ঢাকা ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ফুটবলের চেয়ে বড় হয়ে উঠেছে রাজনীতি? প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের শিরোপা কার? সব উপাদানের সমন্বয়ে তৈরি হয় সাফল্যের রেসিপি ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা’ ১২ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি বিশ্বকাপ ইতিহাসের ১০টি কালজয়ী মন্তব্য স্বাগতিকের চোখে স্বপ্ন, প্যারাগুয়ের চোখে চমক শেষটায় মেসি-রোনালদোর প্রথম দ্বৈরথ দেখা যাবে? নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু আজ আশার প্রদীপ ডেভিড মরক্কো শিবিরে বড় ধাক্কা, নেইমারকে নিয়ে এখনো দোলাচলে ব্রাজিল গোলের চেয়ে লাল কার্ড বেশি, লজ্জার ইতিহাস ৪০ বছর বয়সেও অদম্য জিকো মাঠে উল্লাস, বাইরে মৃত্যু বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে ৩ লাল কার্ড, জয়ে শুরু মেক্সিকোর বিশ্বকাপ ফুটবল ও গাজাবাসীর বাস্তবতা কানাডার স্বপ্নযাত্রা নাকি বসনিয়ার চমক? রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হলেন মরিনিও পেনাল্টি শূন্য ম্যারাডোনা কুইনোনসের গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে মেক্সিকো ৬০০ ভক্তের যাতায়াত খরচ দেবেন জার্মানির ফুটবলাররা ‘ফিফা বিশ্বের রাজা নয়’ শাকিরার সুরের মূর্ছনায় বিশ্বকাপের বর্ণিল উদ্বোধন দর্শকের ভালোবাসাই আমার জীবনের সেরা প্রাপ্তি: সূচরিতা বিইউপি মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন ক্লাবের আয়োজনে আনস্ক্রিপ্টেড ১.০ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট দলে তাওহিদ-রবিউল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা বাংলাদেশের খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস পরাশক্তিরা যেদিন মাঠ ছেড়েছিল কান্নাভেজা চোখে দেশে ফের ভূমিকম্প অনুভূত
Nagad desktop

ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের প্রস্তাবিত নতুন নাম কেন জুড-সামারিয়া?

প্রকাশ: ০৭ আগস্ট ২০২৫, ০৫:২০ পিএম
আপডেট: ০৭ আগস্ট ২০২৫, ০৯:২৫ পিএম
ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের প্রস্তাবিত নতুন নাম কেন জুড-সামারিয়া?
ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরকে ‘জুড ও সামারিয়া’ নামকরণ করতে চান যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভসের স্পিকার মাইক জনসন। সোমবার (৪ আগস্ট) ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে পশ্চিম তীরের শিলোহ শহরে এক ঐতিহাসিক বৈঠকে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। খবর জেরুজালেম পোস্ট।

ইসরায়েলের আরিয়েল শহর সফরকালে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তাদের প্রতিনিধি দল ও কংগ্রেস সদস্যদের সঙ্গে একটি বৈঠকে জনসন বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল (সোজা কথায় সরকারি পর্যায়ে) পর্যায়ে ওয়েস্ট ব্যাংক-শব্দটির ব্যবহার বন্ধ করতে তিনি কাজ করবেন। এর পরিবর্তে তিনি ‘জুড ও সামারিয়া’ শব্দযুগল প্রচলনের পক্ষে অবস্থান নেবেন।’ 

এই সফরের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে ইসরায়েলের ডানপন্থী বসতিপন্থী সংগঠন ইয়েশা কাউন্সিল। সংগঠনটি পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলের অন্তর্ভুক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে প্রচার চালিয়ে আসছে। কয়েক সপ্তাহ আগে তারা ‘জুড, সামারিয়া ও জর্দান উপত্যকা’কে ইসরায়েলের অবিচ্ছেদ্য অংশ দাবি করে একটি ঘোষণাপত্র পাস করে।

তবে, এই প্রস্তাব আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনার মুখে পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পশ্চিম তীরকে অধিকৃত এলাকা হিসেবে দেখে। তাই ‘জুড ও সামারিয়া’ নাম ব্যবহারকে অনেকেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করছেন।

জুড ও সামারিয়া শব্দটি বাইবেলে উল্লেখিত জর্ডান নদীর পশ্চিম এলাকাজুড়ে অবস্থিত একটি অঞ্চল। ১৯৪৮ সালের আরব-ইসরায়েলি যুদ্ধ শেষে ইসরায়েল এবং জর্ডানের মধ্যে ১৯৪৯ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলে ইসরায়েল সরকার এটিকে পশ্চিম তীর নাম দেয়। 

যুদ্ধের আগে এটি আরব শাসনাধীন ছিল। যুদ্ধের পরে জর্ডান এটিকে অধিগ্রহণ করলে জর্ডান নদীর পূর্ব তীরের জর্ডান অঞ্চল থেকে এই ভূখন্ডকে আলাদা করার জন্য তখন এটিকে ‘পশ্চিম তীর’ বলা হতো।

১৯৬৭ সালের জুনে ছয় দিনের যুদ্ধে ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী (IDF) পশ্চিম তীরের নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং সেখানে  সামরিক প্রশাসন প্রতিষ্ঠা করে, যা আজও বহাল রয়েছে।

নতুন সামরিক প্রশাসনের একটি সামরিক আদেশের (নং ১৮৭) মাধ্যমে ১৯৬৭ সালের ডিসেম্বরে ‘জুড ও সামারিয়া’ শব্দটি প্রথম উল্লেখ করা হয়, যা ইহুদি ইতিহাসে এই অঞ্চলের তাৎপর্য প্রতিফলিত করে। শব্দটি ইসরায়েলি রাজনীতিতে ডানপন্থীদের সঙ্গে সম্পর্কিত, যারা ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি সংঘাতের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের প্রস্তাবকে প্রত্যাখ্যান করে থাকে। 

বিপরীতে, পশ্চিম তীর শব্দটির অনেক বিস্তৃত স্বীকৃতি রয়েছে, যা একাধিক আন্তর্জাতিক চুক্তির অন্তর্ভুক্ত, যেমন-ইসরায়েল সরকার এবং প্যালেস্টাইন মুক্তি সংস্থা (PLO) এর মধ্যকার অসলো চুক্তি।

জুডের ইতিহাস

বাইবেল অনুসারে, ফিলিস্তিনের তিনটি ঐতিহ্যবাহী বিভাগের মধ্যে জুড হল দক্ষিণতম অঞ্চল, যেখান থেকেই ইহুদি জনগণের ইতিহাস শুরু হয়েছিল। জুডিয়ান নামের একটি পাহাড়ি অঞ্চল এখানকার মূল অংশ চিহ্নিত করে, যা রামাল্লা থেকে বেরশেবা পর্যন্ত দক্ষিণে বিস্তৃত। পাশেই জেরুজালেম , বেথলেহেম এবং হেব্রন অবস্থিত। 

জুড নামটি প্রাচীন ইসরায়েলি উপজাতি যিহূদার নাম থেকে নেওয়া হয়েছে, যারা খ্রিস্টপূর্ব দশম শতাব্দীর আগে লৌহ যুগের প্রথম দিকে এই অঞ্চলে বসতি স্থাপন করেছিল। একজন যিহূদী দাউদ, ইসরায়েলিদের রাজা হওয়ার পর, জুড ইসরায়েলের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয় । 

এর দুই প্রজন্ম পর, জুডিয়ায় একটি দক্ষিণ রাজ্য (যিহূদা) এবং সামেরিয়ায় একটি উত্তর রাজ়্যে (ইসরায়েল) বিভক্ত হয়। দায়ূদের বংশকে রাখা হয় যিহূদা রাজ্য, যা খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দীতে ব্যাবিলনীয় বন্দীদশা চলাকালীন ইহুদিদের জোরপূর্বক নির্বাসন পর্যন্ত সমৃদ্ধি লাভ করে । 

যদিও প্রায় অর্ধ শতাব্দী পরে ইহুদিদের জুডিয়ায় ফিরে আসার অনুমতি দেওয়া হয়, তবুও তারা বিদেশী শাসনের অধীন ছিল যতক্ষণ না ম্যাকাবিরা খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দীতে রাজ্যটি পুনরুজ্জীবিত করে ।

এরপর, রাজ্যটি খ্রিস্টপূর্ব ৬৩ সালে রোমান শাসনের অধীনে আসে এবং লাতিন এবং গ্রীক ভাষায় জুডিয়া (ইংরেজিতে জুডিয়াও বানান করা হয়) নাম থেকে জুড নামকরণ করা হয় ।

সামারিয়ার ইতিহাস

প্রাচীন সামারিয়া হল জুড এবং গ্যালিলির মধ্যবর্তী অঞ্চল যেটি পশ্চিম তীরের উত্তরে এবং আধুনিক ইসরায়েলের উত্তর অংশে অবস্থিত পরবর্তী অঞ্চল। সামেরিয়া শমেরিয়ান পাহাড়ের পাদদেশে গড়ে ওঠা একটি অঞ্চল, যার মধ্যে রয়েছে কারমেল, গিলবোয়া, এবাল এবং গেরিজিম এবং নাবলুস শহর। দীর্ঘকাল ধরে এটি এই এলাকার রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে কাজ করেছে। নব্য-অ্যাসিরিয়ান সাম্রাজ্য এটি দখল করে নিলে এটি তখন দুটি রাজ্যে বিভক্ত হয়ে যা। 

এরপর সামেরিয়া কয়েক শতাব্দি ধরে অ্যাসিরিয়ান এবং ব্যাবিলনীয়রা শাসন করে। তাদের অধীনেই সামেরিয়ায় সামেরিয়ানিজম এবং জুডিয়ায় ইহুদি ধর্মের ধর্মীয় সম্প্রদায়গুলো আচেমেনিয়ান এবং পরে হেলেনিস্টিক শাসনে স্থানান্তরিত হওয়ার আগে স্বতন্ত্র রূপ নিতে শুরু করে।

সুলতানা দিনা/

আবারও রক্তাক্ত কাশ্মীর, সংঘর্ষে নিহত ১৬

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১০:২৯ পিএম
আবারও রক্তাক্ত কাশ্মীর, সংঘর্ষে নিহত ১৬
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে (পিওকে) নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের আবারও সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩৭ জন।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) কাশ্মীরের ঈদগাহ ময়দানে হাজার হাজার বিক্ষোভকারীর সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ হলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি। বিবিসি জানিয়েছে, এই সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১১ জন বেসামরিক নাগরিক এবং ৪ জন নিরাপত্তা কর্মকর্তা।

শরণার্থীদের জন্য বিপুলসংখ্যক সংসদীয় আসন সংরক্ষণের বিরুদ্ধে আসন্ন নির্বাচনের আগে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে বিভিন্ন মানবাধিকারকর্মী সংগঠনের জোট জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি (জেএএসি)।

কর্তৃপক্ষ এই আন্দোলনকে রাষ্ট্রদ্রোহ ও সহিংসতার অভিযোগে অভিযুক্ত করে সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। সংগঠনটির নেতাদের গ্রেপ্তারে পুরস্কারও ঘোষণা করেছে।

তবে এসব পদক্ষেপ সত্ত্বেও হাজারও মানুষ আঞ্চলিক রাজধানী মুজাফফরাবাদের অভিমুখে মিছিল শুরু করেন। নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের বাধা দিলে সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৬ জন নিহত হন। 

স্থানীয় কর্মকর্তাদের মতে, সরকারি হিসাব অনুযায়ী ১০ হাজারের বেশি বিক্ষোভকারী নিয়ে একটি বিশাল বহর রাওয়ালাকোট শহর থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে অবস্থান করে।

পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলার কমিশনার সরদার ওয়াহিদ খান বিবিসি উর্দুকে জানান, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিরাপত্তা বাহিনী টহল দিচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘরের বাইরে না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বিক্ষোভকারীদের বহরকে রাওয়ালাকোট হয়ে মুজাফফরাবাদে যেতে দেওয়া হবে না। বিবিসি উর্দুর প্রতিবেদকরা জানিয়েছেন, স্থানীয় মসজিদগুলো থেকে লাউড স্পিকারে মানুষকে ঘরে থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

এদিকে নতুন করে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকলেও কমিশনার খান দাবি করেছেন, ‘আইনের শাসন নিশ্চিত করা হবে।’
পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। রাজধানী মুজাফফরাবাদ ও রাওয়ালাকোটে নজরদারির জন্য হেলিকপ্টার টহল চালানো হচ্ছে।

সাশ্রয়ী মূল্যে আটা, চাল, বিদ্যুৎ এবং মৌলিক অধিকারের দাবিতে সাধারণ নাগরিকদের অংশগ্রহণে বিক্ষোভটি শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হয়েছিল। কিন্তু পরে তা সহিংস হয়ে ওঠে।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবারও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন নিহত হন। আহত হন অন্তত ২০০ জন।

 সূত্র: বিবিসি ও এনডিটিভি

জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:২১ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:২২ পিএম
জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কো (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন কমান্ড সেন্টারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

 বৃহস্পতিবার (১১ জুন) আইআরজিসির বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিম এ তথ্য জানিয়েছে। 

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, এ হামলাকে ‘আগ্রাসনকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক অভিযান’ বলে অভিহিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ১২টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে আল-আজরাক বিমানঘাঁটি ও এর নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

আইআরজিসি দাবি করেছে, এ হামলায় বেশ কয়েকটি স্থাপনা ও বিপুল সংখ্যক যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হয়েছে। সূত্র: এএফপি 

নাঈম/

 

বাহরাইন ও কুয়েতের ঘাঁটিতে আঘাতের দাবি ইরানি গার্ডের

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম
বাহরাইন ও কুয়েতের ঘাঁটিতে আঘাতের দাবি ইরানি গার্ডের
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কো (আইআরজিসি) দাবি করেছে, সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার জবাবে তারা কুয়েত ও বাহরাইনের কয়েকটি ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) হামলার এ দাবি করে দেশটি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার উদ্ধৃত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, দুই দফা অভিযানে কুয়েতের আলি ও আহমাদ  আহমাদ  এয়ার  ফোর্স-এ যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শেখ ইসা বিমানঘাঁটিতেও হামলা চালিয়ে সেটিকে ধ্বংস করা হয়েছে।

এর আগে ইরানি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়, বাহরাইনে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরেও হামলা চালিয়েছে ইরান। সূত্র: এএফপি

নাঈম/

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা সম্পন্ন

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৪ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৫ পিএম
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা সম্পন্ন
প্রতীকী ছবি

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন দফায় হামলা সম্পন্ন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সামরিক বাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, এ হামলায় ইরানজুড়ে দেশটির সামরিক নজরদারি সক্ষমতা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিমান প্রতিরক্ষা স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। 

মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর তদারককারী সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে জানায়, আঞ্চলিক জলসীমা দিয়ে চলাচলকারী যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে মার্কিন মেরিন কোর, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনীর সদস্যরা নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। সূত্র: এএফপি 

নাঈম/

ওমান উপকূলে জাহাজে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০১:০৬ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৮ পিএম
ওমান উপকূলে জাহাজে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত
ছবি: সংগৃহীত

ওমান উপকূলে চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে মার্কিন বাহিনীর হামলায় নিখোঁজ হওয়া তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ভারতের নৌপরিবহন মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল।

ওমান উপসাগরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলার শিকার হওয়া ‘সেত্তেবেলো’ নামক ওই জাহাজে মোট ২৮ জন ক্রু ছিলেন। এর মধ্যে ২৪ জন ভারতীয়, দুইজন পাকিস্তানি, একজন ইউক্রেনীয় ও একজন রুশ নাগরিক ছিলেন।

নিহত তিন নাবিককে সনাক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন- ডেক ক্যাডেট আদিত্য শর্মা, ইঞ্জিন ফিটার শিবানন্দ চৌরাসিয়া এবং চিফ ইঞ্জিনিয়ার পাটনালা সুরেশ।

জাহাজটির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাহাজে থাকা বাকি নাবিকদের সঙ্গে একটি স্থিতিশীল নেটওয়ার্ক যোগাযোগ স্থাপন করতে তারা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) বাহিনী ওমান উপকূলে পালাউয়ের পতাকাযুক্ত ওই তেল ট্যাংকারে নিখুঁত নির্দেশিত যুদ্ধাস্ত্র দিয়ে হামলা চালালে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। ইরানের তেলের ওপর জারি করা চলমান অবরোধ লঙ্ঘনের অভিযোগে জাহাজটিতে এই হামলা চালানো হয়।

নাবিকদের ওপর এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ভারত। তারা জানিয়েছে, জাহাজটি হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার চেষ্টা করার সময় ২৪ জন ভারতীয় নাগরিক মার্কিন নৌবাহিনীর সরাসরি হামলার মুখে পড়ে।

হামলার ঘটনার পর নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত ওয়াশিংটনের চার্জ দি অ্যাফেয়ার্সকে (ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত) তলব করে ভারত তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বলে সংবাদসংস্থা এএফপিকে নিশ্চিত করেছেন এক জ্যেষ্ঠ ভারতীয় সরকারি কর্মকর্তা। সূত্র: এনডিটিভি

আজহার/অমিয়/