ঢাকা ২১ আষাঢ় ১৪৩১, শুক্রবার, ০৫ জুলাই ২০২৪

বক্স-ইন-ডে থেকে বক্সিং ডে

প্রকাশ: ২৬ ডিসেম্বর ২০২৩, ১১:২৯ এএম
আপডেট: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৭:৪৪ এএম
বক্স-ইন-ডে থেকে বক্সিং ডে
ছবি : সংগৃহীত

সাধারণ ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে বক্সিং ডে মানেই অন্যরকম রোমাঞ্চ। কারণ মাঠে যে গড়ায় বেশ কয়েকটি হাইভোল্টেজ ম্যাচ। তবে বেশির ভাগই জানেন না কীভাবে এল বক্সিং ডে ক্রিকেট। এর সঙ্গে বক্সিংয়ের সম্পর্ক আছে কি না? উত্তর হলো- না। বক্সিং ডের সঙ্গে নেই বক্সিংয়ের কোনো সম্পর্ক। বক্সিং ডে নামকরণের সঙ্গে জড়িয়ে আছে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব বড়দিন। ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় ভিন্ন ভিন্ন মতবাদ আছে বক্সিং ডে নিয়ে। বক্স-ইন-ডে থেকে হয়েছে বক্সিং ডে। অনেকের মতে, একটি বক্সের মধ্যে দেওয়া হয় বড়দিনের উপহার। সেই উপহার খোলা হয় ২৬ ডিসেম্বর। আবার অনেকের মতে, বড়দিনে ঘরের পরিচারক-পরিচারিকারা অনেক কাজ করেন। তাদের ২৬ ডিসেম্বর উপহার বাক্স দেওয়া হয়।

পাশাপাশি পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ দেওয়া হয়। নানা তত্ত্বের মারপ্যাঁচে জানা যায়নি বক্সিং ডে নামকরণের আসল কারণ। সঠিক কারণ জানা না গেলেও ক্রিকেটপ্রেমীরা সারা বছর অপেক্ষায় থাকেন দিনটির। কারণ অনেক ক্রিকেট ম্যাচ যে থাকে ক্রিকেটপ্রেমীদের আনন্দ বাড়িয়ে দিতে। এবার যেমন থাকছে মেলবোর্নে অস্ট্রেলিয়া-পাকিস্তান, সেঞ্চুরিয়ানে দক্ষিণ আফ্রিকা-ভারত ম্যাচ।

অনেকটা দৈব ঘটনার মধ্য দিয়ে জন্ম হয়েছিল বক্সিং ডে ক্রিকেট ম্যাচের। ১৮৫৬ সালে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হয় বক্সিং ডে ম্যাচ। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম শ্রেণির টুর্নামেন্টের শেফিল্ড শিল্ডের একটি ম্যাচ। সূচি অনুযায়ী ২৫ ডিসেম্বর বড়দিনে মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে মাঠে গড়ানোর কথা ছিল ভিক্টোরিয়া এবং নিউ সাউথ ওয়েলসের মধ্যকার ম্যাচ। একে তো পরিবারের সঙ্গে বড়দিন কাটাতে পারছেন না, তার ওপর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। এতে বেজায় চটেন সাউথ ওয়েলসের ক্রিকেটাররা। তাদের দাবি মেনে এক দিন পিছিয়ে ২৬ ডিসেম্বর শুরু হয় ম্যাচটি। বক্সিং ডে-তে হওয়া প্রথম ম্যাচটি ছিল টাইমলেস। তবে দুই দলের লড়াইয়ের ইতি ঘটে তৃতীয় দিনেই। বড় দিনের ছুটি বিসর্জন দিয়ে মেলবোর্নে ছুটে আসা নিউ সাউথ ওয়েলস জিতে নেয় ম্যাচটি। এরপর থেকে প্রতিবছরই দুই রাজ্যের মধ্যে ২৬ ডিসেম্বর আয়োজন করা হতো শেফিল্ড শিল্ডের ম্যাচটি। পরে ১৮৬৫ সালে দুই দলের এই লড়াই যুক্ত হয় বার্ষিক সূচিতে।

