ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বাংলাদেশ সাইবার সিকিউরিটি অলিম্পিয়াড ২০২৬ এর জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ‘লিচুর ন্যায্য দাম পেতে সংরক্ষণ সুবিধা জরুরি’ বিনিয়োগ বাড়াতে নেওয়া হয়েছে সাহসী উদ্যোগ, বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ আরআইবিএর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল ব্র্যাকইউনিভার্সিটির পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস লুপাস চিকিৎসায় যুগান্তকারী সাফল্য, জিন থেরাপিতে সুস্থ ৫ রোগী ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির দাফন ৯ জুলাই ‘লাভ তো দূরের কথা বাড়ি থেকে টাকা দিতে হচ্ছে’ বাজেটের রাজস্ব আদায় বড় চ্যালেঞ্জ: এফবিসিসিআই বরিশালে হাম-ডেঙ্গুর মাঝে উদ্বেগ ছড়াচ্ছে ডায়রিয়াও ভারতের নতুন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ নতুন ভোরের অপেক্ষায় জার্মানি ১৪ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ১৪ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল সুইজারল্যান্ডে জনসংখ্যা ১ কোটিতে সীমিত করতে গণভোট যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির সবশেষ পরিস্থিতি রাজশাহীতে বৈরী আবহাওয়ায় লিচুর সর্বনাশ সেলিনা হোসেনের জন্মদিন আজ ময়মনসিংহে হামে উৎকণ্ঠা আর জীবন বাঁচানোর লড়াই ১৯৯৮ সালের পর বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের প্রথম গোল জন ম্যাকগিনের অজিদের আজ ধবলধোলাই করার লগন হাতি বনাম লা ত্রির লড়াই বিশ্বাসের সমুদ্রে ফন ডাইকের তরি ১৪ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি সমতায় বিশ্বকাপ মিশন শুরু ব্রাজিলের স্বপ্নের জাদুকর মুসিয়ালা পথপ্রদর্শক বাকুনা ভিনিসিয়ুসের গোলে সমতায় ফিরল ব্রাজিল পরাশক্তি জার্মানির সামনে পুঁচকে কুরাসাও ডার্কহর্স জাপান, সতর্ক নেদারল্যান্ডস ব্রাজিলের শুরুর একাদশে চমক
Nagad desktop

ছোটকাকুকে ঘিরেই আমার লেখালেখির ব্যস্ততা

প্রকাশ: ১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:২৩ এএম
ছোটকাকুকে ঘিরেই আমার লেখালেখির ব্যস্ততা

আপনি এখন কী লিখছেন?
ছোটকাকুকে নিয়ে আমার জার্নিটা অনেকদিনের! ছোটকাকুকে ঘিরেই আমার লেখালেখির ব্যস্ততা।

এবারের বইমেলায় কোনো বই আসছে?
একুশে বইমেলাকে ঘিরে লেখালেখির একটা তাড়না তো থাকেই। এবার বইমেলা নিয়ে একটা অস্থির পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। বইমেলা হবে কি না একটা অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল। আশার কথা একুশে বইমেলা হচ্ছে। নতুন বইয়ের ব্যাপারে প্রকাশকদের পক্ষ থেকে বারবার তাগাদা পাচ্ছি। আশা করি ৩-৪টি নতুন বই প্রকাশ হবে।

পাঠকদের উদ্দেশে কিছু বলুন।
পাঠকই তো একজন লেখকের অনুপ্রেরণা। তারাই একজন লেখকের শক্তি ও সাহস। কাজেই পাঠকদের উদ্দেশে নতুন করে কিছু বলার নেই। তবে একটা কথা আছে। আমরা কথায় কথায় বলি, বই ভালো বন্ধু। আমি কথাটি সংশোধন করতে চাই। একটি ভালো বই পাঠকের ভালো বন্ধু। কাজেই ভালো বই কিনুন, প্রিয়জনকে ভালো বই উপহার দিন।

