ঢাকা ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
৬০০ ভক্তের যাতায়াত খরচ দেবেন জার্মানির ফুটবলাররা ‘ফিফা বিশ্বের রাজা নয়’ শাকিরার সুরের মূর্ছনায় বিশ্বকাপের বর্ণিল উদ্বোধন দর্শকের ভালোবাসাই আমার জীবনের সেরা প্রাপ্তি: সূচরিতা বিইউপি মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন ক্লাবের আয়োজনে আনস্ক্রিপ্টেড ১.০ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট দলে তাওহিদ-রবিউল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা বাংলাদেশের খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস পরাশক্তিরা যেদিন মাঠ ছেড়েছিল কান্নাভেজা চোখে দেশে ফের ভূমিকম্প অনুভূত আবারও রক্তাক্ত কাশ্মীর, সংঘর্ষে নিহত ১৬ সরকারের এই বাজেট ঐতিহাসিক প্রস্তাবিত বাজেট রাজনৈতিক চমকবাজি ছাড়া আর কিছু নয়: জাসদ ক্রিকেটার নাসির-তামিমাকে খালাস দেওয়ার পেছনে বিচারকের পর্যবেক্ষণ জাতীয় সংসদের জন্য বরাদ্দ ২৯১ কোটি টাকা বাজেট ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ: ইসি পাবে ৪ হাজার ৪০১ কোটি টাকা বড় বাজেটের বোঝা কী জনগণের ঘাড়েই, প্রশ্ন বাসদের আবাসন বৃত্তির অর্থ পাচ্ছে জবি শিক্ষার্থীরা ‘ফাঁপা’ বাজেটে বৈষম্য বাড়বে: সিপিবি জুনের শেষে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর: ডেপুটি স্পিকার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টাইগারদের ওয়ানডে সিরিজ জয় যশোরে স্ত্রীকে বেঁধে রেখে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা ও নদী রক্ষায় ১০ হাজার কোটির বেশি টাকার মহাপরিকল্পনা আইসিটিতে লক্ষ্য জিডিপির ১০ শতাংশ, স্টার্টআপে বিশেষ গুরুত্ব ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা সমর্থক বিশ্বকাপ উন্মাদনা যেন দুর্ঘটনার কারণ না হয় মূল্যস্ফীতি ও সাধারণ মানুষের বাস্তবতা প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে দুইদিন ব্যাপী ফল উৎসব দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে রাত ৯টা পর্যন্ত যাদের পাশে বসলে দুঃখ কমে, শান্তি বাড়ে
Nagad desktop

সংস্কারের অভাবে চরম নাজেহাল অবস্থা

প্রকাশ: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:১১ পিএম
সংস্কারের অভাবে চরম নাজেহাল অবস্থা

গাজীপুর সদরের মির্জাপুর বাংলাবাজার থেকে মুন্সি মার্কেট পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে নাজেহাল অবস্থা। রাস্তাটি শুধু স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলের পথ নয়। এটি আশপাশের কয়েকটি গ্রাম, বাজার, স্কুল-কলেজ এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শহরের যোগাযোগের অন্যতম প্রধান পথ। সড়কটির ওপর নির্ভর করে প্রতিদিন হাজারো মানুষ—শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও রোগীবাহী যান চলাচল করলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলায় এটি এখন জনদুর্ভোগের কারণ। রাস্তার বিভিন্ন স্থানে গর্ত, খানাখন্দ যান চলাচলকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে। বর্ষা মৌসুমে গর্তগুলোতে পানি জমে রাস্তার অবস্থা আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। কোথায় গর্ত আর কোথায় সমতল রাস্তা—তা বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে। মোটরসাইকেল, রিকশা ও ব্যাঙ অটোরিকশা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছে। সড়কের আশপাশে কয়েকটি কোম্পানি ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান আছে।

