ঢাকা ৩০ আষাঢ় ১৪৩১, রোববার, ১৪ জুলাই ২০২৪

ট্রেনের ৫০০ টিকিট কিনে রাখা চক্র র‌্যাবের হাতে ধরা

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৪, ০৫:৫০ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৪, ০৫:৫০ পিএম
ট্রেনের ৫০০ টিকিট কিনে রাখা চক্র র‌্যাবের হাতে ধরা
ছবি : সংগৃহীত

রেলওয়ের প্রায় ৫০০ টিকিটসহ কালোবাজারি চক্রের ১০ জনকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

শুক্রবার (১৪ জুন) রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে এক সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-৩ এর অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফিরোজ কবীর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

আটকরা বিভিন্ন ব্যক্তির এনআইডি ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে বিপুল সংখ্যক টিকিট কিনে রেখেছিল। যেগুলো দুই থেকে তিন গুণ দামে বিক্রি করতো।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফিরোজ কবীর জানান, টিকিট কালোবাজারি চক্রের সদস্যদের ধরতে বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) রাতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তিন ধাপে পরিচালিত ওই অভিযানে ঢাকার কমলাপুর ও আশপাশের এলাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ওই ১০ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের (বেসরকারি ব্যবস্থাপায় চলাচলকারী ট্রেনের) বিক্রয় প্রতিনিধিও রয়েছেন।

আটকরা হলেন- ঠাকুরগাঁওয়ের মো. সোহেল রানা (২৭), রংপুরের মো. মাহবুবুর রহমান (২৮) ও মো. বকুল হোসেন (২৫), নাটোরের মো. শিপন আহমেদ (২৯), চুয়াডাঙ্গার মো. আরিফ (৩৮), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শাহাদাত হোসেন (৩৫), জামালপুরের মো. মনির (২৫), নরসিংদীর শিপন চন্দ্র দাস (৩৫) ও মনির আহমেদ (৩০) এবং ফরিদপুরের মো. রাজা মোল্লা (২৬)। অভিযানে তাদের কাছ থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ট্রেনের প্রায় ৫০০ টিকেট ছাড়াও ১০টি মোবাইল ফোন, ১০টি সিমকার্ডসহ কালোবাজির বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-৩ এর অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফিরোজ কবীর জানান, আটদের মধ্যে দুই ধরনের চক্র রয়েছে। এরমধ্যে একটি চক্র যখন অনলাইনে টিকিট আপলোড হয়, তখন ভুয়া এনআইডি ও সিম ব্যবহার করে সেই টিকিটগুলো কেটে নেয়। পরে তারা ফেসবুকের বিভিন্ন পেজে টিকিটের ছবি দিয়ে চড়া দামে সেগুলো বিক্রি করে। এ ক্ষেত্রে বিকাশ, রকেট কিংবা নগদের মাধ্যমে টাকা নিয়ে বিভিন্নজনের কাছে অনলাইনে টিকিটের সফট কপি পাঠিয়ে দিতো চক্রটি।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা জানান, এর বাইরেও একটি চক্র সশরীরে বিভিন্ন স্থানে টিকিট বিক্রি করতো। এরমধ্যে মৌচাক এলাকা থেকে দুজনকে আটক করা হয়েছে। পরে তাদের মাধ্যমে জানা যায়, ঠাকুরগাঁওয়ের চারজনের সঙ্গে যোগসাজশে তারা টিকিট কালোবাজারি করতো। এরপর র‌্যাব-১৩ এর সঙ্গে যোগাযোগ করে আরও দুইজনকে আটক করা হয়। তারা ঠাকুরগাঁওয়ে বসে ভুয়া এনআইডি ও সিমকার্ড ব্যবহার করে অনলাইনে টিকিট কাটতো। তাদের একটি বড় হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ আছে যার মাধ্যমে ভুয়া এনআইডি ও সিমের তথ্য আদান-প্রদান ছাড়াও টিকিটের চাহিদা নিয়ে আলোচনা হতো।

