ঢাকা ৬ আষাঢ় ১৪৩১, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪

এআই মডেল উন্নত করতে হলিউড স্টুডিওর সাহায্য চায় মেটা ও গুগল

প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৪, ০২:০৯ পিএম
আপডেট: ২৬ মে ২০২৪, ০২:১০ পিএম
এআই মডেল উন্নত করতে হলিউড স্টুডিওর সাহায্য চায় মেটা ও গুগল
ছবি: সংগৃহীত


প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগল ও মেটা ভিডিও তৈরির কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর মডেলকে আরও উন্নত করতে চায়। এ জন্য তারা হলিউড স্টুডিওর সহযোগিতা আশা করছে। টেক জায়ান্ট দুটি বড় অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে এআই মডেল প্রশিক্ষণে হলিউড স্টুডিওর ভিডিও ব্যবহার চুক্তি করতে চায়।

আমেরিকার সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভিডিও তৈরির এআই মডেল উন্নত করতে প্রতিষ্ঠান দুটি এ চুক্তির বিনিময়ে কয়েক কোটি ডলার দিতে চেয়েছে হলিউড স্টুডিওকে। তবে আলোচনার ফলাফল এখনো অস্পষ্ট।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, জনপ্রিয় ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্স ও ডিজনি এআই মডেল প্রশিক্ষণে তাদের কনটেন্ট ব্যবহারে ইচ্ছুক নয়। তবে অন্য ধরনের সহযোগিতা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে তারা। অন্যদিকে এআই মডেল প্রশিক্ষণে ওয়ার্নার ব্রাদার্স ডিসকভারি কিছু অনুষ্ঠানের ভিডিও ব্যবহারের অনুমতি দিতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।

সংবাদমাধ্যমটি মেটার এক মুখপাত্রের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। গুগলের পক্ষ থেকেও কোনো মন্তব্য করা হয়নি। এআই নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো আশা করছে, এ ধরনের চুক্তি ভিডিও জেনারেশন টুলগুলোকে আরও উন্নত করতে সাহায্য করবে। গুগল সম্প্রতি ‘ভিও’ নামে একটি টেক্সট-টু-ভিডিও এআই মডেল উন্মোচন করেছে। মেটাও এআই দিয়ে তৈরি ভিডিও নিয়ে গবেষণা করছে।

বর্তমানে এআই প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মিডিয়া কোম্পানিগুলোর কনটেন্ট ব্যবহারের জন্য চুক্তি করতে এক ধরনের প্রতিযোগিতা চলছে। চলতি সপ্তাহের শুরুতে চ্যাট জিপিটিতে নিউজ কনটেন্ট আনতে এক চুক্তির ঘোষণা দিয়েছে ওপেনএআই ও নিউজকর্প। বিজনেস ইনসাইডার জানিয়েছে, মেটাও এআই মডেল প্রশিক্ষণের জন্য সংবাদ, ছবি ও ভিডিও কনটেন্ট ব্যবহারের জন্য প্রকাশকদের অর্থ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। 

ব্লুমবার্গে বলা হয়েছে, এ ধরনের চুক্তির বিষয়ে হলিউড স্টুডিওগুলোর কিছু সংশয় থাকতে পারে। যদিও এআই এডিটিং টুল আকর্ষণীয় হতে পারে। তবে বিনোদনশিল্পের সৃজনশীল কাজ এআই কীভাবে ব্যবহার করবে, তা নিয়ে ব্যাপক উদ্বেগ রয়েছে।

/আবরার জাহিন

কাজের গতি বাড়াবে কি-বোর্ডের শর্টকাট

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪, ০৬:০৪ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৪, ০৬:০৪ পিএম
কাজের গতি বাড়াবে কি-বোর্ডের শর্টকাট
ছবি: সংগৃহীত

