ঢাকা ১০ শ্রাবণ ১৪৩১, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪

সাবেক ভ্যাট কমিশনার ওয়াহিদার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪, ০৮:২১ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৪, ০৮:২১ পিএম
সাবেক ভ্যাট কমিশনার ওয়াহিদার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
সাবেক ভ্যাট কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরী

চারটি মোবাইল ফোন কোম্পানিকে দেড় শ কোটির বেশি টাকার অবৈধ সুবিধা দেওয়ার মামলায় সাবেক ভ্যাট কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আস্সামছ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন।

মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও এয়ারটেলকে প্রায় ১৫২ কোটি টাকার অবৈধ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বৃহৎ করদাতা ইউনিটের (এলটিইউ) সাবেক ভ্যাট কমিশনার ওয়াহিদার বিরুদ্ধে এই মামলা করে দুদক। তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক শাহ আলম শেখ। 

নিষেধাজ্ঞা চাওয়া আবেদনে তিনি বলেন, বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, ওয়াহিদা রহমান চৌধুরী দেশ ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন। তিনি বিদেশে পালিয়ে গেলে তদন্তকাজ ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি আছে। তাই তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে।

মামলা বাতিল চেয়ে ড. ইউনূসের আবেদন খারিজ

প্রকাশ: ২৪ জুলাই ২০২৪, ০৫:৪৫ পিএম
আপডেট: ২৪ জুলাই ২০২৪, ০৫:৪৫ পিএম
মামলা বাতিল চেয়ে ড. ইউনূসের আবেদন খারিজ
হাইকোর্ট

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের মামলার কার্যক্রম বাতিল চেয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ সাতজনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বুধবার (২৪ জুলাই) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আবেদনের ওপর শুনানি শেষে এ খারিজ আদেশ দেন।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক আদালতের আদেশের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান।
 
আদালতে ড. ইউনূসের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন। 

দুদকের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, এ মামলায় প্রাথমিক তথ্য প্রমাণের সত্যতার ভিত্তিতে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। মামলাটি বাতিলে আসামিপক্ষ কোনো উপাদান দেখাতে পারেননি। উভয়পক্ষে শুনানি নিয়ে মামলা বাতিল আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন উচ্চ আদালত। এক বছরের মধ্যে মামলার বিচার সম্পন্ন করতে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

ড. ইউনূসের পক্ষের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, মামলা বাতিলে আনা হাইকোর্টের খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করা হবে।

গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলের ২৫ কোটি ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার একটি আদালত। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক সৈয়দ আরাফাত হোসেন অভিযোগ গঠনের এ আদেশ দেন। সেইসঙ্গে বিচার শুরুর জন্য গত ১৫ জুলাই দিন ধার্য ছিল। সে অনুয়ায়ী সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে।

মামলার কার্যক্রম বাতিলে গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. ইউনূস ছাড়া ছয় আবেদনকারী হলেন- গ্রামীণ টেলিকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল ইসলাম, পরিচালক আশরাফুল হাসান, নাজনীন সুলতানা, শাহজাহান, নূরজাহান বেগম ও এস এম হাজ্জাতুল ইসলাম লতিফী।

অমিয়/

কোটা আন্দোলনে নিহত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করবে বিচার বিভাগীয় কমিটি

প্রকাশ: ২৪ জুলাই ২০২৪, ০৩:৫৪ পিএম
আপডেট: ২৪ জুলাই ২০২৪, ০৫:২৪ পিএম
কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করবে বিচার বিভাগীয় কমিটি
প্রতীকী ছবি

কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গত ১৬ জুলাই ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রংপুরে মোট ৬ জনের মৃত্যুসহ সংঘর্ষ ও সহিংসতা তদন্তে প্রয়োজনীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি।

গত রবিবার (২১ জুলাই) বিকেলে সুপ্রিম কোর্টের কনফারেন্স রুমে হাইকোর্টের বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের নেতৃত্বে এক সদস্যের তদন্ত কমিটি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করে কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করেন।

সোমবার (২২ জুলাই) সাধারণ ছুটি থাকায় কমিটির কোনো কার্যক্রম হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এখন দেশব্যাপী কারফিউ ও সাধারণ ছুটি চলছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করবে তদন্ত কমিটি। তদন্তের অংশ হিসেবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন, ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তি ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য গ্রহণ, আলামত সংগ্রহ ও যাচাই এবং পারিপার্শ্বিক সকল পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে।   

কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গত ১৬ জুলাই ৬ জনের মৃত্যু, সংঘর্ষ ও সহিংসতার ঘটনা তদন্তে সরকারের প্রস্তাবে এক সদস্যের বিচার বিভাগীয় কমিটি গঠন করেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। গত ১৮ জুলাই হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানকে কমিটির দায়িত্ব দেওয়া হয়। কমিটিকে ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। 

