ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
সিন্ডিকেট ভাঙতে প্রাথমিক শিক্ষক বদলিতে বড় সংস্কার, দায়িত্বে ডিসি-ইউএনও জাপানিজ সমর্থকরা কেন স্টেডিয়াম পরিষ্কার করেন? ইন্টারনেট সেবাদাতাদের কার্যালয়ে হামলা-দখলের নিন্দা, শাস্তির দাবি আইএসপিএবির এনএসইউ ট্রাস্টি বেনজীর আহমেদ ফের সাউথ এশিয়া রিজিওনাল কাউন্সিলের কোষাধ্যক্ষ সিলেটে হাম উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু খুলনায় মসজিদে ঢুকে ২ মুসল্লিকে গুলি কু‌ড়িগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু ঈশ্বরদীতে ব্রাজিল-মরক্কো খেলা দিয়ে বিশ্বকাপ ফুটবল উত্তেজনা শুরু ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ১ শিশুর ইনজুরি নিয়ে শঙ্কিত নয় মরক্কো বেনাপোল বন্দরে ন্যায্য মজুরির দাবিতে শ্রমিকদের কর্মবিরতি স্থগিত এনড্রিককে নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন আনচেলত্তি আরাগচির বিরুদ্ধে তেহরানে বিক্ষোভ ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৯টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান হাতিয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ওসি প্রত্যাহার মতলবে ৬৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ, নিরাপত্তাহীনতায় লাখো মানুষ জয় দিয়ে শুরু অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ অভিযান কেনেডি সেন্টার থেকে অপসারণ করা হলো ট্রাম্পের নাম ক্রিকেটার নাঈমকে হেনস্থায় প্রত্যাহার খুলশী থানার ওসি আরিফুল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি: সময় নিয়ে দ্বিমত তেহরানের ২৫ মে থেকে বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ পালনের ঘোষণা কুড়িগ্রাম সীমান্তে ৯ জনকে পুশইনের চেষ্টা মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে সোহেল-স্বপ্নার আপিল আজ ইন্টারন্যাশনাল বাথ ডে রবিবার বন্ধ থাকবে রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দোকানপাট সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ চট্টগ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে মা-মেয়েকে হত্যা মুন্সীগঞ্জে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা শেষ হলো ‘রুচি বিউটিগ্রাম সিজন সেভেন’
Nagad desktop

বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করা হয় এমপি আজীমকে, পরিকল্পনা দেড় মাসের

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৪, ০২:০৬ পিএম
আপডেট: ২৩ মে ২০২৪, ০৪:৪৬ পিএম
বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করা হয় এমপি আজীমকে, পরিকল্পনা দেড় মাসের

ভারতে চিকিৎসা করাতে গিয়ে নিখোঁজ ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারকে কলকাতায় পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। তবে তার দেহের খোঁজ পাওয়া যায়নি এখনো। জানা যায়, হত্যার পর লাশ টুকরো টুকরো করে লাগেজে ভরে গুম করা হয়েছে। 

সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, এমপি আজীম হত্যার প্রধান পরিকল্পনাকারী তারই বাল্যবন্ধু ও ব্যবসায়িক অংশীদার আখতারুজ্জামান শাহীন। তিনিই নিখুঁত ছক করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন ভাড়াটে খুনিদের দিয়ে। এ জন্য খরচ করেছেন ৫ কোটি টাকা।

মরদেহ উদ্ধার না হলেও সুনির্দিষ্ট কিছু প্রমাণের ভিত্তিতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও কলকাতা পুলিশ সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, কলকাতার নিউ টাউনের অভিজাত আবাসিক এলাকার সঞ্জীবা গার্ডেনসের একটি ফ্ল্যাটে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয় তাকে। হত্যার পর মরদেহ টুকরো টুকরো করে অজ্ঞাত স্থানে গুম করে খুনিরা। 

এ ঘটনায় পুলিশ ঢাকার মোহাম্মদপুর ও সাভার থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এদের মধ্যে একজন নারীও রয়েছেন বলে জানা গেছে। তারা কলকাতায় গিয়ে কিলিং মিশন শেষে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। আর এই পুরো কিলিং মিশনে নেতৃত্ব দেন শাহীনের আত্মীয় আমানউল্লাহ নামে এক উচ্চশিক্ষিত পেশাদার খুনি। যিনি একাধিক খুনের দায়ে অন্তত ২০ বছর জেল খেটেছেন। তাকে গ্রেপ্তার করে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় দায়ের করা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় বাংলাদেশে তিনজন ছাড়াও ভারতে আরও দুজনকে আটক করা হয়েছে বলে দাবি করেছে সেখানকার পুলিশ। 

