ঢাকা ৩০ আষাঢ় ১৪৩১, রোববার, ১৪ জুলাই ২০২৪

বেনজীরের পার্কে চুরির ঘটনায় মামলা, দুদকের কমিটি গঠন

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৪, ১১:০৪ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৪, ১২:০৩ পিএম
বেনজীরের পার্কে চুরির ঘটনায় মামলা, দুদকের কমিটি গঠন
ছবি : খবরের কাগজ

গোপালগঞ্জে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের মালিকানাধীন সাভানা ইকো রিসোর্ট অ্যান্ড ন্যাচারাল পার্কে চুরির ঘটনায় পাঁচ জনের নাম এবং অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেছে পার্ক কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় এ মামলাটি করেন পার্কের ম্যানেজার মো. সারোয়ার হোসেন।

এদিকে, ওই পার্ক রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম সার্বিক তদারকির লক্ষ্যে কমিটি গঠন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

গোপালগঞ্জ সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হারুন-অর-রশিদ মামলা ও দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মানিলন্ডারিং মো. নূর-ই-আলম স্বাক্ষরিত এক পত্রে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন- মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার নাটাখোলা গ্রামের ক্ষোপা মজুমদারের ছেলে সজীব মজুমদার (৩৩), একই গ্রামের গণেশ রায়ের ছেলে সুব্রত রায় (২৩), সুনিল সেনের ছেলে অনিমেষ সেন (৩০), গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বৈরাগীতলা টুঠামান্দ্রা গ্রামের বিপ্লব বল (৪০) ও একই গ্রামের সঞ্জয় বল (২৮)। এ ছাড়া এ মামলায় আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

গোপালগঞ্জ সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হারুন-অর-রশিদ জানান, বুধবার (১২ জুন) রাতে সাভানা পার্কের তিনটি কম্পিউটারের সিপিইউ ও একটি মনিটর চুরি হয়। পরে পার্কের সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখে আসামিদের শনাক্ত করে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলাটি করা হয়। এ ঘটনায় মামলার বাদী সিসি ক্যামেরা ফুটেজ প্রমাণ হিসেবে থানায় জমা দিয়েছেন। মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তদন্ত শেষে দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার করা হবে।

বাদল সাহা/জোবাইদা/

বড় মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে ছোট মেয়েসহ মায়ের মৃত্যু

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৪, ১২:৪৮ এএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৪, ১২:৪৯ এএম
বড় মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে ছোট মেয়েসহ মায়ের মৃত্যু
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

নরসিংদীতে বড় মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে ছোট মেয়েসহ মায়ের মৃত্যু হয়েছে। ওই সময় বড় মেয়ে আহত হয়। শনিবার (১৩ জুলাই) বিকেলে নরসিংদী রেলস্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার পুটিয়া ইউনিয়নের মুনসেফেরচর গ্রামের জয়নাল আবেদিনের স্ত্রী সাবিনা আক্তার (২৫), তার ছোট মেয়ে মাইমুনা আক্তার আক্তার (২)। আহত সিনহা আক্তারকে (৪) ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক (এসআই) শহিদুল্লাহ হিরু এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নিহত সাবিনা আক্তারের ভাগিনা ইমন হোসেন (১২) ও ইকবাল এবং আমিনুল মিয়াসহ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, গতকাল বিকেলে মালয়েশিয়াপ্রবাসী জয়নাল আবেদিনের স্ত্রী সাবিনা আক্তার শপিংয়ের উদ্দেশে শ্বশুরবাড়ি থেকে নরসিংদী শহরে আসেন। তারা প্ল্যাটফর্ম পার হচ্ছিলেন। ওই সময় ট্রেনের হর্ন শুনে প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকেন। এদিকে হর্ন শুনে সিনহা আক্তার মাথা বাড়িয়ে ট্রেনটি দেখতে যায়। এতে সে রেললাইনে পড়ে যায়। এ সময় কোলে থাকা ছোট মেয়েকে নিয়ে বড় মেয়েকে বাঁচাতে রেললাইনে নামেন সাবিনা আক্তার। মুহূর্তের মধ্যে ছোট মেয়েসহ তিনি সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়েন। ওই সময় ট্রেনের ধাক্কায় বড় মেয়ে পাশে ছিটকে পড়ে।

শাওন খন্দকার শাহিন/এমএ/

 

বৌদ্ধ বিহারে ভিক্ষুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৪, ১২:০৬ এএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৪, ১২:০৬ এএম
বৌদ্ধ বিহারে ভিক্ষুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
বান্দরবানের কালাঘাটা এলাকার গোদারপাড়ের আর্য ভ্রান্ত বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ধুতাঙ্গ ভান্তে। ছবি: সংগৃহীিত

