ঢাকা ১৯ আষাঢ় ১৪৩১, বুধবার, ০৩ জুলাই ২০২৪

নরসিংদীর পলাশ উপজেলা বিএনপির কমিটি গঠন

প্রকাশ: ১১ মে ২০২৪, ১২:১৪ এএম
আপডেট: ১১ মে ২০২৪, ১২:১৪ এএম
নরসিংদীর পলাশ উপজেলা বিএনপির কমিটি গঠন

নরসিংদী পলাশ উপজেলা বিএনপির ১০১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে মো. এরফান আলীকে সভাপতি ও প্রফেসর মো. সাইফুল হককে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন।

শুক্রবার (১০ মে) সকালে পলাশ উপজেলা বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কাউন্সিল মাধ্যমে নতুন এই কমিটি গঠন করা হয়।

কাউন্সিলে সভাপতিত্ব করেন পলাশ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও নরসিংদী জেলা আইনজীবী সমিতি সদস্য অ্যাডভোকেট কানিজ ফাতেমা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান।

কমিটি অন্য সদস্যরা হলেন- সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন, অ্যাডভোকেট কানিজ ফাতেমা, অ্যাডভোকেট আফজালুল কবীর কানন, মো. আওলাদ হোসেন জনি, হাজী মো. শফিকুল ইসলাম স্বপন, মো. গোলাম মোস্তফা, মো. আবুল হোসেন মাস্টার, সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক মোহাম্মদ বাহাউদ্দিন ভুঞা মিলটন, যুগ্ম-সম্পাদক মো. আবুল কালাম দুদু, নিছার আহমেদ খান, অ্যাডভোকেট মো. আবু সাইদ মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবুবকর সিদ্দিক, কোষাধ্যক্ষ আলহাজ্ব সৈয়দ মো. ইকবাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মো. ফরহাদ হোসেন ভূঁইয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. জাহিদ হোসেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মো. বশির মেম্বার, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আয়শা আক্তার চম্পা, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর মৈশান, যুব বিষয়ক সম্পাদক মো. মাসুদ খান, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মো. নাজমুল হোসেন সোহেল প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্য আবদুল মঈন খান বলেন, আওয়ামী দুঃশাসন ও নিপীড়ন, নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন জোরদার করতে হবে।

শফিক/এমএ/

নাটোরে বিএনপির সমাবেশে হামলা, আহত ৭

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৪, ০৪:৪৬ পিএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৪, ০৪:৪৬ পিএম
নাটোরে বিএনপির সমাবেশে হামলা, আহত ৭
ছবি : খবরের কাগজ

নাটোরে বিএনপির চেয়ারপাসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক এবং রাসিকের সাবেক মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম বাচ্চুসহ সাতজন আহত হয়েছেন।

বুধবার (৩ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে শহরের আলাইপুর এলাকায় নাটোর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এই ঘটনায় জেলা যুবলীগকর্মী কোয়েলসহ আওয়ামী লীগ ও যুবলীগকে দায়ী করছে বিএনপির নেতারা। 

তবে, আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

হামলায় আহত অন্যরা হলেন- শহর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক চপল, জেলা শ্রমিক দলের দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, পৌর বিএনপির ৪নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক হিটলু, সদর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব মিজানুর রহমান, দিঘাপতিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম ও অন্য একজন।

বিএনপির নেতাকর্মীদের দাবি, ঘটনার সময় আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা পাঁচটি ককটেল বিস্ফোরণ ছাড়াও ৮-১০ রাউন্ড গুলি ছুড়ে।

আহতদের মধ্যে কুপিয়ে জখম করা শহিদুল ইসলাম বাচ্চুর অবস্থা আশঙ্কাজনক। অপরদিকে মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের হাতে ককটেল লেগে তিনি আহত হন।

জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরহাদ আলী দেওয়ান শাহীন জানান, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে বুধবার সকালে শহরের আলাইপুর এলাকায় জেলা বিএনপির কার্যালয়ে সমাবেশ ছিল। সমাবেশে যোগ দিতে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম বাচ্চু আসছিলেন। এ সময় নাটোর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে  সন্ত্রাসীরা তাকে কুপিয়ে চলে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে ও পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

অন্যদিকে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) সাবেক মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল এবং অন্য পাঁচজন শহরের হাফরাস্তা এলাকায় সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত হয়েছেন। এই হামলায় যুবলীগকর্মী কোয়েলসহ অন্য সন্ত্রাসীরা নেতৃত্ব দেন বলে জানান ফরহাদ আলী দেওয়ান শাহীন।

