ঢাকা ৬ আষাঢ় ১৪৩১, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪

ভক্সওয়াগেন শক্তিশালী করবে প্লাগ-ইন হাইব্রিড লাইনআপ

প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৪, ০১:৩২ পিএম
আপডেট: ১৮ মে ২০২৪, ০১:৩৩ পিএম
ভক্সওয়াগেন শক্তিশালী করবে প্লাগ-ইন হাইব্রিড লাইনআপ
ভক্সওয়াগেনের গলফ জিটিই মডেলের প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ি। ছবি: ভক্সওয়াগেন

জার্মানির গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভক্সওয়াগেনের ইলেকট্রিক ভেহিকেল (ইভি) বিক্রিতে ধীরগতির কারণে কৌশল পরিবর্তন করছে। প্রতিষ্ঠানটি প্লাগ-ইন হাইব্রিড ইলেকট্রিক ভেহিকেল বা পিএইচইভি মডেল তৈরি করার পরিকল্পনা করছে। তাদের সর্বশেষ প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়িগুলো এক চার্জে ১০০ কিলোমিটারের বেশি মাইলেজ দিয়ে থাকে।

পুরোপুরি ইলেকট্রিক গাড়ির চাহিদা কমে যাওয়ায় ভক্সওয়াগেন প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ির সরবরাহ বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা করছে। কোম্পানিটির সিইও টমাস শেফার গত সপ্তাহে জানান, পিএইচইভি মডেলের সম্প্রসারণের বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে।’ এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আগের কৌশলে পরিবর্তন আনা হয়েছে। যেখানে মূলত আইডি ব্যাজ লাইনআপে ব্যাটারিচালিত বৈদ্যুতিক গাড়ির (বিইভি) দিকে মনোযোগ দেওয়া হয়েছিল।

লন্ডনে একটি অটোমোবাইল শিল্প সম্মেলনে সাক্ষাৎকারে শেফার বলেন, ‘বর্তমানে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের গ্রাহকসহ বেশির ভাগ গ্রাহকের প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ির চাহিদা রয়েছে।’ বছরের শুরুতে ইউরোপে ইভির চেয়ে প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ির বিক্রি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।

চীনে স্থানীয় ব্র্যান্ডগুলো যখন আধিপত্য বিস্তার করে চলেছে, তখন ভক্সওয়াগেন ইভি কৌশলে পরিবর্তন করছে। কোম্পানিটি গত বছর জার্মানিতে ইভি তৈরির জন্য কারখানা নির্মাণে ২০০ কোটি ইউরো বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে। ইভি বিক্রির ধীরগতির কারণে গাড়ি নির্মাতারা মার্কেট শেয়ার ধরে রাখার জন্য আগের পরিচিত ড্রাইভট্রেনগুলোয় ফিরে যাচ্ছে।

বিশ্বব্যাপী হাইব্রিড গাড়ির চাহিদার বৃদ্ধি পাওয়ায় সুবিধা পাচ্ছে টয়োটা। গত সপ্তাহে মার্সিডিজ-বেঞ্জ গ্রুপ জানিয়েছে, ইভি বিক্রির হতাশাজনক অবস্থার মধ্যেও প্রত্যাশিত সময়ের চেয়ে বেশি সময় ধরে কমবাসটন ইঞ্জিনের গাড়ি বিক্রি করবে।

শেফার বলেন, পাসাত ও টিগুয়ান মডেলগুলোয় ভক্সওয়াগেনের সর্বশেষ হাইব্রিড প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই ১০০ কিলোমিটারেও বেশি ইলেকট্রিক রেঞ্জ অফার করে।

 

ঈদে বাইকযাত্রায় সঙ্গে রাখবেন যেসব কাগজপত্র

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৪, ০৯:৫৯ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৪, ০৯:৫৯ পিএম
ঈদে বাইকযাত্রায় সঙ্গে রাখবেন যেসব কাগজপত্র