মাউসের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে দ্রুত কাজ করার জন্য কি-বোর্ডের শর্টকাট জানা জরুরি। নিয়মিত শর্টকাট ব্যবহারে কাজের গতি বাড়াবে ও সময় বাঁচবে। তৈরি হবে কাজের প্রতি আগ্রহও। আজকে এমন কিছু শর্টকাট সম্পর্কে জানব, যা কাজকে আরও সহজ করে তুলবে।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্টকাট:
Ctrl + A: সমস্ত টেক্সট বা ফাইল নির্বাচন করুন। 
Ctrl + B: টেক্সট বোল্ড করুন।
Ctrl + C: নির্বাচিত অংশ কপি করুন। 
Ctrl + D: ফন্ট পরিবর্তন করুন।
Ctrl + E: টেক্সট সেন্টারে আনুন।
Ctrl + F: কোন নির্দিষ্ট শব্দ বা বাক্য খোঁজার জন্য ব্যবহার করুন।
Ctrl + G: নির্দিষ্ট লাইনে যান।
Ctrl + I: টেক্সট ইটালিক করুন।
Ctrl + J: টেক্সট জাস্টিফাই করুন।
Ctrl + K: টেক্সটে হাইপারলিঙ্ক যোগ করুন।
Ctrl + L: টেক্সট বাম দিকে সারিবদ্ধ করুন।
Ctrl + N: নতুন ফাইল তৈরি করুন।
Ctrl + O: ফাইল চালু করুন।
Ctrl + P: প্রিন্ট করুন।
Ctrl + R: রিলোড করুন ও টেক্সট ডান দিকে সারিবদ্ধ করুন।
Ctrl + S: ফাইল সংরক্ষণ করুন।
Ctrl + U: টেক্সট আন্ডারলাইন করুন।
Ctrl + V: কপি করা অংশ পেস্ট করুন। 
Ctrl + W: বর্তমান উইন্ডো বন্ধ করুন।
Ctrl + X: নির্বাচিত অংশ কাট করুন।
Ctrl + Z: আগের অবস্থায় ফিরে যান।
Windows Key + D: সব উইন্ডো মিনিমাইজ করুন।
Windows Key + R: রান ডায়ালগ বক্স চালু করুন।
Windows Key + S: সার্চ বার চালু করুন।
Windows Key + X: দ্রুত মেনু চালু করুন।
Alt + Tab: টাস্কবারের মধ্যে অ্যাপ্লিকেশনগুলোর মধ্যে স্যুইচ করুন।
PrtScn: স্ক্রিনশট নিন।

/আবরার জাহিন

অ্যাপলের এআই ‘অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স’

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৪, ১২:১৮ পিএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৪, ১২:১৮ পিএম
অ্যাপলের এআই ‘অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স’
ছবি: সংগৃহীত


যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল বার্ষিক ডেভেলপার সম্মেলন ‘ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ডেভেলপারস কনফারেন্স ২০২৪’-এ দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি উন্মোচন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের এআই প্রযুক্তিকে ‘অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স’ নামে পরিচিত করেছে। সম্মেলনে ভার্চ্যুয়াল সহকারী ‘সিরি’তে ওপেনএআইর তৈরি এআইচালিত চ্যাটবট ‘চ্যাটজিপিটি’ যুক্ত করারও ঘোষণা দিয়েছে প্রযুক্তি জায়ান্টটি। অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স সিরি ছাড়াও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনে সংযুক্ত করার কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। পাশাপাশি বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমের নতুন সংস্করণও প্রদর্শন করেছে অ্যাপল।


গত সোমবার যুক্তরাস্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার কুপারটিনোর অ্যাপল পার্কে প্রযুক্তি জায়ান্টটির এই বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সম্মেলনে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) টিম কুকের নেতৃত্বে শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা নতুন অপারেটিং সিস্টেমসহ বিভিন্ন প্রযুক্তি ও সেবার বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করেন।

