ঢাকা ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ফুটবলের চেয়ে বড় হয়ে উঠেছে রাজনীতি? প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের শিরোপা কার? সব উপাদানের সমন্বয়ে তৈরি হয় সাফল্যের রেসিপি ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা’ ১২ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি বিশ্বকাপ ইতিহাসের ১০টি কালজয়ী মন্তব্য স্বাগতিকের চোখে স্বপ্ন, প্যারাগুয়ের চোখে চমক শেষটায় মেসি-রোনালদোর প্রথম দ্বৈরথ দেখা যাবে? নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু আজ আশার প্রদীপ ডেভিড মরক্কো শিবিরে বড় ধাক্কা, নেইমারকে নিয়ে এখনো দোলাচলে ব্রাজিল গোলের চেয়ে লাল কার্ড বেশি, লজ্জার ইতিহাস ৪০ বছর বয়সেও অদম্য জিকো মাঠে উল্লাস, বাইরে মৃত্যু বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে ৩ লাল কার্ড, জয়ে শুরু মেক্সিকোর বিশ্বকাপ ফুটবল ও গাজাবাসীর বাস্তবতা কানাডার স্বপ্নযাত্রা নাকি বসনিয়ার চমক? রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হলেন মরিনিও পেনাল্টি শূন্য ম্যারাডোনা কুইনোনসের গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে মেক্সিকো ৬০০ ভক্তের যাতায়াত খরচ দেবেন জার্মানির ফুটবলাররা ‘ফিফা বিশ্বের রাজা নয়’ শাকিরার সুরের মূর্ছনায় বিশ্বকাপের বর্ণিল উদ্বোধন দর্শকের ভালোবাসাই আমার জীবনের সেরা প্রাপ্তি: সূচরিতা বিইউপি মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন ক্লাবের আয়োজনে আনস্ক্রিপ্টেড ১.০ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট দলে তাওহিদ-রবিউল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা বাংলাদেশের খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস পরাশক্তিরা যেদিন মাঠ ছেড়েছিল কান্নাভেজা চোখে দেশে ফের ভূমিকম্প অনুভূত
Nagad desktop

ইরানে হামলার পর অবশিষ্ট বোমা ফেলা হয় গাজায়

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৫, ১১:০৯ এএম
আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৫, ১১:২২ এএম
ইরানে হামলার পর অবশিষ্ট বোমা ফেলা হয় গাজায়
ছবি: সংগৃহীত

ইরানে হামলা করে ফেরার পথে গাজায় অব্যবহৃত বোমা ফেলেছে ইসরায়েল। শুরুতে এই পরিকল্পনা ছিল তাৎক্ষণিক। পরে তা নিয়মিত কৌশলে পরিণত হয়। এতে গাজায় হামলার মাত্রা কমেনি, বরং ইরান অভিযানের আড়ালেও গাজায় চলতে থাকে তীব্র হামলা। এসব হামলায় ১৩ থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত সময়ে গাজায় শতাধিক বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। 

সামরিক একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, অভিযানের প্রথম দিন থেকেই ইসরায়েলের যুদ্ধবিমানের পাইলটরা বাড়ি ফেরার পথে হামাসকে লক্ষ্য করে ফেলে যাওয়া গোলাবারুদ ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। আইডিএফের (ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী) গ্রাউন্ড কমান্ডাররা প্রস্তাবটি গ্রহণ করে বিমানগুলোকে লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করে দেন। 

এরপর পুরো যুদ্ধের সময় এই কৌশল আরও বিস্তৃতভাবে ব্যবহার করা হয়। এতে করে গাজায় বিমান হামলার মাত্রা কমেনি, একই সঙ্গে দ্বিমুখী অভিযান চালিয়ে গেছে ইসরায়েল। আইডিএফ জানিয়েছে, শুরুতে পরিকল্পনাটি তাৎক্ষণিকভাবে নেওয়া হলেও পরে প্রতিটি হামলা নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে পরিকল্পিতভাবেই চালানো হয়।

১৩ থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত সময়ে ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’ নামে ইরান অভিযানে ব্যস্ত ছিল ইসরায়েল। ওই সময়েও গাজা ছিল রক্তাক্ত। বিশেষ করে গুলিবর্ষণ ও বিমান হামলার ঘটনায় নিহত হন বহু বেসামরিক মানুষ। হতাহতের সঠিক সংখ্যা জানা যায়নি। তবে শত শত মানুষের প্রাণহানির কথা নিশ্চিত করেছে একাধিক সংস্থা। ১৮ জুন ওয়াফা সংবাদ সংস্থা জানায়, আইডিএফের এক বিমান হামলায় মাগাজি শরণার্থী শিবিরে এক নারী ও শিশুসহ ১০ জন নিহত হন। একই দিনে খান ইউনিসের আল-আত্তার তাঁবু এলাকায় আরেকটি হামলায় প্রাণ যায় পাঁচজনের।

