ঢাকা ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪

মাইক্রোসফট এজে এআইচালিত অটোফিল ফিচার

প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৪, ০৩:৫৭ পিএম
মাইক্রোসফট এজে এআইচালিত অটোফিল ফিচার

টেক জায়ান্ট মাইক্রোসফট অনলাইন ফরম পূরণের অভিজ্ঞতায় নতুনত্ব আনতে চলেছে ‘মাইক্রোসফট এজ’ ব্রাউজারে। এই ব্রাউজারে ওপেনএআইয়ের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর ফিচার যুক্ত হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন পরিবর্তন আনছে টেক জায়ান্টটি। এর অংশ হিসেবে মাইক্রোসফট এজ ব্রাউজারে এবার এআই নির্ভর অটোফিল ফিচার যুক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

এই আপডেটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে বর্তমান অটোফিল ফাংশনালিটির সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত করা হয়েছে। এটি ব্যবহারকারীদের সবচেয়ে জটিল ওয়েব ফরমগুলোও সহজে নেভিগেট করবে। মাইক্রোসফটের এ উদ্যোগ অটোফিল কার্যক্রমের জন্য অন্যতম সংযোজন। বিশেষ করে যারা প্রায়ই অনলাইনে বিভিন্ন ফরম পূরণ করে থাকে।

নতুন এ ফিচার ব্রাউজারটিতে যোগ হওয়ায় যেকোনো ওয়েবসাইটে সহজেই অটোফিল সুবিধা পাওয়া যাবে।

এজের অটোফিল ফিচারের বর্তমান সংস্করণ মূলত নাম, ঠিকানা ও ফোন নম্বরের মতো মৌলিক তথ্য পূরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। তবে মাইক্রোসফটের এআই চালিত সিস্টেম এই সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে ব্যবহারকারীদের জন্য একটি ভার্চুয়াল সহকারী হয়ে উঠে। এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সিস্টেম বিভিন্ন দেশের নির্দিষ্ট ঠিকানার বিন্যাস স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে ও সঠিকভাবে পূরণ করতে পারে।

এ ছাড়া এটি জটিল প্রশ্ন যাচাই-বাছাই, ব্যবহারকারী নির্দিষ্ট বিশদ ও সূক্ষ্ম প্রয়োজন বুঝতে পারে। সেই অনুযায়ী ফরম পূরণ করে। এই এআইচালিত প্রযুক্তি কেবল তথ্য পূরণকেই সহজ করে না, বরং ভুলও কমিয়ে দেয়। এতে করে উল্লেখযোগ্যভাবে মসৃণ ও দ্রুত ওয়েব ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়।

ধরুন জটিল অনলাইন ফরমপূরণের সময় আপনার পাশে একজন অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞের নির্দেশনা দিচ্ছেন। মাইক্রোসফটের এআইচালিত অটোফিল ফিচার এই ধরনের সহায়তা দেওয়ার জন্যই যুক্ত করা হয়েছে। এটি জটিল ফরমে ডেটা ইনপুটের ক্লান্তিকর প্রক্রিয়ায় দূর করে, ব্যবহারকারীদের কাজে মনোনিবেশ করতে সহায়তা করে। সূত্র: গিজচায়না

কলি

বিনামূল্যে আইফ্লাইটেকের এআই মডেল

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৪, ০৬:১০ পিএম
বিনামূল্যে আইফ্লাইটেকের এআই মডেল
ছবি: সংগৃহীত

চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তথ্যপ্রযুক্তি কোম্পানি আইফ্লাইটেক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর প্রযুক্তিপণ্য তৈরিতে নাম লিখিয়েছে। ইতিমধ্যে কোম্পানিটি কয়েকটি এআই মডেল বাজারে এনেছে। আইফ্লাইটেক তার ‘স্পার্ক’ লার্জ-ল্যাঙ্গুয়েজ মডেলের (এলএলএম) কিছু সংস্করণ বিনামূল্যে ও কিছু সংস্করণ প্রতিযোগীদের তুলনায় পাঁচ গুণ কম দামে বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে। গতকাল বুধবার কোম্পানিটি তাদের এআই মডেলগুলোর ব্যবহারে মূল্য ছাড়ের এ ঘোষণা দেয়। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি চীনের বড় বড় এআই প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতাদের মধ্যে চলমান দাম কমানোর লড়াইয়ে যোগ দিয়েছে।

