ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
চট্টগ্রামে কাফনের কাপড় পরে যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল হরোস্কোপের গোলকধাঁধায় ভবিষ্যৎ ভাবনা বিয়ে করলেন উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের মানসিকতা সরকারের নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী দিনে দিনেই ঘুরে আসুন মৈনট ঘাট থেকে পাবনায় ২০০ একর জমির ওপর বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তোলা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী সবার সহযোগিতায় বাসডুবিতে কোনো প্রাণহানি ঘটেনি: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী নতুনধারার ‘কেমন বাজেট চাই’ শীর্ষক গোলটেবিল লক্ষ্মীপুরে হাসপাতালে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরকে বলাৎকার, ওয়ার্ডবয় আটক জিয়া স্মৃতি জাদুঘর শিগগিরই দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী চীনের ইভি প্রযুক্তিতে গাড়ি বানাবে ভারতের টাটা পাটগ্রাম সীমান্তে পুশইন ঠেকালো বিজিবি, বিএসএফকে কড়া প্রতিবাদ হবিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাবা-ছেলের মৃত্যু দিনাজপুর-ঠাকুরগাঁও সীমান্তে পুশইনের আশঙ্কা: বিজিবির নজরদারি জোরদার দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশি নিহত কন্যাসন্তানের বাবা-মা হলেন শাকিব ও বুবলী হাম উপসর্গে একদিনে ৫ জনের মৃত্যু ফটিকছড়িতে ছাত্রলীগের গোপন সভা, গ্রেপ্তার ২ রাঙ্গুনিয়ায় সড়ক ভেঙে দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ,ভরসা বাঁশের সাঁকো বরগুনায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত টাঙ্গুয়ার হাওরে অপরিকল্পিত হাউজবোট চলাচল: বেলার উদ্বেগ প্রকাশ পীরগাছায় পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল ভাই-বোনের পটিয়ায় ৮ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে মিনি স্টেডিয়ামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন প্রান্তিক ধাপের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিলের সুবিধা পাবেন না বস্তিবাসী ভুবনেশ্বর নদ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার ভাঙ্গায় মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ভাঙচুর, আগুন দিল স্থানীয়রা পদ্মায় আবারও বাসডুবি, আগেই নেমে যাওয়ায় যাত্রীদের প্রাণরক্ষা গাছ লাগান, সওয়াব কামান পাসপোর্ট ও বিদেশযাত্রার প্রক্রিয়া সহজ করতে হবে
Nagad desktop

বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এসএসসি বাংলা ২য় পত্র

প্রকাশ: ১৩ জানুয়ারি ২০২৫, ১২:১৫ পিএম
বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এসএসসি বাংলা ২য় পত্র
কক্সবাজারে রয়েছে পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত। ছবি -সংগৃহীত

প্রবন্ধ রচনা

বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প

 (১২ জানুয়ারি প্রকাশের পর)

৬. ঐতিহাসিক স্থাপনা: বাংলাদেশের অনেক ঐতিহাসিক স্থাপনা রাজনৈতিক ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করছে। ১৯৫২ সালে সংঘটিত ভাষা আন্দোলনের শহিদদের স্মরণে ঢাকা মেডিকেল প্রাঙ্গণে স্থাপিত কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের শহিদদের প্রতি নিবেদিত ও ঢাকার সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধ, ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত জাতীয় জাদুঘর, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর নিহত বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে ঢাকার মিরপুরে নির্মিত বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ, ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এবং এই উদ্যানে স্থাপিত স্বাধীনতা জাদুঘর ইতিহাসপ্রেমী পর্যটকদের আকৃষ্ট করে।
বাংলাদেশে পর্যটনশিল্পের অবস্থা: পর্যটন বিশ্বব্যাপী একটি সম্ভাবনাময় খাত। বিভিন্ন পরিসংখ্যানে জানা যায়, বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের সম্মিলিত বার্ষিক ভ্রমণ ব্যয় ৫০ হাজার কোটি টাকা। এমন অনেক দেশ রয়েছে, যাদের প্রধান আয়ের উৎস পর্যটন। বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প দিনে দিনে বিকাশ লাভ করছে। একদিকে বিদেশি পর্যটকদের আগমন দেশের বৈদেশিক মুদ্রার আয় বাড়িয়ে তুলছে, অন্যদিকে দেশীয় পর্যটকদের ভ্রমণ সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে প্রতি বছর ৫০ থেকে ৬০ লাখ দেশীয় পর্যটক বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণ করে। এদের বেশির ভাগই মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ। এই বিপুলসংখ্যক পর্যটক বিভিন্ন স্থানে চলাচল করায় পর্যটনের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে দেশের অর্থনীতি গতি লাভ করে। পরিবহন, আবাসিক হোটেল, রেস্তোরাঁ, পোশাক, অলংকার প্রভৃতি ব্যবসা পর্যটনশিল্পের বিকাশের সঙ্গে জড়িত। পর্যটনের বিকাশে অসংখ্য মানুষের জীবিকার সংস্থান হয়। বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে পর্যটনশিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থেকে জীবিকা নির্বাহ করছে। অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, পর্যটনশিল্প থেকে দেশের ১০ শতাংশ পর্যন্ত জিডিপি অর্জন করা সম্ভব।

বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পের অর্থনৈতিক গুরুত্ব: বর্তমান সময়ের দ্রুত বিকাশমান একটি শিল্প হলো পর্যটনশিল্প। এ শিল্প তার বহুমাত্রিক বৈচিত্র্যের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাতে পরিণত হয়েছে। প্রতি বছর বাংলাদেশে পর্যটনশিল্পে উপার্জন বাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে ১৯৯৯ সালে পর্যটন খাত থেকে বাংলাদেশের আয় হয়েছিল ২৪৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা। এটি বেড়ে ২০০৮ সালে ৬১২ কোটি ৪৫ লাখ ২০ হাজার টাকায় দাঁড়ায়। বাংলাদেশের GDP-এর প্রায় ২ শতাংশ আসে পর্যটন খাত থেকে। পর্যটনশিল্পে প্রায় ১২ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। ২০১২ সালে মোট জিডিপির ৪ দশমিক ৩ শতাংশ এসেছে পর্যটন খাত থেকে টাকার অঙ্কে যা প্রায় ৩৯ হাজার ৮০ কোটি টাকা। এ ছাড়া ২০১২ সালে পর্যটন খাতের সঙ্গে জড়িত ছিল দেশের ১২ লাখ ৮১ হাজার ৫০০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। যা মোট চাকরির ১ দশমিক ৮ শতাংশ। (সূত্র: WOTTC Report 2012)

বাংলাদেশ পর্যটনশিল্পের সমস্যাগুলো: বাংলাদেশের অর্থনীতির বড় নিয়ামক পর্যটনশিল্প নানামুখী সমস্যায় জর্জরিত। বিভিন্ন কারণে বাংলাদেশে পর্যটনশিল্পের সুষ্ঠু বিকাশ হচ্ছে না। বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পের সমস্যাগুলো হলো-
১) রাজনৈতিক অস্থিরতা: বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতাই পর্যটনশিল্পের জন্য বড় হুমকি। বিভিন্ন সময় বাংলাদেশে রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত থাকার কারণে এ দেশের পর্যটনশিল্পের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়।
২) যোগাযোগ এবং অবকাঠামোগত সমস্যা:  এ দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোয় যাওয়ার জন্য যেমন আরামদায়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাব ঠিক তেমনি সেখানকার আবাসন ব্যবস্থাও ভালো নয়। তাই পর্যটনকেন্দ্রগুলো আকর্ষণীয় হলেও পর্যটকরা যাওয়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।
৩) আকর্ষণীয় প্রচারণার অভাব: বাংলাদেশে পর্যটন কেন্দ্রগুলোর সৌন্দর্য নিয়ে আকর্ষণীয় প্রচারণা চালানো হয় না। ফলে সৌন্দর্যপিপাসু মানুষ এসব আকর্ষণীয় স্থান সম্পর্কে জানতে পারে না।
৪) দক্ষ গাইডের অভাব: বিদেশি পর্যটকদের পথ দেখানো থেকে শুরু করে পর্যটনকেন্দ্র সম্পর্কিত ইতিহাস ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য যে দক্ষ গাইডের প্রয়োজন বাংলাদেশে তার বড়ই অভাব। দোভাষী গাইডের সংখ্যা যত বৃদ্ধি করা যাবে বাংলাদেশে তত বেশি বিদেশি পর্যটক আসার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
৫) সরকারি উদ্যোগের অভাব: বাংলাদেশের সরকার পর্যটনের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ খাতকে সব সময়ই অবহেলা করে এসেছে। পর্যটনকেন্দ্রগুলোর ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় থাকার কথা থাকলেও স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরেও তা সম্ভব হয়নি।
৬) বেসরকারি উদ্যোগের অভাব: বাংলাদেশের বেসরকারি উদ্যোক্তাদের মধ্যে খুব কমই আছেন যারা পর্যটনশিল্পের দিকে মনোযোগ দিয়ে থাকেন। প্রায় সব দেশেই পর্যটনশিল্প সমৃদ্ধ হয়েছে সে দেশের বেসরকারি উদ্যোক্তাদের উদ্যোগে। কিন্তু বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা বিনিয়োগ করার সুষ্ঠু পরিবেশ এবং নিশ্চিত নিরাপত্তার অভাববোধ থেকে পর্যটন খাতে বিনিয়োগ করতে চান না।
৭) পর্যাপ্ত এবং উন্নত প্রশিক্ষণের অভাব: পর্যটকদের বারবার আকৃষ্ট করার জন্য পর্যটনকেন্দ্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত সব কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের উন্নত ধরনের এবং পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশে এ ধরনের ব্যবস্থা খুবই সীমিত।
৮) নিরাপত্তার অভাব: বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প নিরাপত্তার অভাব পরিলক্ষিত হয়। সংবাদপত্র থেকে জানা যায়, বিদেশিরা বিভিন্নভাবে প্রতারিত বা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। পর্যটনকেন্দ্রগুলোয় পূর্ণ নিরাপত্তার অভাবের কারণে বিদেশিরা অনেক সময় বাংলাদেশে আসেন না।

বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পের উন্নয়নে করণীয়: বাংলাদেশের উন্নয়নের গতির ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য পর্যটনশিল্পের সমৃদ্ধি প্রয়োজন। এ জন্য সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নিচের পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা যেতে পারে-
১) পর্যটন নীতিমালার সুষ্ঠু বাস্তবায়ন করতে হবে।
২) পর্যটনকেন্দ্রগুলোয় সহজে পৌঁছানো যায় এমন যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
৩) বিদেশি পর্যটকরা যাতে নির্বিঘ্নে পর্যটন কেন্দ্রে অবস্থান করতে পারে তার ব্যবস্থা করতে হবে।
৪) স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের পর্যটন বিষয়ে শিক্ষা দিতে হবে।
৫) প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতাসম্পন্ন পর্যটক গাইড গড়ে তুলতে হবে।
৬) পরিবহন খাতের ঝুঁকি কমাতে হবে। যাতে দেশি-বিদেশি পর্যটকরা কোনো ঝামেলা ছাড়াই বিমান, লঞ্চ, বাস বা অন্যান্য যানবাহনে করে পর্যটনকেন্দ্রে পৌঁছাতে পারে।
৭) সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে দেশের পর্যটনকেন্দ্রগুলোকে আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে।
৮) বাংলাদেশের প্রাকৃতিক নৈসর্গিক দৃশ্যগুলোকে প্রচারণার মাধ্যমে উপস্থাপন করে পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে হবে।
৯) সর্বোপরি দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার মাধ্যমে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হবে।
১০) যাতায়াত এবং থাকা-খাওয়াসহ সংশ্লিষ্ট ব্যয় যাতে সীমার মধ্যে থাকে তা বিবেচনায় নেওয়া উচিত।

উপসংহার: বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, স্থাপত্যকলা, স্থানীয় অধিবাসীদের বৈচিত্র্যপূর্ণ জীবন ও সংস্কৃতি পর্যটকদের আকর্ষণ করার জন্য যথেষ্ট। তবে পর্যটনকে একটি শিল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে ও স্থায়ী রূপ দিতে দরকার রাষ্ট্রীয় নীতিমালা এবং এর   যথাযথ প্রয়োগ করতে হবে। স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি পর্যটনকেন্দ্রের অধিবাসীদেরও পর্যটকদের সহযোগিতায় সম্পৃক্ত করা উচিত। পর্যটকদের যথাযথ নিরাপত্তা ও সহযোগিতা দিলে ভ্রমণের প্রতি তাদের উৎসাহ আরও বাড়বে। ফলে একদিকে যেমন বাংলাদেশের মানবিক সংস্কৃতি, ইতিহাস-ঐতিহ্যের পরিচয় বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়বে, অন্যদিকে দেশের অর্থনীতির চাকা আরও গতিশীল হবে। এ জন্য মুগ্ধ হয়ে কবি জীবনানন্দ দাশ লিখেছেন-

“বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি
তাই পৃথিবীর রূপ খুঁজিতে যাই না আর।”

লেখক : সিনিয়র শিক্ষক (বাংলা)
আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা

কবীর

প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৬:১৩ পিএম
প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
ভিজুয়াল বেসিক আবিষ্কার করেন মাইক্রোসফট কোম্পানি। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

পঞ্চম অধ্যায় : প্রোগ্রামিং ভাষা

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

৪১. ভিজুয়াল বেসিক আবিষ্কার করেন কে?
ক. জর্ন স্ট্রাউস্ট্রপ                 খ. গিডো ভান রসাম     
গ. আইবিএম কোম্পানি        ঘ. মাইক্রোসফট কোম্পানি

৪২. ক্যাশ মেমোরির বৈশিষ্ট্য হলো-
i. রেজিস্টারের চেয়ে আকারে বড় 
ii. রেজিস্টারের তুলনায় বেশি তথ্য ধারণ করতে পারে 
iii. রেজিস্টারের তুলনায় গতি কম 
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii       খ. i. ও iii 
গ. ii. ও iii     ঘ. i, ii ও iii

৪৩. একাধিক প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি মিলে কী তৈরি হয়?
ক. হার্ডওয়্যার      খ. সফটওয়্যার 
গ. প্রোগ্রাম          ঘ. ফার্মওয়্যার

৪৪. প্রথম আবিষ্কৃত কম্পিউটারে প্রোগ্রাম লেখা হতো কী দিয়ে?
ক. ০ ও ২ দিয়ে     খ. ০ ও ১ দিয়ে 
গ. ০ ও ৩ দিয়ে     ঘ. ০ ও ৯ দিয়ে

৪৫. কম্পিউটার প্রসেসর কোন পদ্ধতির মাধ্যমে বিভিন্ন হিসাব করে? 
ক. অক্টাল      খ. ডেসিমেল 
গ. বাইনারি     ঘ. হেক্সাডেসিমেল

৪৬. নিচের কোনগুলো বাইনারি পদ্ধতির অঙ্ক?
ক. 1 ও 0     খ. 1 ও 8 
গ. 1 ও E     ঘ. 0 ও 7

৪৭. কোনটি বাইনারি অঙ্ক ব্যবহার করে বিশেষ সংকেত তৈরি করে?
ক. প্রোগ্রাম     খ. প্রসেসর 
গ. মেশিন       ঘ. রেজিস্টার

আরো পড়ুন : প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

৪৮. অ্যাসেম্বলি ও উচ্চ স্তরের ভাষার মধ্যবর্তী ভাষাকে কী বলে?
ক. অতি উচ্চ স্তরের ভাষা 
খ. মধ্যম স্তরের ভাষা 
গ. নিম্নমধ্য স্তরের ভাষা 
ঘ. অতি নিম্ন স্তরের ভাষা

৪৯. দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা কোনটি?
ক. মেশিন ভাষা           খ. অ্যাসেম্বলি ভাষা 
গ. উচ্চ স্তরের ভাষা     ঘ. নিম্ন স্তরের ভাষা

৫০. প্রথম প্রজন্মের ভাষা নিচের কোনটি?
ক. মেশিন ভাষা           খ. অ্যাসেম্বলি ভাষা 
গ. নিম্ন স্তরের ভাষা     ঘ. উচ্চ স্তরের ভাষা

৫১. ‘C’ প্রোগ্রামিং ভাষাটি কে প্রথম তৈরি করেন? 
ক. ডেনিস রিচি     খ. জর্ন স্ট্রাউস্ট্রপ 
গ. বিল গেটস        ঘ. স্টিভ জবস

৫২. লাইব্রেরি ফাংশন হচ্ছে-
i. আগে থেকে তৈরি করা বিভিন্ন বিষয়বস্তু 
ii. এক ধরনের বিশেষ স্টেটমেন্ট 
iii. শুধু গাণিতিক কাজে ব্যবহারযোগ্য নির্দেশ 
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii      খ. i. ও iii 
গ. ii. ও iii     ঘ. i, ii ও iii