জেলা বিএনপির সদস্যসচিব রহিম নেওয়াজ জানান, আহতদের মধ্যে শহিদুল ইসলাম বাচ্চুর অবস্থা আশঙ্কাজনক। অপরদিকে মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের হাত ভেঙেছে কি-না তা পরীক্ষার পর জানা যাবে।

মোসাদ্দেক হেসেন বুলবুল জানান, সরকারের উচ্ছৃঙ্খল তল্পিবাহকরা এই হামলা চালিয়েছে। তারা গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করতে চায়। 

তিনি বিএনপি চেয়ারপার্সনকে নেলসল ম্যান্ডেলার পরেই গণতন্ত্রের প্রতি অনুগত দাবি করে খালেদা জিয়ার মুক্তি ও চিকিৎসার দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। একইসঙ্গে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

এবিষয়ে জানতে চাাইলে জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন বিপ্লব জানান, এই ঘটনায় যুবলীগ বা আওয়ামী লীগের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে কোনো ককটেল ফোটানো বা গুলির ঘটনা তার জানা নেই। হামলার বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কামাল মৃধা/অমিয়/

ক্ষমতায় রাখার প্রতিদান হিসেবে ভারতকে রেল ট্রানজিট: চরমোনাই পীর

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৪, ০৩:৩৫ পিএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৪, ০৩:৫২ পিএম
ক্ষমতায় রাখার প্রতিদান হিসেবে ভারতকে রেল ট্রানজিট: চরমোনাই পীর
ছবি: খবরের কাগজ

আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার পেছনে ভারতের অবদানের প্রতিদান হিসেবে তাদের রেল ট্রানজিট দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম চরমোনাই পীর।

বুধবার (৩ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ইসলামী আন্দোলন আয়োজিত জাতীয় সংকট নিরসনে জাতীয় সংলাপে সূচনা বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘ট্রানজিট দেওয়ার বিনিময়ে বাংলাদেশ কোনো কিছু আদায় করতে পারেনি; বরং বিনাশর্তে এমনকি প্রায় বিনা মাশুলে ট্রানজিট দিয়েছে। ট্রানজিট প্রদান আমাদের ভাবিয়ে তোলে। নিজেদের সার্বভৌমত্বের ওপরে থাকা অধিকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।’

ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আতাউর রহমান গাজীর সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহামুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবদিন, এবি পার্টির সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু, গণ-অধিকার পরিষদের একাংশের আহ্বায়ক কর্নেল (অব.) মিয়া মশিউজ্জামান, গণফোরামের (একাংশ) সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চৌধুরী প্রমুখ।

চরমোনাই পীর বলেন, “বাংলাদেশ বরাবরই বিশ্ব মোড়লদের জিও পলিটিক্সের বাইরে নিরাপদ অবস্থান নিয়ে এসেছে। ইন্দো-প্যাসিফিক ইনিশিয়েটিভে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ দেশকে বিপজ্জনক ‘জিওপলিটিক্যাল’ রাজনীতিতে ফেলে দিতে পারে।”

তিনি বলেন, ‘‘বর্তমান সরকারের সৃষ্ট নানাবিধ সংকটের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সর্বশেষ ভারত সফর সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে। যে চুক্তিগুলো করা হয়েছে, তাতে আওয়ামী লীগের ও বাংলাদেশের স্বার্থ দেখাতে পারছে না। কানেক্টিভিটির নামে যা করা হয়েছে, তার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষায় পরিষ্কার হয়েছে; ‘বাজার-টাজার করতে যাওয়া ও ভারতে চিকিৎসা নিতে যাওয়া’ এর মূল লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী যখন সীমানাবিহীন ইউরোপের দৃষ্টান্ত দেখান তখন সীমানা ও স্বাধীনতা নিয়ে আমরা শঙ্কিত না হয়ে পারি না।’’

রেজাউল করিম বলেন, ‘বিদ্যুৎ খাতের পরিকল্পনাহীনতা, স্বেচ্ছাচারিতা, দুর্নীতি ও খামখেয়ালিপনার সর্বশেষ দেখা গেল নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আনার চুক্তি থেকে। ভারতের গ্রিড ব্যবহার, ভারতকে দুই ধরনের মাশুল দিয়ে আনায় বিদ্যুৎ খাতকে অনিরাপদ ও ভারত নির্ভর করবে। কম দামের যুক্তি দিয়ে বিদ্যুৎ আনা হচ্ছে, অথচ সবার আপত্তি উপেক্ষা করে দেশে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছিল। কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের নামে যে যুক্তিতে, যেভাবে ও যে পরিমাণ ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়া হয় তাকে মগের মুল্লুক ছাড়া আর কিছু বলার নেই।’