শেফিল্ড শিল্ডে বক্সিং ডে ম্যাচ আয়োজনের প্রায় শতবছর পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট দেখে বক্সিং ডে ম্যাচ। ১৯৫০-৫১ অ্যাশেজ সিরিজে হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার প্রথম বক্সিং ডে টেস্ট। সে ম্যাচ অবশ্য ২৬ ডিসেম্বর নয় শুরু হয়েছিল ২২ ডিসেম্বর। তখনকার দিনে পাঁচ দিনের টেস্টে এক দিনের বিরতি দেওয়ায় চতুর্থ দিন গড়ায় বক্সিং ডেতে। অ্যাশেজের এই ঘটনার পর ১৯৮০ সাল থেকে নিয়মিত বক্সিং ডে টেস্ট আয়োজন করে আসছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। এই ম্যাচের জন্য নির্ধারিত ভেন্যু প্রথম বক্সিং ডে ম্যাচের সাক্ষী হওয়া মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড। এর পিছনে একটি মাত্রই কারণ। ইতিহাসের প্রথম বক্সিং ডে ম্যাচ এবং অস্ট্রেলিয়ায় হওয়া প্রথম বক্সিং ডে টেস্ট- কাকতালীয়ভাবে দুই ম্যাচের ভেন্যুই ছিল মেলবোর্নের এই মাঠটি। এখন আর বক্সিং ডেতে শেফিল্ড শিল্ডের কোনো ম্যাচ আয়োজন করে না ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। এই দিনে আয়োজন করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ও বিগব্যাশের ম্যাচ।

বক্সিং ডে টেস্ট নিয়মিত আয়োজন শুরুর আগে সবশেষ তাসমানপাড়ের দেশটিতে বক্সিং ডে টেস্ট হয় ১৯৭৪ সালে। ১৯৭৪-৭৫ মৌসুমের অ্যাশেজের তৃতীয় টেস্টটি শুরু হয় বক্সিং ডে-তে। কাকতালীয়ভাবে ম্যাচটি শুরুও হয়েছিল ২৬ ডিসেম্বর।

যে অস্ট্রেলিয়ায় এতো ঘটা করে পালন করা হয় বক্সিং ডে টেস্ট সেখানে আয়োজিত হয়নি প্রথম বক্সিং ডে টেস্ট। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম বক্সিং ডে ম্যাচ আয়োজন করে দক্ষিণ আফ্রিকা। ১৯১৩ সালে প্রথম বক্সিং ডে টেস্টে সেঞ্চুরিয়নে মুখোমুখি হয় দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইংল্যান্ড। ইংলিশদের কাছে ইনিংস এবং ১৫৭ রানে হারে প্রোটিয়ারা। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগে শেষ ক্রিকেট সিরিজ ছিল এই সিরিজ। এরপর থেকে প্রতি বছর সেঞ্চুরিয়নে বক্সিং ডে টেস্ট আয়োজন করে দক্ষিণ আফ্রিকা। মাঝে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নির্বাসনের সময়ে প্রোটিয়াদের মাঠে বক্সিং ডে ম্যাচ কোনো ম্যাচ হয়নি। এ ছাড়া বিক্ষিপ্তভাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নিউজিল্যান্ড ও অন্য দেশগুলোতে মাঝেমধ্যে হয় বক্সিং ডে ক্রিকেট ম্যাচ।

বক্সিং ডেতে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত টেস্ট খেলেছে ৮টি।  নিউজিল্যান্ড ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২টি করে এবং ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তানের  বিপক্ষে একটি করে ম্যাচ খেলেছে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একটি ম্যাচ ছাড়া বাকি সব ম্যাচেই  হেরেছে বাংলাদেশ।

দেশে ফিরেছেন রোহিত শর্মারা, অপেক্ষা উৎসবের

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৪, ০১:২৬ পিএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৪, ০১:২৬ পিএম
দেশে ফিরেছেন রোহিত শর্মারা, অপেক্ষা উৎসবের
ছবি- সংগ্রহীত

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর বৈরি আবহাওয়ার কারণে বার্বাডোজে আটকা পড়েছিল ভারতীয় দল। পরিবেশ ঠান্ডা হলে বিশেষ এক ফ্লাইটে ১৬ ঘণ্টার বিমান যাত্রার পর নিজ দেশে ফিরেছে টি-টোয়েন্টি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। বৃহস্পতিবার সকালে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পৌঁছায় তারা।

সকালে নয়াদিল্লিতে পৌঁছানো ভারতীয় দল আপাতত অবস্থান করছে সেখানকার আইটিসি হোটেলে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে তাদের। সেখানে মুম্বাইয়ে যাবে ভারতীয় দল। সেখানে হবে রোড শো।

ভারতীয় দলের দেশে ফেরা উপলক্ষ্যে সকাল দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভিড় করে সমর্থকরা। সবাই ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেয় পুরো দলকে।

