিধা দেওয়ার মামলায় সাবেক ভ্যাট কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আস্সামছ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন।

মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও এয়ারটেলকে প্রায় ১৫২ কোটি টাকার অবৈধ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বৃহৎ করদাতা ইউনিটের (এলটিইউ) সাবেক ভ্যাট কমিশনার ওয়াহিদার বিরুদ্ধে এই মামলা করে দুদক। তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক শাহ আলম শেখ। 

নিষেধাজ্ঞা চাওয়া আবেদনে তিনি বলেন, বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, ওয়াহিদা রহমান চৌধুরী দেশ ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন। তিনি বিদেশে পালিয়ে গেলে তদন্তকাজ ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি আছে। তাই তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে।

এমপি আনার হত্যা: ৮ দিনের রিমান্ডে মিন্টু

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪, ০৩:৩৯ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৪, ০৩:৪৬ পিএম
এমপি আনার হত্যা: ৮ দিনের রিমান্ডে মিন্টু
সাইদুল করিম মিন্টু

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুর ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) দুপুরে তাকে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে হাজির করা হয়।

মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য মিন্টুর ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন ডিবি পুলিশের সিনিয়ার সহকারী কমিশনার মাহফুজুর রহমান। পরে আদালত আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার (১১ জুন) রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে মিন্টুকে আটক করে ডিবি। এর পর তাকে ডিএমপির গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

অমিয়/

সরকারি খরচে আইনি সহায়তার মান উন্নয়নে প্রশিক্ষণ

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪, ১১:১৭ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৪, ১২:৩১ পিএম
সরকারি খরচে আইনি সহায়তার মান উন্নয়নে প্রশিক্ষণ
ছবি : খবরের কাগজ

সরকারি খরচে আইনি সহায়তা প্রদান কার্যক্রম বেগবান ও মান উন্নয়নে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে।

বুধবার (১২ জুন) ও আগের দিন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত ভবনে অবস্থিত জগন্নাথ-সোহেল স্মৃতি মিলনায়তনে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

এই কর্মসূচিতে ঢাকা জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের প্যানেল আইনজীবীরা অংশগ্রহণ করেন।

‘বিজ্ঞ প্যানেল আইনজীবীগণের অংশগ্রহণে সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা প্রদান কার্যক্রম বেগবান ও মান উন্নয়ন শীর্ষক প্রশিক্ষণ’ শীর্ষক এই কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এবং ঢাকা জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান মো. হেলাল উদ্দিন।

তিনি সরকারি খরচে আইনগত সেবা বেগবান ও মানোন্নয়নে প্যানেল আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।

তিনি বলেন, ‘সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭ অনুযায়ী আইনি সমঅধিকার নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ২০০০ সালে আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থসামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীদের আইনগত সহায়তা প্রদানকল্পে লিগ্যাল এইড আইন প্রবর্তনের মাধ্যমে আমাদের এই সোনার বাংলায় শুরু হয় লিগ্যাল এইডের অগ্রযাত্রা। তাই অসহায়, সহায় সম্বলহীন ও দুস্থ মানুষকে সরকারি আইনি সেবা প্রদানকালে তাদের প্রতি সব প্যানেল আইনজীবীকে সংবেদনশীল হওয়ার আহ্বান জানাই।’

দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির দুই পর্বে ঢাকা জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির মোট ৬০ জন প্যানেল আইনজীবী অংশ নেন।

তাদের প্রশিক্ষণ দেন ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও ঢাকার যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আলমগীর হোসাইন, ঢাকার অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম রকিবুল হাসান এবং ঢাকা জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ও সিনিয়র সহকারী জজ মো. সায়েম খান।

মাহমুদুল আলম/অমিয়/

সাধারণ নাগরিকের মতোই ড. ইউনূসের বিচার হচ্ছে : আইনমন্ত্রী

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৪, ০৭:৪৭ পিএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৪, ০৭:৪৭ পিএম
সাধারণ নাগরিকের মতোই ড. ইউনূসের বিচার হচ্ছে : আইনমন্ত্রী
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ‘দেশের যেকোনো নাগরিক আইন ভঙ্গ করলে তার যেভাবে বিচার হয়, ড. ইউনূসেরও ঠিক সেভাবেই বিচার হচ্ছে। তবে তিনি (ড. ইউনূস) যেসব কথা বলে বেড়াচ্ছেন, এসব কথা অসত্য। এসব কথা বাংলাদেশের জনগণের জন্য অপমানজনক।’

বুধবার (১২ জুন) সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে ইইউ প্রতিনিধিদলকেও একই কথা জানান আইনমন্ত্রী। 

তিনি জানান, ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন একটি মামলা করেছে। মামলাটি আদালতে বিচারাধীন। আদালতে বিচারাধীন মামলা সম্পর্কে কোনো কথা বলা সমীচীন নয়। ইউনূস সাহেবের বিরুদ্ধে কিছু কর ফাঁকির মামলাও রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় তিনি আপিল বিভাগ পর্যন্ত গিয়ে হেরে যাওয়ার পর কর (ট্যাক্স) পরিশোধ করেছেন। এ ছাড়া, ড. ইউনূস শ্রমিকদের অধিকার লঙ্ঘন করেছিলেন, সেকারণে শ্রম আইনে মামলা হয়েছে। সেই মামলায় আদালত তাকে সাজা দিয়েছেন। এখনো অনেক মামলা পেন্ডিং আছে। 

ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আর কী কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ শ্রম আইন, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স আইন, উপাত্ত সুরক্ষা আইন, সাইবার নিরাপত্তা আইন, ইইউ নির্বাচন কমিশন থেকে বাংলাদেশে একটি টিম এসেছিল, সেই টিমের রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার কি চিন্তা-ভাবনা করছে, রোহিঙ্গা ইস্যু এবং সর্বশেষ বৈষম্যবিরোধী আইন সম্পর্কেও আলোচনা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিনিধি দলের সদস্যরা জানতে চেয়েছিল, কবে নাগাদ সংশোধিত শ্রম আইন পাস করা হবে? এর উত্তরে তাদের বলেছি- আন্তর্জাতিক শ্রম আদালতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যে নালিশ করা হয়েছিল, সেই নালিশটার শেষ আমরা চাই। তাদের আরও বলেছি, শ্রম আইন সংশোধন নিয়ে আমরা যথেষ্ট কাজ করেছি। আমার মনে হয়, বিষয়টা শেষ করে দেওয়া উচিত। তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে, আগামী নভেম্বরে আইএলও-এর যে গভর্নিং বডির মিটিং হবে, সেখানে আমাদের সমর্থন করতে বলেছি।’