শীত করি জয়
ওলি মুন্সী
শীত লাগে যদিও
কেটে যায় ভীত
ভোর হলে যেই শুনি
পাখিদের গীত।
শীত নিবারণে আছে
জাগ্রত বোধ
ভোর হলে উঠানে
খাই গিয়ে রোদ।
শীত এলে খাওয়া ঘুম
সব ভালো হয়
দুপুরে স্নান করে
শীত করি জয়।
হেমন্তের গাঙ্গেরকুট
কাজল নিশি
শিশির ভেজা দুব্বা ঘাস ওই
ঝলমলিয়ে হাসে
ম ম করে নবান্নের ঘ্রাণ
হেমন্তের বাতাসে।
কুটুম এল কুটুম এল
পিঠাপুলির ধুম
হৈ-হুল্লোড়ে ভেঙে গেল
খুকুমণির ঘুম।
উঠোন কোণে মিঠে রোদে
দাদি বসে খায়
চমৎকার সব দৃশ্য আছে
গাঙ্গেরকুট গায়!
শৈশব বন্দি
রফিকুল নাজিম
নিমের ডালে ময়না বসে
যেই না দিল ডাক,
বিড়াল পায়ে পালায় খোকা
পড়া গোল্লায় যাক।
জারুলগাছে পাতার ফাঁকে
কোকিল ডাকে যেই,
ঘুড়ির মতো উড়তে গিয়ে
হঠাৎ হারায় খেই।
মাঠের ঘাটে শালিক হাঁটে
উড়াল ঘুঘুর দল,
খোকা খুঁজে হাজার ছুঁতো
বাইরে যাবার ছল!
পড়ার চাপে শৈশব বন্দি
শিকল শিশুর পায়?
পাখির সাথে পাখির মতো
খোকা উড়তে চায়।