ঢাকা ১ আষাঢ় ১৪৩১, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪

ধর্ষণ মামলায় ‘টিকটকার’ প্রিন্স মামুন গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৪, ০১:৩০ এএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৪, ০১:৩০ এএম
ধর্ষণ মামলায় ‘টিকটকার’ প্রিন্স মামুন গ্রেপ্তার
‘টিকটকার’ আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুন। ছবি : সংগৃহীত

লায়লা আখতার ফারহাদের করা ধর্ষণ মামলায় ‘টিকটকার’ আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে কুমিল্লার পুলিশ। রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় করা এ মামলায় সোমবার (১০ জুন) রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ মঙ্গলবার তাকে ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের কথা জানিয়ে রবিবার প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি মামলা করেন লায়লা। এরপর গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে কুমিল্লার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। এখন আমাদের টিম কুমিল্লার পথে। কুমিল্লার পুলিশ প্রিন্স মামুনকে হস্তান্তর করবে।

অভিযোগে লায়লা উল্লেখ করেন, ‘মামলার বিবাদী আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনের সঙ্গে আমার গত তিন বছর আগে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয়। পরিচয়ের একপর্যায়ে মামুন আমাকে বিয়ে করবে মর্মে প্রলোভন দেখিয়ে আমার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করে।’ সে আমাকে জানায়, তার ঢাকায় থাকার মতো নিজস্ব কোনো বাসা নেই। যেহেতু প্রেমের সম্পর্ক সৃষ্টি হয় এবং মামুন আমাকে বিয়ে করবে বলে জানায়, তাই তার কথা সরল মনে বিশ্বাস করে তাকে আমার বাসায় থাকার অনুমতি দিই।
‘২০২২ সালের ৭ জানুয়ারি মামুন তার মাকে সঙ্গে নিয়ে আমার বাসায় এসে বসবাস করতে থাকে। ওই দিন থেকে সে আমার বাসায় আমার সঙ্গে একই রুমে থাকতে শুরু করে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করে। মামুন আমার বাসায় থাকাকালে তার বাবা-মা মাঝেমধ্যেই সেখানে এসে অবস্থান করতেন। আমি মামুনকে একাধিকবার বিয়ের বিষয় বললে সে বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকে।’

সর্বশেষ চলতি বছরের ১৪ মার্চ মামুন আবার ধর্ষণ করে। পরে আমি তাকে বিয়ের বিষয়ে বললে সে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। আমাকে বিভিন্ন অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে মামলার অভিযোগে সব উল্লেখ করা হয়। 

পুলিশ জানায়, ঘটনাটি ব্যাপক আলোচিত হয়। এরপর তদন্তে নামে পুলিশ। তদন্তের একপর্যায়ে অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনা হয়।

খাজা/এমএ/

ট্রেনের ৫০০ টিকিট কিনে রাখা চক্র র‌্যাবের হাতে ধরা

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৪, ০৫:৫০ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৪, ০৫:৫০ পিএম
ট্রেনের ৫০০ টিকিট কিনে রাখা চক্র র‌্যাবের হাতে ধরা
ছবি : সংগৃহীত

রেলওয়ের প্রায় ৫০০ টিকিটসহ কালোবাজারি চক্রের ১০ জনকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

শুক্রবার (১৪ জুন) রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে এক সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-৩ এর অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফিরোজ কবীর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

আটকরা বিভিন্ন ব্যক্তির এনআইডি ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে বিপুল সংখ্যক টিকিট কিনে রেখেছিল। যেগুলো দুই থেকে তিন গুণ দামে বিক্রি করতো।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফিরোজ কবীর জানান, টিকিট কালোবাজারি চক্রের সদস্যদের ধরতে বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) রাতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তিন ধাপে পরিচালিত ওই অভিযানে ঢাকার কমলাপুর ও আশপাশের এলাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ওই ১০ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের (বেসরকারি ব্যবস্থাপায় চলাচলকারী ট্রেনের) বিক্রয় প্রতিনিধিও রয়েছেন।