তিনি জানান, র‌্যাব-১৩ এর কাছে বিস্তারিত তথ্য জানার পর র‌্যাব-৩ এর সদস্যরা শুক্রবার ভোরে কমলাপুর-খিলগাঁও রেললাইন এলাকা থেকে মূল হোতা সোহেলকে আটক করতে সক্ষম হয়। সেই সঙ্গে বিপুল ট্রেনের টিকিট ছাড়াও টিকিট বিক্রির আলামত, সিমকার্ডসহ অন্যান্য আলামত জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

খাজা/এমএ/

গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি, গ্রেপ্তার ৫

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৪, ১২:৩৮ পিএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৪, ১২:৩৮ পিএম
গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি, গ্রেপ্তার ৫
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা (মতিঝিল) বিভাগ।

শুক্রবার (১২ জুলাই) দুপুরে ডিবি মতিঝিল বিভাগের অবৈধ অস্ত্র জব্দ ও মাদক নিয়ন্ত্রণ টিমের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. এরশাদুর রহমান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মতিঝিল থানার এজিবি কলোনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচ ডাকাত সদস্যকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি ডিবির জ্যাকেট, দুটি চাকু, দুটি ডিবি পুলিশ লেখা স্টিকার, একটি প্লাস্টিকের খেলনা পিস্তল, একটি লেজার লাইট, দুটি মোবাইল এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দুটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়।

তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তার ডাকাত সদস্যরা ডিবি পুলিশ পরিচয়ে রাজধানীসহ বিভিন্ন মহাসড়কের নির্জন স্থানে টার্গেট ব্যক্তি ও পণ্যবাহী গাড়ি আটকে ডাকাতি করে আসছিল। অভিযুক্ত সবাইকে মতিঝিল থানায় ডাকাতির মামলায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পাটখেতে মিলল প্রবাসীর স্ত্রীর গলাকাটা মরদেহ

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৪, ১০:২৭ এএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৪, ১১:১৪ এএম
পাটখেতে মিলল প্রবাসীর স্ত্রীর গলাকাটা মরদেহ
স্মৃতি আক্তার

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদি উপজেলায় পাটখেত থেকে কাতার প্রবাসীর স্ত্রীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

শুক্রবার (১২ জুলাই) সকালে পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের হালুয়াপাড়া এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। 

নিহতের নাম স্মৃতি আক্তার (২৪)। তিনি একই এলাকার মানিক মিয়ার মেয়ে এবং উপজেলার মসূয়া এলাকার কাতার প্রবাসী আমিন ভূইয়ার স্ত্রী।

এলাকাবাসী জানান, পাঁচ বছর আগে আমিন ভূইয়ার সঙ্গে বিয়ে হয় স্মৃতির। পাঁচ থেকে ছয় মাস আগে দেশে ফিরে স্ত্রীকে শ্বশুরবাড়িতে রেখে কাতার চলে যান আমিন। এরপর থেকে স্মৃতি বাবার বাড়িতেই থাকতেন। তাদের কোনো সন্তান নেই। শুক্রবার সকালে পাটখেতে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবরে দেওয়া হয়। পরে পুলিশ স্মৃতির মরদেহ উদ্ধার করে।

স্মৃতি আক্তারের পরিবার বলেন, ‘বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) রাত ৮টা থেকে ৯টার দিকে আমিনের সঙ্গে কথা হয় স্মৃতির। এ সময় স্মৃতিকে আমিনের বাড়িতে চলে যাওয়ার কথা বলেন। শুক্রবার সকালে শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার কথা ছিল স্মৃতির। সকালে তার মরদেহ পাওয়া যায়।’

নিহতের বাবা মানিক মিয়া বলেন, “আমার মেয়েকে একই এলাকার মুজিবুরের ছেলে মেহেদী বিরক্ত করত। আমার মেয়েরে জোর কইরা নিয়া যাইতে চাইত। তার সঙ্গে না গেলে আমার মেয়ে ও আমারে মাইরা ফেলার হুমকি দেয় মেহেদী। আমারে মারধরও করতে আসত। মেহেদী বলত, ‘হয়তো ছেরি শেষ হইব, নাহয় বাপ শেষ হইব।’ আমারে মারতে পারে নাই, আমার মেয়েরে মাইরা ফেলছে মেহেদী ও মুজিবুর। এরা একা মারে নাই, এদের সঙ্গে আরও পার্টি ছিল। আমার ছেরির রগ কাটছে, বুক ফারছে, গলা কাটছে।”