ঈদে বাড়ি যাচ্ছেন বাইকে চড়ে। যাত্রপথে বাইকের কাগজপত্র সম্পর্কিত ঝামেলা এড়িয়ে চলতে যা যা প্রয়োজন হবে:

ড্রাইভিং লাইসেন্স 
যানাবাহন চালনার দক্ষতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে ড্রাইভিং লাইসেন্স। এটি রাস্তায় চলাচলরত সাধারণ মানুষসহ অন্য গাড়ি ও সম্পত্তির সুরক্ষা নিশ্চিতে যানবাহন চালানোর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে। তাই বাইকে চলাচলের সময় চালককে অবশ্যই সঙ্গে ড্রাইভিং লাইসেন্স রাখতে হবে। এতে পুলিশ অথবা যেকোনো আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর যেকোনো হয়রানি এড়াতে পারবেন। 

রেজিস্ট্রেশন নম্বর
ঝামেলাহীনভাবে মোটরসাইকেল চালাতে রেজিস্ট্রেশন নম্বর গুরুত্বপূর্ণ। রেজিস্ট্রেশন নম্বর বাইকের বৈধতার সঙ্গে আপনার মালিকানা নিশ্চিত করে। বাইক ডাম্পিংয়ের অনেক বেশি আশঙ্কা থাকে রেজিস্ট্রেশন নম্বর ছাড়া চালালে।

ট্যাক্স টোকেন
ট্যাক্স টোকেন মূলত বাংলাদেশের রাস্তায় বৈধভাবে বাইক চালানোর অনুমতিপত্র। তাই বাইকযাত্রায় ট্যাক্স টোকেন সঙ্গে রাখুন।  

ইনস্যুরেন্স
ইনস্যুরেন্স বাইকের জন্য রক্ষাকবচ। বাংলাদেশর আইন অনুযায়ী রাস্তায় বৈধভাবে বাইক চালাতে বাইকের ইনস্যুরেন্স বাধ্যতামূলক। এটিও সঙ্গে রাখুন।

জরুরি পরিস্থিতি
যদি আপনার বাইকে কোনো ত্রুটি দেখা দেয়, তাহলে নিরাপদ জায়গায় থামুন এবং মেরামতের চেষ্টা করুন। যদি নিজে মেরামত করতে না পারেন, তাহলে সাহায্যের জন্য স্থানীয়দের শরণাপন্ন হন।

যদি আহত হন, তাহলে প্রাথমিক চিকিৎসা নিন এবং দ্রুত ডাক্তারের কাছে যান। যদি আবহাওয়ার অবস্থা খারাপ হয়, তাহলে নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিন। সঠিক প্রস্তুতি, সচেতনতা এবং সাবধানতা অবলম্বন করে বাইকযাত্রা নিরাপদ ও আনন্দময় করে তুলতে পারেন। মনে রাখবেন, সাবধানতা অবলম্বনই সফল ভ্রমণের মূল চাবিকাঠি।

 

ঈদে বাইকযাত্রা

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৪, ০৯:১৪ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৪, ০৯:২০ পিএম
ঈদে বাইকযাত্রা
ছবি: সংগৃহীত

ঈদে নাড়ির টানে গ্রামে ছুটে যান শহুরে মানুষ। বিভিন্ন যানবাহন করে গ্রামে যান। কেউ বাসে, কেউ ট্রেনে, কেউ বিমানে, কেউ বা যান ব্যক্তিগত গাড়িতে। এই যাত্রায় অনেকে তাদের শখের বাইককেই সঙ্গী করেন।