আলিবাবা ও বাইদুর মতো চীনা টেক জায়ান্টদের এআই মডেল ব্যবহারের দাম কমানোর একদিন পরই এমন পদক্ষেপ নিল কোম্পানিটি। এর আগে গত সপ্তাহে বাইটডান্সও একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।

২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে আইফ্লাইটেক ওপেনএআইয়ের চ্যাটজিপিটির মতো ‘স্পার্ক’ নামে একটি চ্যাটবট চালু করে। পরের মাসে কোম্পানিটি দাবি করে, চীনা ভাষায় এই চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি ৩.৫ কে ছাড়িয়ে গেছে। পাশাপাশি ইংরেজি ভাষায়ও সমান দক্ষতা দেখিয়েছে।

কণ্ঠ শনাক্তকরণ প্রযুক্তির জন্য সর্বাধিক পরিচিত হেফেই-ভিত্তিক আইফ্লাইটেক জানিয়েছে, ‘স্পার্ক লাইট’ সংস্করণটি সবাই ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারবেন।

অন্যদিকে ‘স্পার্ক প্রো বা ম্যাক্স’ সংস্করণে প্রতি ১০ হাজার টোকেনের জন্য খরচ করতে হবে মাত্র ০ দশমিক ২১ ইউয়ান, যা মার্কিন মুদ্রায় ৩ সেন্টেরও কম। লার্জ-ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল দিয়ে প্রক্রিয়াজাত প্রতিটি ডেটাকে একটি টোকেন হিসাবে গণনা করা হয়।

 এই নতুন দাম বাইদুর ‘আর্নি ৪.০’ ও আলিবাবার ‘তংয়ি কুয়েন-ম্যাক্স’-এর চেয়ে পাঁচ গুণ কম। আর্নি ৪.০ ও তংয়ি কুয়েন-ম্যাক্স মডেলে প্রতি ১০ হাজার টোকেনের জন্য খরচ করতে হবে মাত্র ১ দশমিক ২ ইউয়ান। সূত্র: রয়টার্স

হুয়াওয়ে আইসিটি কম্পিটিশন: গ্লোবাল রাউন্ডে অংশ নিতে চীনে বাংলাদেশ দল

প্রকাশ: ২২ মে ২০২৪, ০৬:০১ পিএম
হুয়াওয়ে আইসিটি কম্পিটিশন: গ্লোবাল রাউন্ডে অংশ নিতে চীনে বাংলাদেশ দল
ছবি: সংগৃহীত

হুয়াওয়ে আইসিটি কম্পিটিশন ২০২৩-২৪ এর আঞ্চলিক পর্বে বিজয়ের পর গ্লোবাল রাউন্ডে অংশ নিতে চীন সফরে যাচ্ছে বাংলাদেশ দল। রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) তিন শিক্ষার্থীর এই দলটি গতরাতে চীনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করে। এই তিন শিক্ষার্থী হলেন শুভম আগরওয়ালা, রাকেশ কর এবং মো. মাজহারুল ইসলাম।