দিল্লির আনুষ্ঠানিকতা শেষে মুম্বাইয়ে ভারতীয় দল। সেখানে মুম্বাইয়ের মেরিন ড্রাইভে ছাদখোলা বাসে হবে শিরোপা উৎসবের রোড শো। এর আগে ২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর মুম্বাইয়ে হয়েছিল রোড শো।

বিসিবিতে বাড়ল দেশি কোচ

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৪, ০১:১১ পিএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৪, ০১:১১ পিএম
বিসিবিতে বাড়ল দেশি কোচ
ছবি- সংগ্রহীত

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অধীনে দেশি কোচের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। বিসিবিতে চুক্তিবদ্ধ কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাবেক তিন ক্রিকেটার রাজিন সালেহ, তুষার ইমরান ও তারেক আজিজ। রাজিন সালেহ ও তুষার ইমরান নিয়োগ পেয়েছেন ব্যাটিং কোচ হিসেবে। তারেক আজিজকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বোলিং কোচ হিসেবে।

রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে হচ্ছে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স ইউনিটের ক্যাম্প। ইতোমধ্যে সেখানে দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন রাজিন। পাশাপাশি আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সফরে দলের সঙ্গে থাকবেন তিনি। তিন মাসের জন্য তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে ব্যাটিং কোচ তুষার ইমরান ও বোলিং কোচ তারেক আজিজকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তিন বছরের জন্য। তারেক আজিজ বাংলাদেশ টাইগার্সের সঙ্গে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে কাজ শুরু করেছেন।

এছাড়া সাবেক ক্রিকেটার নাদিফ চৌধুরীকে বয়সভিত্তিক দলের নির্বাচক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

ঘুমকাণ্ডের ব্যাখ্যা দিলেন তাসকিন

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৪, ০৬:৪৮ পিএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৪, ০৬:৪৮ পিএম
ঘুমকাণ্ডের ব্যাখ্যা দিলেন তাসকিন
তাসকিন আহমেদ

ভারত ম্যাচের আগে তাসকিন আহমেদের ঘুমকাণ্ড নিয়ে হচ্ছে তুমুল সমালোচনা। সেই সমালোচনার মধ্যে এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুখ খুলেছেন তাসকিন। দিয়েছেন নিজের ব্যাখ্যা।

বুধবার (৩ জুলাই) তাসকিনের দেওয়া সেই পোস্ট খবরের কাগজের পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘আসসালামু আলাইকুম, আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমি সম্প্রতি অনলাইনে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে জানতে পেরেছি যে সম্প্রতি শেষ হওয়া টি-২০ বিশ্বকাপের একটি ঘটনা নিয়ে অনেক হৈচৈ করা হচ্ছে।

প্রথমত, আমি সবাইকে জানাতে চাই যে বেশিরভাগ সংবাদ অ তথ্য যা ছড়ানো হচ্ছে তা কেবল গুজব এবং আমি আশা করি ভক্তরা এটি সেইভাবে দেখবেন।

দ্বিতীয়ত, আমি ঘটনাটি সেদিন আসলে কী ঘটেছিল তা পরিষ্কার করতে চাই। আমি স্বীকার করি যে আমি স্বাভাবিকের চেয়ে পরে উঠেছি এবং এজন্য ইতোমধ্যে পুরো দল এবং ম্যানেজমেন্টের কাছে ক্ষমা চেয়েছি।

আমি সকাল ৮:৩৭-এ উঠেছিলাম ও ৮:৪৩-এ লবিতে গিয়েছিলাম এবং আমার রাইড প্রস্তুত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি সকাল ৯:০০-এ হোটেল ছেড়েছি। আমি সকাল ৯:৪০-এ স্টেডিয়ামে প্রবেশ করেছি, ম্যাচ টসের ২০ মিনিট আগে সকাল ১০:০০-এ। আমরা সকাল ১০:১৫-এ জাতীয় সংগীত গেয়েছিলাম এবং ম্যাচটি সকাল ১০:৩০-এ শুরু হয়েছিল।

এটি খুবই দুর্ভাগ্যজনক যে এই তথাকথিত ক্রীড়া সাংবাদিকরা গুজবের ভিত্তিতে খবর প্রচার/মুদ্রণ করছে এবং যাচাই না করে আমার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে যা জাতীয় ক্রিকেট দলের একজন খেলোয়াড় হিসাবে।