ঈদে গণপরিবহনের টিকিট পাওয়া সোনার হরিণ হাতে পাওয়ার মতো বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। এ সময়ে নানা ধরনের ঝামেলা দেখা দেয় দূরযাত্রায়। এসব ঝামেলা এড়িয়ে যারা নিজের ইচ্ছেমতো চলাচল করতে চান, তাদের কাছে প্রথম পচ্ছন্দ বাইকযাত্রা। তবে এ সময় সতর্কতার সঙ্গে বাইকে চলাচল করতে হয়, না হলে যেকোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনার শিকার হতে পারেন আপনিও। চলুন জেনে নেওয়া যাক বাইকযাত্রায় কোন কোন বিষয় মেনে চলবেন।


প্রস্তুতি
আপনার গন্তব্য অনুযায়ী কোন পথে যাত্রা করবেন তা নির্ধারণ করুন। প্রয়োজনে জিপিএস বা গুগল ম্যাপস ব্যবহার করুন। যাত্রার সময় আগে নির্ধারণ করুন। বাইকে যাত্রা শুরুর আগে আবহাওয়ার পূর্বাভাস সম্পর্কে ধারণা থাকা প্রয়োজন। রাস্তায় কীভাবে খাবার খাবেন তার পরিকল্পনা করুন অথবা নিজের সঙ্গে খাবার বহন করুন। আগে থেকে জরুরি পরিষেবা নম্বর সংরক্ষণ করে রাখুন।

দীর্ঘ ভ্রমণের জন্য আপনার বাইক যান্ত্রিকভাবে ঠিক ও রাস্তার জন্য উপযুক্ত কি না তা নিশ্চিত করুন। যাত্রার আগে টায়ারের চাপ, ব্রেক, চেইন ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ পরীক্ষা করে নিন। প্রয়োজনে বাইক সার্ভিসিং করিয়ে নিন। প্রয়োজনীয় বাইক মেরামতের সরঞ্জাম, টর্চলাইট, পাওয়ার ব্যাংক, মোবাইল চার্জার ইত্যাদি সঙ্গে রাখুন। প্রয়োজনীয় টুলস ও স্পেয়ার পার্টস সঙ্গে রাখুন। বাইকে একটি ফার্স্ট-এইড কিট রাখুন।

মোটরসাইকেল চালানোর সময় অবশ্যই হেলমেট পরতে হবে। মাথাকে সুরক্ষা রাখতে ও বাইক চালানোর সময় পোকা বা অন্য কিছুর হাত থেকে রক্ষা পেতে হেলমেট পরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হেলমেট পরলে যেমন নিরাপদ থাকবেন তেমনি পুলিশি ঝামেলাও এড়িয়ে যেতে পারবেন।

আবহাওয়া অনুযায়ী পোশাক পরুন। বাইক চলানোর সময় ফুলহাতা জামা ও ফুলপ্যান্ট পরুন। বেশির ভাগ ট্রাফিক সার্জেন্ট এ বিষয়টিতে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখেন। বাইক চালানোর সময় অবশ্যই সু বা কেডস পরুন। স্যান্ডেল পরে বাইক চালানো আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এসব সু বা কেডস না পরার কারণে মামলার সম্মুখীন হতে পারেন। ভ্রমণবিমা করিয়ে নেওয়া ভালো। পরিবার ও বন্ধুদের আপনার ভ্রমণ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানান ও নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন। 

বাইকযাত্রায় সঙ্গে রাখবেন যেসব কাগজপত্র

ড্রাইভিং লাইসেন্স 
যানাবাহন চালনার দক্ষতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে ড্রাইভিং লাইসেন্স। এটি রাস্তায় চলাচলরত সাধারণ মানুষসহ অন্য গাড়ি ও সম্পত্তির সুরক্ষা নিশ্চিতে যানবাহন চালানোর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে।

তাই বাইকে চলাচলের সময় চালককে অবশ্যই সঙ্গে ড্রাইভিং লাইসেন্স রাখতে হবে। এতে পুলিশ অথবা যেকোনো আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর যেকোনো হয়রানি এড়াতে পারবেন। 

