ঢাকা ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বসনিয়া চ্যালেঞ্জ সুইসদের ১৮ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি কানাডার সামনে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নরা ৬ গোলের ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে হারাল ইংল্যান্ড দুবার পিছিয়ে পড়েও সমতায় ফিরল ক্রোয়েশিয়া ফুটবল তার শক্তি দেখাল, মাঠে আসছেন ভোজিনহার মা বিশ্বমঞ্চে নিস্তেজ রোনালদো রোনালদোর পর্তুগালকে আটকে দিয়ে বিশ্বকাপে ডিআর কঙ্গোর ইতিহাস অনুশীলনে ফিরলেন নেইমার যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির খসড়া ফাঁস বিশ্বকাপে প্রথম গোলে পর্তুগালের বিপক্ষে সমতায় কঙ্গো ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করেছে: জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল মেসির পর রোনালদোর কীর্তি পর্তুগালের একাদশে রোনালদো ইরান ও লেবাননে মানবিক সহায়তা দেবে চীন লায়লা বাউলের পাশে দাঁড়াল সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ফের উত্তপ্ত লেবানন, নতুন হামলা ইসরায়েলের চুক্তি না মানলে ইরানে ফের হামলার হুমকি ট্রাম্পের ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপন অনুষ্ঠান হবে জুনের শেষ সপ্তাহে ঝিনাইদহে মোটরসাইকেল চোরচক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার জোরপূর্বক মানুষকে বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে ভারত—হিউম্যান রাইটস ওয়াচের দাবি মায়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া হবে, ভারত সীমান্তেও পরিকল্পনা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যারা বলে ‘সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ তাদের থেকে সতর্ক থাকুন: প্রধানমন্ত্রী রংপুরের ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় ৬৬৫ নারী নাসার আর্টেমিস থ্রি মিশনের নভোচারীদের নাম চূড়ান্ত নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে দুই শ্রমিক নিহত শেষ যাত্রা জানাজায়, মাঝপথেই থেমে গেল জীবন সাজেকে বিজিবির বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়াম অটোমোবাইল ডেস্ক সময় টিভির এমডি জোবায়েরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
Nagad desktop

ধারাবাহিক উপন্যাস মোহিনী

প্রকাশ: ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫৫ এএম
আপডেট: ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:০৩ এএম
মোহিনী

চত্বারিংশ পর্ব

দেখ, তোমার মতো মানুষের প্রজেক্ট ব্যর্থ হলে কিন্তু আর মুখ দেখাতে পারবে না। 
ঠিক। আমি সেটা নিয়েই বেশি চিন্তিত। তবে আশা করি চালিয়ে যেতে পারব। তো, আজকে আমি উঠি। অনেক ভালো লাগল। 
বসো না! আর কিছুক্ষণ গল্প করি। দুপুরে খেয়ে যেও। 
তুমি যে ব্যস্ত মানুষ! 
হুম। আমি ব্যস্ত এ কথা ঠিক। কিন্তু বন্ধুদের কাছে ব্যস্ততা দেখাই না। তুমি নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছ, আমি বন্ধুত্বকে অনেক মূল্য দিই! ঠিক কি না?
হুম। তোমার মতো খুব কম মানুষই আছে। অনেকেই বন্ধুত্বকে কোনো গুরুত্ব দেয় না। কেউ কাউকে মনে রাখে না। পয়সা হলেই তাদের রূপ পাল্টে যায়। এ এক আজব দেশ!
দুজনেই কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন। কে কীভাবে শুরু করবেন তা নিয়ে ভাবলেন। কিছুক্ষণ পর আসিফ বললেন, আমি বরং আজ যাই। পরে এক সময় তোমার সঙ্গে লাঞ্চ করব। 
কেন? আজ কি বিশেষ কোনো ব্যস্ততা আছে? 
আছে একটু। কথা দিচ্ছি আবার আসব। 
ঠিক আছে। যাও তাহলে। এসো। এ রকম হুট করে চলে এসো। আমি কিছু মনে করব না। 
আসিফ আহমেদ উঠে রওনা করলেন। মোহিনী তাকে বাড়ির গেট পর্যন্ত এগিয়ে দিলেন। আসিফ আহমেদ বাড়ির গেট পার হওয়া পর্যন্ত স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন মোহিনী। তিনি আসিফ আহমেদের চলে যাওয়া দেখলেন। 