নিহতের মা ফেরদৌসী আক্তার বলেন, ‘মেহেদী এই কাজ করছে। আমার মেয়েকে বিয়ে করতে চাইত। আমার মেয়ে রাজি হয় নাই। আমার মেয়েকে বিয়ে না করতে পারায় মেরে ফেলছে।’

কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ দাউদ বলেন, ‘৯৯৯ এ ফোন দিয়ে নিহতের চাচা আমাদের জানায় স্মৃতি আক্তারের মরদেহ পাটখেতে পড়ে আছে। খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহিদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত চলছে। শিগগিরই এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে পারব। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

মিতু/পপি/অমিয়/

ভারতীয় সিনেমা দেখে ব্যারিস্টার সুমনকে হত্যার হুমকি

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৪, ০৯:৩১ পিএম
আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৪, ০৯:০৭ এএম
ভারতীয় সিনেমা দেখে ব্যারিস্টার সুমনকে হত্যার হুমকি
হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন

ভারতীয় সিনেমা দেখে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে হত্যার হুমকির নাটক সাজানো হয়েছিল। সোহাগ মিয়া নামে এক যুবক এমন নাটক সাজান। পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের পর বিষয়টি স্বীকার করেছেন তিনি। 

বুধবার (১০ জুলাই) বিকেলে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার আক্তার হোসেন প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

পুলিশ সুপার জানান, গত ২৮ জুন হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে হত্যা করতে একটি গ্রুপ মাঠে রয়েছে বলে চুনারুঘাট থানার ওসিকে জানায় অজ্ঞাত এক যুবক। এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই ব্যারিস্টার সুমন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে মাঠে নামে পুলিশ। পরে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট মেট্রোপলিটন এলাকা থেকে হুমকিদাতা সোহাগ মিয়াকে (২৭) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার মোবারকপুর গ্রামের বাসিন্দা।

আক্তার হোসেন আরও জানান, পুলিশের কাছে ওই যুবক স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। তিনি ভারতীয় একটি সিনেমায় দেখেছিলেন হত্যার হুমকি দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা। এরপর ব্যারিস্টার সুমনকে হুমকি দেওয়ার পরিকল্পনা করেন। কিন্তু ব্যারিস্টার সুমন বা তার পিএসের মোবাইল নম্বর না পেয়ে থানার ওসির মাধ্যমে হুমকি দিয়েছেন। তার ধারণা ছিল, এতে ব্যারিস্টার সুমন ভয় পেয়ে প্রাণ রক্ষার জন্য তাকে টাকা দেবেন। ব্যারিস্টার সুমন কয়েকটি ফেসবুক লাইভে তার জীবনের ঝুঁকি আছে বলে জানিয়েছিলেন। আর এই সুযোগটাই কাজে লাগাতে চেয়েছিলেন হুমকিদাতা।

এসপি বলেন, ‘ওই যুবক একাই এই পরিকল্পনা করেছিলেন। তার সঙ্গে আর কেউ জড়িত নন। তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’

মামুনকে হত্যার পর জানাজায় অংশ নেয় বন্ধু শাহেদ

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৪, ০৩:৪২ পিএম
আপডেট: ১০ জুলাই ২০২৪, ০৩:৫৬ পিএম
মামুনকে হত্যার পর জানাজায় অংশ নেয় বন্ধু শাহেদ
আব্দুল্লাহ আল মামুন ও শাহেদ

কক্সবাজার সদরে কালীরছড়া এলাকায় ঈদগাঁও মাঠে নিয়ে শ্বাসরোধ করে বন্ধু আব্দুল্লাহ আল মামুনকে হত্যার পর তার জানাজায় অংশ নেয় শাহেদ।

