ঢাকা ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
পর্তুগালের একাদশে রোনালদো ইরান ও লেবাননে মানবিক সহায়তা দেবে চীন লায়লা বাউলের পাশে দাঁড়াল সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ফের উত্তপ্ত লেবানন, নতুন হামলা ইসরায়েলের চুক্তি না মানলে ইরানে ফের হামলার হুমকি ট্রাম্পের ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপন অনুষ্ঠান হবে জুনের শেষ সপ্তাহে ঝিনাইদহে মোটরসাইকেল চোরচক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার জোরপূর্বক মানুষকে বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে ভারত—হিউম্যান রাইটস ওয়াচের দাবি মায়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া হবে, ভারত সীমান্তেও পরিকল্পনা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যারা বলে ‘সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ তাদের থেকে সতর্ক থাকুন: প্রধানমন্ত্রী রংপুরের ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় ৬৬৫ নারী নাসার আর্টেমিস থ্রি মিশনের নভোচারীদের নাম চূড়ান্ত নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে দুই শ্রমিক নিহত শেষ যাত্রা জানাজায়, মাঝপথেই থেমে গেল জীবন সাজেকে বিজিবির বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়াম অটোমোবাইল ডেস্ক সময় টিভির এমডি জোবায়েরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ZEEHO Bangladesh ও Riding School BD-এর মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর যুক্তরাষ্ট্রে ৫ হাজার ৮০৭ প্রবাসীর হাতে যাচ্ছে এনআইডি হেরোইনসহ মা-বাবা ও ছেলে আটক, বাড়িতে আগুন সমুদ্রের নিচে চীনের নতুন ডেটা সেন্টার সোনারগাঁয়ে স্কুল ফাঁকি দিয়ে মেঘনায় গোসল, দুই স্কুল ছাত্রের মৃত্যু বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমল ৫ শতাংশের বেশি সোনারগাঁয়ে মেঘনায় গোসলে নেমে ২ শিক্ষার্থীর মৃত্যু নৌবাহিনীর ডকইয়ার্ডে নির্মিত হচ্ছে ৫টি ‘রিভারাইন পেট্রল ভেসেল’ স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরে স্যামসাংয়ের নতুন ল্যাপটপ গুরুদাসপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় বৃদ্ধের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড টাঙ্গাইল মেডিকেলে হঠাৎ পরিদর্শন, অসন্তোষ প্রকাশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্কুল ফিডিংয়ে ১৬ শিক্ষার্থী অসুস্থ দুর্নীতির মামলায় আবেদপুত্র সিয়ামের বিচার শুরু
Nagad desktop

ধারাবাহিক উপন্যাস মোহিনী

প্রকাশ: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৩২ পিএম
মোহিনী

ষট্‌চত্বারিংশ পর্ব

পত্রিকাটিকে ধরে রাখাই আসিফ আহমেদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনো কারণে অর্থের জোগান বন্ধ হয়ে গেলে বিরাট ভাবমূর্তিসংকটে পড়বেন তিনি। কারণ, তার নামের ওপরই পত্রিকাটি দাঁড়িয়ে আছে। তার পরম যত্নে লালিত-পালিত হচ্ছে। একটি শিশু জন্ম নেওয়ার পর যেভাবে মা তার সন্তানকে আদর-ভালোবাসা আর মমতা দিয়ে তিল তিল করে বড় করে তোলেন; সেভাবেই আসিফ আহমেদ পত্রিকাটিকে নিয়ে অগ্রসর হচ্ছেন। তার ভাবমূর্তির কারণেই পত্রিকাটি দ্রুত গতিতে সামনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এর ব্র্যান্ড ইমেজ অত্যন্ত ভালো। কোনো দলীয় প্রলেপ নেই। কোনো নিউজ হাইড করার উদাহরণ নেই। মিথ্যা কিংবা ভালোগার কোনো নিউজ নেই। কোনো কারণে কোনো নিউজ ড্রপ করতে হয়নি। দেশের বিশিষ্টজনরা এই পত্রিকায় নিয়মিত লেখেন। সব মিলিয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক ভাবমূর্তি নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে পত্রিকাটি। অতি অল্প সময়ে জায়গা করে নিয়েছে। এখন শুধু ধরে রাখতে পারলেই এটি লাভজনক একটি প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়া যাবে। কিন্তু ব্যাপারটা বিনিয়োগকারীরা বুঝতে পারছেন না। আসলে তারা এর গুরুত্বই উপলব্ধি করতে পারছেন না। তাই বিনিয়োগ নিয়ে নানারকম বাহানা করছেন।  

