ঢাকা ৩০ আষাঢ় ১৪৩১, রোববার, ১৪ জুলাই ২০২৪

এয়ারব্যাগ সমস্যায় বিপুলসংখ্যক গাড়ি রিকল করেছে টয়োটা

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৪, ০২:৪৫ পিএম
আপডেট: ২৮ জুন ২০২৪, ০২:৪৫ পিএম
এয়ারব্যাগ সমস্যায় বিপুলসংখ্যক গাড়ি রিকল করেছে টয়োটা
ছবি: সংগৃহীত

আমেরিকার জাতীয় সড়ক পরিবহন নিরাপত্তা সংস্থা ন্যাশনাল হাইওয়ে ট্রাফিক সেফটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এনএইচটিএসএ) আনুষ্ঠানিকভাবে জাপানি গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টয়োটার গ্র্যান্ড হাইল্যান্ডার ও লেক্সাস টিএক্স মডেলের গাড়ি রিকলের ঘোষণা দিয়েছে। এই রিকলের আওতায় রয়েছে মডেল দুটির ২০২৪ সালের মোট ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৫৪টি গাড়ি। গাড়িগুলো এয়ারব্যাগ সমস্যার কারণে রিকল করা হয়েছে।

ন্যাশনাল হাইওয়ে ট্রাফিক সেফটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের নথিতে গত সপ্তাহে টয়োটার ঘোষণা করা বিষয়টি পুনরায় উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটি গাড়িগুলো গ্রাহকদের কাছ থেকে নিয়ে সমস্যা সমাধান করে আবার ফেরত দেবে। এখানে জানানো হয়েছে, ড্রাইভারের পাশের কার্টেন এয়ারব্যাগ দুর্ঘটনার সময় সঠিকভাবে কাজ নাও করতে পারে। ফলে গুরুতর আঘাতের ঝুঁকি বেড়ে যায়। যদিও প্রতিষ্ঠানটি এই সমস্যার সমাধানে কাজ করছে।

টয়োটা চলতি বছরের ৫ থেকে ১৯ আগস্টের মধ্যে গ্রাহকদের এ বিষয়ে অবহিত করবে। এই রিকলে দীর্ঘদিনের টয়োটা গ্র্যান্ড হাইল্যান্ডারও রয়েছে। টয়োটা জানিয়েছে, গ্র্যান্ড হাইল্যান্ডার ও লেক্সাস টিএক্সে ত্রুটিপূর্ণ এয়ারব্যাগ থাকতে পারে। স্বেচ্ছায় এই এসইউভিগুলোর প্রায় ১ লাখ ৪৫ হাজার গাড়ি রিকল করা হয়েছে। কারণ দুর্ঘটনার সময় এসব গাড়িতে কার্টেন-শিল্ড এয়ারব্যাগ ঠিকমতো না খোলার সমস্যা খুঁজে পেয়েছে। 
টয়োটা এক সংবাদ বিবৃতিতে জানিয়েছে, সমস্যাযুক্ত এয়ারব্যাগগুলো চালকের পাশে অবস্থিত। যদি চালকের পাশের উইন্ডো নিচে নামানো থাকলে, তাহলে এয়ারব্যাগ সঠিক সময়ে খোলার সমস্যা দেখা দিতে পারে। স্পষ্টতই এটি দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। টয়োটা আরও জানিয়েছে, বর্তমানে এয়ারব্যাগ সমস্যাটির সমাধানের ওপর কাজ করছে। আগস্টের মাঝামাঝি নাগাদ সকল গ্র্যান্ড হাইল্যান্ডার ও টিএক্স মালিকদের অবহিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

 

শহুরে যানজটের সহজ সমাধান স্কুটার

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৪, ০৪:৪১ পিএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৪, ০৪:৪১ পিএম
শহুরে যানজটের সহজ সমাধান স্কুটার
ছবি: সংগৃহীত

যানজটের কবলে পড়ে শহুরে জীবন হয়ে উঠেছে বিরক্তিকর। এই সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য অনেকেই বিকল্প যানবাহনের কথা ভাবছেন। আর এ ক্ষেত্রে স্কুটার হয়ে উঠেছে জনপ্রিয় একটি বিকল্প বাহন। শহরের যানজটে আটকে থাকার ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই এখন স্কুটার ব্যবহার করছেন। নারী-পুরুষ সকলের কাছেই সহজ বাহন হিসেবে স্কুটার দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। হালকা ও চালানো সহজ এই বাহনের উল্লেখযোগ্য সুবিধা তুলে ধরা হলো আজকের আয়োজনে।