যারা আমাকে চেনেন তারা জানেন আমি আমাদের দেশকে কতটা ভালোবাসি এবং বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য কতটা নিবেদিত, উৎসাহী এবং গর্বিত। আমি জানি আমি সময়মতো টিমের বাসে না ওঠার একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল করেছি, কিন্তু আমি টসের আগেই স্টেডিয়ামে ছিলাম। আমার চূড়ান্ত দলে নির্বাচিত না হওয়াটা টিম ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্ত ছিল। যা সঠিক টিম কম্বিনেশন পাওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত এবং এটি আমার টিম বাসে না ওঠার ব্যর্থতার সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল না। তাই, আমি আশা করি মিডিয়া এবং ক্রীড়া সাংবাদিকরা মিথ্যা গল্প লেখার আগে আরও সতর্কতা অবলম্বন করবেন এবং একটি বিষাক্ত পরিবেশ তৈরি করবেন না।

এটি কেবল আমাদের খেলোয়াড়দের ক্ষতি করে না বরং আমাদের দেশের সামগ্রিক চিত্রকে ক্ষুণ্ন করে। আমি বিশ্বাস করি আমরা সবাই সৎ এবং পেশাদার সাংবাদিকতা আশা করি যাতে জাতি হিসেবে এগিয়ে যেতে পারি।

ভবিষ্যতে, আমি আইনিভাবে এই ধরনের বিষয়ে ব্যবস্থা নেব যাতে কেউ ক্রীড়াবিদ বা মানুষ হিসেবে আমার সুনাম বা অখণ্ডতা ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা না করে। আমার ভক্তদের ধন্যবাদ তাদের অব্যাহত সমর্থনের জন্য।’

পার্থ/সালমান/

মুশতাকে আগ্রহী বিসিবি

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৪, ১১:৫০ এএম
আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৪, ১১:৫০ এএম
মুশতাকে আগ্রহী বিসিবি
ছবি- সংগ্রহীত

সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের স্পিন বোলিং পরামর্শকের দায়িত্বে ছিলেন মুশতাক আহমেদ। স্বল্প সময়ে তার হাত ধরে সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ দল। এবার তার চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে যাচ্ছে বিসিবি। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বিসিবির ক্রিকেট অপারেশনস চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস।

আজ দুপুর তিনটায় বিসিবির বোর্ড সভায় মুশতাক আহমেদের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে আলোচনা হবে। এছাড়া বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের পারফরম্যান্স, পূর্বাচল শেখ হাসিনা স্টেডিয়াম প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হবে।

বিশ্বকাপসহ দুই মাস বাংলাদেশ দলের কোচিং প্যানেলে কাজ করেছেন মুশতাক আহমেদ। তার অধীনে নিজেকে আরও বেশি শানিয়ে তুলেছেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। তার কাজে খুশি হয়ে আপাতত চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে আগ্রহী বিসিবি।

বেলজিয়ামকে বিদায় করে কোয়ার্টারে ফ্রান্স

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৪, ১২:৫৭ এএম
আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৪, ১২:৫৭ এএম
বেলজিয়ামকে বিদায় করে কোয়ার্টারে ফ্রান্স
ছবি: সংগৃহীত

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ফ্রান্স ও বেলজিয়ামের অবস্থান পাশাপাশি। তবে মাঠের খেলায় সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতার দেখা মেলেনি। অবশ্য সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে বেলজিয়ামের চেয়ে যোজন যোজন এগিয়ে ছিল ফরাসিরা। তার প্রমাণ পুরো ম্যাচজুড়ে আধিপত্য কিলিয়ান এমবাপ্পে-অ্যান্তেনিও গ্রিজম্যানদের। মাঠের প্রভাব অবশ্য বোঝা যায়নি ফল দেখে। কারণ, গোল পেতে ফরাসিদের অপেক্ষা করতে হয়েছে ৮৫ মিনিট পর্যন্ত। নিজেদের জালে বল জড়িয়ে ফ্রান্সের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা নিশ্চিত করে দেন জ্যান ভার্টোনেন।

ডুসেলডর্ফে ম্যাচের শুরু থেকে বেলজিয়ামের ওপর ছড়ি ঘোরায় ফরাসিরা। একের পর এক আক্রমণ করেও বলার মতো কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। ফরাসি স্ট্রাইকারদের একের পর এক ব্যর্থতায় মনে হচ্ছিল খেলা হয়তো গড়াবে অতিরিক্ত সময়ে। ম্যাচ শেষ হওয়ার মিনিট পাঁচেক আগে ডেডলক ভাঙেন কোলো মুয়ানি। বেলজিয়ামের জাল উদ্দেশ করে নেওয়া তার শট ভার্টোনেনের পায়ে লেগে জড়ায় জালে। তাতে ফরাসিদের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত হয়।