আটকরা হলেন- ঠাকুরগাঁওয়ের মো. সোহেল রানা (২৭), রংপুরের মো. মাহবুবুর রহমান (২৮) ও মো. বকুল হোসেন (২৫), নাটোরের মো. শিপন আহমেদ (২৯), চুয়াডাঙ্গার মো. আরিফ (৩৮), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শাহাদাত হোসেন (৩৫), জামালপুরের মো. মনির (২৫), নরসিংদীর শিপন চন্দ্র দাস (৩৫) ও মনির আহমেদ (৩০) এবং ফরিদপুরের মো. রাজা মোল্লা (২৬)। অভিযানে তাদের কাছ থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ট্রেনের প্রায় ৫০০ টিকেট ছাড়াও ১০টি মোবাইল ফোন, ১০টি সিমকার্ডসহ কালোবাজির বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-৩ এর অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফিরোজ কবীর জানান, আটদের মধ্যে দুই ধরনের চক্র রয়েছে। এরমধ্যে একটি চক্র যখন অনলাইনে টিকিট আপলোড হয়, তখন ভুয়া এনআইডি ও সিম ব্যবহার করে সেই টিকিটগুলো কেটে নেয়। পরে তারা ফেসবুকের বিভিন্ন পেজে টিকিটের ছবি দিয়ে চড়া দামে সেগুলো বিক্রি করে। এ ক্ষেত্রে বিকাশ, রকেট কিংবা নগদের মাধ্যমে টাকা নিয়ে বিভিন্নজনের কাছে অনলাইনে টিকিটের সফট কপি পাঠিয়ে দিতো চক্রটি।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা জানান, এর বাইরেও একটি চক্র সশরীরে বিভিন্ন স্থানে টিকিট বিক্রি করতো। এরমধ্যে মৌচাক এলাকা থেকে দুজনকে আটক করা হয়েছে। পরে তাদের মাধ্যমে জানা যায়, ঠাকুরগাঁওয়ের চারজনের সঙ্গে যোগসাজশে তারা টিকিট কালোবাজারি করতো। এরপর র‌্যাব-১৩ এর সঙ্গে যোগাযোগ করে আরও দুইজনকে আটক করা হয়। তারা ঠাকুরগাঁওয়ে বসে ভুয়া এনআইডি ও সিমকার্ড ব্যবহার করে অনলাইনে টিকিট কাটতো। তাদের একটি বড় হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ আছে যার মাধ্যমে ভুয়া এনআইডি ও সিমের তথ্য আদান-প্রদান ছাড়াও টিকিটের চাহিদা নিয়ে আলোচনা হতো।

তিনি জানান, র‌্যাব-১৩ এর কাছে বিস্তারিত তথ্য জানার পর র‌্যাব-৩ এর সদস্যরা শুক্রবার ভোরে কমলাপুর-খিলগাঁও রেললাইন এলাকা থেকে মূল হোতা সোহেলকে আটক করতে সক্ষম হয়। সেই সঙ্গে বিপুল ট্রেনের টিকিট ছাড়াও টিকিট বিক্রির আলামত, সিমকার্ডসহ অন্যান্য আলামত জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

খাজা/এমএ/

ইউটিউবার ইফতেখার রাফসানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪, ১০:৪৪ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৪, ১০:৪৯ পিএম
ইউটিউবার ইফতেখার রাফসানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
ইফতেখার রাফসান

‘রাফসান দ্য ছোট ভাই’ খ্যাত জনপ্রিয় ইউটিউবার ইফতেখার রাফসানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত। ডিএসসিসির নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক ও প্রসিকিউটিং অফিসার কামরুল হাসানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত গত ৪ জুন এই পরোয়ানা জারি করেন।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) ডিএসসিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনুমোদনহীন ‘লেমন রিচ লিচি ব্লু ইলেকট্রোলাইট ড্রিংক’ বাজারজাত করায় ডিএসসিসির বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলাউল আকবর প্রতিষ্ঠানটির মালিক ইফতেখার রাফসানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

এর আগে ইফতেখার রাফসানের ব্লু ড্রিংকসের অননুমোদিত একটি কারখানায় গত ২৪ এপ্রিল অভিযান চালায় বিএসটিআই। এ সময় প্রতিষ্ঠানটিকে নিবন্ধন ব্যতীত ইলেকট্রোলাইট ড্রিংক পণ্য প্রস্তুত, মোড়কজাত ও বাজারজাত করায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

গত বছরের ৭ ডিসেম্বর ব্লু ইলেকট্রোলাইট ড্রিংক বাজারজাত করার ঘোষণা দেন আলোচিত ইউটিউবার রাফসান। তখন লিচু ও তরমুজের ফ্লেভার নিয়ে দুই ক্যাটাগরিতে দেশের বিভিন্ন পয়েন্টে বাজারজাত শুরু করেন তিনি।