আসিফ আহমেদ হঠাৎ রুম থেকে বিদ্যুৎ গতিতে বের হলেন। তিনি অফিসের দরজা খুলে বাইরে চলে গেলেন। এমন ভাব দেখালেন যে, তার কাছে বিশেষ কোনো অতিথি এসেছে। তাকে রিসিফ করতে এগিয়ে গেছেন। আবার এমনও কেউ কেউ ভাবতে পারেন, বিশেষ কারও সঙ্গে ফোনে কথা বলছেন। তিনি তার কথাগুলো অফিসের কাউকে জানাতে চান না।  

অফিসে কানাঘুষা শুরু হয়েছে। একজন আরেকজনের চোখের দিকে তাকিয়ে চোখের ইশারায় কথা বলছে। কেউ কেউ মুচকি হাসছে। কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে নিচু গলায় খুশি বলল, সম্পাদক ভাইয়ের কী হলো? মনে হচ্ছে কোনো ঝামেলা লাগছে। বড় কোনো ঝামেলা। কথাবার্তায় সেই রকমই মনে হচ্ছে। আমরা যে কোথায় এসে পড়লাম! কপালে যে কী আছে বিধাতাই জানেন!

দিনা ফিসফিস করে বলল, বাদ দাও না! আদার ব্যাপারীর হাজারের খবর রাইখ্যা কী লাভ? শুধু শুধু দুশ্চিন্তা! আমরা কামলা মানুষ। আমাদের অত চিন্তা কইরা জীবন নষ্ট করার কী দরকার? 
খুশি বিস্ময়ের সঙ্গে বলল, আরে! এইটা কোনো কথা হইল? আমাদের জানতে হবে না? কারা বিনিয়োগকারী? যদি দুই দিন পর বেতন বন্ধ হইয়া যায়! আমরা সম্পাদকের সৎ ভাবমূর্তি দিয়া পানি খামু!
দিনা জিহ্বার ওপর দাঁত চেপে বলল, আস্তে আস্তে! কেউ শুনে ফেললে সর্বনাশ হয়ে যাবে!
সর্বনাশ আর কী হইব? আমার মনে হয়, আমরা এইখানে আইসা যেন ফাইসা গেছি! মানুষ বলে না, মাইনকার চিপা! আমরা সেই মাইনকার চিপায় পড়ছি!
কথার মাঝখানে বীনু এসে দুজনের কাঁধের ওপর দুই হাত রেখে মাথা নিচু করল। তার পর নিচু গলায় বলল, কী হয়েছে? ফিসফিস করে দুজনে কী কইতেছ?
দুজনই বীনুর দিকে একবার তাকিয়ে কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে আছে। কোনো জবাব দিচ্ছে না। এরা দুজন বীনুকে খুব একটা পছন্দ করে না। বীনুর গলা না যেন ফাঁটা বাঁশ। হাসলে যেন বিল্ডিং কাঁপে। চিৎকার দিয়ে কথা বলে। ওকে কোনো কথা বললে মুহূর্তের মধ্যে তা রাষ্ট্র হয়ে যায়। তাই খুশি ও দিনা মুখে কুলুম এঁটেছে। কিন্তু বীনু ওদের মুখ থেকে কথা বের করবেই- এমন একটা ভাব। সে দুজনকেই ঘাড়ের ওপর ঘাই মেরে বলল, বল না কী হয়েছে? 
খুশি বিরক্তির সঙ্গে বলল, কিছু হয়নি। 
কিছু হয়নি মানে! এতক্ষণ যে তোরা কথা বললি!
দিনা বলল, ব্যক্তিগত বিষয়। ওসব শুনে তোমার কাজ নেই। 
বীনু মুখ গোমরা করে বলল, তাহলে বলবি না?
খুশি ও দিনা কোনো কথা বলল না। বীনু চিৎকার চেঁচামেচি করতে করতে বলল, আমার সঙ্গে কেন জানি মানুষ সতীনের মতো আচরণ করে! কেন করে আমি বুঝি না। আমি কী খুব খারাপ মানুষ?  
খুশি ও দিনা চোখ বড় বড় করে বীনুর দিকে তাকায়। বিব্রত আর বিস্ময়ের একটা ছাপ তাদের মুখাবয়বে। 