চালানো সহজ
স্কুটার চালানো অত্যন্ত সহজ। বাইকের মতো গিয়ার ও ক্লাচের ঝামেলা নেই। যারা সাইকেল চালাতে জানেন, তাদের জন্য স্কুটার শেখা আরও সহজ হবে। ভারসাম্য রক্ষা করতে পারলেই মূলত স্কুটার চালানো শেখা শেষ। রাস্তায় চলাচলের অভ্যাস অর্জনে কিছুদিন সময় লাগবে।

আরামদায়ক
স্কুটারে আরাম করে বসা যায়। সামনের আসনে পা রাখার জন্য প্রশস্ত জায়গা রয়েছে। পেছনের আসনের যাত্রীও সহজে এই বাহনে চড়তে পারেন। বিশেষ করে বয়স্কদের জন্য স্কুটার বাইকের চেয়ে অনেক বেশি আরামদায়ক। কারণ বাইকের পেছনের আসন অনেক সময় সরু ও উঁচু হয়, যা বয়স্কদের জন্য চড়তে অসুবিধাজনক হয়। 

নিরাপদ
বাইকের তুলনায় স্কুটার নিরাপদ কি না তা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, সাধারণভাবে স্কুটারকে বেশি নিরাপদ বলে ধরে নেওয়া হয়। কারণ স্কুটারের গতি বাইকের তুলনায় কম থাকে, যা দুর্ঘটনার সম্ভাবনা কমায়। স্কুটারে পা রাখার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা থাকে, যা দুর্ঘটনার সময় আঘাত থেকে রক্ষা করতে পারে। বাইকে পা রাখার জন্য এমন নির্দিষ্ট জায়গা নেই। এর উচ্চতা কম থাকে, এজন্য বাইকের তুলনায় সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। তবে স্কুটারে বাইকের তুলনায় সুরক্ষা সরঞ্জাম কম থাকে। স্কুটার বাইকের তুলনায় নিরাপদ হতে পারে, তবে সুরক্ষা সরঞ্জাম ব্যবহার করা এবং সাবধানে চালানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জায়গা
স্কুটারে সিটের নিচে এবং পায়ের কাছে বেশ জায়গা থাকে। সিটের নিচের অতিরিক্ত জায়গায় হেলমেট রাখা যায়। পায়ের কাছে জিনিসপত্র বহন করাও সুবিধাজনক। তবে বাজারে কিছু স্পোর্টি স্কুটার এসেছে, যেগুলোতে পায়ের কাছে জায়গা থাকে না।

ভ্রমণ
থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, নেপাল, শ্রীলঙ্কাসহ অনেক দেশে ভ্রমণের জন্য স্কুটারের বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। প্রয়োজনীয় অনুমতি নিয়ে স্কুটারে দেশের ভেতর ও বাইরে ভ্রমণ করতে পারবেন। এতে অর্থ ও সময় দুটোই বাঁচবে।

যানজটের হাত থেকে মুক্তি পেয়ে ঝামেলামুক্ত যাতায়াতের জন্য স্কুটার একটি আদর্শ সমাধান হতে পারে। চালানো সহজ, আরামদায়ক, নিরাপদ ও ভ্রমণ উপযোগী এই সকল দিক বিবেচনা করে শহুরে জীবনে স্মার্ট সমাধান স্কুটার।

/আবরার জাহিন

 

বাজাজের বিশ্বের  প্রথম সিএনজিচালিত মোটরবাইক

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৪, ০৪:৩৮ পিএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৪, ০৪:৩৮ পিএম
বাজাজের বিশ্বের  প্রথম সিএনজিচালিত মোটরবাইক
ছবি: সংগৃহীত