শফিকুল ইসলাম/সাদিয়া নাহার/অমিয়/

‘কোরবানির শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে একযোগে কাজ করতে হবে’

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৪, ০১:৩৫ পিএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৪, ০২:২৮ পিএম
‘কোরবানির শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে একযোগে কাজ করতে হবে’
ছবি: খবরের কাগজ

কোরবানির প্রকৃত শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম।

বুধবার (৩ জুলাই) রাজধানীর একটি মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের পল্লবী মধ্য থানা আয়োজিত এক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘সরকারের অগণতান্ত্রিক মনোভাবে, অপশাসন-দুঃশাসন ও লাগামহীন মূল্যস্ফীতির কারণেই এবারের ঈদ সবার জন্য আনন্দঘন হয়ে ওঠেনি। তাই আগামী দিনের ঈদকে অর্থবহ ও ফলপ্রসূ করতে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই।’

দেশকে ক্ষুধা, দারিদ্র ও অপশাসনমুক্ত করতে সব পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

থানা আমির আবুল কালাম পাঠানের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি জুবায়ের হোসাইন রাজনের সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও গুলশান জোন পরিচালক মুহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত, পল্লবী দক্ষিণের আমির আশরাফুল আলম ও পল্লবী উত্তরের আমির সাইফুল কাদের প্রমুখ।

তা ছাড়া, মিরপুর পশ্চিম থানা জামায়াতের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন থানা আমির এম আব্দুল্লাহ।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসের শূরার সদস্য, ঢাকা মহানগর উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, থানা নায়েবে আমির আ. রহমান, সেক্রেটারি আশিকুর রহমানসহ সহস্রাধিক নেতাকর্মী।

শফিকুল ইসলাম/সাদিয়া নাহার/অমিয়/

চট্টগ্রাম থেকে নতুনভাবে আন্দোলনের সূত্রপাত হবে: আমীর খসরু

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৪, ০৯:৫৭ এএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৪, ১১:২৭ এএম
চট্টগ্রাম থেকে নতুনভাবে আন্দোলনের সূত্রপাত হবে: আমীর খসরু
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামে আগামী শনিবার (৬ জুলাই) অনুষ্ঠিতব্য জনসভা থেকে মানুষের অধিকার আদায় ও ‘গণতন্ত্রের মা’র মুক্তির আন্দোলনের সূত্রপাত হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

মঙ্গলবার (২ জুলাই) বিকেলে নগরীর একটি কনভেনশন সেন্টারে বিভাগীয় শ্রমিক দলের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট সরকারকে বিদায় করলেই বাংলাদেশের সব সমস্যার সমাধান হবে না। জীবনযাত্রার মান উন্নত করে সাধারণ মানুষের দাবিগুলো পূরণ করতে হবে। দেশের মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্রের মা’র মুক্তি একই সূত্রে গাথা।’

তিনি বলেন, ‘শ্রমিক, মালিক ও সরকারের সম্পর্ক যে নিম্নপর্যায়ে চলে গেছে তার একমাত্র কারণ হচ্ছে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। জনগণের নির্বাচিত সরকার সংসদে না থাকার কারণে আজ শ্রমিকদের সে বিষয়গুলো প্রাধান্য পাচ্ছে না। শ্রমিকের অবস্থান বাংলাদেশে আজ কোথায়? শ্রমিক সংগঠনগুলো বর্তমান প্রেক্ষাপটে আইন অনুযায়ী তাদের কাজ ঠিকভাবে করতে পারছে না। যেসব শ্রমিকনেতা গার্মেন্টস সেক্টরে দাবি নিয়ে সত্যিকার অর্থে কাজ করেছিল তাদের অনেককে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে। তাদের অনেকের বাড়িঘরে হামলা করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির পক্ষ থেকে আমরা কিন্তু বলেছিলাম ২৫ হাজার টাকা গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন দেওয়ার জন্য। শ্রমিকদের পক্ষ থেকেও এ টাকার দাবি দেওয়া হয়েছিল বলে মনে হয়। কিন্তু তাদের বেতন সাড়ে ১২ হাজার। প্রায়ই অর্ধেক। শ্রমিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য গার্মেন্টস সেক্টরে সত্যিকার অর্থে এ দাবি আদায় করতে কোনো নেতা পাচ্ছে না।’

