পাখিরা অতিথি
দেশ গৃহহীন ঠিকানাবিহীন
পাখিরা পায় না ভয়,
উড়ে চলে যায় দেশ থেকে দেশে
পাখিরা অতিথি হয়।
পাখিরা ডাকলে রাত হয়ে যায় ভোর
পাখিরা ডাকলে কাটছে আঁধার ঘোর।
পাখিরা ডাকলে সন্ধ্যা দৃশ্যমান,
পাখিরা অজানা পথের পথিক প্রাণ।
পাখিরা জানে না কোন দেশ তার
কোথায় ঠিকানা ঘর,
পাখিরা সবার আপন অতিথি
পাখিরা হয় না পর।
পাখির কুজন
কাকের কা কা, ঘুঘুর ঘুঘু
পায়রার বাকুম বাকুম,
কোন পাখিটার কোনটা ভাষা
কোন ভাষাতে ডাকুম?
কোকিল কুহু কুহু সুরে
কথায় কাকাতুয়া,
অন্ধকারে গভীর বনে
প্যাঁচার হুক্কাহুয়া।
কিচির মিচির চড়ুই কিংবা
ছোট্ট আকার পাখির,
বর্ষাকালে ডাহুক পাখির-
সিজন ডাকাডাকির।
হাঁস প্যাক প্যাক ময়ূর কেকা
মোরগ কুক কু রু কু,
দোয়েল পাখির মধুর শিসে
দুঃখ ভোলে দুখু।
পাখির শক্তি ওড়ার ইচ্ছে
ওড়ে সে একটানা,
পাখির শক্তি পাখির কুজন
পাখির শক্তি ডানা।
পাখির জন্য পানি
বাড়ির ছাদে, বারান্দাতে, জানালা, কার্নিশে-
রাখছি পানির পাত্র, কলস পাতিল মাটির ডিসে-
তৃষ্ণা পেলে পাখিরা জল খাবে,
তীব্র গরম ওরাও কিন্তু পানির কষ্ট পাবে।
বাড়ির ছাদে আশপাশে গাছের উঁচু ডালে,
রাখছি পানির পাত্র পাখি আসছে পালে পালে
ভিজিয়ে পালক ডুবিয়ে শরীর পাখি,
তপ্ত রোদের তেজে ওদের বাড়ছে ডাকাডাকি।
একটু বড় পানির পাত্র এইখানে ওইখানে
রাখছি তাতে পাখি এসে নামছে দলে স্নানে
ওরাও কাটে সাঁতার পালক মেলে,
পাখির চোখে খুশির বন্যা এমন পানি পেলে।