খবরটা শুনে শাহবাজ খানের মাথায় যেন বাজ পড়ল। 
পুলিশ তাকে মামলা থেকে রেহাই দিলেও নিয়তি তাকে রেহাই দিচ্ছে না। পেছন দিক থেকে তাকে খামছে ধরছে। তিনি ভেবেছিলেন, তার বিপদ কেটে গেছে। আপাতত আর কোনো বিপদের আশঙ্কা নেই। কিন্তু না। বস্তায় বস্তায় টাকা বিলিয়েও তিনি বিপদ তাড়াতে পারছেন না। একটা যায়, আরেকটা বিপদ এসে তার ওপর ভর করে। যখন বিপদ আসে, চারদিক থেকে যেন পঙ্গোপালের মতো হানা দিতে থাকে। নতুন বিপদ আসার আগে তিনি ধারণা করেছিলেন, পুলিশ কিনে ফেলতে পারলে আর কোনো সমস্যা হবে না। কেউ তাকে আটকাতে পারবে না। তার পরও তিনি মিডিয়াকে টাকা দিয়ে হাত করেছেন। মিডিয়ার মালিকদের কারও কারও চরিত্র হনন করে; আবার কাউকে হুমকি দিয়ে চুপ করিয়ে দিয়েছেন। কেউ আর রুবিনা ইস্যু নিয়ে রিপোর্ট করছে না। ঘটনার অনুসন্ধান তো দূরের কথা, প্রতিদিন যা ঘটছে তাও কেউ প্রকাশ করছে না। সবার যেন কোমরভাঙা অবস্থা। কারও মেরুদণ্ড তো নাই-ই। 
শাহবাজ খান ক্রাইম রিপোর্টারদের নিজের বাসায় ডেকে খাইয়েছেন। নগদ টাকা হাতে ধরিয়ে দিয়েছেন। আরও দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। অনেককে আই ফোন দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, ক্রাইম রিপোর্টারদের সংগঠনকে জমি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ফলে তারা টুঁ-শব্দটি করছে না। সরকারি পর্যায়ে অর্থ ঢেলে বিরুদ্ধবাদীদের পক্ষে টেনেছেন। এমনকি নিম্ন আদালতেও টাকার বস্তা নিয়ে হাজির হয়েছেন। বিপদের সব রাস্তা সিলগালা করে দিয়েছেন। এতকিছুর পরও কেন বিপদ বারবার উঁকি দিচ্ছে!
লাশের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে, মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা ছিল। তার মানে, এবার ভ্রুণ হত্যার অভিযোগ! প্রথমে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ এনে শাহবাজ খানের বিরুদ্ধে মামলা হয়। সেই মামলা থেকে তাকে রেহাই দেয় পুলিশ। পরে নিবিড় অনুসন্ধানের পর জানা যায়, রুবিনা আত্মহত্যা নয়, তাকে হত্যা করা হয়েছে। এখন মেডিকেল রিপোর্টে আরও বলা হয়, রুবিনা অন্তঃসত্ত্বা ছিল। ফলে রুবিনা এবং ভ্রুণ হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে শাহবাজ খানের বিরুদ্ধে। নতুন করে শাহবাজ খানের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এবার মামলার তদন্ত ভার দেওয়া হয়েছে পুলিশের বিশেষ ইউনিট পিবিআইকে। 
শাহবাজ খানের ধারণা, এর পেছনে নিশ্চয়ই বড় কোনো ষড়যন্ত্র আছে। তা না হলে সব শেষ হয়ে যাওয়ার পর নতুন করে কেন মামলা হলো! এর পেছনে সরকারের কোনো পক্ষের ইন্ধন নেই তো! 
শাহবাজ খান মনে মনে ভাবেন, এই মামলা থেকে আমি কীভাবে বাঁচব! পিবিআইয়ের প্রধান কে? সে ঘুষ খায় না? কত টাকা খায় না? টাকা দিয়ে পুরো পিবিআইকে কিনে ফেলতে হবে। এ ছাড়া আর কোনো পথ নেই। টাকারে টাকা! টাকা না হলে কি যে হতো! আমার তিন-চারবার ফাঁসি হতো।  
শাহবাজ খান চিৎকার দিয়ে বললেন এই কে আছিস!
তিন চারজন পিএস, এপিএস তার সামনে গিয়ে হাজির। সবাই থরথর করে কাঁপছে। তাদের দেখে শাহবাজ খান গালাগাল শুরু করেছেন। শুয়োরের বাচ্চা, কুত্তার বাচ্চা... ইত্যাদি ধরনের খারাপ খারাপ গাল। শুধু পিএস এপিএসকে নয়, তৈল মিলন ও তেলবাজ তুষারের চৌদ্দগুষ্টি তুলে গালাগাল শুরু করছেন। 
গালাগালারের পরও শাহবাজ খানের মেজাজ ঠাণ্ডা হয়নি। তিনি তৈল মিলন আর তেলবাজ তুষারের নাম ধরে বললেন, এই শুয়োরের বাচ্চারা হারাম খায়। কোনো কাজ করে না। আজকে আমি বিপদে পড়ছি। আর ওই শুয়োরের বাচ্চারা নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছে। মনে চায়, ওদের গালে জুতা মারি! হারামখোর! ওই শুয়োরেরর বাচ্চাদের ডাক! এই মুহূর্তে আমার সামনে হাজির কর। 
পিএস-এপিএস সবাই বের হয়ে গেল। তারা পাগলা কুকুরের মতো বাইরে এসে দৌড়াদৌড়ি শুরু করল। আর ফিসফিস করে বলতে শুরু করল, স্যারের মেজাজ বিগড়াইছে। উল্টাপাল্টা আচরণ করতেছে। কেউ স্যারের ধারেকাছেও যাইও না।