আমীর খসরু বলেন, ‘বর্তমান অবস্থা থেকে আমাদের মুক্ত হতে হলে আমরা যে আন্দোলনে নেমেছি তার সঙ্গে শ্রমিকের স্বার্থ জড়িত। শুধু শ্রমিকের দাবি নয়, বাংলাদেশের সব মানুষের রাজনৈতিক, সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার সুনিশ্চিত করার জন্য ৩১ দফায় সব বলা হয়েছে।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘বর্তমান সরকারের দুঃশাসনে শ্রমিক সমাজ আজ অবহেলিত। শ্রমিকদের দুবেলা খাওয়ার সুযোগ নেই। আজকে শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ও বাসস্থান নেই। শ্রমিকদের বিষয়ে সরকারের বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই। অথচ শ্রমিকদের কারণে বাংলাদেশ টিকে আছে।’

খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, ‘বর্তমানে শ্রমজীবী মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। সরকার ভোটাধিকার হরণ করে দেশের মালিকানা যেমন কেড়ে নিয়েছে, তেমনি শ্রমিক, কৃষকের পেটে লাথি মেরেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে শ্রমজীবী মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।’

চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, ‘দেশ এখন কঠিন সময় পার করছে। আমরা ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছি। বর্তমানে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে শ্রমিকরাই সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে। এর থেকে পরিত্রাণ পেতে শ্রমিকদের সরকার পতনের আন্দোলন শুরু করতে হবে।’

কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘বিএনপির আন্দোলন ১৫ বছরের অপশাসনের বিরুদ্ধে। দেশের জনগণ ও জাতীয়তাবাদের পক্ষের শক্তির অংশগ্রহণে এক বিশাল আন্দোলনের সূচনা হয়েছে বাংলাদেশে। এ আন্দোলন অব্যাহত আছে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে।’

মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেন, ‘বিএনপির আন্দোলন জনগণের ভোট কেড়ে নেওয়া আওয়ামী সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে। জনগণ সবসময় বিএনপির পক্ষে রায় দিয়েছে। জনগণ এখনো তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করার অপেক্ষায় আছে। বাংলাদেশের মানুষের অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন চলমান আছে।’

বিভাগীয় শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক শেখ নুরুল্লাহ বাহারের পরিচালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিএনপির নবনির্বাচিত সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-শ্রম সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও মামুন মোল্লা প্রমুখ।

ইফতেখার/সাদিয়া নাহার/অমিয়/

ওলামা দলের ১৩৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৪, ১২:১৯ এএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৪, ১২:১৯ এএম
ওলামা দলের ১৩৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি

আলহাজ্ব মাওলানা কাজী মো. সেলিম রেজাকে আহ্বায়ক এবং অ্যাডভোকেট মাওলানা কাজী মোহাম্মদ আবুল হোসেনকে সদস্য সচিব করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের ১৩৭ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে। 

মঙ্গলবার (২ জুলাই) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় এ তথ্য।  

কমিটির অন্যরা হলেন- সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক আলহাজ্ব মাওলানা মো. আলমগীর হোসেন (চাঁদপুর), যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব মাওলানা ক্বারী গোলাম মোস্তফা, মাও. মো. দেলোয়ার হোসেন (মাদারীপুর)।