ভারতীয় মোটরবাইক নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান বাজাজ বিশ্বের প্রথম সিএনজিচালিত বাইক উন্মোচন করেছে। ‘বাজাজ ফ্রিডম ১২৫ সিএনজি’ নামে বাজাজ এটিকে পরিচয় করিয়েছে। এই বাইক ঘিরে বাইকপ্রেমীদের মধ্যে আগ্রহ তুঙ্গে। কোনো স্টাইলিশ গঠন কিংবা অন্য কিছু নয়। এই বাইক ঘিরে আগ্রহের মূল কারণ এটি সিএনজি অর্থাৎ কমপ্রেসড ন্যাচারাল গ্যাসে চালানো যাবে। এই জ্বালানির মূল্য পেট্রলের থেকে অনেক কম। ফলে জ্বালানি বাবদ খরচ সাশ্রয় হবে।

ফ্রিডম সিএনজি বাইকে রয়েছে ১২৫ সিসি এয়ার কুলড সিঙ্গল সিলিন্ডার ইঞ্জিন। এটি সর্বোচ্চ ৯ দশমিক ৫ হর্সপাওয়ার এবং ৯ দশমিক ৭ এনএম টর্ক উৎপাদন করতে পারে। ইঞ্জিনটি একটি ৫-স্পিড গিয়ারবক্সের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। বাইকটির ইঞ্জিন ১২৫ সিসির হলেও পারফরম্যান্স দেবে ১০০ সিসির। এটি একটি বাই-ফুয়েল মোটরসাইকেল। অর্থাৎ বাইকটিতে দুই ধরনের জ্বালানির সুবিধা পাওয়া যাবে। এটি সিএনজির পাশাপাশি পেট্রলেও চলবে। পেট্রল ও সিএনজি জ্বালানির বিকল্প খুব সহজেই পরিবর্তন করা সম্ভব। বাইকটির বাঁ দিকের হ্যান্ডেলবারে এই জন্য একটি সুইচ দেওয়া হয়েছে। এক সুইচেই সিএনজি থেকে পেট্রোলে চালানো যায় এই বাইক।

বাইকটিতে সিএনজি সিলিন্ডার কোথায় রয়েছে অনুমান করা কঠিন। এই বাইকের জন্য বাজাজ একটি ইউনিক দুই কেজি সিএনজি ধারণক্ষমতার ট্যাঙ্ক ডিজাইন করেছে, যা এটির সিটের নিচে রয়েছে। এ ছাড়া রয়েছে একটি দুই লিটার ধারণক্ষমতার পেট্রল ট্যাঙ্ক। 
বাজাজের দাবি, ফ্রিডম ১২৫ সিএনজিতে ২১৩ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে পারে। পেট্রোল ট্যাঙ্কে ১১৭ কিলোমিটার পর্যন্ত যেতে পারে। সম্মিলিতভাবে এই বাইকের রেঞ্জ হবে ৩৩০ কিলোমিটার।

বাজাজের এই নতুন সিএনজিচালিত বাইক একটি ট্রেলিস ফ্রেমের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, যা এই সেগমেন্টে প্রথম। সামনে রয়েছে টেলিস্কপিক ফর্ক ও মোনো শক রিয়ার সাসপেনশন। ফ্রন্টে ১৭ ইঞ্চি টায়ারটিতে একটি ২৪০ মিলিমিটারের ডিস্ক ব্রেক রয়েছে। বাইকটির হুইলবেস ১৩৪০ মিলিমিটার, সিটের উচ্চতা ৮২৫ মিলিমিটার ও গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স ১৭০ মিলিমিটার। এই বাইকে সামনে রাউন্ড হেডল্যাম্প, ব্লুটুথ, ডিজিটাল মিটার এবং রিভার্স এলইডি কনসোলের মতো অত্যাধুনিক ফিচারও রয়েছে। এতে রয়েছে এলইডি হেডলাইট।

এই বাইকে ৭৮৫ মিলিমিটার দীর্ঘ সিট রয়েছে। বাইকটির মজবুত ট্রেলিস ফ্রেম, এটিকে হালকা ও শক্তিশালী করেছে। কোম্পানি বলছে, বাইকটি ইন্ডাস্ট্রির ১১টি বিভিন্ন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে, এটিকে সম্পূর্ণ নিরাপদ করে তুলেছে। বাইকটিকে সামনে, পাশ, ওপর থেকে এমনকি ট্রাকের নিচে পিষ্ট করেও পরীক্ষা করা হয়েছে।