সাধারণ ছুটির সঙ্গে মিল রেখে আজ মঙ্গলবারও সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগসহ দেশের অধস্তন আদালতসমূহ বন্ধ থাকবে। এ ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন সোমবার এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

কোটা নিয়ে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার

প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৮:২৪ পিএম
আপডেট: ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৮:২৪ পিএম
কোটা নিয়ে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার
ছবি : সংগৃহীত

সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণার রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলের শুনানি হবে আগামী রবিবার (২১ জুলাই)। 

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুই শিক্ষার্থীর লিভ টু আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন। বিষয়টি প্রধান বিচারপতি ওয়াবদুল হাসানের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির বেঞ্চে শুনানির জন্য কার্যতালিকার ৩ নম্বরে রয়েছে। 

অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, রবিবার শুনানি এগিয়ে আনার জন্য রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করবে। কিন্তু একই বিষয়ে আরেকটি লিভ টু আপিলের প্রেক্ষাপটে আদালত রবিবার শুনানির জন্য ধার্য করেছেন। 

হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার বিকেলে লিভ টু আপিল করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) দুই শিক্ষার্থী। আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন। 

হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়ের সার্টিফায়েড কপি পেয়ে গত মঙ্গলবার আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় লিভ টু আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি ১৪ জুলাই বিকেলে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। রায়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলসংক্রান্ত ২০১৮ সালের জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। ২৭ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জারি করা পরিপত্রটি আইনগত কৃর্তত্ববহির্ভূত, ভিত্তিহীন ও অবৈধ ঘোষণা করা হলো। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, নাতি-নাতনিদের জন্য কোটা বলবৎ রাখার নির্দেশ দেওয়া হলো। এ ছাড়া ২০১২ সালে করা ২৩৫ নম্বর রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের দেওয়া রায় ও আদেশ; ২০১৩ সালের ২০৬২ নম্বর লিভ টু আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগে রায়ে তা বহাল ও সংশোধিত আদেশ এবং ২০১১ সালের ১৬ জানুয়ারির সরকারি অফিস আদেশ (মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও নাতি-নাতনির কোটা) অনুসারে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, নাতি-নাতনি, জেলা, নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কোটাসহ (যদি অন্যান্য থাকে) সব কোটা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হলো। এ বিষয়ে যত দ্রুত সম্ভব আদেশ পাওয়ার তিন মাসের মধ্যে পরিপত্র প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হলো। 

রায়ে হাইকোর্ট আরও বলেছেন, নির্ধারিত শ্রেণিগুলোর ক্ষেত্রে প্রয়োজনে কোটা পরিবর্তন ও হার কমানো বা বাড়ানোর বিষয়ে এই রায় বিবাদীদের (সরকারের) জন্য কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে না। যেকোনো পাবলিক পরীক্ষায় কোটা পূরণ না হলে সাধারণ মেধাতালিকা থেকে শূন্যপদ পূরণ করার ক্ষেত্রে বিবাদীদের (সরকারের) স্বাধীনতা থাকবে। 

২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলনের মুখে সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে ৯ম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত কোটা পদ্ধতি বাতিল করে পরিপত্র জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এই পরিপত্রের বৈধতা নিয়ে ২০২১ সালে রিট করেন চাকরিপ্রত্যাশী ও বীর মুক্তিযোদ্ধার সাতজন সন্তান। চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ৫ জুন নির্দেশনাসহ রুল অ্যাবসলিউট (যথাযথ) ঘোষণা করে রায় ঘোষণা করেন। এ রায় স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। এরই মধ্যে কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু হয়। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষে দুজন ৯ জুলাই আপিল বিভাগে এ মামলায় পক্ষভূক্ত হন। ১০ জুলাই শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের ওপর স্থিতাবস্থা ঘোষণা করে পরবর্তী শুনানি ৭ আগস্ট ধার্য করেন।

বিএনপির ২০ নেতা-কর্মী কারাগারে

প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৭:৩৩ পিএম
আপডেট: ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৭:৩৪ পিএম
বিএনপির ২০ নেতা-কর্মী কারাগারে
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) শিক্ষক ও বিএনপিপন্থি চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্থ এবং দলটির ২০ নেতা-কর্মীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। গায়েবানা জানাজা শেষে অরাজকতা সৃষ্টির অভিযোগে রাজধানীর পল্টন থানায় করা মামলায় এই আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. তোফাজ্জল হোসেনের আদালত এই আদেশ দেন।
 
আসামি পক্ষের আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ এই তথ্য নিশ্চিত করেন। 

