লাল গরু
আবদুল লতিফ
বাবার সাথে গেল খোকা
ঈদের পশুর হাটে
নানান রকম পশু দেখে
খোকার সময় কাটে।
নানান রঙের নানান পশু
নানান রকম শিং
কারও গলায় ঘণ্টা বাজে
টুংটাং টিংটিং।
টুকটুকে লাল একটা গরু
শিং দুটো তার বাঁকা
খুব সুন্দর দেখতে যেন
রংতুলিতে আঁকা।
এমন গরু দেখে খোকার
জুড়ায় দুই নয়ন
সেই গরুটা দেখে বাবারও
ভরে ওঠে মন।
লাল গরুটা কিনে নিয়ে
ফিরল বাড়ি শেষে
ফিরল বাড়ি বাবা-ছেলে
খুশির নায়ে ভেসে।
কোরবানির পশু কেনা
মুহাম্মদ রফিক ইসলাম
গেল খোকা
পশুর হাটে
ঈদের খুশি মনে,
লাল গরুটা
পছন্দ খুব
দেখে জনে জনে।
খোকা বলে
কিনতে হবে
এই গরুটা ভালো,
ইয়া বড়
শিং আছে তার
লেজখানি যার কালো।
মুচকি হেসে
বলেন বাবা
নাও তাহলে এটা,
মনের খায়েশ
পূর্ণ হলেই
আল্লাহ খুশি, ব্যাটা।
ঈদ এলে
মো. দিদারুল ইসলাম
ঈদ এলে ছেলে-বুড়ো রাত করে ভোর,
খুকুমণি হাতে তোলে মেহেদির ফোঁড়।
ঈদ এলে শহরের অলিগলি ফাঁকা,
অনেকেই ছেড়ে যায় রাজধানী ঢাকা।
ঈদ এলে সারা গাঁয়ে পড়ে যায় ধুম,
খোকনের চোখজুড়ে নাহি থাকে ঘুম।
ঈদ এলে গরিবের মনে নাই সুখ,
আঁখি সদা জলে ভরা দুখ আর দুখ।
ঈদ এলে উঁচু-নিচু ভেদাভেদ নাই,
সকলেই মিলেমিশে ঈদগাহে যাই।
ঈদ এল গাই চলো!
শ্যামল বণিক অঞ্জন
খুশির পরাগে সাজে প্রজাপতি মন
উল্লাসে শোরগোলে মাতোয়ারা ক্ষণ!
আকাশের কোণে হাসে এক ফালি চাঁন
ঈদ এল গাই চলো সাম্যেরই গান!
কোলাকুলি গলাগলি বুকে রাখি বুক
ঈদে থাক সকলেরই হাসিভরা মুখ!