বাইরে প্রচণ্ড রোদ। রোদের উত্তাপে যেন আগুনের ফুলকি ঝরছে। ভ্যাপসা গরম। দিনে দিনে ঢাকা শহর যেন মরু শহরে পরিণত হতে যাচ্ছে। দিল্লি-কলকাতার পর ঢাকা শহরও উত্তপ্ত জনপদে পরিণত হচ্ছে। অনেকেই বলছেন, এটা জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা। সমুদ্রে পানির উচ্চতা দ্রুত বাড়ছে। হিমালয়ে বরফ গলছে। কর্কটক্রান্তি রেখার প্রভাবে এসব পরিবর্তন পরিলক্ষিত হচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন। ভবিষ্যতে এই অঞ্চল যদি মরুভূমিতেও পরিণত হয় তাহলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

সোনারগাঁওয়ের লবিতে বসে এমনটাই ভাবছিলেন আসিফ আহমেদ। তিনি এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন। তিনি পত্রিকায় বিনিয়োগ করবেন বলে আশ্বস্ত করেছিলেন। তিন দিনের মাথায় কি এমন ঘটল যে, তিনি নেগেটিভ হয়ে গেলেন! এখন বলছেন দেখি কি করা যায়! অথচ আগামী মাসের বেতন কীভাবে হবে তা জানেন না আসিফ আহমেদ। ব্যবসায়ী লোকটির কথায় যারপর নাই হতাশ হয়েছেন 
আসিফ আহমেদ। 
চলবে...

আগের পর্ব পড়তে ক্লিক করুন...

পর্ব-১পর্ব-২পর্ব-৩পর্ব-৪পর্ব-৫পর্ব-৬পর্ব-৭পর্ব-৮পর্ব-৯, পর্ব-১০পর্ব-১১পর্ব-১২পর্ব-১৩, পর্ব-১৪পর্ব-১৫পর্ব-১৬পর্ব-১৭পর্ব-১৮পর্ব-১৯পর্ব-২০পর্ব-২১পর্ব-২২পর্ব-২৩পর্ব-২৪, পর্ব-২৫,  পর্ব-২৬,

পর্ব-২৭ পর্ব-২৮ পর্ব-২৯পর্ব-৩০,পর্ব -৩১, পর্ব-৩২, পর্ব-৩৩,পর্ব-৩৪, পর্ব-৩৫, পর্ব-৩৬, পর্ব-৩৭, পর্ব-৩৮, পর্ব-৩৯, পর্ব-৪০পর্ব-৪১পর্ব-৪২, পর্ব-৪৩

 পর্ব-৪৪, পর্ব-৪৫

কবিতা হেলিওস

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৫৩ পিএম
হেলিওস

একটা অবসরপ্রাপ্ত দুপুরকে নিয়ে

          অর্ধবৃত্তের মতো অবকাশ রচনা করেছি

 

আছে মা-পাখির ডিম ভেঙে যাবার প্রতিকল্পে

            সর্বজনীন বেদনা

বৃদ্ধ বাবার ঝাপসা দৃষ্টির ভেতর এক বুকচাপা

            দীর্ঘশ্বাসের সীমিত চতুর্ভুজ

রানা প্লাজাসদৃশ ব্যথিত পাণ্ডুলিপি

তরতাজা যুবকের গুম হওয়ার ন্যায়

                   একটা দীর্ঘ সকাল

আছে মায়ের জেগে থাকা চোখ

আছে একজোড়া

            সুসিদ্ধ ইকোলজি

আছে বোনের ব্যবহৃত কাঁকড়া ক্লিপের উদার সৌন্দর্য

আছে একটা গামছায় হাত মোছার দুটো অবিকল সবাক ছবি

 

এই তো আমার রূপকল্পের ইতিবৃত্ত

 

 এখন কোনো অবসরপ্রাপ্ত দুপুরকে নিয়ে

            আমি পূর্ণবয়স্ক অবকাশ রচনা করব

জীবনের সব হুলস্থূল এনে ভরে রেখে দেব

 

 দ্যাখো, হেলিওসের মতোনই তোমাদের কাছে যাব আমি

 

ছোট্ট এক টুকরো আত্মা

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৫১ পিএম
ছোট্ট এক টুকরো আত্মা