বর্তমান সময়ের সাহিত্য সম্পর্কে আপনার মতামত বলুন।
সময় সাহিত্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। একটা ছোট উদাহরণ দিই। কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আমলে যদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অর্থাৎ ফেসবুক, ইন্টারনেটের প্রচলন থাকত তাহলে তার লেখাতে এর প্রভাব দেখা যেত। বর্তমান সময়ে পার্কের প্রেম ব্যাকডেটেড মনে হয়। আমাদের জীবনযাপনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব বেশি। এআই প্রযুক্তি এখন বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কাজেই সাহিত্যে এই বিষয়গুলো গুরুত্বের দাবি রাখে। একই সঙ্গে বাংলা ভাষার গল্প, উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধ, ভ্রমণ কাহিনি বিদেশি ভাষায় বিশেষ করে ইংরেজি ভাষার অনূদিত হওয়া সময়ের দাবি।

ইদানীং কী পড়ছেন?
লিখতে হলে পড়তে হয়। আমার মাকে (রাবেয়া খাতুন) দেখতাম প্রচুর বই পড়তেন। আমিও সময় পেলে হাতের কাছে যা পাই তাই পড়ি। নতুন লেখকের বইয়ের প্রতিও আমার বেশ আগ্রহ। থ্রিলার আমার বেশ পছন্দ। কারও নতুন বই প্রকাশ হলেই আমি পড়ার জন্য সংগ্রহ করি।

বাংলা সাহিত্যের ইংরেজি অনুবাদ আশানুরূপ না হওয়ায় আন্তর্জাতিক সাহিত্য অঙ্গনে পিছিয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে আপনার মন্তব্য কী?
এই প্রশ্নের উত্তর আমি আগে দিয়েছি। আবারও বলি, বাংলা ভাষায় লেখা বইয়ের অনুবাদ আরও বেশি হওয়া প্রয়োজন। মাতৃভাষা বাংলাকে সম্মান জানাতেই বাংলা বইয়ের বেশি বেশি অনুবাদ প্রয়োজন। সময়ের প্রয়োজনে আমাদের ছেলেমেয়েরা অনেকে ইংরেজি ভাষায় পড়াশোনা করছে। তাদের জন্যও বাংলা বইয়ের অনুবাদ গ্রন্থ জরুরি। বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলা সাহিত্যের মর্যাদার প্রশ্নে বিশ্বের সেরা প্রকাশনীগুলোর সঙ্গে আমাদের বাংলা সাহিত্যের একটা মেলবন্ধন সৃষ্টি করা প্রয়োজন। বাংলা সাহিত্যের বিকাশ ও মর্যাদার প্রশ্নেই একাধিক ভাষায় বিদেশি ভাষা বিশেষ করে ইংরেজি অনুবাদ সময়ের দাবি।

খবরের কাগজ সাহিত্য সাময়িকী ‘সুবর্ণরেখা’ সমৃদ্ধ হোক, লেখক হয়ে এই কামনাই রইল।

কবিতা হেলিওস

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৫৩ পিএম
হেলিওস

একটা অবসরপ্রাপ্ত দুপুরকে নিয়ে

          অর্ধবৃত্তের মতো অবকাশ রচনা করেছি

 

আছে মা-পাখির ডিম ভেঙে যাবার প্রতিকল্পে

            সর্বজনীন বেদনা

বৃদ্ধ বাবার ঝাপসা দৃষ্টির ভেতর এক বুকচাপা

            দীর্ঘশ্বাসের সীমিত চতুর্ভুজ

রানা প্লাজাসদৃশ ব্যথিত পাণ্ডুলিপি

তরতাজা যুবকের গুম হওয়ার ন্যায়

                   একটা দীর্ঘ সকাল

আছে মায়ের জেগে থাকা চোখ

আছে একজোড়া

            সুসিদ্ধ ইকোলজি

আছে বোনের ব্যবহৃত কাঁকড়া ক্লিপের উদার সৌন্দর্য

আছে একটা গামছায় হাত মোছার দুটো অবিকল সবাক ছবি

 

এই তো আমার রূপকল্পের ইতিবৃত্ত

 

 এখন কোনো অবসরপ্রাপ্ত দুপুরকে নিয়ে

            আমি পূর্ণবয়স্ক অবকাশ রচনা করব

জীবনের সব হুলস্থূল এনে ভরে রেখে দেব

 

 দ্যাখো, হেলিওসের মতোনই তোমাদের কাছে যাব আমি

 

ছোট্ট এক টুকরো আত্মা

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৫১ পিএম
ছোট্ট এক টুকরো আত্মা

