নতুন বছরের আনন্দ
মুহাম্মদ রফিক ইসলাম
কী আনন্দ মনের মাঝে
নতুন বছর এল,
নতুন ভোরে নতুন সূর্য
নতুন আলো পেল।
পুবের আকাশ রক্তরাঙা
নতুন আলোর মেলা,
নতুন বায়ে আলত দোলা
ধূসর মেঘের ভেলা।
নতুন শিশির নতুন মুক্তো
গাছের পাতা ফুলে,
নতুন অলির গুনগুনানি
নতুন মধুর মূলে।
গাছে গাছে পাখ-পাখালি
নতুনের গান গেয়ে,
সোনা ভোরে পাখনা মেলে
নতুন আকাশ পেয়ে।
নতুন পাখি
শারমিন নাহার ঝর্ণা
আমরা নতুন ছোট্ট পাখি
নতুন সুরে ডাকি,
আমরা নতুন ছোট্ট শিশু
মিলেমিশে থাকি।
আমরা নতুন ছোট্ট পাখি
নাচি ডালে ডালে,
আমরা নতুন পুষ্প কলি
দুলি তালে তালে।
আমরা নতুন ছোট্ট পাখি
নীল আকাশে উড়ি,
আমরা নতুন প্রজাপতি
মনের সুখে ঘুরি।
শীতের ছুটি
সোহান মেহরান
আঁকাবাঁকা পথ বেয়ে ঝিকঝিক গাড়িতে-
শীতের ছুটিতে রানা গেছে মামাবাড়িতে।
সুনসান চারিদিক নেই কোনো ভাবনা,
শহরের গলি জুড়ে এই সুখ পাব না।
ছেলেপেলে জড়ো হয় নদী চরে বিকেলে,
কানামাছি, গোল্লাছুট আরও কত কী খেলে।
ঘরের কানাচে জ্বলে মিটিমিটি জোনাকি,
দলবেঁধে করে তারা রাত জেগে সো নাকি!
সরিষার খেতে দেখ ম-ম সুরভি,
হলুদাভ রং মেখে মনপ্রাণ জুড়োবি।
পিঠাপুলি মিঠা খুব, রানা ভাগ বসাল,
খেজুরের রস খেয়ে মুখ করে রসাল।
মামা-মামি খুশি আজ খুশি নানা-নানিও,
গুড়-মুড়ি দই খই আরও স্যুপ পানীয়।
রোজ কত খানাদানা করে মামি তৈরি,
এত সুখ রেখে যেতে মন হয় বৈরী।
ছুটি শেষ, এইবার যেতে হবে শহরে,
কত ব্যথা উঁকি দেয় দুচোখের নহরে।
ঘরপানে ফেরে রানা সালামটা জানিয়ে,
শহুরে জীবন ফের নিতে হবে মানিয়ে।