এর আগে দলটি ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় হুয়াওয়ে আইসিটি কম্পিটিশনের এশিয়া প্যাসিফিক (এপিএসি) পর্বে ১৪টি দেশের ছয় হাজার ৪০০ জন শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে তৃতীয় স্থান অর্জন করে। এরই ধারাবাহিকতায় তাঁরা চীনের শেনঝেনে চূড়ান্ত পর্বে অংশ নিতে যাচ্ছে। চূড়ান্ত এই পর্বে ৪০টি দেশ থেকে ৫২০ জনের বেশি শিক্ষার্থী ও ১৭০ জন শিক্ষক অংশ নিচ্ছেন। এই চূড়ান্ত পর্ব মূলত একটি দলীয় প্রতিযোগিতা, যেখানে ১৭৪টি দল রয়েছে।  দলগেুলো চার আলাদা- আলাদা ট্র্যাকে প্রতিযোগিতা করবে। এই ট্র্যাকগুলো হলো নেটওয়ার্ক ট্র্যাক, ক্লাউড ট্র্যাক, কম্পিউটিং ট্র্যাক ও ইনোভেশন ট্র্যাক। নেটওয়ার্ক ট্র্যাকে অন্য ৫১টি দলের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করবে বাংলাদেশ।

প্রতিযোগিতার পাশাপাশি ছয় দিনের এই সফরে অংশগ্রহণকারীরা প্রযুক্তি ও সাংস্কৃতিক মতবিনিময় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ, হুয়াওয়ের রিসার্চ ও ডেভেলপমেন্ট সেন্টার এবং প্রধান কার্যালয় পরিদর্শন, ও চীনের ঐতিহ্য সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবেন।

হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার বোর্ড মেম্বার লি জংশেং বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছি। হুয়াওয়ে আইসিটি কম্পিটিশন এর মধ্যে একটি। শুরু থেকেই খুব অল্প সময়ের মধ্যে এটি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদেরকে গ্লোবাল ফাইনালে উঠতে দেখে আমি খুবই আনন্দিত। আমি ফাইনালে তাদের সাফল্য কামনা করি।'

রুয়েটের উপাচার্য ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘হুয়াওয়ের এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা ইতোমধ্যেই তাদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ পেয়েছে। আমি এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানাই। আমার ছাত্রদেরকে চূড়ান্ত পর্যায়ে যেতে দেখে খুবই খুশি হয়েছি। চূড়ান্ত পর্বে তারা অনেক দেশের অংশগ্রহণকারীদের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। আমি তাদের সাফল্য কামনা করি।'

দেশে একটি শক্তিশালী আইসিটি ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে হুয়াওয়ে দ্বিতীয় বারের মতো বাংলাদেশে হুয়াওয়ে আইসিটি প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে। গত অক্টোবরে শুরু হওয়া এবারের প্রতিযোগিতায় ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এক হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেয়। হুয়াওয়ে আইসিটি কম্পিটিশন শুরুর পর এবারই প্রথম সরাসরি এতো বড় আয়োজনের মাধ্যমে চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। তরুণদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও জ্ঞান আরও বৃদ্ধি করার মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশের রূপান্তর গতিশীল করতে এই ধরনের বিভিন্ন প্রতিযোগিতা আয়োজন করে হুয়াওয়ে।

/আবরার জাহিন

মাইক্রোসফটের এআইসমৃদ্ধ ‘কোপাইলট প্লাস’ পিসি

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৪, ০৬:১০ পিএম
মাইক্রোসফটের এআইসমৃদ্ধ ‘কোপাইলট প্লাস’ পিসি
ছবি: এনগ্যাজেট

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক নতুন ধারার পার্সোনাল কম্পিউটার নিয়ে হাজির হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট। এসব কম্পিউটারে বিশেষ এআই ফিচার থাকবে। আলফাবেট ও অ্যাপলের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার লড়াইয়ে এই পদক্ষেপ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে অবস্থিত মাইক্রোসফটের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সত্য নাদেলা ‘কোপাইলট প্লাস’ পিসি উন্মোচন করেন। মাইক্রোসফটের পাশাপাশি এই পিসিগুলো অ্যাসার ও আসুসটেক কম্পিউটারের মতো বিভিন্ন প্রস্তুতকারকরাও বাজারে আনবে।

মাইক্রোসফটের শেয়ারের মূল্য রেকর্ড উচ্চতায় থাকাকালীন এই ল্যাপটপগুলো বাজারে আনা হলো। ওয়াল স্ট্রিটের বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি মাইক্রোসফট ও অন্যান্য প্রযুক্তি জায়ান্টদের লাভের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে।

এই নতুন কম্পিউটারগুলো ক্লাউড ডেটা সেন্টারের সাহায্য ছাড়াই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কিত আরও জটিল কাজ পরিচালনা করতে পারবে। এই নতুন কম্পিউটারের দাম শুরু হবে ১ হাজার ডলার থেকে। আগামী জুন মাসের ১৮ তারিখে বাজারে আসবে এটি।

এআই ডেটা সরাসরি কম্পিউটারে প্রক্রিয়া করার সক্ষমতা থাকায় কোপাইলট প্লাস পিসিতে ‘রিকল’ নামে নতুন ফিচার যুক্ত করা হয়েছে। এই রিকল ফিচার ওয়েব ব্রাউজিং থেকে শুরু করে ভয়েস চ্যাটের মতো সবকিছু ট্র্যাক করে। এটি কম্পিউটার ব্যবহারের একটি হিস্ট্রি তৈরি করবে। ব্যবহারকারী কোনো কিছু ভুলে গেলেও সার্চ করে তা খুঁজে বের করতে পারবেন।

এ ছাড়া সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটি ‘মাইনক্রাফট’ ভিডিও গেম খেলার সময় একজন ব্যবহারকারীর জন্য রিয়েল-টাইম ভার্চুয়াল কোচ হিসেবে কোপাইলট ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্টের ডেমোও প্রদর্শন করেছে।

মাইক্রোসফটের কনজিউমার মার্কেটিং প্রধান ইউসুফ মেহদি বলেন, আগামী বছরে ৫ কোটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসমৃদ্ধ পিসি বিক্রির আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি। সূত্র: রয়টার্স

গুগল আনছে ষষ্ঠ প্রজন্মের ক্লাউড টেনসর প্রসেসিং ইউনিট

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৪, ১২:৩৭ পিএম
গুগল আনছে ষষ্ঠ প্রজন্মের ক্লাউড টেনসর প্রসেসিং ইউনিট
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগল স্মার্টফোন ব্র্যান্ড পিক্সেলে নিজস্ব টেনসর চিপ ব্যবহার করে বাজারে বেশ শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। এবার প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের ডেটা সেন্টারের জন্য আরও শক্তিশালী টেনসর চিপ আনার ঘোষণা দিয়েছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ‘গুগল আই/ও ২০২৪’ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সুন্দর পিচাই চিপটি উন্মোচন করেন।

সুন্দর পিচাই চিপটিকে সবার সামনে উপস্থাপন করার সময় এর পারফরম্যান্সের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এই চিপ কবে নাগাদ বাজারে আসবে সে বিষয়ে এখনো কিছু জানায়নি গুগল। তবে আশা করা হচ্ছে এটি চলতি বছরেই বাজারে আসবে।

এই চিপ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক লার্জ ল্যাংগুয়েজ মডেলের জন্য তৈরি করা হয়েছে। গুগল এই চিপকে ‘ট্রিলিয়াম’ কোড নামে পরিচয় করিয়েছে। টেক জায়ান্টটি দাবি করেছে, এ চিপ কম্পিউটিংয়ের ক্ষেত্রে বর্তমানের পঞ্চম প্রজন্মের টেনসর চিপের তুলনায় ৪ দশমিক ৭ গুণ বেশি শক্তিশালী।

টেক জায়ান্টটি মূলত এ কম্পিউটিং সক্ষমতা অর্জনে ক্লক স্পিড বাড়ানোর পাশাপাশি চিপ ম্যাট্রিকস মাল্টিপ্লিকেশন ইউনিটকেও শক্তিশালী করেছে। একই সঙ্গে গুগলের ষষ্ঠ প্রজন্মের এ চিপ দ্বিগুণ মেমরির ব্যান্ডউইডথ রয়েছে।

ট্রিলিয়াম চিপ তৈরিতে গুগলের তৃতীয় প্রজন্মের ‘স্পার্সকোর’ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। চিপটিতে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করায় বিশেষায়িত কাজ দ্রুতগতিতে করা যাবে। গুগল জানিয়েছে, এর ফলে প্রসেসিংয়ের ক্ষেত্রে ল্যাটেন্সি কম থাকবে।