                                                                                 চলবে...

 

আগের পর্ব পড়তে ক্লিক করুন...

পর্ব-১পর্ব-২পর্ব-৩পর্ব-৪পর্ব-৫পর্ব-৬পর্ব-৭পর্ব-৮পর্ব-৯, পর্ব-১০পর্ব-১১পর্ব-১২পর্ব-১৩, পর্ব-১৪পর্ব-১৫পর্ব-১৬পর্ব-১৭পর্ব-১৮পর্ব-১৯পর্ব-২০পর্ব-২১পর্ব-২২পর্ব-২৩পর্ব-২৪, পর্ব-২৫,  পর্ব-২৬,

পর্ব-২৭ পর্ব-২৮ পর্ব-২৯, পর্ব-৩০,পর্ব -৩১, পর্ব-৩২, পর্ব-৩৩,পর্ব-৩৪, পর্ব-৩৫, পর্ব-৩৬, পর্ব-৩৭, পর্ব-৩৮, পর্ব-৩৯, 

কবিতা হেলিওস

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৫৩ পিএম
হেলিওস

একটা অবসরপ্রাপ্ত দুপুরকে নিয়ে

          অর্ধবৃত্তের মতো অবকাশ রচনা করেছি

 

আছে মা-পাখির ডিম ভেঙে যাবার প্রতিকল্পে

            সর্বজনীন বেদনা

বৃদ্ধ বাবার ঝাপসা দৃষ্টির ভেতর এক বুকচাপা

            দীর্ঘশ্বাসের সীমিত চতুর্ভুজ

রানা প্লাজাসদৃশ ব্যথিত পাণ্ডুলিপি

তরতাজা যুবকের গুম হওয়ার ন্যায়

                   একটা দীর্ঘ সকাল

আছে মায়ের জেগে থাকা চোখ

আছে একজোড়া

            সুসিদ্ধ ইকোলজি

আছে বোনের ব্যবহৃত কাঁকড়া ক্লিপের উদার সৌন্দর্য

আছে একটা গামছায় হাত মোছার দুটো অবিকল সবাক ছবি

 

এই তো আমার রূপকল্পের ইতিবৃত্ত

 

 এখন কোনো অবসরপ্রাপ্ত দুপুরকে নিয়ে

            আমি পূর্ণবয়স্ক অবকাশ রচনা করব

জীবনের সব হুলস্থূল এনে ভরে রেখে দেব

 

 দ্যাখো, হেলিওসের মতোনই তোমাদের কাছে যাব আমি

 

ছোট্ট এক টুকরো আত্মা

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৫১ পিএম
ছোট্ট এক টুকরো আত্মা