তিনটি সংস্করণে পাওয়া যাবে হাইব্রিড বাইকটি। সংস্করণগুলো হলো ড্রাম, ড্রাম এলইডি ও ডিস্ক এলইডি। বেসিক সংস্করণের দাম ধরা হয়েছে ভারতীয় মুদ্রায় ৯৫ হাজার রুপি এবং টপ-এন্ড সংস্করণের দাম ১ লাখ ১০ হাজার রুপি।

বাজাজের তথ্যমতে, ইতোমধ্যে ভারতে ফ্রিডম ১২৫-এর বুকিং শুরু হয়েছে। এই মোটরসাইকেল প্রথমে দেশটির গুজরাট ও মহারাষ্ট্র রাজ্যে বিক্রি শুরু হবে, এর পর পাওয়া যাবে গোটা ভারতে। বাজাজ এই সিএনজিচালিত বাইক মিসর, তানজানিয়া, পেরু, ইন্দোনেশিয়া ও বাংলাদেশের মতো অন্যান্য দেশেও রপ্তানি করবে।। মোট সাতটি রঙে এই বাইক পাওয়া যাবে। এর মধ্যে রয়েছে ক্যারিবিয়ান ব্লু, এবোনি ব্ল্যাক-গ্রে, পিউটার গ্রে-ব্ল্যাক, রেসিং রেড, সাইবার হোয়াইট, পিউটার গ্রে-ইয়েলো, আবলুস কালো-লাল রং। বাজাজ দাবি করছে, এই বাইক চলানোর খরচ যেকোনো পেট্রলচালিত বাইক থেকে অনেক কম হবে। দৈনিক ব্যবহারের সময় এর অপারেশন খরচ প্রায় ৫০ শতাংশ কমে যাবে। এতে বাইকটি ৫ বছর ব্যবহারে প্রায় ৭৫ হাজার রুপি সাশ্রয় হবে।

/আবরার জাহিন

নির্দিষ্ট সময়ে গাড়ির ব্যাটারি প্রতিস্থাপন করবে ফেরারি

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৪, ০১:৫৬ পিএম
আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৪, ০১:৫৬ পিএম
নির্দিষ্ট সময়ে গাড়ির ব্যাটারি প্রতিস্থাপন করবে ফেরারি
ফেরারি। ছবি: সংগৃহীত

বিলাসবহুল স্পোর্টস গাড়িনির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফেরারি গাড়ির কার্যক্ষমতা ও বাজারমূল্য ধরে রাখতে ব্যাটারি প্রতিস্থাপন প্রকল্প চালু করেছে। গত সোমবার ব্যাটারি প্রতিস্থাপন প্রকল্পের ঘোষণা দেয় ফেরারি।

হাইব্রিড মডেলের গাড়ির জন্য দুটি নতুন ওয়ারেন্টি সেবার প্রকল্প হাতে নিয়েছে ফেরারি। এর আওতায় নির্দিষ্ট সময়ে গাড়ির ব্যাটারি প্রতিস্থাপন করতে পারবেন হাইব্রিড গাড়ির মালিকরা। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য ফেরারি গাড়ির পুনঃবিক্রয় মূল্য ধরে রাখতে সাহায্য করা। কারণ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এ ধরনের গাড়ির ব্যাটারির সক্ষমতা কমে যায়। আর বৈদ্যুতিক গাড়ির দাম নির্ধারণে প্রাধান্য পায় ব্যাটারি।

ফেরারি জানিয়েছে, তাদের নতুন ওয়ারেন্টি সেবা হাইব্রিড ও পাওয়ার হাইব্রিড প্রোগ্রামের আওতায় গাড়িগুলোতে অষ্টম ও ১৬তম বছরে হাইভোল্টেজ ব্যাটারি প্যাক প্রতিস্থাপন করবে। এর আগে প্রতিষ্ঠানটি হাইব্রিড পাওয়ার ট্রেনের যন্ত্রাংশের জন্য পাঁচ বছরের ওয়ারেন্টি সেবা চালু করেছে।

স্পোর্টস গাড়িনির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, এই দুটি সেবা পরবর্তী মালিকের কাছে স্থানান্তরযোগ্য হবে। অর্থাৎ ওয়ারেন্টির সময়কালের মধ্যে গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন হলেও পরবর্তী যেকোনো মালিক সেবাগুলো ফেরারির কাছে থেকে পাবেন। এটি দীর্ঘ মেয়াদে হাইব্রিড ফেরারি গাড়িগুলোর কার্যকারিতা ও উৎকর্ষ ধরে রাখতে চালু করেছে। ফেরারি আরও বলেছে, ভবিষ্যতে ব্যাটারি প্রযুক্তি উন্নত করতে প্রতিস্থাপিত এইচভিবি ব্যাটারির নতুন ও আধুনিক উপাদান হবে, যা মূল ব্যাটারির মতো একই কার্যকারিতা নিশ্চিত করবে।