ধারণা করা হয়, ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল তোমের বার এই অবশিষ্ট অস্ত্র ব্যবহারের সিদ্ধান্ত জেনেই তা আরও বিস্তৃতভাবে প্রয়োগের নির্দেশ দেন। ইরান অভিযানে আইডিএফ দ্রুত আকাশে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। তারা ইসলামি প্রজাতন্ত্রটির পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে জড়িত স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে আঘাত হানে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ইসরায়েলি বিমানগুলো ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণস্থলগুলো ধ্বংস করতে থাকে, যাতে ইসরায়েলের অভ্যন্তরে হামলার আশঙ্কা কমানো যায়।

ইরানে ইসরায়েলি অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সাফল্য কাজে লাগিয়ে গাজা যুদ্ধ থামাতে উদ্যোগ নিচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন- উভয় পক্ষেই সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি ও জিম্মিমুক্তির একটি চুক্তি নিয়ে নতুন করে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। সূত্র জানিয়েছে, হামাসও যুদ্ধবিরতি কাঠামো নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে। একই সঙ্গে ইসরায়েলি পক্ষও প্রথমবারের মতো ‘চিরতরে যুদ্ধের অবসান’ সংক্রান্ত আলোচনায় আগ্রহ দেখাচ্ছে।

গত বৃহস্পতিবার বিভিন্ন সূত্রে সম্ভাব্য চুক্তির খসড়া প্রকাশিত হয়। মিসরের সংবাদমাধ্যম ‘আল-রাদ’ জানায়, গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা আংশিকভাবে সরে যাবে। আর জিম্মিমুক্তির সঙ্গে সঙ্গেই একটি স্থায়ী চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু হবে। এতে যুক্তরাষ্ট্র গ্যারান্টি দেবে। চূড়ান্ত আলোচনায় থাকবে সব জিম্মির মুক্তি, যুদ্ধবিরতি এবং যুদ্ধপরবর্তী শাসনব্যবস্থার কাঠামোর মতো বিষয়।

প্রথম দিনে আটজন জীবিত জিম্মি, সপ্তম দিনে পাঁচটি মৃতদেহ, ৩০তম দিনে আরও পাঁচটি মৃতদেহ, ৫০তম দিনে দুজন জীবিত জিম্মি এবং ৬০তম দিনে আরও আটটি মৃতদেহ ফেরত দেওয়া হবে বলে খসড়ায় উল্লেখ রয়েছে। তবে গত মার্চে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর নানাভাবে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে বিভিন্ন পক্ষ।

হামাস বারবার বলেছে, ‘যেকোনো জিম্মিমুক্তির চুক্তির সঙ্গে গাজা থেকে ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহার এবং যুদ্ধের স্থায়ী অবসান নিশ্চিত করতে হবে।’ 

ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এই দাবির প্রতি সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি না থাকায় সেসব প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে হামাস। তবে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে এখন কিছুটা নমনীয় মনে হচ্ছে। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, ‘হামাসকে ধ্বংসের চেয়ে জিম্মিদের ফিরিয়ে আনা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’ যদিও বিভিন্ন সময়ে তিনি হামাসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানও নিয়েছেন। জানা গেছে, নেতানিয়াহু ও তার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ এই পরিকল্পনার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। জিম্মিদের পরিবার এতে আশান্বিত হয়ে উঠেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এখনো ২০ থেকে ২২ জন জিম্মি জীবিত আছেন, আর হামাসের হাতে রয়েছে অন্তত ২৮ জনের মৃতদেহ।

নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা রন ডার্মার সম্প্রতি ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ ও কাতারের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। নেতানিয়াহু চলতি সপ্তাহেই ওয়াশিংটনে যাচ্ছেন। অনেকে ধারণা করছেন, এই সফরেই হয়তো চুক্তির বিষয়ে নীতিগত ঘোষণা হতে পারে। ঘোষণা হলে আনুষ্ঠানিক ও কারিগরি আলোচনা সম্ভবত কাতার অথবা মিসরের মধ্যস্থতায় আরও এক সপ্তাহ সময় নিতে পারে। তবে এই প্রক্রিয়ায় কোনো অগ্রগতি না হলে হামাস প্রতিনিধিদের বহিষ্কার করতে কাতারকে চাপ দিতে আমেরিকার সহায়তা চেয়েছে ইসরায়েল।