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, ঢাকায় গ্রেপ্তার তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের সূত্র ধরেই কলকাতার অভিজাত এলাকা নিউ টাউনের এই ফ্ল্যাটের খোঁজ পাওয়া যায়। শাহীনের ভাড়া করা ওই ফ্ল্যাটের দেয়ালে রক্তের দাগ পাওয়া গেছে।

পুলিশের জেরায় গ্রেপ্তার তিনজন স্বীকার করেন যে, কলকাতার যে ফ্ল্যাটটিতে তারা ছিলেন, সেখানেই বালিশচাপা দিয়ে খুন করা হয়েছে আজীমকে। এর পর লাশ টুকরো টুকরো করে চারটি ব্যাগে ভরে গায়েব করা হয়। পরে ওই তিনজন বিভিন্ন পথে বাংলাদেশে ফিরে আসেন।

দুই দেশের পুলিশের সন্দেহ, হত্যাকাণ্ডের পেছনে সোনা চোরাকারবারের লেনদেন নিয়ে বিরোধ। 

আজীমের ছোটবেলার বন্ধু ও ব্যবসায়িক অংশীদার আখতরুজ্জামান শাহীন যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্টধারী। গত ১০ মে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে আসেন তিনি। পরিকল্পনা অনুযায়ী কলকাতায় বিলাসবহুল একটি ফ্ল্যাট ভাড়া করে দেশ থেকে ছয়জনের একটি কিলিং স্কোয়াড ভারতে নিয়ে যান। পরে ব্যবসায়িক আলোচনা করতে ফ্ল্যাটে ডেকে এমপি আজীমকে হত্যা করে টুকরো টুকরো করা হয় লাশ। এরপর উবার ভাড়া করে লাগেজে ভরে সেই লাশ গুম করেন কিলিং মিশনের সদস্যরা।

একটি সূত্র জানায়, এরই মধ্যে শাহীনের ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসা থেকে একটি ডায়েরি জব্দ করা হয়েছে। সেখানে ভাড়াটে খুনির কাকে কত টাকা দিয়েছেন, সে হিসাবও আছে।

ভাড়াটে দুই খুনির পাসপোর্ট করে দিয়েছেন শাহীন
হত্যা ছকের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ থেকে ভাড়াটে দুই খুনি জিহাদ ওরফে জুয়েল ও সিয়ামের পাসপোর্ট তৈরি করে দিয়েছেন শাহীন। এই দুইজন হত্যাকাণ্ডের সাত থেকে আট দিন আগে কলকাতায় যান। 

আজীমকে হত্যা করা হয় ১৩ মে
গত ১২ মে দর্শনা চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে যান আজীম। সেদিন তিনি বরাহনগর থানা এলাকার মণ্ডলপাড়ায় বন্ধু গোপাল বিশ্বাসের বাসায় ওঠেন। পরদিন দুপুরে তিনি চিকিৎসকের কাছে যাবেন বলে বাসা থেকে বের হন। বিকেলে বাসায় ফেরার কথা থাকলেও এদিন তিনি ফিরেননি। 

মিশনে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তারের পর জানা যায়, ভারতে যাওয়ার পরদিন ১৩ মে আজীমকে হত্যা করা হয়। বন্ধু গোপালের বাসা থেকে বের হওয়ার পর কলকাতায় প্রথমে একটি সাদা গাড়িতে আজীমকে তুলে নেয় এক ব্যক্তি। ওই গাড়িতে চালক, এমপিসহ তিনজন ছিলেন। কিছুদূর যাওয়ার পর লাল আরেকটি গাড়িতে ওঠেন আজীম। ওই গাড়িতে আজীমের বাল্যবন্ধু আখতারুজ্জামান শাহীনের বেয়াই সৈয়দ আমানুল্লাহ ছিলেন। এমপিরও পূর্বপরিচিত আমানুল্লাহ।

সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দুই দেশের গোয়েন্দারা বলছেন, ১৩ মে দুপুর পৌনে ১টার দিকে এমপিকে বহনকারী লাল গাড়িটি কলকাতার অভিজাত এলাকা নিউ টাউনের আবাসিক ভবন সঞ্জীবা গার্ডেনসে ঢোকে। বিকেল ৫টা ১১ মিনিটের দিকে এমপির জুতা ও পলিথিনের দুটি বড় ব্যাগ হাতে নিয়ে ওই বাসা থেকে আমানুল্লাহ ও কিলিং মিশনের আরেকজন বেরিয়ে আসেন।

গ্রেপ্তার তিনজনের বরাত গিয়ে গোয়েন্দারা সংবাদমাধ্যমকে জানান, হত্যার পর লাশের টুকরো চারটি ব্যাগে ভরা হয়। আরও দুটি ব্যাগ নিয়ে ১৪ মে ওই বাসা থেকে বেরিয়ে যায় হত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরেকটি গ্রুপ। 

কিলিং মিশনের প্রথম দল কলকাতায় যায় ৩০ এপ্রিল। এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, এমপি হত্যায় জড়িতদের মধ্যে রয়েছেন আজীমের বাল্যবন্ধু শাহীন ও তার বেয়াই আমানুল্লাহ। হত্যার ১৩ দিন আগে গত ৩০ এপ্রিল শাহীন, তার ‘গার্লফ্রেন্ড’ সেলিস্তি রহমান ও আমানুল্লাহ কলকাতা যান। সেখানে নিউ টাউনে তারা শাহীনের ভাড়া করা ফ্ল্যাটে ওঠেন। তবে আমানুল্লাহ ও সেলিস্তিকে কলকাতায় রেখে ১০ মে বৈধ পথে বাংলাদেশে ফিরে আসেন শাহীন। মূলত কিলিং মিশনের অংশ হিসেবে ঘনিষ্ঠ সহচর আমানুল্লাহকে নিয়ে আগেভাগে কলকাতায় যান।

তবে সেলিস্তি রহমান সরাসরি আজীম হত্যা পরিকল্পনায় জড়িত কি-না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সেলিস্তির বয়স ২০ থেকে ২৫-এর মধ্যে। তার বাড়ি টাঙ্গাইল। 

কলকাতায় শাহীনের ফ্ল্যাটে যখন এমপিকে খুন করা হয়, তখন সেলিস্তি সেখানে ছিলেন না। হত্যাকাণ্ডের পর ওই কক্ষে যান সেলিস্তি। ব্লিচিং পাউডারের উৎকট গন্ধ পেয়ে তার কারণ অন্যদের কাছে জানতে চান তিনি। তখন খুনিরা তাকে জানায়, ফ্ল্যাটে একজন মলত্যাগ করেছে। ওই গন্ধ দূর করতে ব্লিচিং পাউডার ছিটানো হয়েছে।

তবে ১৫ মে আমানুল্লাহর সঙ্গে একই ফ্লাইটে ঢাকায় ফেরেন সেলিস্তি।

গ্রেপ্তার আমানুল্লাহ জিজ্ঞাসাবাদে জানান, আজীমকে হত্যার জন্য শাহীনের সঙ্গে তার ৫ কোটি টাকার চুক্তি হয়। এ জন্য কিছু টাকা অগ্রিমও দিয়েছেন। হত্যার পর ঢাকায় এসে শাহীনের সঙ্গে দেখা করেন আমানুল্লাহ। ঢাকায় এসে মোহাম্মদপুরে বোনের বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন। সেখান থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

আমানুল্লাহ আরও জানান, ১২ মে এমপি আজীম কলকাতা যাবেন এটা আগে থেকেই জানতেন শাহীন। হত্যার প্রস্তুতি হিসেবে সেখানে চাপাতিও সংগ্রহ করে রাখেন। ভারতে যাওয়ার পর কৌশলে সংসদ সদস্যকে ফ্ল্যাটে ডেকে নেন। এরপর সিয়াম, ফয়সাল, মোস্তাফিজ ও জিহাদ চাপাতির মুখে আজীমকে জিম্মি করে শাহীনের পাওনা টাকা পরিশোধের জন্য চাপ দেন। এ নিয়ে তর্কাতর্কি শুরু হলে হঠাৎ বালিশচাপা দিয়ে আজীমকে হত্যা করা হয়।

হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ ঘেটে খুনের রহস্য উদ্ঘাটন
কলকাতায় সংসদ সদস্য আজীম নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই কাজ শুরু করে গোয়েন্দারা। হত্যা মিশনে জড়িত সন্দেহভাজন একজনের হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ বাংলাদেশি গোয়েন্দার হাতে আসে। ওই নম্বরটি খুব ব্যবহৃত হয়। পরে ওই খুদেবার্তা ও ফোন নম্বরের সূত্র ধরে এমন একজনের খোঁজ মেলে, যিনি কিলিং মিশনে বড় ভূমিকা রাখেন। এর পর তার বিষয়টি ভারতীয় পুলিশকে জানানো হয়।

এদিকে আজীম হত্যার ঘটনায় ঢাকার শেরেবাংলা নগর থানায় অজ্ঞাত আসামি করে হত্যা মামলা করেছে তার পরিবার। এরই মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

নারী পাচারের অভিযোগে এক সময় আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের ওয়ারেন্টভুক্ত ছিলেন আজীম। স্বর্ণ চোরাচালানের বিরোধের জের ধরেই দেড় মাস আগে এ খুনের পরিকল্পনা করা হয়। আজীমের বিরুদ্ধে হুন্ডি কারবার, মাদক চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

লাশের সন্ধানে কলকাতা পুলিশ
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের মহাপরিদর্শক (সিআইডি) অখিলেশ চতুর্বেদী সাংবাদিকদের বলেন, আজীমের লাশ এখনো পায়নি পুলিশ। তবে কিছু প্রমাণের ভিত্তিতে তারা মনে করছেন, তাকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি জানান, পূর্ব কলকাতার নিউ টাউন অঞ্চলে যে ফ্ল্যাটে আজীম উঠেছিলেন, সেটি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আবগারি দপ্তরের কর্মকর্তা সন্দীপ কুমার রায়ের। সন্দীপের কাছ থেকে ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিলেন আখতারুজ্জামান নামে এক ব্যক্তি।

অন্য একটি সূত্র বলছে, চোরাচালান ও অপরাধজগতের কার্যক্রম নির্বিঘ্নে পরিচালনা করতে শাহীন ব্যারাকপুর এলাকার সঞ্জীবা গার্ডেনসে বেনামে এই ফ্ল্যাটটি কেনেন। ফ্ল্যাটের মালিক হিসেবে ঘনিষ্ঠ সন্দীপ রায়ের নাম ব্যবহার করেন তিনি।

ওই ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে কী ধরনের জিনিসপত্র পাওয়া গেছে, তা সুনির্দিষ্ট করে জানাননি অখিলেশ চতুর্বেদী। 

তিনি বলেন, পুলিশের ফরেনসিক বিভাগ তদন্ত শুরু করেছে। অগ্রগতিও হয়েছে। তবে তারা কবে বেরিয়ে গেলেন, সে বিষয়ে আমরা তদন্তের স্বার্থে এখনই কিছু বলতে পারছি না। এটুকু বোঝা যাচ্ছে, ১৩ মে আজীম এখানে এসেছিলেন। তবে তার আগেও এসেছিলেন কি-না, সেটা আমরা এখনো জানি না।

আখতারুজ্জামান শাহীন এমপি আজীমের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর পৌরসভার মেয়র শহিদুল ইসলাম সেলিমের আপন ছোট ভাই। অগাধ বিত্তের মালিক শাহীন এলাকায় সবার কাছে রহস্যময় মানুষ। আর আমানুল্লাহর বাড়ি খুলনার ফুলতলা এলাকায়। তিনি সম্পর্কে শাহীনের বিয়াই।

অমিয়/

খুলনায় মসজিদে ঢুকে ২ মুসল্লিকে গুলি

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০১:০৩ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০১:০৫ পিএম
খুলনায় মসজিদে ঢুকে ২ মুসল্লিকে গুলি
ছবি: খবরের কাগজ

খুলনার দৌলতপুরে মসজিদে ঢুকে দুই মুসল্লিকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। এতে দুজনেই গুরুতর আহত হয়েছেন। এর মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

রবিবার (১৪ জুন) ফজরের নামাজের সময় দৌলতপুর বিএল কলেজ রোডে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির বিদ্যুৎ জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

​আহতরা হলেন- লোকমান হাকিম (৫৫) ও  আলম শেখ (৫৬)।

স্থানীয়রা জানায়, ওজোপাডিকো বিদ্যুৎ জামে মসজিদে অন্যান্য মুসল্লিদের সঙ্গে লোকমান হাকিম ও আলম শেখ ফজরের নামাজ আদায় করছিলেন। নামাজ চলাকালীন কয়েকজন মসজিদে ঢুকে তাদেরকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় তারা মসজিদে লুটিয়ে পড়েন।

দুজনকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে লোকমান হাকিমের অবস্থার অবনতি হলে তাকে  উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। গুলিবিদ্ধ আলম শেখ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। 

খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে। ​পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

মাকসুদ/আমান

মধুখালীতে ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিকে কুপিয়ে ৩ লাখ টাকা ছিনতাই

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৯:১৭ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:০৩ এএম
মধুখালীতে ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিকে কুপিয়ে ৩ লাখ টাকা ছিনতাই
ছবি: খবরের কাগজ

ফরিদপুরের মধুখালীতে রবিউল আউয়াল আলফাদ নামে ওষুধ কোম্পানির এক বিক্রয় প্রতিনিধিকে কুপিয়ে জখম করে তিন লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (১৩ জুন) রাত ৮টার দিকে উপজেলার নওপাড়া বাজার থেকে বাগাট বাজার আঞ্চলিক সড়কের তারাপুর খেয়াঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী জানায়, একমি কোম্পানির (ভেটেরিনারি ডিভিশন) মধুখালী উপজেলার বিক্রয় প্রতিনিধি রবিউল আউয়াল আলফাদ নওপাড়া বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে কালেকশন শেষে বাগাট বাজারের উদ্দেশে রওনা দেন। পথে নওপাড়া ইউনিয়নের তারাপুর খেয়াঘাট এলাকায় একাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে দুর্বৃত্তরা তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাকে কুপিয়ে নগদ তিন লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন।
 
এ বিষয়ে রবিউল আউয়াল আলফাদ বলেন, ‘সারা দিন মধুখালী উপজেলার বিভিন্ন বাজার গিয়ে বকেয়া টাকা কালেকশন করি। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নওপাড়া বাজার থেকে কালেকশনের টাকাসহ বাগাট বাজারের উদ্দেশে রওনা হই। পথে তারাপুর খেয়াঘাট নির্জন এলাকায় পৌঁছালে দুটি মোটরসাইকেল নিয়ে একাধিক ব্যক্তি মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে আমাকে কুপিয়ে জখম করে। এ সময় আমার কাছে থাকা তিন লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আমার চিৎকারে এগিয়ে এসে উদ্ধার করে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।’
 
মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকদেব রায়ের মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার কল করেও পাওয়া যায়নি।
 
এ বিষয়টি নিয়ে ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী সার্কেল) মো. আজম খান জানান, বিষয়টি জানার পর একজন উপ-পরিদর্শকের (এসআই) নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা ওই বিক্রয় প্রতিনিধিকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যায়। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে কাজ চলছে।

এনকেবি নয়ন/তামান্না রুপা/

সোনারগাঁয় নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে যুবদল নেতাসহ দুইজন গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:৩২ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:৩৪ পিএম
সোনারগাঁয় নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে যুবদল নেতাসহ দুইজন গ্রেপ্তার
ছবি: সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের জামপুর ইউনিয়নের সিরাব এলাকায় এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে যুবদল নেতা মো. শহীদ মিয়াসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। 

গ্রেপ্তাররা হলেন, জামপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. শহীদ মিয়া (৪০) ও একই এলাকার শাহিন মিয়া।

শনিবার (১৩ জুন) সকালে তাদের নারায়ণগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ভুক্তভোগী নারীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 
 
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভূক্তভোগী নারী তার স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে সিরাব এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। গত ১০ জুন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তিনি রান্নাঘরে কাজ করছিলেন। এ সময় অভিযুক্ত যুবদল নেতা শহীদ মিয়াসহ কয়েকজন তার মুখ চেপে ধরেন। সন্তানদের ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক পাশের একটি চারতলা ভবনের নিচতলার একটি কক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে তার হাত ও মুখ বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে অভিযুক্তরা তাকে কক্ষে রেখে চলে যায়। সন্ধ্যায় তার স্বামী বাড়িতে ফিরে আসলে ভুক্তভোগী নারী ঘটনার বিস্তারিত জানান।

শুক্রবার সকালে সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। 

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম সারোয়ার বলেন, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