এই প্রোগ্রামগুলো পুরো গাড়ি এবং গুরুত্বপূর্ণ পাওয়ার ট্রেন উপাদানগুলোর জন্য ওয়ারেন্টি দেবে। এগুলো দুই থেকে চার বছরের জন্য নবায়নযোগ্য প্যাকেজে যাবে। 
গোপন সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, এই প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়ার জন্য খরচ হবে প্রায় ৭ হাজার ইউরো বা মার্কিন মুদ্রায় প্রায় ৭ হাজার ৫৩০ ডলার। এই সুবিধা আগামী বছরে আসন্ন ফেরারির সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক মডেলেও পাওয়া যাবে।

ফেরারি পেট্রল ইঞ্জিনের জন্য বিখ্যাত। তবে ২০১৯ সাল থেকে হাইব্রিড বৈদ্যুতিক গাড়ি বিক্রি করছে। ২০২৫ সালের শেষের দিকে তাদের প্রথম সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক গাড়ি বাজারে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

/আবরার জাহিন

টাটা মোটরস আনছে নতুন ৩ গাড়ি

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৪, ০১:৪৯ পিএম
আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৪, ০১:৪৯ পিএম
টাটা মোটরস আনছে নতুন ৩ গাড়ি
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টাটা মোটরস চলতি বছরের বাজারে বেশ কয়েকটি নতুন মডেলের গাড়ি এনেছে। এ বছরে আরও ৩টি নতুন গাড়ি আনছে টাটা মোটরস, যার মধ্যে রয়েছে দুটি এসইউভি ও একটি হ্যাচব্যাক। এই গাড়িগুলোর মধ্যে একটি সিএনজিচালিত, অন্যটি বিদ্যুৎচালিত।

টাটা নেক্সন সিএনজি
টাটা এ বছরের জানুয়ারি মাসে উন্মোচন করেছে ‘টাটা নেক্সন সিএনজি’। এই গাড়িতে অটোমেটিক ট্রান্সমিশনযুক্ত সিএনজি সুবিধা থাকবে। তবে এর আগে ভারতে প্রথম অটোমেটিক ট্রান্সমিশনযুক্ত সিএনজি গাড়ি উন্মোচন করে প্রতিষ্ঠানটি। সেই গাড়ি হলো টাটা টিয়াগো ও টাইগার সিএনজি। দেশটির অন্যতম জনপ্রিয় কম্প্যাক্ট এসইউভি টাটা নেক্সন। এতে থাকবে ফ্যাক্টরি ফিটেড টারবো চার্জ সিএনজি প্রযুক্তি, যা পারফরম্যান্সের সঙ্গে বেশি মাইলেজ দিতে সাহায্য করবে। এতে ১ দশমিক ২ লিটার পেট্রল ইঞ্জিনের সঙ্গে থাকবে টারবো চার্জ সিএনজি সিলিন্ডার। এই গাড়িতে টাটা নেক্সনের সব ফিচার পাওয়া যাবে। বর্তমান মডেলের তুলনায় দাম প্রায় ১ লাখ টাকা বেশি হতে পারে।

টাটা কার্ভ
চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে বাজারে আসতে পারে ‘টাটা কার্ভ’। এই গাড়িতে বেশ কিছু নতুনত্ব যোগ করেছে টাটা মোটরস। ক্যুপে ডিজাইনের সঙ্গে পাওয়া যাবে স্মার্ট ফিচার্স। টাটা কার্ভ পেট্রল-ডিজেল ইঞ্জিনের পাশাপাশি বিদ্যুৎচালিত (ইভি) গাড়ি হিসেবেও বিক্রি হবে। এতে ১ দশমিক ২ লিটার পেট্রল ইঞ্জিন থাকবে, যা সর্বোচ্চ ১২৫ হর্সপাওয়ার শক্তি তৈরি করবে। গাড়িতে টারবো পেট্রল ইঞ্জিন পাওয়া যাবে। সঙ্গে মিলবে ১ দশমিক ৫ লিটার ডিজেল ইঞ্জিন। ইলেকট্রিক সংস্করণটি ফুল চার্জে ৪৫০ থেকে ৫০০ কিলোমিটার চলবে। এ বছরে না এলেও আগামী বছরের প্রথম দিকে বাজারে আসবে টাটা কার্ভ।