ইতোমধ্যে কাতার হামাসকে ব্যক্তিগত অস্ত্র সমর্পণের নির্দেশ দিয়েছে। যদিও ইসলামপন্থিদের কাছে এটি অপমানজনক মনে হচ্ছে। তবু অনেকেই এটিকে একটি ইতিবাচক প্রতীকী বার্তা হিসেবে দেখছেন। দীর্ঘদিন ধরে হামাসের প্রতি সহানুভূতিশীল কাতার এখন বাস্তব চাপে এসেছে। ইসরায়েলি নেতারা আশা করছেন, ট্রাম্পের ঘোষণায় ‘গাজা উচ্ছেদ করে একে মধ্যপ্রাচ্যের রিভেরা’ বানানোর হুমকি এখন হয়তো হামাস নেতাদের প্রভাবিত করতে পারে, যারা এখনো চুক্তিতে অনিচ্ছুক।

গত বুধবার রাতে খবর এসেছে, হামাস এবার জিম্মিমুক্তির কোনো আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠান করবে না। এর আগে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির যুদ্ধবিরতির সময় তারা জিম্মিদের ক্যামেরার সামনে এনে অভিনয় করিয়েছিল। যেটি নিয়ে ইসরায়েলে ব্যাপক ক্ষোভ ও আন্তর্জাতিক সমালোচনা তৈরি হয়েছিল। এস্তোনিয়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সা’আর বলেন, ‘কিছু ইতিবাচক লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।’ ইসরায়েলি জনগণও যুদ্ধ শেষ দেখতে চায়। যদিও ৭ অক্টোবরের হামলায় জড়িত বাহিনীর তুলনায় হামাস এখন অনেক দুর্বল। তবুও গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে তারা এখনো আইডিএফের বিরুদ্ধে লড়ছে। সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

আবারও রক্তাক্ত কাশ্মীর, সংঘর্ষে নিহত ১৬

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১০:২৯ পিএম
আবারও রক্তাক্ত কাশ্মীর, সংঘর্ষে নিহত ১৬
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে (পিওকে) নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের আবারও সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩৭ জন।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) কাশ্মীরের ঈদগাহ ময়দানে হাজার হাজার বিক্ষোভকারীর সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ হলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি। বিবিসি জানিয়েছে, এই সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১১ জন বেসামরিক নাগরিক এবং ৪ জন নিরাপত্তা কর্মকর্তা।

শরণার্থীদের জন্য বিপুলসংখ্যক সংসদীয় আসন সংরক্ষণের বিরুদ্ধে আসন্ন নির্বাচনের আগে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে বিভিন্ন মানবাধিকারকর্মী সংগঠনের জোট জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি (জেএএসি)।

কর্তৃপক্ষ এই আন্দোলনকে রাষ্ট্রদ্রোহ ও সহিংসতার অভিযোগে অভিযুক্ত করে সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। সংগঠনটির নেতাদের গ্রেপ্তারে পুরস্কারও ঘোষণা করেছে।

তবে এসব পদক্ষেপ সত্ত্বেও হাজারও মানুষ আঞ্চলিক রাজধানী মুজাফফরাবাদের অভিমুখে মিছিল শুরু করেন। নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের বাধা দিলে সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৬ জন নিহত হন। 

স্থানীয় কর্মকর্তাদের মতে, সরকারি হিসাব অনুযায়ী ১০ হাজারের বেশি বিক্ষোভকারী নিয়ে একটি বিশাল বহর রাওয়ালাকোট শহর থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে অবস্থান করে।

পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলার কমিশনার সরদার ওয়াহিদ খান বিবিসি উর্দুকে জানান, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিরাপত্তা বাহিনী টহল দিচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘরের বাইরে না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বিক্ষোভকারীদের বহরকে রাওয়ালাকোট হয়ে মুজাফফরাবাদে যেতে দেওয়া হবে না। বিবিসি উর্দুর প্রতিবেদকরা জানিয়েছেন, স্থানীয় মসজিদগুলো থেকে লাউড স্পিকারে মানুষকে ঘরে থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

এদিকে নতুন করে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকলেও কমিশনার খান দাবি করেছেন, ‘আইনের শাসন নিশ্চিত করা হবে।’
পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। রাজধানী মুজাফফরাবাদ ও রাওয়ালাকোটে নজরদারির জন্য হেলিকপ্টার টহল চালানো হচ্ছে।

সাশ্রয়ী মূল্যে আটা, চাল, বিদ্যুৎ এবং মৌলিক অধিকারের দাবিতে সাধারণ নাগরিকদের অংশগ্রহণে বিক্ষোভটি শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হয়েছিল। কিন্তু পরে তা সহিংস হয়ে ওঠে।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবারও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন নিহত হন। আহত হন অন্তত ২০০ জন।