বুধবার (১০ জুলাই) দুপুরে তাকে গ্রেপ্তারের পর এসব তথ্য জানান র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটলিয়ন (র্যাব)-১৫এর উপ-অধিনায়ক মো. শরীফ আহসান। 

তিনি জানান, এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক হয় আব্দুল্লাহ আল মামুনের। বন্ধু মামুনের প্রেমিকার সঙ্গে পরিচয় হয় শাহেদের। সেই পরিচয়ের পর বন্ধু মামুনের অজান্তে তার প্রেমিকার সঙ্গে গোপনে গোপনে কথা হয় শাহেদের। এরপর মামুনকে বাদ দিয়ে শাহেদের প্রেমে পরে তরুণী। শাহেদ তরুণীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ ছবি ও ভিডিও মামুনের মোবাইল ফোনে শেয়ার করে। এতে তরুণী ক্ষিপ্ত হয়ে শাহেদের সঙ্গেও সম্পর্ক ছিন্ন করে। এতে শাহেদ ক্ষিপ্ত হয়ে মামুনকে হত্যার পরিকল্পনা করে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, চকরিয়া থেকে এক লাখ টাকায় সন্ত্রাসী ভাড়া করেন শাহেদ। রবিবার রাতে সদরের খরুলিয়ার বাসা থেকে ডেকে মোটরসাইকেলে মামুনকে সঙ্গে নিয়ে ঈদগাঁও মাঠের দিকে রওনা দেয় শাহেদ। সেখানে আগে থেকে প্রস্তুত ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা মোটরসাইকেল থামিয়ে মামুনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। তারপর রামুর রশিদ নগর এলাকায় রেললাইনের পাশে লাশ ফেলে তার মোবাইলটি নিয়ে চলে যায় শাহেদ।

তিনি আরও জানান, পরে মামুনের জানাজায় অংশ নেয় শাহেদ। এ ছাড়াও প্রশাসনকে নানা তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করে। কিন্তু মামুনের আচরণ সন্দেহজনক হলে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে সে মামুনকে হত্যার বর্ণনা দেয়।

পরে সোমবার (৮ জুলাই) হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মামুনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

মুহিববুল্লাহ মুহিব/জোবাইদা/অমিয়/

কিডনি পাচারে যুক্ত ভারতীয় চিকিৎসক গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৪, ০১:৩৩ পিএম
আপডেট: ১০ জুলাই ২০২৪, ০১:৩৩ পিএম
কিডনি পাচারে যুক্ত ভারতীয় চিকিৎসক গ্রেপ্তার

বাংলাদেশি রোগীদের ভারতে নিয়ে অবৈধভাবে কিডনি প্রতিস্থাপন ও পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ভারতের দিল্লিতে ভারতীয় এক চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ। তিনি নয়াদিল্লির ইন্দ্রপ্রস্থ অ্যাপোলো হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা বিজয়া কুমারি। ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।

ওই তথ্য অনুসারে দিল্লি-সংলগ্ন নয়ডা শহরে ‘যথার্থ’ নামের একটি হাসপাতালে অপারেশনের নামে অন্তত ১৫ থেকে ১৬ জনের অস্ত্রপচার করে কিডনি অপসারণ করা হয়েছে। যাদের কিডনি নেওয়া হয়েছে তারা বেশির ভাগই বাংলাদেশের নাগরিক। ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের বিভিন্ন সময়ের এ কাণ্ড ঘটেছে।

স্থানীয় পুলিশের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ডা. বিজয়া কুমারির চক্রের আওতায় বাংলাদেশ ও ভারতের দালালদের মাধ্যমে গরিব বাংলাদেশিদের টাকার লোভ দেখিয়ে ভারতে নিয়ে যেত।

সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ও ভারতেও টাকার বিনিময়ে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রি নিষিদ্ধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। চক্রটি দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে বিভিন্ন ভুয়া নথি প্রদান করত, যা জব্দ করেছে পুলিশ।