টাটা অলট্রোজ রেসার
এ বছর ‘টাটা অলট্রোজ রেসার’ গাড়িটি উন্মোচন করেছে টাটা। হ্যাচব্যাক ধাঁচের এই গাড়ি স্পোর্টস সংস্কারে বাজারে আসবে। এতে ১ দশমিক ২ লিটার টারবো পেট্রল ইঞ্জিন পাওয়া যাবে, যা সর্বোচ্চ ১২০ হর্সপাওয়ার শক্তি তৈরি করবে। এটি স্ট্যান্ডার্ড মডেলের তুলনায় ১০ হর্সপাওয়ার বেশি হবে। এতে থাকবে ৬ স্পিড অটোমেটিক ট্রান্সমিশন। শিগগির গাড়িটি বাজারে পাওয়া যাবে।

/আবরার জাহিন

ভক্সওয়াগেন ৫০০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ করছে রিভিয়ানে

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৪, ০২:৩৯ পিএম
আপডেট: ২৮ জুন ২০২৪, ০২:৩৯ পিএম
ভক্সওয়াগেন ৫০০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ করছে রিভিয়ানে
ছবি: সংগৃহীত

জার্মান গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভক্সওয়াগেন সর্বোচ্চ ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করার ঘোষণা দিয়েছে আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক ইলেকট্রিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রিভিয়ানে। প্রথম ধাপে ভক্সওয়াগেন ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে প্রতিষ্ঠানটিতে। জার্মান গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি ধাপে ধাপে বাকি ৪০০ কোটি ডলার ২০২৬ সালের মধ্যে বিনিয়োগ করবে। আমেরিকান গণমাধ্যম এনবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে ভক্সওয়াগেনের এ বিনিয়োগের কথা জানিয়েছে।

রিভিয়ানে ২০২৫ ও ২০২৬ সালে প্রতি বছর ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে ভক্সওয়াগেনের। ২০২৬ সালে যৌথভাবে বিদ্যুৎচালিত গাড়ির কাঠামো ও সফটওয়্যার প্রযুক্তি উন্নত করতে আরও ২০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।

গত মঙ্গলবার ট্রেডিং শেষ হওয়ার পর রিভিয়ানের শেয়ারের দাম বেড়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ। রিভিয়ান বিনিয়োগকারীদের জন্য এক অনুষ্ঠান আয়োজনের দুদিন আগে ভক্সওয়াগেন প্রতিষ্ঠানটিতে এই বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। রিভিয়ানের নগদ অর্থ ব্যয় ও উল্লেখযোগ্য লোকসানের কারণে ওয়াল স্ট্রিটে রিভিয়ানের ওপর চাপ ছিল।

ভক্সওয়াগেন রূপান্তরযোগ্য বন্ডের মাধ্যমে প্রথম ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে, যা চলতি বছরের ১ ডিসেম্বর বা এরপরে রিভিয়ানের শেয়ারে রূপান্তরিত হবে।

ভক্সওয়াগেন বর্তমানে ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক কোম্পানিটির দ্বিতীয় বড় বিনিয়োগকারী। ২০২১ সালে রিভিয়ান পাবলিক হওয়ার সময় ফোর্ড মোটর রিভিয়ানের বৃহত্তম অংশীদার ছিল। ২০২৩ সালে রিভিয়ান থেকে বেরিয়ে যায় ফোর্ড। রিভিয়ানের সঙ্গে ইভি তৈরির পরিকল্পনা বাতিল করে।

রিভিয়ান কয়েক মাস ধরে খরচ কমানোর লক্ষ্যে কাজ করছে। তারা কর্মীদের সংখ্যা কমিয়েছে, কর্মক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য দেশটির ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের প্লান্টটি পুনর্গঠন করেছে তারা। একই সঙ্গে জর্জিয়ায় বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয়ে একটি নতুন কারখানার নির্মাণ স্থগিত করেছে এই ইভি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।