কমিটির ১৩২ জন সদস্যরা হলেন-  প্রিন্সিপাল মাওলানা নজরুল ইসলাম তালুকদার (চাঁদপুর), মাওলান কাজী মো. মশিউর রহমান (জামালপুর), ক্বারী মো. সিরাজুল ইসলাম    (গাজীপুর), মাওলানা ইনামুল হক মাজেদী (রংপুর), হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান শামীম (ময়মনসিংহ), মাওলানা ক্বারী এখলাস উদ্দিন বাবুল (ময়মনসিংহ), মাওলানা কাজী মোস্তফা জামাল খোকন (গাজীপুর), ড. মুহাম্মদ সলিমউল্লাহ (চাঁদপুর), মাওলানা এবিএম রুহুল আমীন (ঢাকা), মাও. শামীম আহমেদ (বরগুনা), মাও. মো. মফিজুর রহমান (ময়মনসিংহ), মাও. আবু বকর চাখারী (বরিশাল), আলহাজ্ব মাওলানা আলমগীর হোসেন খলিলী (চাঁদপুর), মাওলানা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), আলহাজ্ব মাও. রফিকুল ইসলাম আসলামী (ভোলা), ড. খলিলুর রহমান (নীলফামারী), মাও. মো. রফিকুল ইসলাম আরমানী (গাজীপুর), হাফেজ মাও. মো. মিসবাহ উদ্দিন (নেত্রকোনা), মাও. মো. নুরুল হক (সিলেট), হাফেজ মাওলানা মো. জসিম উদ্দিন (চাঁদপুর), মাও. জাবের হোসেন চৌধুরী (চট্টগ্রাম), মাও. মো. রফিকুল ইসলাম (কিশোরগঞ্জ), মাও. শাহদাত হোসেন সবুজ (ভোলা), শরীফ মো. সফিউল্লাহ (ঢাকা), হাফেজ মাও. মো. মামুন  (নারায়ণগঞ্জ) হাফেজ মাও. মো. জাকারিয়া (নারায়ণগঞ্জ), অধ্যাপক খায়রুজ্জামান রঞ্জু (সাতক্ষীরা), প্রিন্সিপাল মাও. মোশাররফ হোসেন (যশোর), মাও. হাবিবুল্লাহ নোমানী (মানিকগঞ্জ), মাও. মো. জিয়াউর রহমান জিয়া (কুমিল্লা), মাও. শাখাওয়াত হোসেন মোমেন (ময়মনসিংহ), মাও. কাজী নাসির উদ্দিন (চাঁদপুর), আলহাজ্ব মাও. হান্নান জিলানী (চট্টগ্রাম), মাও. ক্বারী আশিকুর রহমান রাজু (মানিকগঞ্জ), হাফেজ মাও. মো. মাসুম বিল্লাহ (ফরিদপুর), আব্দুল্লাহ আল্ মামুন সিদ্দিকী (চেয়ারম্যান- টাঙ্গাইল), মাও. মো. তাজউদ্দিন আহমেদ (রাজশাহী),    ইঞ্জি. জামাল হোসেন (রংপুর), হাফেজ মাও. মো. মোখলেছুর রহমান (গাজীপুর), হাফেজ মাও. মো. হাসান (লক্ষীপুর), মাও. মো. সিদ্দিক হুসাইন (গাজীপুর), মাও. মো. এনামুল হক (সিরাজগঞ্জ), হাফেজ মাও. মো. ইব্রাহীম (গাজীপুর), মাও. মো. আব্দুল জব্বার সালেহী শাকিল (পটুয়াখালী), ক্বারী মো. রফিকুল ইসলাম (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), হাফেজ ক্বারী শহীদ ভূঁইয়া (কুমিল্লা), হাফেজ মাও. মো. নায়েব আলী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), হাফেজ মাও. কুতুব উদ্দীন (মাদারীপুর), কাজী মাও. মোখলেছুর রহমান (লালমনিরহাট), মাও. আল্ আমিন  (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), মাও. মো. আবু সাফা (নোয়াখালী), মাও. ফজলে রাব্বী তোহা (বগুড়া), হাফেজ মো. মিজানুর রহমান (ফেনী), মাও. কাজী আব্দুর রহিম (মৌলভীবাজার), হাফেজ ফারুক আল—ফাহাদ (নোয়াখালী), মাও. মো. আইয়ূব আলী (বরগুনা), মাও. আনোয়ার হোসেন (চুয়াডাঙ্গা), মাও. ফজলুল করিম (দিনাজপুর), মাও. মো. আবুল কালাম আজাদ (ঢাকা), মাও. মো. শাহজাহান শিকদার (মুন্সিগঞ্জ), মাও. মো. ইউনুস (নারায়ণগঞ্জ), হাফেজ মাও. মো. খোকন বিশ্বাস (গাজীপুর), হাফেজ মাও. মাসুদ রানা (ঢাকা জেলা), হাফেজ মাও. মো. শহিদুল্লাহ চিশতী (চট্টগ্রাম), মাও. মো. মিম খিজির হায়াত (ঠাকুরগাঁও), মাও. মো. দেলোয়ার হোসেন জিল্লু (ফরিদপুর), মাও. মো. ইশহাক মিয়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), মাও. মো. আবুল কাশেম (রাঙামাটি), মাও. মো. লুৎফুল্লাহ (বরিশাল),  হাফেজ মো. ফারুক হোসাইন (খুলনা), হাফেজ মাও. মো. জিয়াউল হাসান (খুলনা), হাফেজ মাও. মো. নুরুল হক (বরিশাল), মাও. মাঈনুদ্দিন আহমেদ ফয়েজ (সিলেট), মাও. মো. মোস্তাকিম (বগুড়া), ক্বারী সাইফুল ইসলাম    (ভোলা), হাফেজ আব্দুর রাজ্জাক (সিরাজগঞ্জ), মাও. মো. ওমর ফারুক (গোপালগঞ্জ), প্রফেসর মাও. মো. আবু নোমান    (কুমিল্লা), মাও. শাহ মো. শরিফ উল্লাহ (বান্দরবান), অ্যাড. মাও. মোতাহার হোসেন সোহেল (লক্ষীপুর), মাও. মো. মোমেন (গাজীপুর), লায়ন ক্বারী মো. কবির হোসেন (হবিগঞ্জ), মাও. মো. জসিম উদ্দিন (চাঁদপুর), মাও. মো. তাজুল ইসলাম খান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), মুফতি মাও. রিয়াজুল ইসলাম (ঢাকা), মাও. আহমেদ তানভীর (রাজবাড়ী), অ্যাড. মাও. মো. কামরুদ্দিন (ঢাকা), অ্যাড. মাও. আবু হানিফ (নেত্রকোনা), আলহাজ্ব মাও. মো. ইউসুফ আলী তালুকদার (চাঁদপুর), মাও. মো. মোস্তাফিজুর রহমান (ঢাকা), মাও. মো. জিল্লুর রহমান (সিলেট), হাফেজ মাও. মো. জয়নাল আবেদীন (চট্টগ্রাম), হাফেজ মাও. মো. জামিল হোসেন (ঢাকা), আলহাজ্ব মাও. মো. আব্দুস সাত্তার (চাঁদপুর), মাও. মো. শহিদুল্লাহ  (ঢাকা—ধামরাই), হাফেজ মাও. মো. কাজী মাহমুদুল হাসান (কুমিল্লা), মাও. মো. মিজানুর রহমান (ঢাকা), মাও. মুফ্তি রিয়াজ উদ্দীন (গোপালগঞ্জ), মাও. কাউছার আলম মৃধা (কুমিল্লা), মাও. ক্বারী আমিরুল ইসলাম (ঢাকা), আআলহাজ্ব কাজী মাও. মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী (চট্টগ্রাম), মাও. মো. রাশেদুল হাই, মাও. অ্যাড. নুরুন্নবী চৌধুরী (ঢাকা), হাফেজ আবু বক্কর (ফেনী), মাও. মো. মোমিনুল ইসলাম (ঢাকা), হাফেজ মাও. মো. ইকবাল হোসাইন (কুমিল্লা), মাও. নূর মোহাম্মদ মোল্লা (ময়মনসিংহ), মাও. নাজিম উদ্দিন আল আজহারী (নারায়ণগঞ্জ), পীরজাদা আলহাজ্ব এশফাকুর রহমান (নরসিংদী), মাও. আব্দুল মতিন (পিরোজপুর), মাও. আশরাফ আলী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), মাও. মো. মীর হোসে (ঢাকা), হাফেজ মাও. মো. তাওসীফ (ঢাকা), মাও. মো. তাইজুদ্দিন (বরিশাল), মাও. মো. ইলিয়াস আলী (সুনামগঞ্জ), হাফেজ মাও. মো. নুরে আলম (বরিশাল), মাও. ওলিউল্লাহ (ঢাকা), মাও. মো. আব্দুল হান্নান  (ময়মনসিংহ), মাও. মো. আতিকুর রহমান (হবিগঞ্জ), মাও. মো. নোমান আহমেদ (নরসিংদী), মাও. মো. হাবিবুর রহমান এহসানী (নারায়ণগঞ্জ), মাও. গাজী আবু বকর শিবলী (ফেনী), মুফতি এম এম আশরাফুল আলম (ময়মনসিংহ), মোৗলভী খায়রুল ইসলাম অরুন (ঢাকা), হাফেজ মো. আব্দুর রশিদ (ঠাকুরগাঁও), মাও. মো. আকরাম হোসাইন আরজু (মাগুরা), হাফেজ মাও. মো. আব্দুল্লাহ শরীফ (কিশোরগঞ্জ), মাও. মো. জিল্লুর রহমান (সিলেট), মাও. মো. ওয়াহিদুজ্জামান (নোয়াখালী), এইচ এম আলী আহমেদ মুকুল  (ঢাকা), মাও. সাইদুর রহমান (ঝালকাঠি), মাও. মো. রিয়াদুল ইসলাম (ঢাকা)।

শফিক/এমএ/