৫৩. ‘কম্পাইলার’ ও ‘ইন্টারপ্রেটার’ এর মধ্যে পার্থক্য হলো-
i. প্রোগ্রামটি অনুবাদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়
ii. কাজের গতির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়
iii. ভুল প্রদর্শনের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii      খ. i. ও iii 
গ. ii. ও iii     ঘ. i, ii ও iii

৫৪. কোন কোম্পানি ১৯৯১ সালে জাভা প্রোগ্রামিং ভাষার সূচনা করে?
ক. মাইক্রোসফট কোম্পানি 
খ. সান মাইক্রো সিস্টেম 
গ. অ্যাডোবি সিস্টেম 
ঘ. অ্যাপল কোম্পানি

উত্তর: ৪১. ঘ, ৪২. ঘ, ৪৩. খ, ৪৪. খ, ৪৫. ক, ৪৬. ক, ৪৭. খ, ৪৮. খ, ৪৯. খ, ৫০. ক, ৫১. ক, ৫২. ক, ৫৩. ঘ, ৫৪. খ।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৫:১২ পিএম
সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র
নবাব সিরাজউদ্‌দৌলা। ছবি- সংগৃহীত

নাটক : সিরাজউদ্‌দৌলা 

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: ‘ফরাসিরা ডাকাত আর ইংরেজরা অতিশয় সজ্জন ব্যক্তি, কেমন?’- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্‌দৌলা’ নাটকের প্রথম অঙ্কের প্রথম দৃশ্যে ফরাসিরা আর ইংরেজরা অর্থাৎ বিদেশি বেনিয়ারা যে এ দেশে এসেছে মূলত বাণিজ্য করার নামে অবাধলুণ্ঠন করতে, সিরাজউদ্‌দৌলা সে প্রসঙ্গেই এ কথা বলেছেন।
ইংরেজরা নবাব সিরাজউদ্‌দৌলার নিষেধ সত্ত্বে ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গের নির্মাণকাজ চালিয়ে যান। ইংরেজদের এই নিয়মবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ হয়ে নবাব ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ দখল করে নেন এবং ওয়াটস ও হলওয়েলকে বন্দি করেন। বন্দিদের কাছে নবাবের নির্দেশ অমান্যের কারণ জানতে চাইলে হলওয়েল জানায়, তারা ফরাসিদের কাছ থেকে আত্মরক্ষার জন্য দুর্গ নির্মাণ করেছিলেন। হলওয়েলের এ কথার পরিপ্রেক্ষিতে নবাব কটাক্ষ করে ওপরের উক্তিটি করেছেন। ফরাসিরা ডাকাত হলে ইংরেজরাও নিশ্চয় ভালো কিছু নয়, সেটি নবাব ভালোই জানতেন।

প্রশ্ন: ‘ইংরেজদের আধিপত্য অত সহজেই মুছে যাবে নাকি?’- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্‌দৌলা’ নাটকের প্রথম অঙ্কের দ্বিতীয় দৃশ্যে ড্রেকের এই উক্তিটি দিয়ে ইংরেজদের সুকৌশলী কর্মকাণ্ড ও ভবিষ্যৎ উদ্দেশ্য সম্পর্কে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। 
নবাব সিরাজউদ্‌দৌলার তাড়া খেয়ে ইংরেজরা কলকাতা দুর্গ ছেড়ে পালায়। তারা ভাগীরথী নদীতে ভাঙা ফোর্ট উইলিয়াম জাহাজে আশ্রয় নিলে সেখানে খাদ্য-বস্ত্রের সংকট দেখা দেয়। জুনিয়র অফিসার মার্টিন ও হ্যারি তাদের দুরবস্থার জন্য ড্রেককে দায়ী করেন। তখন ড্রেক দাম্ভিকতার সঙ্গে ইংরেজদের আধিপত্যের স্থায়িত্বের কথা বলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। গভর্নর ড্রেক ঠিকই জানতেন ইংরেজরা এত সহজে কলকাতা থেকে যাবে না; এমনকি আবারও কলকাতায় ফিরে আসবেন, দখলদারত্ব বজায় রাখবেন। 

আরো পড়ুন : সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৫টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র