সম্মেলনে অ্যাপল জানিয়েছে, ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট সিরি এখন থেকে মেসেজ, ইমেইল, ক্যালেন্ডার ও থার্ড পার্টি অ্যাপ্লিকেশনগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে। সিরি ইমেইল লিখতে ও বিভিন্ন পরিস্থিতির জন্য ভয়েসের টোন পরিবর্তন করতে পারবে। সিরিতে চ্যাটজিপিটিসহ অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করা যাবে। এআইভিত্তিক অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স ফিচারটি ব্যবহার করা যাবে আইওএস, আইপ্যাডওএস, ম্যাকওএস অপারেটিং সিস্টেমে। ব্যবহারকারীর সুরক্ষায় গুরুত্ব দেওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত আইফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি ইঙ্গিত দিয়েছে, সব ফিচারের গোপনীয়তা বজায় রাখার পরিকল্পনা তাদের মাইক্রোসফট ও গুগল থেকে আলাদা করবে।

সম্মেলনে অপারেটিং সিস্টেম ‘আইওএস ১৮’ আনার ঘোষণা দিয়েছে অ্যাপল। এই অপারেটিং সিস্টেমে আইফোনের হোমস্ক্রিন নিজের মতো করে সাজানোর সুযোগ পাবেন ব্যবহারকারী। এতে অ্যাপ লকের ফিচারও থাকবে। ফলে অন্য কেউ পরিচয় যাচাই না করে আইফোনের কোনো অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবে না। এই অপারেটিং সিস্টেমে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে আইমেসেজ ও এসএমএস পাঠানো যাবে।

আইপ্যাডে অপারেটিং সিস্টেমের ইন্টারফেস পরিবর্তন করে নতুন ‘আইপ্যাডওএস’ আনছে অ্যাপল। ‘আইপ্যাডওএস ১৮’ নামের অপারেটিং সিস্টেমটিতে আইপ্যাডের পর্দায় একটি ফ্লোটিং ট্যাববার ও অটোমেটিক সাইডবার দেখা যাবে।

সম্মেলনে অ্যাপল জানিয়েছে, এয়ারপডসের আপডেট সংস্করণ ‘এয়ারপডস প্রো’ আসবে। এ ছাড়া অ্যাপল টিভি সেট টপ বক্সের জন্য অপারেটিং সিস্টেম ‘টিভিওএস ১৮’ আনার কথাও জানিয়েছে অ্যাপল। নতুন অপারেটিং সিস্টেমটির মাধ্যমে ২১ বাই ৯ আলট্রাওয়াইড প্রজেক্টরের পর্দায় বিভিন্ন অনুষ্ঠান দেখা যাবে।

অ্যাপল ওয়াচের জন্য অপারেটিং সিস্টেম ‘ওয়াচ ওএস ১১’-এর ঘোষণাও এসেছে এই সম্মেলনে। স্মার্ট ঘড়ির জন্য তৈরি অপারেটিং সিস্টেমে নতুন করে যুক্ত হয়েছে ট্রেনিং মোড। সম্মেলনে অপারেটিং সিস্টেম ‘ম্যাকওএস সেকোইয়া’ ডেভেলপার বেটা সংস্করণ উন্মুক্ত করেছে টেক জায়ান্টটি। একই সঙ্গে অ্যাপল জানিয়েছে. আগামী মাসে ম্যাকওএস সেকোইয়ার পাবলিক বেটা সংস্করণ উন্মোচন করা হবে। আর এ বছরের মধ্যেই অপারেটিং সিস্টেমটি উন্মুক্ত করা হবে।

এ আয়োজনে পাসওয়ার্ড তৈরি, ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণের জন্য ‘পাসওয়ার্ডস’ অ্যাপের ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এই অ্যাপ ব্যবহার করা যাবে আইফোন, আইপ্যাড, ভিশন প্রো, ম্যাক ও উইন্ডোজে। ‘জেনইমোজি’ নামে নতুন ধরনের ইমোজি তৈরির ফিচার চালুর ঘোষণা দিয়েছে অ্যাপল। এআই ব্যবহার করে সহজে ইমোজি তৈরি করা যাবে। এমনকি কোনো কিছু লিখেও জেনইমোজি তৈরি করা যাবে। সূত্র: রয়টার্স, এনগ্যাজেট

 

অপ্পো রেনো ১২ চাইনিজ থেকে গ্লোবাল সংস্করণ কি আলাদা?