র‍্যাব-সাংবাদিক পরিচয়ে ডাকাতি, হোতাসহ গ্রেপ্তার ৫

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪, ০৬:৫২ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৪, ০৬:৫৬ পিএম
র‍্যাব-সাংবাদিক পরিচয়ে ডাকাতি, হোতাসহ গ্রেপ্তার ৫
ছবি : সংগৃহীত

গাজীপুরের শ্রীপুরের সেলভো কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বেতনের টাকা তুলে নিয়ে ফেরার পথে র‍্যাব ও সাংবাদিক পরিচয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সাড়ে ১৯ লাখ টাকা ডাকাতি হয়। এ ঘটনায় হোতাসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

বুধবার (১২ জুন) রাতে ঢাকা ও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। 

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংস্থা আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার আরাফাত ইসলাম।

তিনি বলেন, গত ৬ জুন বিকেলে গাজীপুরের শ্রীপুরের সেলভো কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের তিন কর্মকর্তা একটি প্রাইভেট ব্যাংক থেকে কারখানার শ্রমিকদের বেতন, ঈদ বোনাস ও পরিবহন খরচের সাড়ে ১৯ লাখ টাকা নিয়ে প্রাইভেটকার দিয়ে কারখানায় ফিরছিলেন। তাদের বহনকারী গাড়িটি কারখানার কাছাকাছি আসলে একটি গাড়ি তাদের গাড়ির গতিরোধ করে।

এসময় র‌্যাবের জ্যাকেট পরিহিত কয়েকজন ব্যক্তি অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে  কর্মকর্তাদের অপহরণ করে গাড়িতে তুলে নিয়ে মারধর করে। গাজীপুর-ময়মনসিংহ সড়কের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করতে থাকে। পরবর্তীতে সন্ধ্যা ৬টার দিকে টাকা ছিনিয়ে নিয়ে গাজীপুরের হোতাপাড়া এলাকায় তিনজনকে নামিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় শ্রীপুর থানায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্তে নেমে রাজধানীর রামপুরা ও উত্তরা এবং গাজীপুরের টঙ্গীতে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- চক্রের মূলহোতা  হামিম ইসলাম (৪৫), মো. জিন্নাহ মিয়া (২৭), মো. আমিন হোসেন (৩০), মো. রুবেল ইসলাম (৩৩), মো. আশিকুর রহমান (৪২)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতিতে ব্যবহৃত মাইক্রোবাস, দুটি খেলনা পিস্তল, দুইটি হাতে তৈরি র‌্যাব জ্যাকেট, দুটি র‌্যাবের ক্যাপ, ১টি হ্যান্ডকাফসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। আসামিদের কাছ থেকে ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার ডাকাত সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে কমান্ডার আরাফাত বলেন,  ডাকাত দলটির প্রধান হামিম। এই ডাকাত দলে ১০ থেকে ১২ জন সদস্য রয়েছে। এছাড়াও গ্রেপ্তারকৃতরা ডাকাতি কাজে মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন যানবাহন ব্যবহার করতো বলে জানা যায়। ৩ থেকে ৪ বছর  আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে গাজীপুর, টঙ্গী, উত্তরাসহ রাজধানীর পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতির করত। ডাকাতির কৌশল হিসেব বিভিন্ন সময় নিজেদেরকে র‌্যাব, পুলিশ, ডিবি, সাংবাদিক ও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভুয়া সদস্য পরিচয় প্রদানসহ ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত গাড়িতে সাংবাদিকসহ বিভিন্ন বাহিনীর লোগো সম্বলিত স্টিকার ব্যবহার করত। দলের কিছু সদস্য ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নজরদারি করে। বেশি অর্থ উত্তোলনকারী ব্যক্তিকে টার্গেট করে বাহিরে অবস্থানকৃত চক্রের অন্য সদস্যদেরকে জানিয়ে দিতো। পরবর্তীতে সুবিধাজনক  স্থানে টার্গেটকৃত ব্যক্তির গাড়ির গতিরোধ করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। মারধর করে তার কাছে থাকা টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে নির্জন স্থানে ফেলে পালিয়ে যেত। তারা মাসে ২ থেকে ৩টি ডাকাতি করত। 