 সূত্র: বিবিসি ও এনডিটিভি

জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:২১ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:২২ পিএম
জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কো (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন কমান্ড সেন্টারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

 বৃহস্পতিবার (১১ জুন) আইআরজিসির বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিম এ তথ্য জানিয়েছে। 

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, এ হামলাকে ‘আগ্রাসনকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক অভিযান’ বলে অভিহিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ১২টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে আল-আজরাক বিমানঘাঁটি ও এর নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

আইআরজিসি দাবি করেছে, এ হামলায় বেশ কয়েকটি স্থাপনা ও বিপুল সংখ্যক যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হয়েছে। সূত্র: এএফপি 

নাঈম/

 

বাহরাইন ও কুয়েতের ঘাঁটিতে আঘাতের দাবি ইরানি গার্ডের

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম
বাহরাইন ও কুয়েতের ঘাঁটিতে আঘাতের দাবি ইরানি গার্ডের
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কো (আইআরজিসি) দাবি করেছে, সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার জবাবে তারা কুয়েত ও বাহরাইনের কয়েকটি ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) হামলার এ দাবি করে দেশটি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার উদ্ধৃত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, দুই দফা অভিযানে কুয়েতের আলি ও আহমাদ  আহমাদ  এয়ার  ফোর্স-এ যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শেখ ইসা বিমানঘাঁটিতেও হামলা চালিয়ে সেটিকে ধ্বংস করা হয়েছে।

এর আগে ইরানি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়, বাহরাইনে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরেও হামলা চালিয়েছে ইরান। সূত্র: এএফপি

নাঈম/

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা সম্পন্ন

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৪ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৫ পিএম
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা সম্পন্ন
প্রতীকী ছবি

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন দফায় হামলা সম্পন্ন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সামরিক বাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, এ হামলায় ইরানজুড়ে দেশটির সামরিক নজরদারি সক্ষমতা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিমান প্রতিরক্ষা স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। 

মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর তদারককারী সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে জানায়, আঞ্চলিক জলসীমা দিয়ে চলাচলকারী যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে মার্কিন মেরিন কোর, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনীর সদস্যরা নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। সূত্র: এএফপি 

নাঈম/

ওমান উপকূলে জাহাজে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০১:০৬ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৮ পিএম
ওমান উপকূলে জাহাজে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত
ছবি: সংগৃহীত

ওমান উপকূলে চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে মার্কিন বাহিনীর হামলায় নিখোঁজ হওয়া তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ভারতের নৌপরিবহন মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল।

ওমান উপসাগরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলার শিকার হওয়া ‘সেত্তেবেলো’ নামক ওই জাহাজে মোট ২৮ জন ক্রু ছিলেন। এর মধ্যে ২৪ জন ভারতীয়, দুইজন পাকিস্তানি, একজন ইউক্রেনীয় ও একজন রুশ নাগরিক ছিলেন।

নিহত তিন নাবিককে সনাক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন- ডেক ক্যাডেট আদিত্য শর্মা, ইঞ্জিন ফিটার শিবানন্দ চৌরাসিয়া এবং চিফ ইঞ্জিনিয়ার পাটনালা সুরেশ।

জাহাজটির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাহাজে থাকা বাকি নাবিকদের সঙ্গে একটি স্থিতিশীল নেটওয়ার্ক যোগাযোগ স্থাপন করতে তারা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) বাহিনী ওমান উপকূলে পালাউয়ের পতাকাযুক্ত ওই তেল ট্যাংকারে নিখুঁত নির্দেশিত যুদ্ধাস্ত্র দিয়ে হামলা চালালে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। ইরানের তেলের ওপর জারি করা চলমান অবরোধ লঙ্ঘনের অভিযোগে জাহাজটিতে এই হামলা চালানো হয়।

নাবিকদের ওপর এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ভারত। তারা জানিয়েছে, জাহাজটি হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার চেষ্টা করার সময় ২৪ জন ভারতীয় নাগরিক মার্কিন নৌবাহিনীর সরাসরি হামলার মুখে পড়ে।

হামলার ঘটনার পর নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত ওয়াশিংটনের চার্জ দি অ্যাফেয়ার্সকে (ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত) তলব করে ভারত তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বলে সংবাদসংস্থা এএফপিকে নিশ্চিত করেছেন এক জ্যেষ্ঠ ভারতীয় সরকারি কর্মকর্তা। সূত্র: এনডিটিভি

আজহার/অমিয়/