ছোট্ট এক টুকরো আত্মা

গহিন অতলের অবাধ চত্বরে বৈভবে থাকে

তাকে কি টুকরো টুকরো করা যায়

অবয়বে বেড়ে ওঠে না কস্মিনকালে

এক টুকরোই থেকে যায় আদিঅন্ত কাল

ভূমিদস্যুরা তবু ওই জলা দখলে মত্ত হয়

বেপরোয়া ছুরি-কাঁচির নির্মমতায়

ঝরনার উৎস স্তব্ধ করে

ফালি ফালি করা অবয়ব থেকে বেরোয়

অজস্র শোণিত ধারা

নদী পর্যন্ত যেতে পারে না শুকিয়ে জ্বলে

ভেসে ভেসে বেড়ায় নিশ্চিহ্ন কাঠামো

নিক্ষিপ্ত হয় মর্তের ঝড়ে

মর্গের ব্যবচ্ছেদে খুঁজে পায় না শিশু আত্মা

পায় শুধু

ছোট্ট এক টুকরো জীবনের অবিকাশ! অবিকাশ!

কবিতা অধরা ও কবি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৪৫ পিএম
অধরা ও কবি

অধরা

সময়ের বেড়াজালে বন্দি খাঁচায়

দূর পানে চেয়ে থাকি তোমার আশায়

উজান সময় স্রোতে এই অবেলায়

তুমি আসবে তো? ভালোবাসবে তো?

 

কবি

কী আছে তোমার? অর্থ, বিত্ত, বৈভব?

প্রভাব, প্রতিপত্তি? বলো, চুপ থেকো না

, এসব তোমার নেই! এবার, তুমিই বলো

আমি কেমন করে তোমার কবিতা হই?

কেমন করে তোমার কাছে আসি

কেমন করে তোমায় ভালোবাসি?

কবিতা প‌রিণ‌তি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৪২ পিএম
প‌রিণ‌তি

কালো চিমনিরধোঁয়ায় আকাশের বুকজুড়ে মে কালোমেঘ

মৃত পাখির বাসা সে ড়ে রক্তাক্ত নে

্যামল বাগানগুলো ড়ে আছে যুদ্ধাহত ক্ষতবিক্ষত সৈনিকের তো

জ্বলন্ত কয়লার পাহাড়,

জাগিয়ে তোলে মাটির গহ্বরে ঘুমিয়ে থাকা আগুনকে

প্লাস্টিকের সমুদ্দুর,

ক্ষুধার্ত দৈত্যের তো গিলে খাচ্ছে পৃথিবীকে

যুদ্ধের দামামা পোড়ামাটির ্যস বাড়াতে থাকে শুধু

বোমার ব্দে রে পড়ে পাখির পালক,

আকাশের নীল রং

ভাঙা কাচ য়ে আছড়ে ড়ে মিনে

পৃথিবীর কপালে আগুনের থার্মোমিটার

কামারের হাতুড়ির তো আছড়ে ড়ে উন্মত্ত রোদ

জ্বরে পোড়া পৃথিবীর গা থেকে ঝরতে থাকে বরফ অবিরাম

বৃদ্ধের শুভ্র দাড়ির তন

 

ক্ষুধার্ত সমুদ্র গিলে খায়,

মানুষের স্বপ্নে বোনাউঠোন

তৃষ্ণার কঙ্কা মিনে আঁকে ছড়ানো মানচিত্র

নদীর তীর ক্ষুধার্ত ষাঁড়ের তো গ্রামে ঢুকে ড়ে পাখির কিচিরমিচির বাজেয়াপ্ত হয় কোনো এক ভোরে,

বাড়তে থাকে ছিন্নমূল মানুষের ভেলা,

পৃথিবীর জ্বর নামানোর দাওয়াই খুঁজতে,

লি থেকে মাথাগুলো জড়ো হয় জাতিসংঘের টেবিলে

কথার খই ফোটে, বে চোখ বাঁধা থাকে কালো ফিতায়

 

কবিতা বলির আগে

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৩৪ পিএম
বলির আগে

আমার কথার পরে যদি কোনোদিন

ব্যথা পেয়ে থাকো

যদি এই দুর্দিনে সমূহ বিপদে মনে করো

ডাক দিও কোনো এক নির্মম সকালে

 

আমার বুকেরপরে দূর্বা যেমন থাকে

বেদনায় নীলপদপিষ্ট হলুদ সোহাগে

একবার চোখের জলে ধুয়ে নিও

সকল কলুষতাযেভাবে ধর্ম ছাগ

বলির আগে মুছে ফেলে যত ক্লেদ