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৪, ০৮:০৫ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৪, ০৮:০৭ পিএম
অপ্পো রেনো ১২ চাইনিজ থেকে গ্লোবাল সংস্করণ কি আলাদা?
ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় স্মার্টফোন ব্র্যান্ড অপ্পো গত মাসে চীনা স্মার্টফোন বাজারে এনেছে ‘অপ্পো রেনো ১২’ সিরিজ। ভিন্ন ভিন্ন স্পেসিফিকেশনে এই সিরিজের দুটি মডেল ‘অপ্পো রেনো ১২’ ও ‘অপ্পো রেনো ১২ প্রো’ বাজারজাত করেছে ব্র্যান্ডটি।

সম্প্রতি বিশ্ব বাজারে সিরিজটির স্মার্টফোন আনার ইঙ্গিত দিয়েছে অপ্পো। তবে ব্র্যান্ডটি এখনো গ্লোবাল ভেরিয়েন্টের কোনো স্পেসিফিকেশন প্রকাশ করেনি। তবে নেট দুনিয়ায় গুঞ্জন রয়েছে, সিরিজটির গ্লোবাল সংস্করণের ডিভাইসগুলোর স্পেসিফিকেশন চাইনিজ সংস্করণ থেকে ভিন্ন হবে। সিরিজটির গ্লোবাল সংস্করণ সম্পর্কে ফাঁস হওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম গিজমোচায়না বিষয়টি জানিয়েছে।

অপ্পো রেনো ১২ সিরিজটির ফাঁস হওয়া গ্লোবাল সংস্করণের সঙ্গে চীনা সংস্করণের উল্লেখযোগ্য পার্থক্য নির্দেশ করে। চাইনিজ ও গ্লোবাল উভয় সংস্করণে ডিসপ্লে একই হবে, এতে রয়েছে ৬ দশমিক ৭ ইঞ্চির অ্যামোলেড এইচডিআর-প্লাস ডিসপ্লে, যার রিফ্রেশ রেট ১২০ হার্জ, পিক ব্রাইটনেস সর্বোচ্চ ১২০০ নিটস। তবে ডিসপ্লেতে গ্লোবাল সংস্করণে গরিলা গ্লাস সেভেন-এর সুরক্ষা রয়েছে, যেখানে চীনা সংস্করণে গ্লাস সুরক্ষার সম্পর্কে কোনো উল্লেখ নেই। গ্লোবাল রেনো ১২-এ ডুয়াল-কার্ভড ডিসপ্লে থাকবে, যেখানে চীনা সংস্করণে রয়েছে মাইক্রো কোয়াড-কার্ভড ডিসপ্লে।

গ্লোবাল সংস্করণের ফাঁস হওয়া ছবিগুলোতে দেখা যায়, এর ডিজাইন চীনা মডেলগুলোর সঙ্গে অনেকটা মিল রয়েছে। গ্লোবাল সংস্করণটির আকার সম্ভবত ১৬১.৩৮ x ৭৪.১৪ x ৭.৫৭ মিলিমিটার ও ওজন ১৭৮ গ্রাম হবে। তবে চীনা সংস্করণে আকার ১৬১.৪ x ৭৪.৮ x ৭.২৫ মিলিমিটার ও ওজন ১৭৯ গ্রাম। উভয় সংস্করণেই আইপি৬৫ ওয়াটার রেজিস্ট্যান্ট সুবিধা রয়েছে। গ্লোবাল মডেলটি ব্ল্যাক ব্রাউন ও অ্যাস্ট্রো সিলভার রঙে আসতে পারে। অন্যদিকে চীনা মডেলটি সফট পিচ, মিলেনিয়াম সিলভার ও ইবনি ব্ল্যাক রঙে পাওয়া যায়।

/ আবরার জাহিন

 