ইমরান হোসেন/খাদিজা রুমি/

বরগুনায় প্যানেল চেয়ারম্যানের ওপর হামলা, গণপিটুনিতে যুবক নিহত

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১০:১৯ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ১০:৩৯ এএম
বরগুনায় প্যানেল চেয়ারম্যানের ওপর হামলা, গণপিটুনিতে যুবক নিহত
বরগুনার সদর হাসপাতালে নিহত ইব্রাহিমের মরদেহ নিয়ে আসার পর উৎসুক জনতার ভিড়। ছবি: খবরের কাগজ
বরগুনার সদর উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নে প্যানেল চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফাকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় পাল্টা গণপিটুনিতে ইব্রাহিম হোসেন কালু নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার সহযোগী তৌহিদ ইসলাম শুভ গুরুতর আহত হয়েছেন।
‎শুক্রবার (১২ জুন) ইউনিয়নের ডেমা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
 
নিহত ইব্রাহিম হোসেন কালু একই গ্রামের সোনা গাজীর ছেলে। আহত তৌহিদ ইসলাম শুভ একই গ্রামের রহিমের ছেলে।
‎পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্য, বিকেলে ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফার ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। 
‎স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, এ হামলার সঙ্গে ইব্রাহিম হোসেন কালু ও তার সহযোগীরা জড়িত ছিলেন। পরে ঘটনাস্থলে থাকা ক্ষুব্ধ লোকজন কালু ও তার সহযোগীদের ওপর হামলা চালায়।
‎স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, এলাকায় মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে কালুকে ঘিরে আগে থেকেই বিরোধ ছিল। 
‎তবে কালুর স্বজন ও সমর্থকদের দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হামলার শিকার হতে হয়েছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে বের হওয়া প্রয়োজন।
‎সন্ধ্যায় গুরুতর আহত অবস্থায় কালু ও শুভকে উদ্ধার করে বরগুনা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কালুকে মৃত ঘোষণা করেন। শুভকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে আহত ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফাকেও উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়েছে।
‎এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
 
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
‎বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলীম জানান, ইব্রাহিম হোসেন কালুর বিরুদ্ধে মাদক, ডাকাতি ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে অস্ত্র মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং পরে জামিনে মুক্তি পান।
‎ওসি বলেন, 'প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে বিরোধের জেরে ইউপি সদস্যের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পরে গণপিটুনিতে কালু নিহত হন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।ঝ
 
মহিউদ্দিন অপু/আজহার/

পাবনায় ছেলের সামনে বাবাকে হত্যা, আরও একজন গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:১৬ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:৫৮ এএম
পাবনায় ছেলের সামনে বাবাকে হত্যা, আরও একজন গ্রেপ্তার
ছবি: সংগৃহীত

পাবনা সদর থানা এলাকায় ছেলের সামনে হোসেন আলী নামের এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আরেক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ নিয়ে মোট চার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হলো।

শুক্রবার (১২ জুন) রাত সাড়ে ১১টায় সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার রূপবাটি এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সাইদুল নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।
 
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গত ৯ জুন পাবনা সদর থানায় করা চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার পর থেকেই আসামিরা আত্মগোপনে চলে যায়। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র‌্যাব গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। পরে শাহজাদপুর উপজেলার রূপবাটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাইদুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে মতিয়ার রহমান (৪০), শরীফ প্রামাণিক (৩৫) ও মনিরুল ইসলাম (২৮) নামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ৮ জুন সন্ধ্যা ৬টার দিকে পাবনা সদর উপজেলার লস্করপুর মাছুমবাজার জামেয়া আশরাফিয়া মাদরাসার মেইন গেইট সংলগ্ন লাইব্রেরির সামনে পাকা রাস্তার ওপর এক নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটে। সেখানে নিজ ছেলের সামনেই ভিকটিম হোসেন আলীকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

পাবনার পুলিশ সুপার জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে চরমপন্থি সংগঠন পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টি এবং পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টি লাল পতাকা এই দুইটি বাহিনীর আঞ্চলিক নেতা ও সদস্যদের মধ্যে আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের জের ধরে প্রায় এক মাস আগে হোসেন আলীকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। তবে হত্যাকাণ্ডে এর বাইরে অন্য কোনো কারণ বা যোগসূত্র আছে কি না সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী  আফছানা খাতুন (৪৫) বাদী হয়ে পাবনা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় ৯ জনের নামোল্লেখ এবং আরও ১০-১২ জন অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।

আমিনুল ইসলাম/খাদিজা রুমি/