রেজিস্ট্রেশন নম্বর
ঝামেলাহীনভাবে মোটরসাইকেল চালাতে রেজিস্ট্রেশন নম্বর গুরুত্বপূর্ণ। রেজিস্ট্রেশন নম্বর বাইকের বৈধতার সঙ্গে আপনার মালিকানা নিশ্চিত করে। বাইক ডাম্পিংয়ের অনেক বেশি আশঙ্কা থাকে রেজিস্ট্রেশন নম্বর ছাড়া চালালে।

ট্যাক্স টোকেন
ট্যাক্স টোকেন মূলত বাংলাদেশের রাস্তায় বৈধভাবে বাইক চালানোর অনুমতিপত্র। তাই বাইকযাত্রায় ট্যাক্স টোকেন সঙ্গে রাখুন।  

ইনস্যুরেন্স
ইনস্যুরেন্স বাইকের জন্য রক্ষাকবচ। বাংলাদেশর আইন অনুযায়ী রাস্তায় বৈধভাবে বাইক চালাতে বাইকের ইনস্যুরেন্স বাধ্যতামূলক। এটিও সঙ্গে রাখুন।

যাত্রার সময়
ভোরবেলা যাত্রা শুরু করা ভালো। এ সময় রাস্তায় যানবাহনের সংখ্যা কম থাকে। একটানা দুই ঘণ্টার বেশি বাইক চালানো এড়িয়ে চলুন। নিয়মিত বিরতি নিয়ে বিশ্রাম নিন। বিরতির সময় পানি পান করুন ও শরীর সতেজ রাখুন।

বাইক চালনার সময় সর্বদা সতর্ক থাকুন ও ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলুন। অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালাবেন না। অন্যান্য যানবাহনের সঙ্গে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন। অতিরিক্ত ক্লান্ত হলে গাড়ি চালানো বন্ধ করে বিশ্রাম নিন। সব সময় ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখুন।

মূল্যবান জিনিসপত্র সাবধানে রাখুন। একা একা রাতের বেলায় বাইকে ভ্রমণ এড়িয়ে চলুন। যতটা সম্ভব দিনের বেলায় ভ্রমণ করার চেষ্টা করুন। রাতের বেলায় ভ্রমণ করতে হলে নিরাপদ রাস্তা ব্যবহার করুন ও জনবহুল এলাকা দিয়ে যান। একা ভ্রমণ না করে যদি সম্ভব হয় তাহলে গ্রুপে ভ্রমণ করুন। 

জরুরি পরিস্থিতি
যদি আপনার বাইকে কোনো ত্রুটি দেখা দেয়, তাহলে নিরাপদ জায়গায় থামুন এবং মেরামতের চেষ্টা করুন। যদি নিজে মেরামত করতে না পারেন, তাহলে সাহায্যের জন্য স্থানীয়দের শরণাপন্ন হন।

যদি আহত হন, তাহলে প্রাথমিক চিকিৎসা নিন এবং দ্রুত ডাক্তারের কাছে যান। যদি আবহাওয়ার অবস্থা খারাপ হয়, তাহলে নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিন। সঠিক প্রস্তুতি, সচেতনতা এবং সাবধানতা অবলম্বন করে বাইকযাত্রা নিরাপদ ও আনন্দময় করে তুলতে পারেন। মনে রাখবেন, সাবধানতা অবলম্বনই সফল ভ্রমণের মূল চাবিকাঠি।

 

কাওয়াসাকি এনেছে সুপারবাইক নিনজার নতুন মডেল

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৪, ০৬:৫৫ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৪, ০৬:৫৫ পিএম
কাওয়াসাকি এনেছে সুপারবাইক নিনজার নতুন মডেল
নিনজা জেডএক্স-৪আরআর ছবি: সংগৃহীত