এ ছাড়া ট্রিলিয়াম চিপটি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হবে। এটি আগের সংস্করণের তুলনায় প্রায় ৬৭ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয় করবে। এআই চিপের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মাথায় রেখে এ চিপ তৈরি করা হয়েছে। সূত্র: গিজমোচায়না।

/আবরার জহিন 

 

স্টারলিংকের ইন্টারনেট সেবা চালু করতে ইন্দোনেশিয়ায় ইলন মাস্ক

প্রকাশ: ২০ মে ২০২৪, ০৩:৩১ পিএম
স্টারলিংকের ইন্টারনেট সেবা চালু করতে ইন্দোনেশিয়ায় ইলন মাস্ক
ছবি: দ্য জাকার্তা পোস্ট

প্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তা মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক স্টারলিংক ইন্টারনেট সেবা চালু করার পরিকল্পনাকে সামনে রেখে গতকাল রবিবার ইন্দোনেশিয়ার পর্যটন দ্বীপ বালিতে পৌঁছেছেন। এই সেবার মাধ্যমে দেশের বিশাল দ্বীপপুঞ্জের দূরবর্তী অঞ্চলে ইন্টারনেট সেবা বাড়ানো ও স্বাস্থ্য পরিষেবা উন্নত করার আশা করছে ইন্দোনেশিয়ার সরকার।

 রবিবার সকালে মাস্ক ব্যক্তিগত জেট বিমানে চেপে বালির বিমানবন্দরে পৌঁছান। সে সময় দেশটির প্রধান বিনিয়োগমন্ত্রী লুহুত বিনসার পানজাইতান এই বিজনেস টাইকুনকে স্বাগত জানান। বিনিয়োগমন্ত্রী তার ইনস্টাগ্রাম পোস্টে জানান, স্টারলিংকের ইন্টারনেট সেবার উদ্বোধনসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করবেন তারা দুজন।

তিনি বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটিতে ২৭ কোটিরও বেশি মানুষ বসবাস করে তিনটি আলাদা আলাদা টাইম জোনে। স্টারলিংকের দ্রুত গতির ইন্টারনেট সেবার মাধ্যমে দূরবর্তী অঞ্চলের মানুষও শহরাঞ্চলের মানুষের মতো দ্রুত গতিতে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে। লুহুত আরও জানিয়েছেন, স্পেসএক্সের প্রধান ইলন মাস্ক ও ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো বালি দ্বীপের প্রধান প্রবেশদ্বার ডেনপাসারের একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্টারলিংকের সেবা উদ্বোধন করেন।

গত সপ্তাহে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যোগাযোগমন্ত্রী বুদি আরি সেটিয়াদি জানান, মাস্কের স্পেসএক্সের স্যাটেলাইট ইউনিট ইতোমধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটিতে চালু করার অনুমতি পেয়েছে।

স্টারলিংক খুচরা গ্রাহকদের জন্য ইন্টারনেট সেবা সরবরাহকারী হিসেবে নেটওয়ার্ক সরবরাহের অনুমতি পেয়েছে। এজন্য প্রতিষ্ঠানটি খুব ছোট একটি অ্যাপারচার টার্মিনাল ‘ভিএসএটি’ ব্যবহার করবে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তৃতীয় দেশ হিসেবে ইন্দোনেশিয়ায় এ সেবা চালু করছে স্টারলিংক। গত বছর মালয়েশিয়া প্রতিষ্ঠানটিকে ইন্টারনেট সেবা সরবরাহের লাইসেন্স দিয়েছে। ২০২২ সালে ফিলিপাইনের একটি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করেছে স্পেসএক্স। বর্তমানে ইউক্রেনেও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটির ইন্টারনেট সেবা। যেখানে সামরিক বাহিনী, হাসপাতাল, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সাহায্যকারী সংগঠনগুলো এটি ব্যবহার করছে।