যেখানে শত শত শ্রমিক নিয়মিত যাতায়াত করেন। ভাঙা রাস্তার কারণে কর্মীরা সময়মতো অফিসে পৌঁছাতে পারছেন না। অনেক ক্ষেত্রে কোম্পানির যানবাহন বিকল হয়ে পড়ছে কিংবা বিকল্প দীর্ঘ পথ ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে সময় নষ্ট হচ্ছে এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদনও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও এই দুরবস্থার কারণে চরমভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। পণ্য পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় খরচ বাড়ছে। বাংলাবাজার, মুন্সি মার্কেট ও ডগরি এলাকায় ব্যবসায়িক কার্যক্রম দিন দিন অচল হয়ে পড়ছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থী ও রোগীদের দুর্ভোগের শেষ নেই। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা সময়মতো প্রতিষ্ঠানে পৌঁছাতে পারছে না। জরুরি রোগীবাহী যান চলাচল মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয় না। যা মানবিক দিক থেকেও অত্যন্ত উদ্বেগজনক। স্থানীয় লোকজন একাধিকবার কর্তৃপক্ষকে জানালে শুধু আশ্বাসই মিলেছে, বাস্তব কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। রাস্তাটি সংস্কার না করার পেছনে কারা জড়িত? যাদের হাত রয়েছে বা যে সমস্যাটি সামনে আসছে সেগুলোকে আগে দমন করা জরুরি। শিল্প ও বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকার প্রধান সড়কের এমন অবস্থা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ভাওয়াল মির্জাপুর বাংলাবাজার থেকে মুন্সি মার্কেট পর্যন্ত সড়কটি দ্রুত ও টেকসইভাবে সংস্কার করা সময়ের দাবি। টেকসই ও মানসম্মত সংস্কার না হলে জনদুর্ভোগ বাড়তেই থাকবে। এলাকার সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন চরমভাবে বাধাগ্রস্ত হবে। গাজীপুর সিটি করপোরেশনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর ইসলাম 
শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]

 

ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা সমর্থক

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৭:৫১ পিএম
ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা সমর্থক

সময়ের পরিক্রমায় ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল আমাদের অতি সন্নিকটে। স্বাগতিক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিত হচ্ছে ফুটবল বিশ্বের এ জমকালো আয়োজন। আগের আসরগুলোতে ৩২টি দল খেললেও এবারই প্রথম ৪৮টি সেরা দল ১২টি গ্রুপে ভাগ হয়ে লড়বে। ১৬টি শহরের ১৬টি স্টেডিয়ামে আয়োজিত হবে সর্বমোট ১০৪টি ম্যাচ। শিরোপার সোনার হরিণকে হাতের মুঠোয় আনতে চূড়ান্ত পারফরম্যান্সে টিকে থেকে মাঠে নামবেন বিশ্বের বাঘা বাঘা খেলোয়াড়রা। দর্শক-সমর্থকরা আকাঙ্ক্ষার পারদ তুঙ্গে নিয়ে মাঠে এবং স্ক্রিনে তাদের প্রিয় তারকাদের খেলা দেখবে। বাংলাদেশে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে এই জমকালো আয়োজন নিয়ে মাতামাতি, বাজি এবং সর্বোপরী উৎসাহ-উদ্দীপনা একটু বেশিই পরিলক্ষিত হয়। কখনো কখনো অপ্রীতিকর ঘটনারও সাক্ষী আমরা হয়েছি এই দুই হটডগের সমর্থনকে কেন্দ্র করে। দেশের প্রগতি ও শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার সুবিধার্তে ফিফা বিশ্বকাপকে ঘিরে যেন কোনো বিশৃঙ্খলা ও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেদিকে খেয়াল রাখার বিনীত অনুরোধ রইল প্রশাসন ও সমর্থকদের প্রতি।

হারুন অর রশীদ 
পূর্ব নলছিয়া, বিনোদটঙ্গী, মাদারগঞ্জ, জামালপুর
[email protected]

বিশ্বকাপ উন্মাদনা যেন দুর্ঘটনার কারণ না হয়

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৭:৪৭ পিএম
বিশ্বকাপ উন্মাদনা যেন দুর্ঘটনার কারণ না হয়

আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে প্রতিবারের মতো এবারেও আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে একপ্রকার উচ্ছ্বাস ও উন্মাদনা শুরু হয়েছে। বিনোদন হিসেবে ফুটবল বিশ্বকাপ আমাদের মাঝে এক অপার আনন্দ বয়ে আনে। কিন্তু দুশ্চিন্তার বিষয় হলো, প্রতিবছরই বিশ্বকাপ উন্মাদনা দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। গাছের মগডালে, কিংবা ভবনের ঝুঁকিপূর্ণ ছাদে প্রিয় দলের পতাকা টানাতে গিয়ে এ বছর ইতোমধ্যেই দুর্ঘটনায় কয়েকজনের প্রাণ গেছে। বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা গেছে একজন। এ ছাড়া বিভিন্ন দলের সমর্থকরা বিতর্ককে ঘিরে সংঘর্ষে জড়ায়। এর ফলে দেশের নানা জায়গায় আহত ও নিহতের ঘটনা শোনা যায়। বিশ্বকাপ ঘিরে এমন রেষারেষি পরিচিতদের মধ্যেও অনেক সময় বিরোধ তৈরি করে, যা এক ধরনের সামাজিক ক্ষতি। সর্বোপরি, আসন্ন বিশ্বকাপ উন্মাদনা যেন দুর্ঘটনার কারণ না হয় এবং কোনো সামাজিক ক্ষতি না করে, সে ব্যাপারে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে।

মো. জাহিদ হাসান
শিক্ষার্থী, বাংলা বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া 
[email protected]

টেলিমেডিসিনের গুরুত্ব

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৬:২৪ পিএম
টেলিমেডিসিনের গুরুত্ব

আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগে টেলিমেডিসিন স্বাস্থ্যসেবা খাতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। ভৌগোলিক দূরত্ব কমিয়ে ঘরে বসে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার এই প্রযুক্তিগত পদ্ধতি বর্তমানে অত্যন্ত অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। এটি টেলিকমিউনিকেশন এবং তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে রোগীর চিকিৎসা এবং সেবাদানের একটি উন্নত ডিজিটাল চিকিৎসাসেবা পদ্ধতি। উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এবং স্বাস্থ্যসেবাকে সাধারণের হাতের মুঠোয় নিয়ে আসতে টেলিমেডিসিনের গুরুত্ব অপরিসীম। মহামারির সময় চিকিৎসার সেরা বিকল্প টেলিমেডিসিন। করোনা রোগী হাসপাতালের চেয়ে বেশি সেবা পেয়েছে এই বিকল্প পন্থায়। করোনা ছড়িয়ে পড়া রোধে এটি একটি সফল মাধ্যম ছিল। একই সঙ্গে এটি শুধু বর্তমানেই নয়, ভবিষ্যতেও এর চাহিদা আরও বৃদ্ধি পাবে। মূলত, টেলিমেডিসিনে ভিডিও কল, ফোন কল বা মেসেজিংয়ের মাধ্যমে রোগী ও ডাক্তারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করা হয়। এভাবে চিকিৎসক ও রোগী শারীরিকভাবে একই স্থানে না থেকেও যোগাযোগ করতে পারে এবং চিকিৎসা পরামর্শ নিতে পারে। চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা যায় টেলিফোন, মোবাইল ফোন, ভিডিও কনফারেন্স বা অনলাইনের বিভিন্ন কলিং সফটওয়্যার যেমন–হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার, ইমো প্রভৃতি। টেলিমেডিসিন সেবা খুব শিগগিরই স্বাস্থ্যসেবার আশ্রয়স্থল হয়ে উঠবে। আমাদের এই বিশ্বে চিকিৎসার ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির সার্থক অবদান রয়েছে। এই তথ্যপ্রযুক্তিগুলো ইলেকট্রনিক মেডিকেল রেকর্ড, টেলিহেলথ সার্ভিস, মোবাইল টেকনোলজির ব্যবহার বৃদ্ধি করেছে। টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে যোগাযোগের সময় রোগীর ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইন মাধ্যমে আদান-প্রদান হয়। সুতরাং এই তথ্যগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে, তথ্য ফাঁসের ঝুঁকি থাকে।

মো. জাহিদুল ইসলাম 
নেটওয়ার্ক টেকনিশিয়ান (আইসিটি সেল), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
[email protected]