তিনি জানান, পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন আদালত। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্টন মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল উল্লাহ আসামিদের আদালতে হাজির করে তাদের কারাগারে আটক রাখার জন্য এই আবেদন করেন। আদালতে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তাদের জামিন চেয়ে শুনানি করেন। শুনানি শেষে তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

ডা. সায়ন্থ ছাড়া এ মামলায় কারাগারে যাওয়া অন্য আসামিরা হলেন, দারুস-সালাম থানার ১০নং ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি আব্দুল কাইয়ুম খান জুয়েল, তুরাগ থানার বিএনপির আহ্বায়ক মো. আমান উল্লাহ ভূঁইয়া, দিল মোহাম্মদ, মো. নওয়াব আলী, দারুস-সালাম থানায় ১২নং ওয়ার্ড যুবদল সেক্রেটারি শেখ মর্তুজা আলী, রূপনগর থানার শ্রমিক দলের সেক্রেটারি মো. শামছুল আলম মিন্টু, বিএনপি নেতা এস এম মশিউর রহমান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুমন আহম্মেদ, মো. আবুল বাশার ভূঁইয়া, ফজলুর রহমান, ইকতারুল ইসলাম মিতু, মো. মাছুম, আমির হোসেন, মনির হোসেন, পটুয়াখালী জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল আমিন সুজন, মো. কামরুল হাসান, মো. হামিদুর রহমান হাম্মাদ, রফিকুল ইসলাম, মো. ফয়েজ আহমেদ, সৈয়দ ইসমাইল হোসেন। 

গতকাল ১৭ জুলাই বুধবার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে কোটা সংস্কারের এক দফা দাবিতে আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে বিএনপি আয়োজিত গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের চার-পাঁচ শ নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। 

মামলায় অভিযোগ করা হয়, জানাজা শেষে তারা বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেট দিয়ে বের হয়ে মিছিলসহ অরাজকতা সৃষ্টি করেন। বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী বিভিন্ন ধরনের রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী স্লোগান দিয়ে পল্টন মোড়ে এলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য তাদের অনুরোধ করেন কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরা। কিন্তু তারা অনুরোধ অমান্য করে পুলিশের ওপর মারমুখী হয়ে ওঠেন এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। সেই সঙ্গে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান ও রাস্তায় থাকা যানবাহন ভাঙচুর করেন। 

এ ঘটনায় পুলিশের উপপরিদর্শক মো. আলাউল হক বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলা করেন। এতে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেলসহ ৩৫ জনের নাম উল্লেখ করে চার থেকে পাঁচ শ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

রাজাকার ছাড়া সব নাগরিককে মুক্তিযোদ্ধা ঘোষণা চেয়ে রিট

প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৪, ১২:৪৭ এএম
আপডেট: ১৭ জুলাই ২০২৪, ১২:৪৭ এএম
রাজাকার ছাড়া সব নাগরিককে মুক্তিযোদ্ধা ঘোষণা চেয়ে রিট
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

একাত্তর সালে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানের পক্ষে সহায়তাকারী রাজাকার বাহিনী ব্যতীত বাংলাদেশের সব নাগরিককে মুক্তিযোদ্ধা ঘোষণা করে নতুনভাবে সবার নামসম্বলিত মুক্তিযোদ্ধা তালিকা তৈরি করার নির্দেশনা চেয়ে রিট করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুস আলী আকন্দ। এতে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

রিটে বলা হয়েছে, বর্তমানের মুক্তিযোদ্ধা তালিকা বাতিল করে ১৯৭১ সালের বাংলাদেশবিরোধী রাজাকার বাদে সব নাগরিককে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ঘোষণা করে নতুনভাবে সবার নামসহ মুক্তিযোদ্ধা তালিকা করার নির্দেশ দেওয়া হোক।

ইউনুস আলী আকন্দ সাংবাদিকদের বলেন, ‘সংবিধানে বলা হয়েছে, আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা, যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে; আমরা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করিতেছি যে, আমরা যাহাতে স্বাধীন সত্তায় সমৃদ্ধি লাভ করিতে পারি এবং মানবজাতির প্রগতিশীল আশা-আকাঙ্ক্ষার সহিত সঙ্গতি রক্ষা করিতে আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে পূর্ণ ভূমিকা পালন করিতে পারি, সেজন্য বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ এই সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখা এবং ইহার রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তাবিধান আমাদের পবিত্র কর্তব্য।’ এখানে ‘আমরা’ শব্দটি চারবার ব্যবহার করা হয়েছে। সুতরাং তখনকার সব জনগণই মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন মর্মে ঘোষণা করা আবশ্যক। এ জন্য আদালতের নির্দেশনা প্রয়োজন।