ছোট্ট এক টুকরো আত্মা

গহিন অতলের অবাধ চত্বরে বৈভবে থাকে

তাকে কি টুকরো টুকরো করা যায়

অবয়বে বেড়ে ওঠে না কস্মিনকালে

এক টুকরোই থেকে যায় আদিঅন্ত কাল

ভূমিদস্যুরা তবু ওই জলা দখলে মত্ত হয়

বেপরোয়া ছুরি-কাঁচির নির্মমতায়

ঝরনার উৎস স্তব্ধ করে

ফালি ফালি করা অবয়ব থেকে বেরোয়

অজস্র শোণিত ধারা

নদী পর্যন্ত যেতে পারে না শুকিয়ে জ্বলে

ভেসে ভেসে বেড়ায় নিশ্চিহ্ন কাঠামো

নিক্ষিপ্ত হয় মর্তের ঝড়ে

মর্গের ব্যবচ্ছেদে খুঁজে পায় না শিশু আত্মা

পায় শুধু

ছোট্ট এক টুকরো জীবনের অবিকাশ! অবিকাশ!

কবিতা অধরা ও কবি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৪৫ পিএম
অধরা ও কবি

অধরা

সময়ের বেড়াজালে বন্দি খাঁচায়

দূর পানে চেয়ে থাকি তোমার আশায়

উজান সময় স্রোতে এই অবেলায়

তুমি আসবে তো? ভালোবাসবে তো?

 

কবি

কী আছে তোমার? অর্থ, বিত্ত, বৈভব?

প্রভাব, প্রতিপত্তি? বলো, চুপ থেকো না

, এসব তোমার নেই! এবার, তুমিই বলো

আমি কেমন করে তোমার কবিতা হই?

কেমন করে তোমার কাছে আসি

কেমন করে তোমায় ভালোবাসি?

কবিতা প‌রিণ‌তি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৪২ পিএম
প‌রিণ‌তি

কালো চিমনিরধোঁয়ায় আকাশের বুকজুড়ে মে কালোমেঘ

মৃত পাখির বাসা সে ড়ে রক্তাক্ত নে

্যামল বাগানগুলো ড়ে আছে যুদ্ধাহত ক্ষতবিক্ষত সৈনিকের তো

জ্বলন্ত কয়লার পাহাড়,

জাগিয়ে তোলে মাটির গহ্বরে ঘুমিয়ে থাকা আগুনকে

প্লাস্টিকের সমুদ্দুর,

ক্ষুধার্ত দৈত্যের তো গিলে খাচ্ছে পৃথিবীকে

যুদ্ধের দামামা পোড়ামাটির ্যস বাড়াতে থাকে শুধু

বোমার ব্দে রে পড়ে পাখির পালক,

আকাশের নীল রং

ভাঙা কাচ য়ে আছড়ে ড়ে মিনে

পৃথিবীর কপালে আগুনের থার্মোমিটার

কামারের হাতুড়ির তো আছড়ে ড়ে উন্মত্ত রোদ

জ্বরে পোড়া পৃথিবীর গা থেকে ঝরতে থাকে বরফ অবিরাম

বৃদ্ধের শুভ্র দাড়ির তন

 

ক্ষুধার্ত সমুদ্র গিলে খায়,

মানুষের স্বপ্নে বোনাউঠোন

তৃষ্ণার কঙ্কা মিনে আঁকে ছড়ানো মানচিত্র

নদীর তীর ক্ষুধার্ত ষাঁড়ের তো গ্রামে ঢুকে ড়ে পাখির কিচিরমিচির বাজেয়াপ্ত হয় কোনো এক ভোরে,

বাড়তে থাকে ছিন্নমূল মানুষের ভেলা,

পৃথিবীর জ্বর নামানোর দাওয়াই খুঁজতে,

লি থেকে মাথাগুলো জড়ো হয় জাতিসংঘের টেবিলে

কথার খই ফোটে, বে চোখ বাঁধা থাকে কালো ফিতায়

 

কবিতা বলির আগে

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৩৪ পিএম
বলির আগে

আমার কথার পরে যদি কোনোদিন

ব্যথা পেয়ে থাকো

যদি এই দুর্দিনে সমূহ বিপদে মনে করো

ডাক দিও কোনো এক নির্মম সকালে

 

আমার বুকেরপরে দূর্বা যেমন থাকে

বেদনায় নীলপদপিষ্ট হলুদ সোহাগে

একবার চোখের জলে ধুয়ে নিও

সকল কলুষতাযেভাবে ধর্ম ছাগ

বলির আগে মুছে ফেলে যত ক্লেদ