ছোট্ট এক টুকরো আত্মা

গহিন অতলের অবাধ চত্বরে বৈভবে থাকে

তাকে কি টুকরো টুকরো করা যায়

অবয়বে বেড়ে ওঠে না কস্মিনকালে

এক টুকরোই থেকে যায় আদিঅন্ত কাল

ভূমিদস্যুরা তবু ওই জলা দখলে মত্ত হয়

বেপরোয়া ছুরি-কাঁচির নির্মমতায়

ঝরনার উৎস স্তব্ধ করে

ফালি ফালি করা অবয়ব থেকে বেরোয়

অজস্র শোণিত ধারা

নদী পর্যন্ত যেতে পারে না শুকিয়ে জ্বলে

ভেসে ভেসে বেড়ায় নিশ্চিহ্ন কাঠামো

নিক্ষিপ্ত হয় মর্তের ঝড়ে

মর্গের ব্যবচ্ছেদে খুঁজে পায় না শিশু আত্মা

পায় শুধু

ছোট্ট এক টুকরো জীবনের অবিকাশ! অবিকাশ!

কবিতা অধরা ও কবি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৪৫ পিএম
অধরা ও কবি

অধরা

সময়ের বেড়াজালে বন্দি খাঁচায়

দূর পানে চেয়ে থাকি তোমার আশায়

উজান সময় স্রোতে এই অবেলায়

তুমি আসবে তো? ভালোবাসবে তো?

 

কবি

কী আছে তোমার? অর্থ, বিত্ত, বৈভব?

প্রভাব, প্রতিপত্তি? বলো, চুপ থেকো না

, এসব তোমার নেই! এবার, তুমিই বলো

আমি কেমন করে তোমার কবিতা হই?

কেমন করে তোমার কাছে আসি

কেমন করে তোমায় ভালোবাসি?

কবিতা প‌রিণ‌তি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৪২ পিএম
প‌রিণ‌তি

কালো চিমনিরধোঁয়ায় আকাশের বুকজুড়ে মে কালোমেঘ

মৃত পাখির বাসা সে ড়ে রক্তাক্ত নে

্যামল বাগানগুলো ড়ে আছে যুদ্ধাহত ক্ষতবিক্ষত সৈনিকের তো

জ্বলন্ত কয়লার পাহাড়,

জাগিয়ে তোলে মাটির গহ্বরে ঘুমিয়ে থাকা আগুনকে

প্লাস্টিকের সমুদ্দুর,

ক্ষুধার্ত দৈত্যের তো গিলে খাচ্ছে পৃথিবীকে

যুদ্ধের দামামা পোড়ামাটির ্যস বাড়াতে থাকে শুধু

বোমার ব্দে রে পড়ে পাখির পালক,

আকাশের নীল রং

ভাঙা কাচ য়ে আছড়ে ড়ে মিনে

পৃথিবীর কপালে আগুনের থার্মোমিটার

কামারের হাতুড়ির তো আছড়ে ড়ে উন্মত্ত রোদ

জ্বরে পোড়া পৃথিবীর গা থেকে ঝরতে থাকে বরফ অবিরাম

বৃদ্ধের শুভ্র দাড়ির তন

 

ক্ষুধার্ত সমুদ্র গিলে খায়,

মানুষের স্বপ্নে বোনাউঠোন

তৃষ্ণার কঙ্কা মিনে আঁকে ছড়ানো মানচিত্র

নদীর তীর ক্ষুধার্ত ষাঁড়ের তো গ্রামে ঢুকে ড়ে পাখির কিচিরমিচির বাজেয়াপ্ত হয় কোনো এক ভোরে,

বাড়তে থাকে ছিন্নমূল মানুষের ভেলা,

পৃথিবীর জ্বর নামানোর দাওয়াই খুঁজতে,

লি থেকে মাথাগুলো জড়ো হয় জাতিসংঘের টেবিলে

কথার খই ফোটে, বে চোখ বাঁধা থাকে কালো ফিতায়

 

কবিতা বলির আগে

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৩৪ পিএম
বলির আগে

আমার কথার পরে যদি কোনোদিন

ব্যথা পেয়ে থাকো

যদি এই দুর্দিনে সমূহ বিপদে মনে করো

ডাক দিও কোনো এক নির্মম সকালে

 

আমার বুকেরপরে দূর্বা যেমন থাকে

বেদনায় নীলপদপিষ্ট হলুদ সোহাগে

একবার চোখের জলে ধুয়ে নিও

সকল কলুষতাযেভাবে ধর্ম ছাগ

বলির আগে মুছে ফেলে যত ক্লেদ