প্রশ্ন: ‘ওর লোভের অন্ত নেই।’- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্‌দৌলা’ নাটকের প্রথম অঙ্কের দ্বিতীয় দৃশ্যে উমিচাঁদের লোভী মানসিকতা প্রসঙ্গে গভর্নর রজার ড্রেক ওপরের উক্তিটি করেছেন।
ব্যক্তিত্বহীন উমিচাঁদ ছিলেন প্রচণ্ড অর্থলোভী একজন মানুষ। অর্থের বিনিময়ে তিনি ইংরেজদের পক্ষে সব কাজ করার আগ্রহের কথা জানান; আবার অর্থ পেলে তলে তলে নবাবের হয়েও কথা বলেন। তার এ সবকিছু অর্থ উপার্জনের কৌশল মাত্র। ইংরেজদের কলকাতায় ব্যবসা করার জন্য মানিকচাঁদের হুকুমনামা আনতে উমিচাঁদ মধ্যস্বত্বভোগীর কাজ করেন। মোটা অঙ্কের পারিশ্রমিক দাবি করেন ড্রেকের কাছে। উমিচাঁদের এমন স্বভাব নতুন কিছু নয়, সে প্রসঙ্গেই ড্রেক কথাটি বলেছিলেন।

প্রশ্ন: ‘শওকতজঙ্গ নবাব হলে সবার উদ্দেশ্য হাসিল হবে’- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্‌দৌলা’ নাটক থেকে জানা যায় শওকতজঙ্গ ঘসেটি বেগমের আস্থাভাজন হওয়ায় সে নবাব হলে ষড়যন্ত্রকারীদের স্বার্থসিদ্ধি ঘটবে, ওয়াটসের উক্তিতে এ কথা বিশেষভাবে প্রকাশ হয়েছে। 
আলীবর্দী খাঁ’র মৃত্যুর পর সিংহাসনে বসেন তার দৌহিত্র সিরাজউদ্‌দৌলা। কিন্তু খালা ঘসেটি বেগমসহ অন্য চক্রান্তকারীরা এটি মেনে নিতে পারেননি। তারা সিরাজউদ্‌দৌলার খালাতো ভাই শওকতজঙ্গকেই যোগ্য উত্তরাধিকারী মনে করেন। কেননা, সিরাজউদ্‌দৌলা নবাব হওয়ায় তাদের ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থে-প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়। ফলে ঘসেটি বেগমের পুত্র শওকতজঙ্গকে নবাব বানাতে পারলে নিজেদের স্বেচ্ছাচারিতায় কোনো অন্তরায় থাকবে না বলে মনে করে ষড়যন্ত্রকারীরা। এ কথা উমিচাঁদের চিঠিতে উল্লেখ থাকায় ড্রেক উচ্ছ্বসিত হয়ে বিষয়টি সবাইকে জানান।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর

জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৪:১৯ পিএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ০৪:২১ পিএম
জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
মাইটোসিসের অ্যানাফেজ ধাপে ক্রোমোজোম মেরুমুখী অবস্থান করে। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

দ্বিতীয় অধ্যায় : জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

নিচের চিত্রের আলোকে ১৫ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

১৫। ওপরের চিত্রটির দশায় দেখা যায়-
i. ক্রোমোজোমগুলো বিষুবীয় অঞ্চলে আসে 
ii. ক্রোমোজোমগুলো লম্বা দেখায়
iii. ক্রোমোজোমগুলো খাটো ও মোটা দেখায় 
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও iii     খ) i ও ii 
গ) ii ও iii     ঘ) i, ii ও iii

১৬। মাইটোসিসের কোন ধাপে ক্রোমোজোম মেরুমুখী অবস্থান করে?
ক) অ্যানাফেজ ধাপে     
খ) টেলোফেজ ধাপে
গ) মেটাফেজ ধাপে     
ঘ) প্রো-মেটাফেজ ধাপে

১৭। মিয়োসিস কোষ বিভাজনে মাতৃকোষ কত ভাগে বিভাজিত হয়?
ক) ২ ভাগে     খ) ৩ ভাগে 
গ) ৪ ভাগে     ঘ) ৫ ভাগে

আরো পড়ুন : জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

১৮। জননকোষ সৃষ্টির সময় নিচের কোনটি ঘটে?
ক) ডিপ্লয়েড     
খ) হ্যাপ্লয়েড 
গ ) অ্যানাফেজ     
ঘ) মিয়োসিস