সার্চ ইঞ্জিন পারপ্লেক্সিটির সংবাদ সারসংক্ষেপ টুল নিয়ে বিতর্ক

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৪, ০৫:৩৫ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৪, ০৫:৩৫ পিএম
সার্চ ইঞ্জিন পারপ্লেক্সিটির সংবাদ সারসংক্ষেপ টুল নিয়ে বিতর্ক
ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগলের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নেমেছে আমেরিকান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক সার্চ ইঞ্জিন পারপ্লেক্সিটি। কোনো প্রতিবেদনের কতটুকু অন্য কোনো প্রতিবেদনে ব্যবহার করা ন্যায়সংগত হবে, সেই বিষয়ে গণমাধ্যম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা স্টার্টআপগুলোর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ দৃশ্যমান। ইতোমধ্যে এআইভিত্তিক সার্চ ইঞ্জিন পারপ্লেক্সিটির সংবাদ সারসংক্ষেপ তৈরির ফিচার নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

পারপ্লেক্সিটি সার্চ ইঞ্জিন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে এআই চ্যাটবটের মতো ব্যবহারকারীর প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকে। এটি ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (এনএলপি) মডেল ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর প্রশ্নের অর্থ আরও ভালোভাবে বুঝতে পারে। এর মানে এটি ব্যবহারকারীর উদ্দেশ্য অনুসারে আরও প্রাসঙ্গিক ও সঠিক ফলাফল দেয়, এমনকি প্রশ্নটি অস্পষ্ট বা অসম্পূর্ণ হলেও। এটি প্রচলিত সার্চ ইঞ্জিন থেকে আলাদা।

এই এআই সার্চ ইঞ্জিনে সংবাদ সারসংক্ষেপের জন্য নতুন ফিচার চালু করেছে, যা কোনো সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন ব্যবহার করে নতুন করে কন্টেন্ট উপস্থাপন করে। যেখানে সংবাদ সংস্থাগুলোর ন্যূনতম স্বীকৃতি দেওয়া হয়। পারপ্লেক্সিটি সার্চ ইঞ্জিনের প্রতিষ্ঠাতা জানিয়েছেন, তারা সমস্যাটির সমাধানে কাজ করছেন।

গত শুক্রবার মার্কিন ম্যাগাজিন ফোর্বসের একজন রিপোর্টার মাইক্রো-ব্লগিং সাইট এক্সের এক পোস্টে দাবি করেছেন, পারপ্লেক্সিটির সংবাদ সারসংক্ষেপ ও ফোর্বসের একটি নিবন্ধের মধ্যে মিল রয়েছে। ফোর্বসের টেক অ্যান্ড ইনোভেশন ডেস্কের নির্বাহী সম্পাদক জন প্যাকজকোভস্কি বলেছেন, ‘মাসের পর মাস ধরে তথ্য সংগ্রহ করে অনুসন্ধানী রিপোর্ট তৈরি করা হয়। সেই রিপোর্ট চুরি করেছেন। অন্যান্য মাধ্যমে একই কন্টেন্ট পুনরায় ব্যবহার করে নতুন কন্টেন্ট তৈরি করছেন। পুনঃপ্রকাশিত কন্টেন্টে আমাদের নামও উল্লেখ করছেন না।’

এর প্রতিক্রিয়ায় পারপ্লেক্সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অরবিন্দ শ্রীনিবাস বলেছেন, ‘সমস্যাগুলোর কারণ ‘পারপ্লেক্সিটি পেজ’ ফিচার, যা ম্যাগাজিনের মতো লেআউটে দিনের বিষয়গুলো সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত তথ্য দেয়। এটি একবারে নতুন ফিচার, তাই মসৃণভাবে কাজ করছে না।’

প্যাকজকোভস্কির প্রতিক্রিয়ার সঙ্গে একমত প্রকাশ করে অরবিন্দ শ্রীনিবাস বলেছেন, তথ্যের উৎসগুলো খুঁজে পাওয়া এবং তথ্য সূত্র আরও স্পষ্ট হওয়া উচিত।’ তিনি আরও বলেন, পারপ্লেক্সিটির মূল সার্চ ফিচার তথ্যের উৎসগুলো আরও স্পষ্টভাবে উদ্ধৃত করে।

