হাল ধরেছিলেন নিক কেলি। খেলেন ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস। তুলেন নেন আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি। কিন্তু আক্ষেপ, অনেকটা দূর পাড়ি দিয়েও ১০০ ছুঁতে পারেননি তিনি। কিউই ওপেনার থামেন ৮৩ রানে। তিনি বাদে, নাহিদ রানার ফাইফারে ব্যাটিং নিয়ে আক্ষেপ করার মতো একটি দিন পার করল নিউজিল্যান্ড দল।
আজ (২০ এপ্রিল) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৪৮.৪ ওভারে ১৯৮ রানে থেমেছে নিউজিল্যান্ড। নাহিদ রানার আগুনে বোলিংয়ে ধস নামে তাদের ব্যাটিং লাইনআপে। পাঁচ শিকার করেনছেন টাইগার পেসার।
ধীরগতির ব্যাটিংয়ে ১৫ ওভারে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ছিল ২ উইকেটে ৪৬ রান। দুটো আঘাতই নাহিদ হানেন। ইনিংসের অষ্টম ওভারে তার হাতে বল তুলে দেন অধিনায়ক মিরাজ। প্রথম বলেই হেনরি নিকোলসকে ক্যাচ বানান টাইগার পেসার। এলবি হওয়া কিউই ওপেনার রিভিউ না নিয়েই মাঠ ছাড়েন, ২৬ বল খেলে করেন মাত্র ১৩ রান।
নিজের পরের ওভারেও প্রথম বলে আঘাত হানেন নাহিদ। তার দ্বিতীয় শিকার হন উইল ইয়ং। গতি আর বাড়তি বাউন্সে পরাস্ত হয়ে নামজুল হোসেন শান্তকে ক্যাচ দেন তিনি। ৭ বল খেলে করতে পারেন মাত্র ২ রান। জোড়া ধাক্কার পর ধীর গতিতে দলকে সামাল দিচ্ছিলেন কিউই অধিনায়ক ল্যাথাম এবং কেলি।
জাতীয় দলে ফেরা সৌম্য সরকার ভাঙেন প্রতিপক্ষের তৃতীয় উইকেট জুটি। দলীয় ৫২ এবং ব্যক্তিগত ১৪ রানে উইকেটের পেছনে লিটন দাসকে ক্যাচ দেন ল্যাথাম। এরপর মোহাম্মদ আব্বাসকে সঙ্গে নিয়ে আরও বিপর্যয় সামাল দিতে থাকেন কেলি। নিউজল্যান্ডের সংগ্রহ শতরান ছাড়িয়ে যাওয়ার পরই আব্বাসকে (১৯) নিজের তৃতীয় শিকার বানান নাহিদ।
ইনিংসের ৩৭তম ওভারে থামেন কেলি। ১৪ চারে ৮৩ রান করা কিউই ওপেনারকে থামান শরিফুল ইসলাম। দ্রুত সময়ে মাঠ ছাড়েন জশ ক্লার্কসন (৬) এবং ডিন ফক্সক্রফ্ট (১৫)। ক্লার্কসনকে আউট করেন রিশাদ হোসেন। ফক্সক্রফ্ট নাহিদের চতুর্থ শিকার হন। ব্লেয়ার টিকনারকে (১২) মাঠছাড়া করেন শরিফুল।
খানিকবাদে জেইডেন লিনক্সকে (০) বোল্ড করে ফাইফার পূর্ণ করেন নাহিদ। তাসকিন আহমেদ উইল ও’রুরকিকে (৬) ক্যাচ বানিয়ে নিউজিল্যান্ডের ইনিংস থামিয়ে দেন। ১০ ওভারে মাত্র ৩২ রান খরচায় ৫ উইকেট নেন নাহিদ। ওয়ানডেতে এটা তার দ্বিতীয় ফাইফার।
অনিক/