১৯। মিয়োসিস নিউক্লিয়াসে বিভক্ত হয় কতবার?
ক) ৫ বার     খ) ৪ বার 
গ) ৩ বার     ঘ) ২ বার

২০। মিয়োসিস কোষ বিভাজনে মাতৃকোষ ও অপত্য কোষের ক্রোমোজোম সংখ্যার অনুপাত কত?
ক) ২ : ১     খ) ৪ : ১ 
গ) ২ : ১     ঘ) ১ : ৪

উত্তর: ১৫. ক, ১৬. ক, ১৭. ক, ১৮. ঘ, ১৯. ঘ, ২০. ঘ।

লেখক : সহকারী শিক্ষক
লৌহজং বালিকা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ

কবীর

জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৩:২১ পিএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ০৪:২১ পিএম
জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান
জীবের আবাসস্থলে উদ্ভিদ স্বাভাবিকভাবে জন্মায় ও বেড়ে ওঠে। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

প্রথম অধ্যায় : জীবের আবাসস্থল 

অনুশীলনীর প্রশ্ন উত্তর

প্রশ্ন: সঠিক উত্তরে টিক চিহ্ন (√) দাও বা সঠিক উত্তরটি লেখ।

ক) জলজ উদ্ভিদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য কোনটি?
i. পাতা পুরু থাকে
ii. বায়ুকুঠুরি থাকে
iii. ফুল আছে
iv. কাঁটাযুক্ত থাকে

খ) মাংসাশী প্রাণীর প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
i. এরা দ্রুতগতির হয়
ii. এরা বড় আকৃতির হয়
iii. এদের তীক্ষ্ণ দাঁত আছে
iv. চর্বির স্তর আছে

গ) শ্বাসমূল কোন উদ্ভিদে পাওয়া যায়?
i. হিজল
ii. সুন্দরী
iii. শাপলা
iv. কচুরিপানা

উত্তর: ক) ii. বায়ুকুঠুরি, খ) iv) চর্বির স্তর, গ) ii. সুন্দরী।

প্রশ্ন: নিচের শব্দগুলো দিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করো।

বায়ুথলি, চর্বিস্তর, ফার্ন, বায়ুকুঠুরি, মাছ

ক) জলজ উদ্ভিদকে পানিতে ভেসে থাকতে সাহায্য করে …..।
খ) তীব্র ঠাণ্ডায় প্রাণীর দেহকে গরম রাখে …..।
গ) ছায়াযুক্ত স্থানের একটি উদ্ভিদ হলো …..।

উত্তর: ক) বায়ুথলি, খ) চর্বিস্তর, গ) ফার্ন।

প্রশ্ন: জীবের আবাসস্থল বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: যে স্থানে কোনো জীব স্বাভাবিকভাবে জন্মায়, বেড়ে ওঠে এবং নিরাপদে বসবাস করে, সেই স্থানকে জীবের আবাসস্থল বলে। আবাসস্থল জীবের খাদ্য, আশ্রয় ও বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সব পরিবেশগত উপাদান সরবরাহ করে থাকে।

লেখক : সাবেক শিক্ষক
ফকিরেরপুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঢাকা

কবীর

E-mail বিষয়ক Writing Paragraph, ২৯তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০৬:১১ পিএম
E-mail বিষয়ক Writing Paragraph, ২৯তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র
ই-মেইল হলো গ্রহণযোগ্য আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

Writing Paragraph

E-mail

E-mail is the most acceptable modern communication system. Students also get a lot of benefits by e-mail. They can discuss their difficult lessons with teachers staying at home. A student needs not go to library. He can do library work sitting at home. He can also get necessary academic information from administrative office by e-mail. He can also discuss his academic lessons with his friends by e-mail. In the same way, a student can communicate with international educational supporting places for the development of studies. He can communicate with the writers of his books to be sure on specific points. To

আরো পড়ুন : Deforestation বিষয়ক Writing Paragraph, ২৮তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র

get more knowledge, he can communicate with the authorities of newspapers, radio and television by e-mail. In a word, a student can think the world in the palm of his hand by the support of e-mail system. By e-mail, a student can get not only academic help but also personal support. He can easily communicate with his nearest ones by e-mail. The students of different countries are taking the advantages of e-mail. It is true that e-mail system is not available to many in Bangladesh for want of personal computers. But if the condition is changed and e-mail is available in the country, the students may get sufficient benefit from it.

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর