ফাঁকিবাজ বাংলা ব্যাকরণের শিক্ষক যেভাবে একদিনে সিলেবাস শেষ করবে সেটাই জানাচ্ছেন জাহাঙ্গীর আলম
প্রথম অধ্যায় ভাষা
ফাঁকিবাজ শিক্ষক: এটা তো বলার কিছু নেই। আমরা যা বলছি, সেটাই ভাষা।
দ্বিতীয় অধ্যায় ব্যাকরণ
ফাঁকিবাজ শিক্ষক: এই যে বইখানা পড়ছি, এটাই ব্যাকরণ। যা ক্লাসে পড়াব, সেটাই ব্যাকরণ।
তৃতীয় অধ্যায় ধ্বনি, শব্দ ও বাক্য
ফাঁকিবাজ শিক্ষক: বেত দিয়ে মারলে তোদের মুখ দিয়ে যা বের হয়, সেটাই ধ্বনি।
সেই ধ্বনি যদি খাতায় বর্ণ দিয়ে লিখতে পারিস, তাহলে সেটাই শব্দ। আর পড়া না পারলে যে অজুহাত দেখাস, সেটাই বাক্য।
চতুর্থ অধ্যায় সমাস, কারক ও বিভক্তি
ফাঁকিবাজ শিক্ষক: যেসব বাক্য আমি ক্লাসে তোদের বলব, তার ভেতরেই এসব লুকিয়ে থাকে। তোরা খুঁজে নিবি।
তোদের কাজ ওসব নিজ দায়িত্বে খুঁজে নেওয়া। খুঁজে না পেলেও সমস্যা নেই। বাক্য বলতে পারলেই হলো।
পঞ্চম অধ্যায় পত্র ও দরখাস্ত
ফাঁকিবাজ শিক্ষক: তোরা মেয়েদের কাছে যা লিখিস, ওটাই পত্র। আর ক্লাস কামাই দেওয়ার অজুহাত দেখিয়ে আমার কাছে যে আর্জি লিখিস, ওটাই দরখাস্ত।
ষষ্ঠ অধ্যায় ভাবসম্প্রসারণ
ফাঁকিবাজ শিক্ষক: পরীক্ষার খাতায় কিছু না জেনেও একই লাইন ঘুরিয়ে ফিরিয়ে পাতার পর পাতা যা লিখে আসিস, ওটাই ভাবের সম্প্রসারণ।
সপ্তম অধ্যায় সারমর্ম
ফাঁকিবাজ শিক্ষক: পরীক্ষার খাতায় যে নম্বর পাবি, ওটাই সারমর্ম।
অষ্টম অধ্যায় রচনা
ফাঁকিবাজ শিক্ষক: আমাদের জীবনটাই আসলে রচনা। জন্ম তার সূচনা। মরণ হলো উপসংহার। মাঝের সবকিছুই বর্ণনা। ওটা কেউ পড়ে না। সবাই সূচনা আর উপসংহার দেখে মার্ক দেয়।