জাপানি বাইক নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কাওয়াসাকি সম্প্রতি নিনজা সিরিজের সুপারস্পোর্ট মডেল ‘নিনজা জেডএক্স-৪আরআর’ বাজারে এনেছে। এই বাইকের রয়েছে ৪০০ সিসি ক্ষমতাসম্পন্ন ইঞ্জিন। বাইকটিতে রয়েছে লিকুইড কুল্ড ইনলাইন-ফোর ইঞ্জিন, যা সর্বোচ্চ ৭৭ হর্সপাওয়ার ও ৩৯ এনএম টর্ক উৎপন্ন করে। কমপ্যাক্ট চেসিসে ৪০০ সিসির ইঞ্জিন অসাধারণ পারফরম্যান্সের নিশ্চয়তা দেয়।

নিনজা জেডএক্স-৪আরআর মডেলের সঙ্গে স্ট্যান্ডার্ড মডেলের ফ্রেমের বিশেষ কোনো পার্থক্য নেই। তবে পার্থক্য রয়েছে সাসপেনশনে। নতুন এই মডেলের সামনের সাসপেনশনে সামনে মিলবে অ্যাডজাস্টেবেল প্রি-লোড ফর্ক ও পেছনে মনোশক। এ ছাড়া এতে রযেছে বাই-ডাইরেকশনাল কুইকশিফটার।

কাওয়াসাকির সিগনেচার ডিজাইন রেসিং গ্রিন রঙের সঙ্গে পাওয়া যাবে এই বাইক। স্পোর্ট, রেইন, রোড ও রাইডারসহ একাধিক রাইডিং মোড রয়েছে বাইকটিতে। এতে আরও রয়েছে ডুয়াল চ্যানেল অ্যান্টি লক ব্রেকিং সিস্টেম।

নিনজা জেডএক্স-৪আরআর বাইকটির সর্বোচ্চ গতি হবে প্রতি ঘণ্টায় ২৫৩ কিলোমিটার। উচ্চ আরপিএম বাইক রাইডারদের উত্তেজনাপূর্ণ অভিজ্ঞতা দেবে। বাইকটির চেসিস এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেন নিখুঁতভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ইলেকট্রনিক থ্রোটল, ট্র্যাকশন কন্ট্রোল সিস্টেমসহ আরও অনেক ফিচার রয়েছে নিরাপদ ও আরামদায়ক রাইডের জন্য।

কাওয়াসাকি বাইকের ক্ষেত্রে গতি, নিয়ন্ত্রণ ও শক্তিশালী ইঞ্জিনের ওপর অনেক বেশি ফোকাস করে। এতেও সেই বিষয়গুলোর কমতি রাখেনি বাইক নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। উন্নত সাসপেনশন ও ফিচার্স যোগ করা হয়েছে এই মডেলের বাইকে, যা বাইকপ্রেমীদের আরও বেশি আকৃষ্ট করবে। কাওয়াসাকির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের তথ্যমতে বাইকটির মূল্য ৯ হাজার ৮৯৯ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১১ লাখ ৬০ হাজার (১ ডলার=১১৭)।

/আবরার জাহিন

গাড়ি নিয়ে নিরাপদ ও আনন্দময় ভ্রমণের উপায়

প্রকাশ: ৩১ মে ২০২৪, ০৩:০৫ পিএম
আপডেট: ৩১ মে ২০২৪, ০৩:০৫ পিএম
গাড়ি নিয়ে নিরাপদ ও আনন্দময় ভ্রমণের উপায়
ছবি: সংগৃহীত

আজকাল ঘোরাঘুরি বা ভ্রমণ মানুষের জীবনের নিত্যনৈমিত্তিক বিষয় হয়ে উঠেছে। কাজের প্রয়োজনে কিংবা ছুটি কাটানোর জন্য দূর-দূরান্তে ভ্রমণ করি আমরা। তাই গাড়ি নিয়ে নিরাপদ ও সুন্দরভাবে ভ্রমণ করার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস মেনে চলা জরুরি। অটোমোবাইলের আজকের আয়োজনে থাকছে গাড়ি নিয়ে নিরাপদ ও আনন্দময় ভ্রমণের উপায়:

ভ্রমণের পরিকল্পনা 
ভ্রমণের আগে যথেষ্ট সময় নিয়ে পরিকল্পনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে আপনার ভ্রমণের রোডম্যাপ, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এবং সময়সূচি সবকিছুই সুসামঞ্জস্য হবে। ফলে ভ্রমণের সময় কোনো ঝামেলায় পড়তে হবে না। আপনি নিশ্চিন্তে একটি সুন্দর ভ্রমণ উপভোগ করতে পারবেন।

গন্তব্য নির্ধারণ
প্রথমেই আপনার ভ্রমণের গন্তব্য নির্ধারণ করুন। আপনার মন কী চায়? পাহাড়, সমুদ্র, নাকি শহরের জঞ্জাল ফেলে কোনো একটি নীরব প্রাকৃতিক রিসোর্ট? আপনার মনকে প্রশ্ন করুন। যদি পাহাড় কিংবা সমুদ্র হয়, তবে এমন জায়গা নির্বাচন করুন যেখানে দুটোরই সংমিশ্রণ রয়েছে। তবে এক্ষেত্রে আপনার গাড়ির কোন রাস্তায় চলার জন্য বেশি উপযোগী তা মাথায় রাখুন। 

রোড ম্যাপিং
গন্তব্য ঠিক করে ফেলার পর, আপনাকে ঠাণ্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নিতে হবে কখন যাত্রা করবেন ও কোন পথে যাবেন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রোড ম্যাপিংটা খুব ভেবেচিন্তে করতে হবে। কারণ রোড ম্যাপিংয়ের ওপরই নির্ভর করে পুরো ভ্রমণের প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি। ধরুন, আপনি ঢাকা থেকে কক্সবাজার যাবেন। এক্ষেত্রে আপনার বাসা যদি মিরপুর হয়, তবে আপনি মিরপুর থেকে যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত যেতে যেতেই পুরো পথের ক্লান্তি এটুকু পথেই পেয়ে যাবেন। তাই আপনাকে খুব ভোরে বা রাত ১০টার পর রওনা করতে হবে। যেন রাস্তায় যানজটে না পড়েন। আবার রাস্তায় অন্য কোনো সমস্যা আছে কি না, তা মাথায় রাখুন। 

গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ
গাড়ি নিয়ে ভ্রমণে পুরো যাত্রাপথের আনুমানিক দূরত্ব বের করুন। এক্ষেত্রে গুগল ম্যাপের সাহায্য নিতে পারেন। কত কিলোমিটার পথ আসা-যাওয়া করবেন সে অনুযায়ী গাড়ির ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করুন। গাড়িতে অতিরিক্ত একটি চাকা ও পানি রাখুন। সম্ভব হলে অতিরিক্ত জ্বালানি তেল রাখুন। দীর্ঘ যাত্রার জন্য গাড়িটি ভালো করে সার্ভিসিং করে নিন। টায়ারের অবস্থা, ইঞ্জিন অয়েল, ওয়াটার লেভেল, ব্রেক- সবকিছু ঠিক আছে কি না, তা যাচাই করুন। এ ছাড়া চাকার প্রেসারসহ অন্যান্য বিষয় চেক করুন। গাড়িতে রাখুন জ্যাক, রিঞ্চ, স্প্যানার, টর্চলাইট ইত্যাদি। 

বিশ্রাম
ভ্রমণে নিয়মিত বিরতিতে বিশ্রাম নিন। দীর্ঘক্ষণ গাড়ি চালানো এড়িয়ে চলুন। যানজটের সময় ধৈর্য ধরুন ও রাগ করবেন না।