চক্রটি পবিত্র ঈদ-উল-আযহাকে সামনে রেখে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভুয়া পরিচয় দিয়ে কয়েকটি সম্ভাব্য স্থানে ডাকাতির পরিকল্পনা করছিল বলে জানা যায়।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, উৎসবের সময়ে আর্থিক লেনদেন বেশি হয়। অনেকেই প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি প্রয়োজনে টাকা লেনদেন করেন। এই সময়ে আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি অনেক বেশি থাকে। ব্যাংকেও আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে। পাশাপাশি আমাদের অনুরোধ থাকবে প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজেদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হলে এমন ঘটনা এড়ানো যাবে।

ঈদকে কেন্দ্র করে র‍্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে গরু বিক্রি করতে আসা বেপারীদের উদ্দেশ্য র‍্যাবের এই মুখপাত্র বলেন, আমরা অনুরোধ করবো বড় অংকের টাকা বহনের সময়ে নিকটস্থ র‍্যাবকে জানালে জানালে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

খাজা/এমএ/

অর্থ আত্মসাৎ: মূসকের সাবেক কমিশনার ওয়াহিদার বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৪, ০৭:১২ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৪, ০৭:১২ পিএম
অর্থ আত্মসাৎ: মূসকের সাবেক কমিশনার ওয়াহিদার বিরুদ্ধে মামলা
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে রাষ্ট্রের ১৫২ কোটি টাকার ক্ষতিসাধন ও আত্মসাতের অভিযোগে মূল্য সংযোজন করের (মূসক) বৃহৎ করদাতা ইউনিটের সাবেক কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 

মঙ্গলবার (১১ জুন) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ মামলাটি করেন সহকারী পরিচালক শাহ আলম শেখ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদক সচিব খোরশেদা ইয়াসমীন। 

মামলার এজাহারে বলা হয়, ওয়াহিদা রহমান চৌধুরী মূসকের কমিশনার থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে দেশের চারটি মোবাইল কোম্পানির কাছে রাষ্ট্রের পাওনা ১৫২ কোটি ৮৯ হাজার ৩৯০ টাকা মওকুফ করেন। এর মধ্যে ২০২০ এর মার্চ থেকে ২০২২ সালের নভেম্বর পর্যন্ত গ্রামীণফোন লিমিটেডের কাছে পাওনা ৫৮ কোটি ৬৪ লাখ ৮৮ হাজার ৬৯৭ টাকা, বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশন লিমিটেডের কাছে ৫৭ কোটি ৮৮ লাখ ৫৩ হাজার ৫১ টাকা, রবি আজিয়াটার ১৪ কোটি ৯৪ লাখ ১৬ হাজার ৬৮৮ টাকা এবং এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেডের ২০ কোটি ৫৩ লাখ ৩০ হাজার ৯৫২ টাকা পাওনা মওকুফ করেন, যা দণ্ডবিধি ২১৮, ৪০৯ এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। 

ফেনীতে যুবকের গলা কাটা লাশ উদ্ধার

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৪, ০৯:৩৮ এএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৪, ০১:৫৬ পিএম
ফেনীতে যুবকের গলা কাটা লাশ উদ্ধার
ছবি: খবরের কাগজ

ফেনীর সদর উপজেলা থেকে অজ্ঞাত যুবকের গলা কাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

সোমবার (১০ জুন) রাত ১০টার দিকে উপজেলার ফাজিলপুর ইউনিয়নের শাহাপাড়া এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। 

স্থানীয়রা জানায়, রাত ১০টার দিকে ফাজিলপুর ইউনিয়নের শাহাপাড়া এলাকায় রাস্তার ওপর লাইটের আলো জ্বলছে দেখে ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি নতুন টমটমের পাশে রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখে। পরে তারা স্থানীয় ইউপি সদস্যকে জানান। ইউপি সদস্য ঘটনাটি পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।

পরে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) শাহাদৎ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) থোয়াই অংফু মার্মা, ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম চৌধুরী।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) শাহাদৎ হোসেন খবরের কাগজকে বলেন, লাশের মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, মুখ থেঁতলানো ও গলা কাটা। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড ধরেই তদন্ত করছে পুলিশ। 

শাহাদৎ হোসেন/ইসরাত চৈতী/অমিয়/