/আবরার জাহিন

 

ম্যালওয়্যার থেকে ডিভাইসের সুরক্ষা

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৪, ০৫:১৮ পিএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৪, ০৫:১৮ পিএম
ম্যালওয়্যার থেকে ডিভাইসের সুরক্ষা
ছবি: সংগৃহীত

বর্তমানে ডিজিটাল যুগে ম্যালওয়্যার সাইবার নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বড় থেকে ছোট সব প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তিগত কম্পিউটার, এমনকি স্মার্টফোনও ম্যালওয়্যার আক্রমণের ঝুঁকিতে রয়েছে। ম্যালওয়্যার মূলত ক্ষতিকর সফটওয়্যার, যা কম্পিউটার, সার্ভার ও নেটওয়ার্কের ক্ষতি করে থাকে। ম্যালওয়্যার থেকে রক্ষা করার জন্য সিকিউরিটি সফটওয়্যার ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। 

ম্যালওয়্যারের ঝুঁকি
ডেটা চুরি ও ক্ষতি: গোপনীয় তথ্য, যেমন ব্যক্তিগত, আর্থিক ও ব্যবসায়িক তথ্যের মতো গোপনীয় তথ্য চুরি হয়ে যেতে পারে ম্যালওয়্যারের মাধ্যমে। এ ছাড়া এটি গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলো মুছে ফেলতে বা ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
সিস্টেম অকার্যকর: কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ককে ধীর করে ফেলতে পারে, অথবা সিস্টেম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দিতে পারে এটি।
অর্থনৈতিক ক্ষতি: ডেটা ফাঁস বা সিস্টেমের অকার্যকারিতার ফলে অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণ হতে পারে ম্যালওয়্যার।
সুনাম নষ্ট: ম্যালওয়্যারের আক্রমণে কোনো প্রতিষ্ঠানের সুনামও নষ্ট হতে পারে। 

প্রতিরোধের উপায়
অ্যান্টিভাইরাস, অ্যান্টিম্যালওয়্যার, ফায়ারওয়াল ইত্যাদি সফটওয়্যার ব্যবহার করে আপনার ডিভাইসকে সুরক্ষিত রাখুন। অপারেটিং সিস্টেম, অ্যাপ্লিকেশন ও সিকিউরিটি সফটওয়্যারের নিয়মিত আপডেট ইনস্টল করুন। ইন্টারনেটে ব্রাউজিং করার সময়, ই-মেইল খোলার সময় ও অ্যাটাচমেন্ট ডাউনলোড করার সময় সতর্ক থাকুন। আপনার সমস্ত অ্যাকাউন্টের জন্য ভিন্ন ভিন্ন ও শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। আপনার গুরুত্বপূর্ণ ডেটার নিয়মিত ব্যাকআপ নিন।
ম্যালওয়্যার থেকে রক্ষা পেতে সিকিউরিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাজারে বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিভাইরাস এবং অ্যান্টিম্যালওয়্যার সফটওয়্যার পাওয়া যায়। ক্যাসপারস্কি, মাইক্রোসফট ডিফেন্ডার, অ্যাপল এক্সপ্রোটেক্ট, ম্যালওয়্যারবাইটস, বিটডিফেন্ডার, সার্ফশার্ক অ্যান্টিভাইরাসের মতো সিকিউরিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করুন। 

সফটওয়্যার নির্বাচন
আপনার প্রয়োজন ও বাজেট অনুযায়ী সফটওয়্যার নির্বাচন করুন। সফটওয়্যারের রিভিউ ও রেটিং পরীক্ষা করে দেখুন। ফ্রি ট্রায়ালের অফার থাকলে, তা ব্যবহার করুন। মনে রাখবেন, ম্যালওয়্যার থেকে রক্ষা শুধু সফটওয়্যার ব্যবহারেই সীমাবদ্ধ নয়। সচেতনতা ও সাবধানতা অবলম্বন করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।