খাবার
ভ্রমণে অনেক বেশি ক্লান্তি কাজ করে। এ সময় বিভিন্ন ধরনের খাবার খেতে ইচ্ছা করে। আবহাওয়া ও রুচি অনুযায়ী ভ্রমণে সঙ্গে খাবার রাখুন। এ সময় পানীয় পানেরও প্রয়োজন পরে। তাই সঙ্গে পানি ও কোমল পানীয় রাখতে পারেন। মানসম্মত ও স্বাস্থ্যসম্মত উভয় প্রকারের সংমিশ্রণে তৈরি খাবার নিরাপদ ভ্রমণের অন্যতম সঙ্গী। হাইওয়ের পাশে অনেক রেস্টুরেন্ট পাবেন, তবে সেখান থেকে চড়াদামে মানহীন খাবার কিনে খাওয়া কখনোই বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। যদি খুব প্রয়োজন হয় যাচাই করে কিনুন। একটু চেষ্টা করলেই ঘরের তৈরি খাবার সঙ্গে রাখতে পারেন ভ্রমণে। দীর্ঘ যাত্রায় পর্যাপ্ত পরিমাণে শুকনো খাবার ও ফল সঙ্গে রাখুন। পথে খাবার খেতে হলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রেস্তোরাঁ বেছে নিন।

প্রয়োজনীয় ওষুধ
ভ্রমণের সময় অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। যদি যাত্রাপথে পরিবারের অন্য সদস্যরাও থাকেন, তখন ওষুধের ব্যাপারটা আরও জরুরি। ভ্রমণের আগে সবার স্বাস্থ্যের দিক বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র নিন। সঙ্গে লেবু, আদা, রং চা রাখুন। বিশেষ করে বমি, বদ হজম, অ্যাসিডিটি ও অ্যালার্জির ওষুধ থাকাটা তো বাধ্যতামূলক। এ ছাড়া পরিবারের নারী সদস্যদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন রাখুন। নারীদের বিষয়টা মাথা রেখে তাদের সঙ্গে পরামর্শ করে ওষুধ সংগ্রহ করাটা অত্যাবশ্যকীয় কাজগুলোর মধ্যে একটি।

প্রয়োজনীয় কাপড়
কতদিনের জন্য ভ্রমণ করবেন? কোন কোন জায়গা ভ্রমণ করবেন? সে এলাকাগুলোর আবহাওয়া কী রকম? এসব বিষয় মাথায় রেখে প্রয়োজনীয় কাপড় সঙ্গে রাখা জরুরি। দূরবর্তী ভ্রমণে সচরাচর প্রয়োজনীয় কাপড় গুছিয়ে সঙ্গে রাখি না। ফলে ভ্রমণে গিয়ে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়। না হয় চড়া মূল্যে কাপড় কিনতে হয়। যদি ভ্রমণ স্পট অনেকগুলো হয়, বেশি কাপড় সঙ্গে রাখলে আলাদা আলাদা স্পটে ভিন্ন ভিন্ন পোশাকে ছবি তুলতে পারবেন। ফলে ভ্রমণ এবং ভ্রমণের স্মৃতি হবে অনেক বেশি দুর্দান্ত। তাই প্রিয় পোশাকগুলোও হোক ভ্রমণের সঙ্গী।

পর্যাপ্ত পরিমাণ খরচ
ভ্রমণে টাকা সবচেয়ে জরুরি বিষয়। বিশ্বের যে প্রান্তেই ভ্রমণ করেন না কেন, সেখানের স্থানীয় মুদ্রা সঙ্গে থাকাটা অনেক বেশি জরুরি। এ ছাড়া পর্যটন স্পটগুলোয় খাবারসহ প্রায় সবকিছুর মূল্যই চড়া হয়ে থাকে। তাই বাজেটে প্রয়োজনের চেয়েও বেশি অর্থ সঙ্গে রাখার চেষ্টা করুন। এ ছাড়া ডিজিটাল ওয়ালেট ব্যবহারে সচেতন থাকুন।