বিচার চাইব কার কাছে

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৬:১৯ পিএম
বিচার চাইব কার কাছে

দেশে একের পর এক ধর্ষণকাণ্ড ঘটেই যাচ্ছে। গণপিটুনি, মিছিল-মিটিং, লেখালেখি, প্রতিবাদ–কিছুই যেন থামাতে পারছে না এই মহামারিকে। সমাজের কিছু পুরুষ আজ যেন আগ্রাসী আতঙ্কের নাম, নারীদের জন্য এক ভয়ংকর বোঝা। নারীর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ও সম্মান যেন তলানিতে এসে ঠেকেছে। নারী মানেই যেন ভোগের বস্তু, নির্যাতনের শিকার, হত্যাযোগ্য এক অসহায় প্রাণ! এ যেন নতুন এক আইয়ামে জাহেলিয়াত! আছিয়া থেকে রামিসা, ৭ থেকে ৭০–কেউ আজ নিরাপদ নয়। দেশের বিচারব্যবস্থার ভঙ্গুরতা ধর্ষকদের আরও সাহসী করে তুলছে। প্রতিনিয়ত ধর্ষণকাণ্ড ঘটলেও বিচারের হার প্রায় শূন্যের কোঠায়। ক্ষমতার দাপট, নেতাগিরি ও ছলচাতুরীর মাধ্যমে একে একে সবাই পার পেয়ে যাচ্ছে। তাই তো ধর্ষিতার বাবা আজ বিচার চাইতেও ভয় পান। ধর্ষিতার মা বুকভরা কষ্ট নিয়ে পাথর হয়ে থাকেন। অসহায় কণ্ঠে বলেন, ‘বিচার চাইব কার কাছে? দেশে কি আদৌ বিচার আছে?’

আমরা চাই এই ভয়াবহ পরিস্থিতির অবসান হোক। সমাজে নারীরা নিরাপদে বাঁচুক। রাষ্ট্র নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুক। আমরা আর কোনো ধর্ষণ দেখতে চাই না। চাই না কোনো কর্তিত, খণ্ডিত, গলা কাটা দেহ। বন্ধ হোক ধর্ষণ। বন্ধ হোক ধর্ষিতার আর্তচিৎকার।

রফিকুল ইসলাম
মনোয়ারা ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, মানিকগঞ্জ
[email protected]

উচ্চশিক্ষা নয়, নৈতিক শিক্ষায় বড় হও

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৬:১৮ পিএম
উচ্চশিক্ষা নয়, নৈতিক শিক্ষায় বড় হও

দেশের পরিস্থিতি ও পরিবেশের ওপর ভিত্তি করে নিত্যদিনের ঘটনা গণমাধ্যমে উঠে আসে। দেশের নানা আবেগময় ঘটনার বর্ণনা সামনে এলেও অধিকাংশই হৃদয়বিদারক ঘটনার সাক্ষী হচ্ছে দেশের মানুষ। এরই ধারাবাহিকতায় এক বৃদ্ধার করুণ মৃত্যুতে উচ্চশিক্ষার ওপর প্রশ্ন উঠে যায়। শেষ জীবনে এসে বৃদ্ধা মা পাইনি কোনো সন্তানদের যত্ন। অযত্ন আর অবহেলায় জীবনের শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত অবস্থায় একই রুমে পড়ে রইলেন ৫-৭ দিন। জানতেন না কেউ। অথচ, সন্তানরা হলেন একজন বুয়েট শিক্ষক, একজন সচিব ও একজন কানাডা প্রবাসী। দেখা যাচ্ছে সন্তানরা ঠিকই উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছেন এবং ভালো অবস্থানেও আছেন। কিন্তু তাদের মধ্যে ছিল নৈতিকতার বড়ই অভাব। নীতিহীন আদর্শ ও উচ্চশিক্ষার কোনো অর্থ নেই। অতএব, উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার আগে নৈতিকতার শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া উচিত।

আবদুর রশীদ
শিক্ষক, উত্তর সাতকানিয়া দারুল আরকাম একাডেমি
[email protected]