বান্দরবানের কালাঘাটা এলাকার গোদারপাড়ের আর্য ভ্রান্ত বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ধুতাঙ্গ ভান্তের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে বিহারের একটি গুহার অংশ থেকে রোয়াংছড়ি থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। রোয়াংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পারভেজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, বৌদ্ধ ভিক্ষুর মৃত্যু রহস্যজনক। ওই বিহারের ভিক্ষুরা জানান, কয়েক দিন থেকে ধুতাঙ্গ ভান্তেকে নানাভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। কে বা কারা এই হুমকি দিয়েছেন, তা জানা যায়নি। তবে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।

বান্দরবান পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অজিত দাশ জানান, বৌদ্ধ ভিক্ষু ধুতাঙ্গ ভান্তে খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠতেন। কিন্তু শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তার কোনো সাড়াশব্দ না পাওয়ায় অন্য ভিক্ষুরা গুহার কক্ষে গিয়ে রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পান। তিনি সেখানে একাই থাকতেন। 

বৌদ্ধ ভিক্ষুর শিষ্য ভুটান বড়ুয়া বলেন, ‘গলায় রশি দেওয়া থাকলেও মৃত্যুটি রহস্যজনক। পা মাটিতে লাগানো অবস্থায় ছিল, তাই মনে হচ্ছে তাকে হত্যা করা হতে পারে। এ ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে বৌদ্ধ ভিক্ষুকে নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসছিল একটি মহল।’

ওসি পারভেজ আলী বলেন, পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।

 রিজভী রাহাত/এমএ/

সাজেকে ইউপিডিএফ কর্মী গুলিবিদ্ধ, জেএসএসের বিরুদ্ধে অভিযোগ

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৪, ০৯:৪৫ পিএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৪, ০৯:৪৫ পিএম
সাজেকে ইউপিডিএফ কর্মী গুলিবিদ্ধ, জেএসএসের বিরুদ্ধে অভিযোগ
ছবি: খবরের কাগজ

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে প্রতিপক্ষের সশস্ত্র হামলায় মন্টু চাকমা (৫৫) নামের একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। 

শনিবার (১৩ জুলাই) বিকালে সাজেকের মাচালং ব্রিজ পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। 

গুলিবিদ্ধ মন্টু চাকমাকে নিজেদের কর্মী বলে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠন প্রসীত খীসার ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)। হামলার জন্য সন্ত লারমার জেএসএসকে দায়ী করে বিক্ষোভ করেছে সংগঠনটি।

আহত মন্টু চাকমা খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়া রুখচন্দ্র কার্বারী পাড়ার বাসিন্দা। তার পিতার নাম মৃত হেঙগি ধন চাকমা। 

স্হানীয়রা জানান, বিকাল ৩টা ১০মিনিটের সময় জেএসএস সন্তু গ্রুপের অভিযান ও বিফোর্স চাকমার নেতৃত্বে ৭ জনের একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী সাজেক ইউনিয়নের মাচালং ব্রিজ পাড়ায় হানা দিয়ে সেখানে সাংগঠনিক কাজে থাকা ইউপিডিএফ কর্মী মন্টু চাকমার ওপর সশস্ত্র হামলায় চালায়। এতে তিনি পিঠে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন।

গোলাগুলির ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাঙামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মারুফ আহমেদ। তিনি বলেন, সাজেকে একটা গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। আমাদের পুলিশ ঘটনাস্থলের গেছে। তবে কোন কিছু পাইনি। 

এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে গণমাধ্যমে এক বিবৃতি পাঠিয়েছে ইউপিডিএফ। সংগঠনটির রাঙামাটি জেলা সংগঠক সচল চাকমার পাঠানো বিবৃতিতে তিনি এই হামলার ঘটনাকে ন্যাক্কারজনক ও কাপুরুষোচিত আখ্যায়িত করে বলেন, ইউপিডিএফের নেতৃত্বে চলমান সিএইচটি রেগুলেশন রক্ষার আন্দোলন নস্যাৎ করে দেয়ার লক্ষ্যে সন্তু গ্রুপ এই হামলা চালিয়েছে। এর মাধ্যমে তারা সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে।  

বিবৃতিতে তিনি অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস)। সংগঠনটির বাঘাইছড়ি থানা কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব চাকমা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা যতটুকু জেনেছি এটা তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে ঘটেছে।

এদিকে,  ইউপিডিএফ কর্মী মন্টু চাকমাকে গুলি করে হত্যা চেষ্টার প্রতিবাদে সাজেকের উজোবাজারে শনিবার (১৩ জুলাই) বিকালে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ইউপিডিএফ। 

এসময় বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি)-এর বাঘাইছড়ি উপজেলা শাখার সভাপতি প্রকাশ চাকমা।

তিনি মন্টু চাকমাকে হত্যার চেষ্টার নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে এ ঘটনায় জড়িত সন্তু গ্রুপের সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

তিনি বলেন, সন্তু লারমা খুন ও সংঘাতের রাজনীতি জিইয়ে রেখে জনগণের আন্দোলন ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করছে। তাকে প্রতিহত করতে জনগণকে রুখে দাঁড়াতে হবে। জনগণের আদালতে একদিন সন্তু লারমার বিচার করা হবে।

জুয়েল/এমএ/ 

মধ্যরাতের অভিযানে ৭১১ বস্তা চোরাই চিনি জব্দ

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৪, ০৯:০০ পিএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৪, ০৯:০০ পিএম
মধ্যরাতের অভিযানে ৭১১ বস্তা চোরাই চিনি জব্দ
ছবি: খবরের কাগজ

মধ্যরাতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক এড়িয়ে সিলেট-ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সড়ক দিয়ে যাচ্ছিল দুটি ট্রাক। গন্তব্য ছিল ফাঁড়িপথে মহাসড়কে যাওয়া। পথে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের নজরদারির মধ্যে পড়ে যায় ট্রাক দুটি। তল্লাশি করে পাওয়া যায় ৭১১ বস্তা চোরাই চিনি, গ্রেপ্তার হন দুজন। শুক্রবার (১২ জুলাই) রাত ৩টার দিকে এই অভিযান চালানো হয়। এ ঘটনায় মোগলাবাজার থানায় মামলা হওয়ার পর শনিবার বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় পুলিশ। 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপপুলিশ কমিশনার (ডিবি) নির্দেশনায় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের টিম-১-এর টহল ডিউটি ও বিশেষ অভিযান চলাকালে এসএমপি মোগলাবাজার থানাধীন জলকরকান্দির এলাকায় রাত ৩টায় দুটি ট্রাক আটক করা হয়। সিলেট-ফেঞ্চুগঞ্জ সড়ক দিয়ে ট্রাক দুটি মহাসড়কে উঠতে যাচ্ছিল। চোরাই চিনির সঙ্গে কুরবান আলী (৪৫) ও জীবন চন্দ্র রায় (২৩) নামে দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে ৭১১ বস্তায় মোট ৩৪ হাজার ১২৮ কেজি ভারতীয় চিনি পাওয়া যায়। বাজারদর অনুযায়ী এর মূল্য প্রায় ৪০ লাখ ৯৫ হাজার ৩৬০ টাকা। অবৈধ মালামাল বহনের কাজে ব্যবহার করায় দুটি ট্রাকও জব্দ করা হয়েছে। 

এসএমপির এডিসি (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম খবরের কাগজকে জানান, এ ঘটনায় গতকাল মোগলাবাজার থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলায় আটক দুজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। 

এদিকে শুক্রবার জুমার নামাজের পর নগরীর চোকিদেখি-খাসদবির এলাকায় এক ইউপি চেয়ারম্যানের ফেসবুক লাইভের পর ৫৮ বস্তা চোরাই চিনি জব্দ করার ঘটনায় মামলা হয়েছে। চোরাই চিনির সঙ্গে আটক দুজনকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় এসএমপির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এয়ারপোর্ট থানার অধীন আম্বরখানা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সুজিত চক্রবর্তীর নেতৃত্বে দিবাকালীন দলটি অভিযান চালিয়ে একটি মিনি ট্রাক থেকে ৫৮ বস্তা ভারতীয় চিনিসহ মো. আব্দুল হামিদ (৩১) ও আব্দুল মালিক (২৪) নামের দুজনকে আটক করে। জব্দ করা চিনির মূল্য প্রায় ৩ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে এয়ারপোর্ট থানায় মামলা দায়েরের পর আটক দুজনকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে শনিবার সকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

হরিজনদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ফরিদপুরে মানববন্ধন

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৪, ০৮:০৭ পিএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৪, ০৮:০৭ পিএম
হরিজনদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ফরিদপুরে মানববন্ধন
ছবি: খবরের কাগজ

ঢাকার মিরনজিল্লা পল্লিতে হরিজন সম্প্রদায়সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ফরিদপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুলাই) বিকেলে ফরিদপুর প্রেস ক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার অন্তত ছয়টি সংগঠন অংশ নেয়।

ফরিদপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ১৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বিধান কুমার সাহার সভাপতিত্বে এবং ফরিদপুর পূজা কমিটির দপ্তর সম্পাদক তুষার কুমার দত্তের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা পূজা কমিটির সহ-সভাপতি তাপস কুমার সাহা, সুকেশ কুমার সাহা, রঞ্জন জমাদার প্রমুখ। 

সভায় বক্তারা বলেন, হরিজনরা বাংলাদেশের সন্তান এ দেশের নাগরিক তাই তাদেরকে কোনোভাবেই পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করে উচ্ছেদ করা যাবে না। ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৩৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আওয়াল হোসেন হরিজন সম্প্রদায়ের নাগরিকদের ওপর হামলা করে ২০ জনকে আহত করেছেন। এ ঘটনায় অবিলম্বে ওই কাউন্সিলরকে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তারা। পরে একটি মিছিল ফরিদপুর প্রেস ক্লাব থেকে শুরু হয়ে জনতা ব্যাংকের মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।